খুঁজুন
                               
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

‘কোনো থ্রেট অনুভব করছি না, তাই বিশেষ নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
‘কোনো থ্রেট অনুভব করছি না, তাই বিশেষ নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই’

পুলিশের এলিট ফোর্স র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, সবকিছু স্বাভাবিক। আমরা এখন পর্যন্ত অস্বাভাবিক কিছু দেখছি না। স্বাভাবিকতাই সবার প্রত্যাশিত। তবুও নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিজস্ব কার্যক্রম ও ব্যবস্থা রয়েছে।

ঈদুল আজহার নিরাপত্তা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো থ্রেট (হুমকি) বোধ করছি না। তাই বিশেষ নিরাপত্তার প্রয়োজন তো নাই।’

মঙ্গলবার (২৬ মে) দেশের জাতীয় এবং অন্যান্য ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজের নিরাপত্তা এবং দেশবাসীর নির্বিঘ্নে ঈদ উৎসব উদযাপনে র‌্যাবের নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

ঢাকাসহ সারাদেশে সারাদেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি জানতে চাইলে ঢাকার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, আমি তো নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো থ্রেট দেখছি না। আল্লাহর রহমতে আমরা কোনো রকমের থ্রেট বোধ করছি না। তাই এতো নিরাপত্তার তো প্রয়োজন নাই।

তিনি বলেন, ঈদকেন্দ্রিক বা ঈদের নামাজে এতো নিরাপত্তা তো দরকার নাই। সব তো স্বাভাবিক। তাছাড়া সারা দেশের সব জায়গায় সব জামাতে নিরাপত্তা তো দেওয়াও সম্ভব না। আমরা আমাদের র‍্যাবসহ পুলিশের যারা বিভিন্ন কাজ করছেন তাদের সীমিত সামর্থ্য অনুযায়ী সব জায়গায় চেষ্টা করছি। আমরা মনে করি যে নিরাপদ অবস্থায় আমরা বাস করছি। যেসব জায়গায় বা যদি মনে হয় আমাদের এখানে জনসমাগম বেশি সেখানে আমাদের ব্যবস্থা থাকবে।

আমরা আশা করি আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করবো যাতে নিরাপদে আমাদের ঈদের জামাতগুলো শেষ করতে পারি। আমি মনে করি এবার কোনো সমস্যায় পড়বো না।

এবার ঈদ নিরাপত্তায় ব্যতিক্রম কী উদ্যোগ নিয়েছে র‍্যাব? জানতে চাইলে মহাপরিচালক বলেন, সবসময় যেমন শুনে আসছেন স্বাভাবিক তেমনই। এখনো স্বাভাবিক অবস্থা আছে। এ স্বাভাবিকতা আমাদের সবার কাছে প্রত্যাশিত। আমরা চাই এ স্বাভাবিকতাটুকু থাকুক।

তিনি বলেন, আমি মনে করি না কোনো থ্রেট আছে। সুতরাং এরপরেও আর কোনো বিশেষ ব্যবস্থার দরকার আছে বলে মনে করছি না।

ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষ সব গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ার কারণে শহরের জনসংখ্যা কমে যায়। কিছু সিঁধেল চুরির ঘটনা বেড়ে যায়। এজন্য আমাদের অন্যান্যবারের চেয়েও এবার আমাদের বেশি পেট্রোল টিমগুলো কাজ করবে দিনে এবং রাতে এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সর্বোপরি যদি কোনো ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে সেক্ষেত্রে আমাদের যে আমাদের কন্ট্রোলস ৯৯৯-এ যোগাযোগ করেও মানুষ সহযোগিতা নিতে পারে। আমরা যেকোনো সময় এসব ক্ষেত্রে রেসপন্স করতে প্রস্তুত।

নিরাপত্তা ব্রিফিংয়ে র‍্যাব ডিজি বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে র‍্যাবও ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তাদের নিজস্ব দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় রোবাস্ট পেট্রোলিং পরিচালনা করছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল টিমগুলো কাজ করছে।

প্রধান প্রধান ঈদের জামাতের নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

দেশব্যাপী বিভিন্ন জায়গায় অন্যান্য অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশির মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বিভিন্ন কালোবাজারি অসাধু ব্যবসায়ীরা অবৈধ মজুতদারি, দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, খাদ্যে ভেজালসহ নকল দ্রব্য সামগ্রী বাজারজাত করে বাজার পরিস্থিতি যাতে অস্থিতিশীল করতে না পারে সেজন্য র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি ও অনলাইন মনিটরিং কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে অব্যাহত রয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে জনসমাগম তুলনামূলক কমে যাওয়ায় চুরি, ডাকাতি এবং ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাত্রিকালীন নিরাপত্তা চৌকি সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি সব মেট্রোপলিটন শহর, জেলা শহর এবং উপজেলা পর্যায়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাত্রিকালীন টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

কোরবানির পশুরহাটে ক্রেতাদের ভোগান্তি হতে বিভিন্ন নজরদারি র‌্যাবের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। জাল টাকা প্রতিরোধ এবং শনাক্তে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখাসহ জাল টাকা প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

দেশের মানুষ নির্বিঘ্নে এবং আনন্দঘন পরিবেশে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন যাতে করতে পারে সেই লক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‍্যাব সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল এবং ফেরিঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগম স্থলে র‌্যাবের সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

কোরবানির পশুবাহী যানবাহন যেন জোরপূর্বক কেউ কোনো নির্দিষ্ট হাটে নিয়ে যেতে না পারে, বাধ্য করতে না পারে সে বিষয়ে বিশেষ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঈদ এবং নিয়ে যেন কেউ কোনো গুজব বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট করতে না পারে সে ব্যাপারে র‌্যাবের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকছে।

সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং অপরাধমূলক কার্যক্রম দমনে র‌্যাব সবসময়ের মতো তাদের নিয়মিত পেট্রোল গোয়েন্দা নজরদারি এবং আভিধানিক কার্যক্রমের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বাত্মক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং চালিয়ে যাবে বলেও জানান র‍্যাব মহাপরিচালক।

এসময় র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনের আগে র‍্যাব মহাপরিচালক জাতীয় ঈদগাহ ঘুরে ঘুরে দেখেন। খুঁটিনাটি বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

কালের আলো/এসএকে

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২০

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২০

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে, একই সময়ে ২২০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

রোববার (২১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২০ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) এক জন, সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) চার জন রয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় ১৫৫ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

চলতি বছরে এ যাবত মোট চার হাজার ৫৬৮ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরের ২১ জুন পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন চার হাজার ৯০০ জন।

এর মধ্যে ৬২ দশমিক সাত শতাংশ পুরুষ এবং ৩৬ দশমিক তিন শতাংশ নারী রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট নয় জনের মৃত্যু হয়েছে।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।

২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক : চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক : চিফ প্রসিকিউটর

ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের কিলিং নেটওয়ার্ক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক গুম ও খুনের ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে আজ গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন সেনা কর্মকর্তা। তার জবানবন্দি এখনও চলমান রয়েছে। তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর বর্ণনা তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে একটি ছিল জিয়াউলের জাফলং অপারেশন। অর্থাৎ র‍্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুজন আসামিকে নিয়ে জিয়াউলের নেতৃত্বে জাফলংয়ে গিয়েছিলেন সাক্ষীসহ আরও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা। জাফলংয়ে যাওয়ার পর আরও দুজন আসামিকে নিয়ে আসেন ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকের কিছু লোকজন। এরপর এসব আসামিদের বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

সাক্ষীর বিবরণ দিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ভারত থেকে আনা দুজনকে রাস্তায় মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করেন জিয়াউল আহসান। এভাবেই তিনি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। ভারতের লোকজনকে জিয়াউল আহসানের অনুসারীরাই হয়তো নিয়ে আসতেন। তারা কোনো দলের বা কোনো বাহিনীর হতে পারে। অর্থাৎ জিয়াউলের এই কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে ছিল। তবে ভারত থেকে সাদা পোশাকে আসা লোকজন যে দুজন ব্যক্তিকে হস্তান্তর করেছিলেন, তারা কি ভারতের নাকি বাংলাদেশের নাগরিক তা যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, বিডিআরের বিভিন্ন সদস্যদকে ধরে এনে দুটো পদ্ধতিতে হত্যা করেছেন জিয়াউল আহসান। এর মধ্যে কাউকে ইনজেকশন পুশ করে, আবার কাউকে মাথায় গুলি ঠেকিয়ে হত্যার পর নদীতে ফেলে দিতেন। এই দুই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে তিনি হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন সাক্ষী।

কালের আলো/এসএকে

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
গোপালগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা

রোববার (২১ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের দারিয়ারকুল গ্রামের নিজ বাড়ির বাইরে কামরাঙা গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

বিদ্যুৎ কান্তি রায় (৫৮) উপজেলার পাটগাতী মুন্সীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

টুঙ্গিপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোসলেম আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যুৎ কান্তি রায় ব্যাপক ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার ও স্থানীয় লোকজন। তাই ঋণের বোঝা বইতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে বাবা-মার সমাধির পাশের কামরাঙা গাছের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা সকালে গাছে তার লাশ ঝুলে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়।

এসআই মোসলেম আরও বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ থেকে লাশ নামায়। এ ঘটনায় টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এছাড়া লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি