খুঁজুন
                               
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলি, সন্দেহভাজন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলি, সন্দেহভাজন নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউসের বাইরে গুলি চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় পাল্টা গুলিতে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসেই অবস্থান করছিলেন। সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, ‘নিরাপত্তার আওতায় থাকা কোনো ব্যক্তি কিংবা কার্যক্রম এ ঘটনায় প্রভাবিত হয়নি’।

সিক্রেট সার্ভিসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যা ৬টার কিছুক্ষণ পর ১৭তম স্ট্রিট ও পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় এক ব্যক্তি তার ব্যাগ থেকে একটি অস্ত্র বের করে গুলি চালানো শুরু করে।

“সিক্রেট সার্ভিস পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়, এতে সন্দেহভাজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন।

পরে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে ওই ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনায় একজন পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন,” বিবৃতিতে বলা হয়।
এতে আরও জানানো হয়, কোনো কর্মকর্তা আহত হননি। ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছিলেন, তবে কোনো নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কার্যক্রম এতে প্রভাবিত হয়নি।

ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে এবং আরও তথ্য পাওয়া গেলে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সিক্রেট সার্ভিস।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার নাম ২১ বছর বয়সী নাসেয়ার বেস্ট।

সূত্রটি আরও জানায়, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের চেষ্টার সময় তাকে গ্রেপ্তার করেছিল মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। পরে মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার কারণে তাকে একটি মনোরোগ চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।

স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে হোয়াইট হাউসে উপস্থিত একাধিক সাংবাদিক পরপর কয়েকটি গুলির শব্দ শুনতে পান। পরে সিক্রেট সার্ভিস সদস্যরা সাংবাদিকদের দ্রুত ভবনের ভেতরে প্রেস ব্রিফিং কক্ষে নিয়ে যান এবং পুরো হোয়াইট হাউস লকডাউন করা হয়।

সিবিএস নিউজকে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে প্রায় ১৫ থেকে ৩০ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছিল।

ধারণা করা হচ্ছে, একজন বন্দুকধারী সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের দিকে এগিয়ে এসে গুলি চালানোর চেষ্টা করে। এরপর এজেন্টরা পাল্টা গুলি চালান।

পরে মার্কিন গণমাধ্যম জানায়, এ ঘটনায় দুইজন আহত হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আহতদের একজন ছিলেন সন্দেহভাজন হামলাকারী, যার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।

স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে হোয়াইট হাউসের লকডাউন তুলে নেওয়া হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঝিনাইদহে ছাত্রদলের মামলায় এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা গ্রেফতার

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে ছাত্রদলের মামলায় এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা গ্রেফতার

ঝিনাইদহে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি এনামুল কবিরের দায়ের করা হামলা, হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঝিনাইদহ স্টেডিয়াম সংলগ্ন ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনের সামনে থেকে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে।

জানা গেছে, এনসিপি নেতা তারেক রেজা রোববার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মিলনায়তনের সামনে পৌঁছানোর সাথে সাথে এনসিপি নেতা তারেক রেজাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় ঘটনাস্থলে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামানসহ পুলিশ, সাদা পোশাকে পুলিশের বিশেষ টিম ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সদর থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, হামলা, ভাঙচুর, হত্যার হুমকির অভিযোগে গতকাল (শনিবার) এনসিপি নেতা তারেক রেজা সহ কয়েকজনের নামে মামলা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানায় দায়ের করা মামলার আসামি তারেক রেজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেফতারেও অভিযান চলমান আছে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ মে শুক্রবার ঝিনাইদহ সফরে আসেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ওই দিন জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের হাতাহাতি, মারামারি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা বাদী হয়ে ছাত্রদলের স্থানীয় ৮ নেতাকর্মীকে আসামি করে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেন। ওই মামলার জেরে পরদিন দুপুরে তারেক রেজাসহ ২২ জনকে আসামি করে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি এনামুল কবির মামলা করেন। ওই মামলায় আজ সন্ধ্যায় তারেক রেজাকে গ্রেফতার করা হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাংবাদিক গ্রেফতারে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ উচিত নয়: চিফ প্রসিকিউটর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক গ্রেফতারে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ উচিত নয়: চিফ প্রসিকিউটর

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে মানবতাবিরোধী অপরাধে দুই সাংবাদিক (সাংবাদিক ফারজানা রুপা, মোজাম্মেল হক বাবু) গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালস্থ নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, দুই সাংবাদিককে (ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়েছে। তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এ মামলার তদন্ত করছে। তাদের কাজ করতে দেওয়া উচিত। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বা অন্য কোনো মানবাধিকার সংগঠন কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, তা আমরা দেখিনি। আমাদের একটি চলমান বিচারপ্রক্রিয়ায় তাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত হবে না। আইনগত সুযোগও নেই।

এ মামলায় আরও কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার দেখানো হবে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের তদন্ত চলমান। যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদেরই বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে অহেতুক কোনো নির্দোষ ব্যক্তিকে হয়রানির জন্য বিচারের মুখোমুখি করা হবে না।

দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্তের বিষয়ে জানতে চেয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো ধারণা নেই।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩১ মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এত বছরেও সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত শেষ না হওয়া দুঃখজনক।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমি ট্রাইব্যুনালে যোগ দেওয়ার পর ৭টি মামলা পুনরায় তদন্তে পাঠিয়েছি। সেগুলো ঈদের পর চার্জশিট দাখিল করা হবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

হাম উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১ হাজার ৪৩৪ জন।

গত ২৩ মে সকাল ৮টা থেকে আজ ২৪ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের হাসপাতালগুলোর পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামের উপসর্গে ঢাকায় ১০, রাজশাহীতে ১, সিলেটে ১, বরিশালে ১, ময়মনসিংহে ২ ও রংপুরে ১ জন মারা গেছে।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৪৪২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৮৬ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৬৩ হাজার ৮১৩ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫০ হাজার ৫৫৮ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৪৬ হাজার ২১৪ শিশু বাড়ি ফিরেছে। এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু ৫২৮ শিশুর।

কালের আলো/এসআর/এএএন