খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নুরুন্নাহার নিম্নির এভারেস্ট জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নুরুন্নাহার নিম্নির এভারেস্ট জয়

তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছেন বাংলাদেশি পর্বতারোহী নুরুন্নাহার নিম্নি। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের অষ্টম এভারেস্টজয়ী।

বুধবার (২৭ মে) ভোর ৫টা ২৪ মিনিটে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় দেশের পতাকা ওড়ান তিনি।

বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নুরুন্নাহার নিম্নির এভারেস্ট জয়ের খবরটি জানায় বাংলা মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব (বিএমটিসি)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় সফলভাবে আরোহণ করেছেন বাংলাদেশের নারী পর্বতারোহী নুরুননাহার নিম্নি। আজ নেপালের স্থানীয় সময় ভোর ৫:২৪ মিনিটে তিনি এভারেস্টের চূড়া স্পর্শ করেন। অভিযান ব্যবস্থাপনা সংস্থা 8K Expedition থেকে অ্যাঙ তেম্বা শেরপা আনুষ্ঠানিকভাবে এই গৌরবময় তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চূড়ান্ত আরোহণের লক্ষ্যে গত ২৫ মে নিম্নি ক্যাম্প-২ (৬,৪০০ মিটার) থেকে যাত্রা শুরু করেন এবং রাতে ক্যাম্প-৩ (৭,২০০ মিটার) এ অবস্থান করেন। ২৬ মে ভোরে তিনি ক্যাম্প-৩ থেকে রওনা হয়ে দুপুর আড়াইটা নাগাদ ক্যাম্প-৪ এ পৌঁছান। সেখানে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নেওয়ার পর তিনি চূড়ার উদ্দেশ্যে তাঁর চূড়ান্ত অভিযান শুরু করেন। সারারাত দুর্গম ও প্রতিকূল পথ পেরিয়ে আজ ভোরে তিনি এভারেস্টের শীর্ষবিন্দুতে পৌঁছান এবং পরম গৌরবে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা তুলে ধরেন। তার সাথে ছিল দাওয়া নুপু শেরপা ও লাকপা থিনদুক শেরপা।

প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ১৯ মে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার। একই বছরের ২৬ মে শিখর জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন। এরপর দীর্ঘ ১৪ বছর পর বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় উঠলেন নুরুন্নাহার নিম্নি।

গত ১১ এপ্রিল ঢাকা থেকে নেপালে যান নিম্নি। কাঠমান্ডু থেকে লুকলা হয়ে পৌঁছান এভারেস্ট বেজক্যাম্পে। এরপর ধাপে ধাপে অতিউচ্চতার পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেন। সাধারণত মে মাসের ১৫ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যেই এভারেস্ট সামিটের উপযুক্ত সময় ধরা হয়। ১৭ মে চূড়ান্ত আরোহণের জন্য বেজক্যাম্প ছাড়েন তিনি। ধাপে ধাপে ২৩ মে পৌঁছান ক্যাম্প–৪-এ। সেদিন শিখরের উদ্দেশে যাত্রা করেও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নিচে নেমে আসতে হয় তাকে।

এরপর অনুকূল আবহাওয়ার অপেক্ষায় কয়েক দিন ক্যাম্প–২-এ অবস্থান করেন নিম্নি। ২৫ মে আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুকূলে এলে আবার যাত্রা শুরু করেন। গতকাল পৌঁছান ক্যাম্প–৪-এ। সেখান থেকেই সন্ধ্যায় চূড়ান্ত আরোহণ শুরু করে আজ নেপাল সময় সকাল ৫টা ২৪ মিনিটে এভারেস্টের শিখরে ওঠেন তিনি। নেপালের এইটকে এক্সপেডিশনের এক শেরপা তার সঙ্গে রয়েছেন।

বর্তমানে পূবালী ব্যাংক পিএলসির জেনারেল ব্যাংকিং বিভাগে প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত নুরুন্নাহার নিম্নি। তার এই অভিযানের স্পনসরও ছিল প্রতিষ্ঠানটি। রংপুরে বেড়ে ওঠা নিম্নি পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে।

পৃথিবীর সর্বোচ্চ শিখর মাউন্ট এভারেস্টে প্রথম সফল অভিযান পরিচালিত হয় ১৯৫৩ সালে। ওই বছরের ২৯ মে নেপালের শেরপা তেনজিং নোরগেকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমবার বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের চূড়ায় ওঠেন নিউজিল্যান্ডের পর্বতারোহী এডমন্ড হিলারি।

বাংলাদেশের হয়ে প্রথম এভারেস্টজয়ী হলেন মুসা ইব্রাহীম, যিনি ২০১০ সালের ২৩ মে শিখরে ওঠেন। এরপর ২০১১ ও ২০১২ সালে দুবার এভারেস্ট জয় করেন এম এ মুহিত। ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন নিশাত মজুমদার ও ওয়াসফিয়া নাজরীন। ২০১৩ সালের ২০ মে এভারেস্টজয়ী পঞ্চম বাংলাদেশি সজল খালেদ শিখর থেকে নামার পথে মারা যান।

এর ১১ বছর পর ২০২৪ সালে এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ান বাবর আলী। ২০২৫ সালে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত থেকে হেঁটে এভারেস্ট চূড়ায় ওঠেন ইকরামুল হাসান শাকিল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশু মৃত্যুর খবর, ঘটনাস্থলে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশু মৃত্যুর খবর, ঘটনাস্থলে পুলিশ

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে কী কারণে শিশুদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে থানা পুলিশসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। 

বুধবার (২৭ মে) সকালে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তবে শিশুদের মৃত্যু আসলে কী কারণ, তা আমরা এখনো জানি না। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে, আমি নিজেও ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ঈদের আগে ফ্রিজ পরিষ্কার করার সহজ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
ঈদের আগে ফ্রিজ পরিষ্কার করার সহজ উপায়

দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আজকের দিনটা পার হলেই কাল ঈদ। এই ঈদে ঘরদোর গোছানো, মসলাপাতি তৈরি ও রান্নাবান্নার নানা প্রস্তুতির মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো ফ্রিজ পরিষ্কার করা। কারণ কোরবানির ঈদে স্বাভাবিকভাবেই ফ্রিজের ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে। সারা বছর মাছ-মাংস রাখার ফলে ফ্রিজে অনেক সময় রক্তের দাগ বা তরল জমে থাকে, যা থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়ে। এছাড়া অতিরিক্ত বরফ জমে ফ্রিজের ভেতরের অনেকখানি জায়গা নষ্ট হয়ে যায়, যার ফলে কোরবানির মাংস গুছিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই ঈদের আগেই ফ্রিজটি সুন্দরভাবে পরিষ্কার করে রাখলে উৎসবের দিনগুলোর অনেক বড় ঝামেলা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

নির্দিষ্ট দিন ঠিক করা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ

ফ্রিজ পরিষ্কার করা বেশ সময়সাপেক্ষ কাজ। তাই ঈদের ব্যস্ততা পুরোদমে শুরু হওয়ার আগেই একটি নির্দিষ্ট দিন ঠিক করে নিন। পরিষ্কার করার সুবিধার্থে প্রথমে ফ্রিজের বৈদ্যুতিক সংযোগটি বন্ধ করে দিন এবং ভেতরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হতে দিন। এরপর ফ্রিজে থাকা পুরোনো খাবার বা কাঁচাবাজারগুলো অন্য কোনো ফ্রিজে কিংবা ঠান্ডা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলুন। দুই থেকে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করলে ভেতরের জমে থাকা বরফ অনেকটাই গলে যাবে।

তাক ও ড্রয়ারগুলো আলাদা করে ধোয়া

ফ্রিজের ভেতরের বরফ গলে এলে সব তাক ও ড্রয়ারগুলো সাবধানে খুলে বাইরে নিয়ে আসুন। ফ্রিজের ভেতরের ঠান্ডা পরিবেশ থেকে বের করেই এগুলোকে সরাসরি অতিরিক্ত গরম পানিতে দেওয়া যাবে না, এতে ফাটল ধরার ঝুঁকি থাকে। তাই কুসুম গরম পানিতে সামান্য ডিটারজেন্ট মিশিয়ে একটি নরম স্পঞ্জের সাহায্যে ঘষে ঘষে তাকের দাগ ও রক্তের ছোপ দূর করুন। এতে দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি এগুলো জীবাণুমুক্ত হবে। এরপর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে বাতাসে ভালো করে শুকিয়ে নিন।

ফ্রিজের ভেতরের অংশ পরিষ্কারের নিয়ম

ফ্রিজের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করতে বেকিং সোডার মিশ্রণ চমৎকার কাজ করে। এক কাপ বেকিং সোডার সাথে সাত কাপ পানি মিশিয়ে একটি তরল মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার একটি নরম স্পঞ্জ এই মিশ্রণে ভিজিয়ে ফ্রিজের ভেতরের দেয়াল ও প্রতিটি কোণ ভালোভাবে মুছে নিন। কোণার দুর্গম অংশগুলো পরিষ্কার করতে একটি পুরোনো টুথব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। সবশেষে একটি নরম মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে পুরো ভেতরটা শুকিয়ে মুছে নিন এবং শুকিয়ে যাওয়া তাক ও ড্রয়ারগুলো আবার ভেতরে সেট করুন।

