খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা: কমলাপুরে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা: কমলাপুরে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

Oplus_131072

নগরজীবনের ক্লান্তি, যানজট ও কর্মব্যস্ততা পেছনে ফেলে নাড়ির টানে বাড়ির পথে ছুটছেন মানুষ। ঈদুল আজহা সামনে রেখে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ট্রেনে চড়ে ঢাকা ছাড়ছেন নগরবাসী।

সরেজমিন মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। প্ল্যাটফর্মজুড়ে ছিল মানুষের কোলাহল, শিশুদের হাসি, ট্রেনের হুইসেল আর স্বজনদের সঙ্গে দেখা হওয়ার অপেক্ষার আনন্দ। ঈদ শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি পরিবারে ফেরারও উপলক্ষ। তাই বছরের সবচেয়ে আনন্দের এই যাত্রায় কমলাপুর রেলস্টেশন যেন পরিণত হয়েছে মানুষের আবেগ, অপেক্ষা আর ভালোবাসার এক মিলনমেলায়।

স্টেশনের ভেতরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে নানা বয়সী মানুষের ব্যস্ততা। কারও হাতে বড় ট্রাভেল ব্যাগ, কারও মাথায় পাটের বস্তা, কেউ আবার ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে ট্রেনের অপেক্ষায় বসে আছেন। অনেকে প্ল্যাটফর্মেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গল্প করছেন, কেউ ছবি তুলছেন। দীর্ঘ সময় পর বাড়ি ফেরার আনন্দ যেন ক্লান্তিকেও হার মানিয়েছে।

কমলাপুর স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছেন জামালপুরগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রী মোহাম্মদ আল-আমিন। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে তিন দিন আগেই গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়েছেন।

তিনি বলেন, ঢাকায় চাকরির কারণে সারা বছর পরিবারের সঙ্গে ঠিকমতো সময় কাটানো হয় না। ঈদের সময়টুকুই সবচেয়ে আনন্দের। বাচ্চারা আগেই চলে গেছে। গতকাল অফিস ছিল। অফিস শেষ করে আমি আজ রওনা দিলাম। মা ফোন দিয়ে বারবার বলছে কখন পৌঁছাবো।

প্ল্যাটফর্মের এক পাশে বসে ছিলেন চট্টগ্রামের বাসিন্দা শারমিন আক্তার। কিশোরগঞ্জের ভৈরবে শ্বশুরবাড়িতে যাবেন। তিনি বলেন, ছেলেটা ট্রেনে চড়তে খুব পছন্দ করে। ঈদ মানেই ওর কাছে গ্রামের বাড়ি যাওয়া। গ্রামের খোলা মাঠ, আত্মীয়স্বজন, সবকিছু মিলিয়ে আলাদা একটা আনন্দ।

বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, ঈদের ছুটি কম হলেও চেষ্টা করি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে। এবার টিকিট পাওয়া নিয়ে একটু ভোগান্তি হয়েছে। তারপরও ট্রেনে যাওয়া স্বস্তির। রাস্তায় যানজটের ভোগান্তি নেই।

স্টেশনের বাইরে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই স্টেশনে চলে এসেছেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে আগেভাগে আসাই ভালো।

খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রী কলেজ শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় জীবনটা খুব যান্ত্রিক। ঈদের সময় গ্রামের বাড়িতে গেলে অন্যরকম শান্তি লাগে। বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে খাওয়া, আত্মীয়দের সঙ্গে আড্ডা, এসবের জন্যই তো সারা বছর অপেক্ষা করি।

স্টেশনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীদের সুবিধায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশ, আনসার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। টিকিট যাচাই থেকে শুরু করে যাত্রীদের প্ল্যাটফর্মে ওঠানামা পর্যন্ত নানা বিষয়ে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে তাদের।

তবে, যাত্রীদের একটি অংশের অভিযোগ, টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে এখনও ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। অনেকে কাঙ্ক্ষিত দিনের টিকিট পাননি। তারপরও পরিবারের সঙ্গে ঈদ করার আনন্দের কাছে এসব কষ্ট খুব বড় হয়ে ওঠেনি।

রাসেল আহমেদ নামের একজন বলেন, রোববার আমার শেষ অফিস ছিল। অনলাইনে সোমবারের টিকিট কাটার অনেক চেষ্টা করি। কিন্তু টিকিট পায়নি। তারপরও ভাগ্য ভালো আজকের টিকিট পেয়েছি। কিন্তু আমার বড় ভাই অনেক চেষ্টা করেও টিকিট পাননি।

কামরুজ্জামান বাবু নামের আর একজন বলেন, অনেক চেষ্টা করেও অনলাইনে ট্রেনের টিকিট পাইনি। অ্যাপে ঢুকতে ঢুকতেই সব টিকিট শেষ হয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে এখন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যাবো। দাঁড়িয়ে যেতে কষ্ট হবে, তারপরও বাড়ি যেতে পারবো সেটাই বড় কথা।

কালের আলো/এসএকে

ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস ও দেশে নিবন্ধিত সিম ৩২ কোটি ৮২ লাখ : সংসদে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস ও দেশে নিবন্ধিত সিম ৩২ কোটি ৮২ লাখ : সংসদে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

