খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: ডা. জাহিদ

দিনাজপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৮:৪০ অপরাহ্ণ
নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: ডা. জাহিদ

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, নিজ দলের কিংবা বিরোধী দলের, সবার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা পরিষদ হলরুমে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যারা শিশুদের নির্যাতন বা ধর্ষণ করে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হয়েছে। এরপরও আর কি শাস্তি দিতে চান, সেটিও ভাবতে হবে।

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকার সন্ত্রাস, মাদক ও মব সংস্কৃতি নির্মূলে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস রহমান, হিলি সার্কেল এর সহকারী পুলিশ সুপার আ, ন, ম নিয়ামত উল্লাহ, হিলি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি পারুল নাহার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএম রেজা বিপুল, পৌর বিএনপির সভাপতি মিঠু খান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হকসহ দলের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হাজারো মুসল্লির অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ
হাজারো মুসল্লির অংশগ্রহণে জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে সাতটায় হাজারো মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই জামাতে অংশ নেন। ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।

ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে ভোর থেকেই মুসল্লিরা রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করেন। পল্টন মোড়, মৎস্য ভবন এবং হাইকোর্টের সামনে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে মুসল্লিরা ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করেন। একইভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রান্তেও দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়।

মুসল্লিদের অনেকের গায়ে নতুন পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি ছিল। জায়নামাজ আনতে বারণ করলেও অনেকে এনেছেন। কেউ আবার সঙ্গে করে পানির বোতল ও ছাতা নিয়ে আসেন, কারণ আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। সব বয়সী মুসল্লির উপস্থিতিতে ঈদগাহ এলাকা পরিণত হয়েছে মিলনমেলায়।

শিশু-কিশোররাও অভিভাবকদের সঙ্গে ঈদগাহে এসেছে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায়ের আনন্দ ভাগাভাগি করতে তাদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মাঠে প্রবেশের সময় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সারিবদ্ধভাবে মুসল্লিরা নির্ধারিত গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন।

প্রধান ঈদ জামাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, বুদ্ধিজীবী, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

নিরাপত্তার স্বার্থে ঈদগাহে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধান ফটকে বসানো আর্চওয়ের মধ্য দিয়ে মুসল্লিদের তল্লাশি করে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে ছিলেন, যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জামাত অনুষ্ঠিত হতে পারে।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের আয়তন প্রায় ৩৩ হাজার বর্গমিটার। এর মধ্যে মূল প্যান্ডেলের আয়তন ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার। মূল প্যান্ডেলের ভেতরে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে আশপাশের সড়কেও মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতে পারবেন।

এবার জাতীয় ঈদগাহে ১২১টি কাতারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আলাদা কাতার রাখা হয়েছে। অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ২৫০ জন পুরুষ ও ৮০ জন নারীর নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকছে।

সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রায় ৩১ হাজার পুরুষ ও ৩ হাজার ৫০০ নারীর জন্য জায়গা রাখা হয়েছে। নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ ও নামাজের জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জাতীয় ঈদগাহে প্যান্ডেলের কাঠামো দাঁড় করাতে লেগেছে ৪৩ হাজারের বেশি বাঁশ। এই কাঠামো মজবুত রাখতে ব্যবহার করা হয়েছে ১৫ টনের বেশি রশি। বৃষ্টি থেকে সুরক্ষায় টাঙানো হয়েছে ১ হাজার ৯০০টি উন্নত মানের ত্রিপল। মাঠ আলোকিত রাখতে ৯০০টি টিউবলাইট জ্বলবে।

গরমের বিষয়টি মাথায় রেখে প্যান্ডেলের ভেতরে ১ হাজার ১০০টির বেশি ফ্যানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অংশে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবস্থা আছে। পুরো মাঠে কার্পেট বিছানো হয়েছে। ডিএসসিসির কর্মকর্তারা বলছেন, জায়নামাজ সঙ্গে আনার প্রয়োজন নেই।

