খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

প্রধানমন্ত্রীর ময়মনসিংহ আগমনকে ঘিরে বিমান বন্দরসহ একগুচ্ছ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ময়মনসিংহ আগমনকে ঘিরে বিমান বন্দরসহ একগুচ্ছ দাবি

আগামীকাল শনিবার (২৩ মে) ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে বিভাগজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক প্রত্যাশা।

দীর্ঘদিনের অবহেলিত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ সফরসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সূত্র জানায়, শনিবার সকাল ৯টায় সড়কপথে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে দুপুর ১২টায় ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নে ধরার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর দুপুর ২টায় ত্রিশাল নজরুল ডাক বাংলোতে সংক্ষিপ্ত বিরতি শেষে বিকেল ৩টায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। একই সঙ্গে তিন দিনব্যাপী নজরুল জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহবাসীর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি আবারও সামনে এসেছে। নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বলছেন, বিভাগ ঘোষণার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ময়মনসিংহ এখনও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।

সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে ময়মনসিংহে একটি পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দর স্থাপনের দাবি। বিভাগীয় শহর হওয়া সত্ত্বেও বিমানবন্দর না থাকায় যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে পিছিয়ে রয়েছে এ অঞ্চল। এছাড়া শহরের ভেতরে থাকা রেললাইন বাইরে স্থানান্তর, ঢাকা-ময়মনসিংহ চার লেন বিশিষ্ট রেললাইন চালু এবং বাহাদুরাবাদ ঘাট থেকে যমুনা নদীর সঙ্গে রেলসংযোগ স্থাপনের দাবিও জোরালোভাবে উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গ ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।

বাংলাদেশের অন্যতম কৃষি সমৃদ্ধ জেলা ময়মনসিংহে আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার স্থাপনের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। জেলার প্রায় ১ কোটি মানুষের প্রাণের দাবি এখন কৃষিপণ্য সংরক্ষণের টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলা। কৃষক, ব্যবসায়ী ও কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা না হলে কৃষিতে অপচয় ও লোকসান আরও বাড়বে।

ময়মনসিংহ থেকে সিলেট পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালু, সীমান্ত সড়ক প্রশস্তকরণ এবং বিভাগীয় শহরে চারটি ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবিও জানানো হয়েছে। নগরবাসীর অভিযোগ, যানজট ও অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

শিক্ষাখাতের উন্নয়নে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। তাদের মতে, একটি পূর্ণাঙ্গ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা আধুনিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে।

স্বাস্থ্যখাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজকে সমন্বয় করে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর সেবার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের দাবিও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে।

বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের লাখো মানুষ এ হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীর চাপ। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন, সাংবাদিকদের জন্য আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বিভাগীয় অবকাঠামো দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানানো হয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব আরোও জানিয়েছেন, শনিবার বিকেল ৫টায় ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন তিনি।

ময়মনসিংহবাসী প্রত্যাশা করছেন দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবিগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ অঞ্চলের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবেন।

কালের আলো/এমএসআইপি/এমএসএকে

 

ডা. শফিকুর রহমান

সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো বাজেটই কার্যকর হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো বাজেটই কার্যকর হবে না

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে কোনো সরকারের দেওয়া বাজেটই কার্যকর হবে না। জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হলে বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রতিটি স্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ‘জনমুখী বাজেট ২০২৬-২০২৭ প্রস্তাবনা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা দেশকে ভালোবাসি বলেই জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনের আলোকে কেমন বাজেট হওয়া উচিত, সে বিষয়ে আমাদের চিন্তাভাবনা জনগণের সামনে তুলে ধরছি। এটি কোনো চূড়ান্ত বাজেট নয়, বরং বাজেটের পূর্বধারণা বা প্রস্তাবনা।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, বৈষম্যহীন সমাজ ও অর্থনৈতিক মুক্তির প্রত্যাশা করে আসছে। কিন্তু বারবার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও সেগুলোর অনেকটাই বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে জনগণ হতাশ হয়েছে এবং পরিবর্তনের প্রত্যাশায় বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছে।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে অযাচিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংকিং খাত, বীমা ও বিভিন্ন কর্পোরেশনে অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের কারণে অর্থনীতির ভিত্তি দুর্বল হচ্ছে। ইতোমধ্যে পুঁজিবাজার সংকটে রয়েছে, আর ব্যাংকিং খাতও ঝুঁকির মুখে পড়লে দেশের অর্থনীতি আরও বড় বিপদের সম্মুখীন হবে।

বাজেট প্রস্তাবনার লক্ষ্য সম্পর্কে জামায়াত আমির বলেন, এটি কোনো দলীয় বাজেট নয়; দেশের ১৮ থেকে ২০ কোটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় রেখেই প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে। সরকার চাইলে এখান থেকে ইতিবাচক বিষয় গ্রহণ করতে পারে। তবে এর বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হলো সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থবছর নির্ধারণ করা হলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তাড়াহুড়া কমবে এবং বছরের শেষ দিকে এডিপি ব্যয়ের নামে অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগও হ্রাস পাবে।

সম্পূরক বাজেট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বছরের শেষ মুহূর্তে সম্পূরক বাজেট উপস্থাপন করলে সংসদীয় পর্যালোচনার কার্যকারিতা কমে যায়। বরং নিয়ম অনুযায়ী আগেই তা সংসদে আনা হলে জনগণের অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে কার্যকর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জামায়াত আমির বলেন, বর্তমান কর আদায় ব্যবস্থায় নানা ধরনের অনিয়ম ও হয়রানি রয়েছে। ব্যবসায়ীরা অনেক সময় কর দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়েন। কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে রাজস্ব আয় বাড়বে এবং ব্যবসায়ীরাও আরও উৎসাহ নিয়ে কর প্রদান করবেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের জন্য একটি জনবান্ধব বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করাই আমাদের লক্ষ্য। এ বিষয়ে জনগণের মতামত ও সমালোচনাকে স্বাগত জানানো হবে। কারণ গঠনমূলক সমালোচনার মধ্য দিয়েই আরও উন্নত ও কার্যকর নীতি প্রণয়ন সম্ভব। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে মিলেমিশে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে 

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স (যাবতীয় নথি) হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিচারিক আদালত থেকে এ নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

এর আগে রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা অনুযায়ী আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হবে।

একইসঙ্গে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে।

এ ছাড়া আসামি সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনি উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়েছে।

জরিমানা অনাদায়ে সংশ্লিষ্ট কালেক্টরেট অফিসকে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে বিক্রির মাধ্যমে ওই অর্থ রামিসার আইনি উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন। হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিনের মাথায় এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

এর আগে ২৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন এবং একদিনেই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা করা হয়।

১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। পরে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয় এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। ২১ মে আসামি সোহেল রানা ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

ভিকটিম রামিসার বাবা পরিবারের সঙ্গে পল্লবীর সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং বনানীতে একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করতেন। রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা

মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের ২০ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়। এসময় এসব অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে  আবহাওয়া অধিদফতর।

পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালি, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ সময় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি