খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬

আর বাকি ১৫ দিন: ড্রিবলিংয়ের ওকোচার অবিশ্বাস্য রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
আর বাকি ১৫ দিন: ড্রিবলিংয়ের ওকোচার অবিশ্বাস্য রেকর্ড

ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ১৫ দিন বাকি। এই কাউন্টডাউনকে সামনে রেখে প্রতিদিন ফুটবল ইতিহাসের সেরা সব রেকর্ড নিয়ে বিশেষ পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে ফিফা। ফিফার আজকের পাতায় উঠে এসেছে নাইজেরিয়ান ফুটবল জাদুকর জে জে ওকোচার এক অবিশ্বাস্য রেকর্ড।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি একক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি সফল ড্রিবলিং বা টেক-অন করার বিশ্বরেকর্ডটি এককভাবে ধরে ওকোচা। ১৯৯৪ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের ম্যাচে রক্ষণভাগের বিশ্বসেরা দল ইতালির বিপক্ষে এই অনন্য কীর্তি গড়েছিলেন তিনি।

সেদিন ইতালির রক্ষণভাগের মহাতারকা পাওলো মালদিনি, আলেসান্দ্রো কোস্তাকুর্তা কিংবা দেমেত্রিও আলবার্টিনিদের মতো বিশ্বসেরা ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে পুরো ম্যাচে রেকর্ড ১৫টি সফল ড্রিবলিং করেছিলেন ওকোচা। বিশ্বকাপের মঞ্চে এক ম্যাচে এত বেশি ড্রিবলিং করতে পারেননি আর কোনো ফুটবলার।

একক ম্যাচে ওকোচা শীর্ষে থাকলেও সামগ্রিকভাবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ড্রিবলিং করার রেকর্ডটি আধুনিক ফুটবলের মহাজাদুকর লিওনেল মেসির দখলে। কাতার বিশ্বকাপজয়ী এই আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১২৫টি সফল ড্রিবলিং সম্পন্ন করেছেন।

অন্যদিকে, বিশ্বকাপের একটি নির্দিষ্ট সংস্করণে বা এক আসরে সবচেয়ে বেশি ড্রিবলিং করার রেকর্ডটি ফুটবলের ঈশ্বর ডিয়েগো ম্যারাডোনার। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে একক নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন করার পথে পুরো টুর্নামেন্টে রেকর্ড ৫৩টি সফল ড্রিবলিং করেছিলেন এই কিংবদন্তি।

কালের আলো/এম/এএইচ

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