ঈদগাহে প্রবেশের জন্য মোট চারটি ফটক রাখা হয়েছে। এর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য একটি এবং সাধারণ মুসল্লিদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ থাকছে। নামাজ শেষে মুসল্লিরা যাতে সহজে বের হতে পারেন, সে জন্য সাতটি বহির্গমন পথও রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ পুরুষদের জন্য পাঁচটি, নারীদের জন্য একটি এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য একটি পথ নির্ধারণ করা হয়েছে।

অজুর ব্যবস্থাও আলাদা করে করা হয়েছে। একসঙ্গে প্রায় ১৪০ জন অজু করতে পারবেন। এর মধ্যে ১১৩ জন পুরুষ ও ২৭ জন নারী। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ শৌচাগার, সুপেয় পানি, প্রাথমিক চিকিৎসা, অগ্নিনির্বাপণ–ব্যবস্থা, সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা তল্লাশির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

পবিত্র ঈদুল আজহা আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ
পবিত্র ঈদুল আজহা আজ

ত্যাগ, আত্মসমর্পণ ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের বার্তা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারা দেশে বইছে উৎসবের আমেজ।

ঈদের নামাজ আদায়, পশু কোরবানি এবং আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

ঈদ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

পৃথক বাণীতে তারা দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদুল আজহার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ত্যাগ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

ঈদ উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি চলছে। ইতোমধ্যে রাজধানী ছেড়েছেন লাখো মানুষ।

সড়ক, রেল ও নৌপথে ঘরমুখো মানুষের চাপ থাকলেও এবারের ঈদযাত্রা তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এবার পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠেয় এ জামাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেবেন।

প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে সকাল ৮টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বায়তুল মোকাররমে আরও চারটি জামাত হবে সকাল ৭টা, ৯টা, ১০টা ও ১০টা ৪৫ মিনিটে।

অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় দুটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সলিমুল্লাহ মুসলিম হল মসজিদে সকাল ৭টায়, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল লনে সকাল ৮টায় এবং ফজলুল হক মুসলিম হল মাঠে সকাল ৮টায় ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। পাশাপাশি নগরবাসীর নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশবাসীর প্রতি সহমর্মিতা, সৌহার্দ্য ও ত্যাগের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ধর্মীয় ও সামাজিক ব্যক্তিরা।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

আজকে থাকবে কেমন আবহাওয়া?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৫:৫৫ পূর্বাহ্ণ
আজকে থাকবে কেমন আবহাওয়া?

আজ পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিমদের অন্যতম বড় এ উৎসবের প্রধান খুশির উপলক্ষ্য পশু কোরবানি। কিন্তু প্রকৃতির একটু বৈরীভাব সে খুশিতে জল ঢেলে দিতে পারে। তাই আগেভাগেই জেনে রাখা ভালো, ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া।

শঙ্কার বিষয় হলো, বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদ উৎসবে বৃষ্টি বাগড়া দিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের দিন রাজধানীসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া এবং বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজ করছে। এর প্রভাবেই মূলত ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টির এই প্রবণতা দেখা যাবে।

বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

ঈদের দিনে তাপমাত্রার বিষয়ে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

এর আগে সোম (২৫ মে) এবং মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকায় মুষলধারে বৃষ্টি হয়। এতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী এবং ঈদ উৎসব পালনে শহর ছাড়া কর্মজীবী মানুষেরা। বুধবার (২৭ মে) সকালেও বৃষ্টি হয়েছে।

ফলে প্রকৃতির এই বৈরিতা যদি অব্যাহত থাকে, আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী বৃহস্পতিবারও (২৮ মে) যদি ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়, তবে তা ঈদের জামাত এবং পশু কোরবানির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

তাই আগেভাবেই আবহাওয়ার পূর্বাভাস সম্পর্কে জেনে সারাদেশে ঈদের জামাত ও পশু কোরবানির জন্য সেই মতো যুতসই ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শই দিচ্ছেন আবহাওয়া বিশারদরা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