ডাক বিভাগের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস বা পোস্ট পিকআপ পয়েন্ট স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার। ইতোমধ্যে এই লক্ষ্য অর্জনে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল)-এর এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই তথ্য জানান।

এ সময় মন্ত্রী সংসদে আরও জানান, দেশের ই-কমার্স ও এফ-কমার্স খাতকে বড় পরিসরে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৪টি ফুলফিলমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে পণ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রসেসিং, বুকিং, সর্টিং, পরিবহন ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সংসদে ডাক বিভাগের সেবার মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়ন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, জনসাধারণের সুবিধার্থে সরকারি ডাক সেবার গতি বৃদ্ধি এবং কার্যক্রম সম্প্রসারণের আওতায় বর্তমানে ভূমির ডকুমেন্টস হোম ডেলিভারি, পাসপোর্ট বাল্ক ডেলিভারি এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হোম ডেলিভারি কার্যক্রম সফলভাবে চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ই-কমার্স পণ্যের ক্যাশ অন ডেলিভারি সেবা চালুর বিষয়টিও এখন প্রক্রিয়াধীন আছে।

এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক কার্যক্রমের আওতায় ভিডিও মামলা ও ট্রাফিক নোটিশ সংশ্লিষ্ট প্রাপকের ঠিকানায় ডাকযোগে সফলভাবে পাঠানো হচ্ছে।

ডিজিটাল সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ডিএমএস বা ডমিস্টিক মেইল মনিটরিং সিস্টেম সফটওয়্যারের মাধ্যমে এখন পণ্যের অনলাইন ভিত্তিক রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং ও ট্রেসিং সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সারা দেশে সবচেয়ে কম মূল্যে চিঠি ও পার্সেল বিলি এবং ইএমএস বা এক্সপ্রেস মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে বিদেশে সাশ্রয়ী মাশুলে পার্সেল প্রেরণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। এমনকি দেশের বিভিন্ন ফল উৎপাদনকারী অঞ্চল থেকে সবচেয়ে কম খরচে, নিরাপদে ও দ্রুততম সময়ে মৌসুমি ফল পরিবহনের কাজও পোস্ট অফিসের মাধ্যমে করা হচ্ছে। চলমান এই পরিকল্পনাগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ডাক বিভাগের সেবা দেশের মানুষের জন্য আরো বেশি কার্যকরী ও ফলপ্রসূ হয়ে উঠবে।

এদিকে একই দিনে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মহিলা আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম দেশের মোবাইল গ্রাহকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে সক্রিয় ও বৈধ মোবাইল অপারেটর কোম্পানির সংখ্যা ৪টি।

কোম্পানিগুলো হলো- যথাক্রমে সরকারি প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এবং বেসরকারি তিন অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

মন্ত্রী সংসদে নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে এই ৪টি মোবাইল কোম্পানির অধীনে দেশজুড়ে মোট বৈধ রেজিস্ট্রার্ড সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ৮২ লক্ষে।

কালের আলো/এসএকে

পাবনায় কিশোরীকে ধষর্ণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, দগ্ধ হয়ে নিহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
পাবনায় কিশোরীকে ধষর্ণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, দগ্ধ হয়ে নিহত ৩

পাবনা সদর উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনের মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার (৮ জুন) বিকেলে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, পার্শ্ববর্তী নতুনপাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার মৃত ইউসুফের ছেলে সাপু।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৩ জুন) বিকেলে পাবনার ভাঁড়ারায় পদ্মা নদীতে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরের দিন ৪ জুন তার মরদেহ দাফন করা হয়। দাফন শেষে উত্তজিত জনতা আসামিদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে আশপাশের বেশ কয়েকজন  দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অগ্নিকাণ্ডের সময় আসামিপক্ষের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। দগ্ধরা সবাই প্রতিবেশী ও আশপাশের মানুষ এবং উৎসুক জনতা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল একজন এবং আজকে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ, পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পিরপুরে পদ্মা নদীতে এক কিশোরীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের কথিত প্রেমিক নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আসামিরা ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

Oplus_131072

অনার্স (স্নাতক সম্মান) পর্যায় থেকে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিষয় তুলে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন দাবিকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত কর্মকর্তা নূরুল আফসার দীপু এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন বিভাগ বা বিষয় বাতিলের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উচ্চশিক্ষা সংস্কার এবং শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। তবে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শনের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে অনার্স শিক্ষা বন্ধ করার কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি।

নূরুল আফসার দীপু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সরকারের আনুষ্ঠানিক সূত্র থেকে তথ্য নেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ২০২৭ সালের শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন শিক্ষাক্রম সংস্কার এবং কয়েকটি নতুন বিষয় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। তবে ওই সংস্কার পরিকল্পনার কোথাও অনার্স পর্যায়ে বাংলা, ইতিহাস বা দর্শন বিষয় বাতিলের কোনো ঘোষণা বা প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।

কালের আলো/এসএকে