বাইরের অংশ ও দরজার রাবার পরিষ্কার

ভেতরের মতো ফ্রিজের বাইরের অংশও দ্রুত নোংরা হয়, বিশেষ করে বারবার হাত দেওয়ার কারণে দরজায় দাগ পড়ে যায়। যেকোনো অল পারপাস ক্লিনজার অথবা ভিনেগার মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজের বাইরের অংশটি চকচকে করে মুছে নিন। একই সাথে ফ্রিজের দরজার চারপাশের রাবারটিও পরিষ্কার করা জরুরি, কারণ সেখানে আঠালো ময়লা জমে ছোট ছোট পোকা বাসা বাঁধতে পারে। পানিতে ভিনেগার মিশিয়ে একটি ব্রাশ ও কাপড়ের সাহায্যে রাবারের ভাঁজগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

ফ্রিজ ঠান্ডা করা ও ড্রয়ারে কাগজের ব্যবহার

পরিষ্কারের পর্ব শেষ হলে ফ্রিজের প্লাগ লাগিয়ে তা চালু করে দিন। ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা যখন ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে নেমে আসবে, অর্থাৎ ভেতরটা পুরোপুরি ঠান্ডা হবে, তখনই কেবল খাবারগুলো আবার ভেতরে রাখুন। এ ছাড়া ফ্রিজের সবজির ড্রয়ারগুলো সুরক্ষিত রাখতে নিচে মোটা কাগজ বা পুরোনো ক্যালেন্ডারের পাতা বিছিয়ে দিতে পারেন। এতে সবজির খোসা বা ময়লা সরাসরি ড্রয়ারে না লেগে কাগজের ওপর পড়বে এবং পরবর্তীতে শুধু কাগজটি বদলে নিলেই ড্রয়ার পরিষ্কার থাকবে।

ফ্রিজকে দুর্গন্ধমুক্ত রাখার কিছু কার্যকরী কৌশল

মাছ ও মাংসের কারণে ফ্রিজে তৈরি হওয়া ভ্যাপসা দুর্গন্ধ দূর করতে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করা যায়। ফ্রিজ পরিষ্কারের পর এক বাটি বেকিং সোডা ফ্রিজের এক কোণে রেখে দিলে তা গন্ধ শুষে নেয়। একইভাবে একটি বাটিতে শুকনো ওটমিল কিংবা কফির গুঁড়ো রেখে দিলেও ফ্রিজ দুর্গন্ধমুক্ত থাকে। এ ছাড়া তুলোর ছোট বল ভ্যানিলা এসেন্সে ডুবিয়ে ফ্রিজে রাখলে চমৎকার সুগন্ধ ছড়ায়। তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি ডিপ ফ্রিজে কোরবানি ও অন্যান্য সময়ের মাছ-মাংস রাখার জন্য এয়ারটাইট জিপ লক প্যাকেট ব্যবহার করা যায়। ঈদের আগেই এই সহজ কাজগুলো সেরে নিলে মাংস সংরক্ষণ নিয়ে আর দুশ্চিন্তা থাকবে না।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জোট করতে আমার পা ধরা বাকি রেখেছিল নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
জোট করতে আমার পা ধরা বাকি রেখেছিল নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সময় জোট করার জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁনের পা ধরতে বাকি রেখেছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এমন দাবি করেন রাশেদ খাঁন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ‘এনসিপির সাথে জোট করার জন্য নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী আমার পা ধরতে বাকি রেখেছিল। এনসিপি, এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতেই সে এমন করেছিল! অথচ এই রাজনৈতিক ইতর আমাকে নিয়ে আজকে সাংবাদিক সম্মেলন করে বাজে কথা বলল! জামায়াতে ইসলামী বিরুদ্ধে এমন কোনো কথা নাই যে বলে নাই, পরবর্তীতে জামায়াতের কাছে এনসিপি ১০০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে।’

রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি জানতাম আদর্শচ্যুত বামশিবির নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী জামায়াতের কাছেই বিক্রি হবে, এজন্য আমি তাদের ফাঁদে পা দেইনি। গণঅধিকার পরিষদ ২০২২ সাল থেকে বিএনপির সাথে জোটে ছিলো।

‘আমি এমন কোন দলে যাইনি, যে দল জামায়াতের মতো স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও মানচিত্রের জন্য হুমকি। আর এই কথা তো জামায়াতকে নিয়ে রাজনৈতিক টাউট এই পাটওয়ারীই বলেছে।’

রাশেদ খাঁন আরো বলেন, ‘পাটওয়ারী শিবির, বাম, এবি পার্টি করেছে। এখন এনসিপি করছে। তার আশপাশের লোকজনই আমাকে বলেছে, নাসীরুদ্দীন গাজা ইয়াবা সব খায়। ওর চোখমুখই তার তো প্রমাণ, ওর শরীর নিকোটিনে ভরা। ওর এখন থেকে রূপায়নে বসেই গাঁজা টানতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গাঁজা খেয়ে বাইরে গিয়ে আবোলতাবোল বললেই পাবলিকের ডিমের ওপর দিতে যেতে হবে। গালিগালাজ ও বেয়াদবি করা যদি ওর স্বাধীনতা হয়, তবে প্রতিবাদে ডিম মারাও সংক্ষুব্ধদের স্বাধীনতা।’

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