খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
ময়মনসিংহে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোট ৩৯ শিশুর মৃত্যু হলো। একই সময়ে নতুন করে আরও ১৬ শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৬২ শিশু।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মৃত দুই শিশুই ছেলে। তাদের একজনের বয়স ৬ মাস। সে ময়মনসিংহের দাপুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। গত ১৯ মে রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ২৫ মে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, সন্দেহজনক হাম, নিউমোনিয়া ও হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া।

অপর শিশুটির বয়স ১০ মাস। তার বাড়ি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার দেওথান এলাকায়। গত ২০ মে সকাল ১১টায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সোমবার সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, সন্দেহজনক হাম, নিউমোনিয়া, রক্তস্বল্পতা ও হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১৬ শিশু ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ২৯ শিশু।

গত ১৭ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে মোট এক হাজার ৬০৯ শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক হাজার ৫০৮ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৬২ শিশু। এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়তে থাকে। রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু রয়েছে। সেখানে একাধিক মেডিকেল টিম চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ স্টোর অফিসার ঝন্টু সরকার বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন ১৬ শিশু ভর্তি হয়েছে এবং ২৯ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা

মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের ২০ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়। এসময় এসব অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে  আবহাওয়া অধিদফতর।

পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালি, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ সময় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

আগামী অর্থবছরে বিড়ির দাম বাড়বে না : অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
আগামী অর্থবছরে বিড়ির দাম বাড়বে না : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির মূল্য ও করহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসন-৩ এর এমপি রাশেদা বেগম হীরার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

রাশেদা বেগম হীরা প্রশ্ন করেছিলেন, তামাকের ওপর সুনির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি যেমন বিড়ির খুচরা মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ বহাল রাখিয়া ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য আরও বৃদ্ধি করিয়া অধিক সম্পূরক শুল্ক এবং সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করিবেন কিনা?

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে বিড়ি ক্ষেত্রে মূল্য এবং করহার পূর্বের বছরের ন্যায় অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ

চলছে ফিফা বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডাতে চলবে ৪৮ দলের ফুটবল যুদ্ধ। আর বাকি ২ দিন। ফিফা প্রতিদিনের পরিসংখ্যানমূলক প্রতিবেদনের মাধ্যমে ক্ষণগণনা করছে।

২০০৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের কথা মনে আছে? সেদিন ফ্রান্স ও ইতালি মুখোমুখি হয়েছিল। ১-১ গোলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে অতিরিক্ত সময়েও স্কোর পাল্টায়নি। কিন্তু ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো ‘আলোচিত’ কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেন জিনেদিন জিদান।

ফ্রান্সের অধিনায়ক প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় মার্কো মাতেরাজ্জির উসকানিমূলক মন্তব্যে মেজাজ হারিয়ে তাকে ঢুস মারেন। ১১০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন জিদান। বাকি ১০ মিনিট তো বটেই, তার শূন্যতা টাইব্রেকারে ভালোভাবে টের পেয়েছিল ফ্রান্স। পেনাল্টি শুটআউটে হেরে হতাশায় ভাসে তারা।

যে মাথা দিয়ে গুঁতো মেরে জিদানে দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হারিয়েছিলেন, সেই মাথার নৈপুণ্যে ১৯৯৮ সালে ব্রাজিলকে হারিয়ে ফ্রান্সকে প্রথম শিরোপা জেতান জিজু!

বিশ্বকাপ ফাইনালে হেড করে দুটি গোল করা একমাত্র খেলোয়াড় জিদান। প্রথমার্ধে কর্নার থেকে দুইবার জাল কাঁপান তিনি হেডারে। দুই প্রান্ত থেকে কর্নার কিক নিয়েছিলেন এমানুয়েল পেতিত ও ইউরি জোর্কায়েফ। ৩-০ গোলে ম্যাচটি জেতে ফরাসিরা।

স্তাদে দে ফ্রান্সে ২০ মিনিটের ব্যবধানে হেডে একাধিক গোল করেন জিদান, যা পরের তিনটি বিশ্বকাপে দলটির হেড গোলের চেয়ে বেশি। জিজুর পর পরের তিন আসরে কেবল প্যাট্রিক ভিয়েইরা হেড থেকে একমাত্র গোল করেন, ২০০৬ সালে স্পেনের বিপক্ষে শেষ ষোলোতে।

পায়ের ক্ষিপ্রতার কারণে বিশেষভাবে সুপরিচিত জিদান। কিন্তু হেড থেকেও গোল করতে পারদর্শী। হেড থেকে চেক রিপাবলিক, মাল্টা ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেও তিনি গোল করেছিলেন। ২০০৬ সালের ফাইনালে গিগি বুফন তার একটা দুর্দান্ত হেড ঠেকিয়ে স্বস্তি ফেরান।

জিদান ছাড়া একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে একাধিক হেড গোল করেছেন পেলে, যদিও দুটি ভিন্ন আসরে: ১৯৫৮ সালে সুইডেন ও ১৯৭০ সালে ইতালির বিপক্ষে। কিন্তু এক ফাইনালে দুটি হেড গোলের কীর্তি কেবলই জিদানের।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি