খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ভোলায় ঈদের দিন ভাড়াবাসা থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ২:২২ পূর্বাহ্ণ
ভোলায় ঈদের দিন ভাড়াবাসা থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ঈদের দিন ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে সুমি বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের দিন সন্ধ্যায় উপজেলার পৌর ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাহি ভিলা নামে একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।  নিহতের বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতী বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান,সুমি বেগম তার স্বামী উজ্জলের সাথে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন। উজ্জল স্থানীয় মহিলা কলেজের পাশে হেলিপ্যাড সংলগ্ন শিল্প ও বাণিজ্য মেলায় ব্যবসা করতেন,প্রতিদিনের মতো বুধবার ঈদের দিনও তিনি ব্যবসার কাজে বাসার বাহিরে ছিলেন।

‎‎বাড়ির মালিক আবুল বাশার মো.সহিদুল্লাহ বলেন,সুমি বেগম ঘরের ভেতরেই ছিলেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উজ্জ্বল তাদের ঘরের সামনে গিয়ে সুমি বেগমকে বেশ কয়েকবার ডাকাডাকি করলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ পাচ্ছিল না উজ্জ্বল এবং তিনি বিষয়টি জানালে আমিসহ সুমি বেগমের স্বামী উজ্জল এবং স্থানীয় কয়েকজন লোকজন মিলে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করি।

এরপর ঘরে ঢুকে দেখি পুর্বপাশের জানালার গ্রিলের সাথে গলায় ওড়না পেঁচানো এবং ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন। এরপর খবর দিলে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মনিরুজ্জামান বলেন,খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতাহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করে উদ্ধার করেছে।

মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য মরদেহটির ময়নাতদন্তের জন্য ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গুলশানে অভিযান, একাধিক বাসায় মিলল এডিসের লার্ভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গুলশানে অভিযান, একাধিক বাসায় মিলল এডিসের লার্ভা

ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ ও এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে রাজধানীর গুলশানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে গঠিত টাস্কফোর্স। অভিযানে পরিদর্শন করা ছয়টি বাড়ির মধ্যে তিনটিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে একটি রেস্টুরেন্টে লার্ভা শনাক্ত হওয়ায় ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে গঠিত টাস্কফোর্সের উদ্যোগে ঢাকার গুলশানে ‘গুলশান ইয়ুথ ক্লাব’ মাঠের আশেপাশের এলাকায় অভিযান ‘মশক নিধন অভিযানে’ পরিচালনা করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এই অভিযানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় বেশ কিছু ভবনকে জরিমানাও করা হয়। গুলশানের ৭ নম্বর রোডের একটি রেস্টুরেন্টে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ২ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, পরিদর্শন করা ছয়টি বাড়ির মধ্যে তিনটিতেই লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা করা হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, শুধুমাত্র ঢাকা মহানগরে অভিযান পরিচালনার জন্য একটি জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। জনসম্পৃক্ততা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজকের অভিযানটি এই টাস্কফোর্সের প্রথম কার্যক্রম।

এদিকে, আজকের কার্যক্রমে মশার বংশবৃদ্ধি রোধে লার্ভা ধ্বংসকারী দীর্ঘমেয়াদি ‘নোভা লিউরোন’ ট্যাবলেট বিতরণ ও প্রয়োগ করা হচ্ছে। নিজস্ব নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে নাগরিকদের ফুলের টব, গাড়ির টায়ার ও পরিত্যক্ত বালতির জমে থাকা পানি পরিষ্কারে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এর আগে বুধবার সকাল ১০টায় ডালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘সামার দাভোস’ বা গ্রীষ্মকালীন দাভোসের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষাবিদরা অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে তারেক রহমান ছাড়াও গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলঝাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন সেওক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম-ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিসহ ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি অংশগ্রহণকারী সম্মেলনে যোগ দেন।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্রীষ্মকালীন দাভোসে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী ধারণা বিনিময়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (২২ জুন) চীন সফরে ডালিয়ান পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স কোর্টের সামনে জামায়াতপন্থি ১৮ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ব্যারিস্টার বাদল বলেন, সবসময় অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সরকারি অ্যাটর্নি জেনারেল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এবং অ্যাটর্নি জেনারেল এই পোস্টগুলোতে যখনই সরকার পরিবর্তন হয়, তখনই এই আইন কর্মকর্তারা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে চলে যান। এটাই নিয়ম।

এটাও দেখেছি সরকার গঠনের আগেও নির্বাচন হওয়ার পরেই যখন দেখেছে যে অন্য দল ক্ষমতায় এসেছে, তখন সরকার দলীয় যারা অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের কর্মকর্তা ছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল সহ তারা পদত্যাগ করেছেন।

ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, আমাদের যে বন্ধুরা গতকাল পদত্যাগ করেছে, উনারা এই সরকারের অধীনে আইন কর্মকর্তা হিসেবে চার মাস কাজ করেছেন। বেতন নিয়েছে, সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে, পদ-পদবি ব্যবহার করেছেন। পরে গতকাল উনাদের মনে হলো যে এখন আসলে পদত্যাগ করা দরকার অথবা রিমুভ হবেন, এইজন্য উনারা রাজনৈতিক কিছু বিষয় নিয়ে এসেছে যেটা খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত।

আমার কথা হচ্ছে, উনাদের এই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত, যেটা আমরা প্রত্যাশা করিনি তাদের কাছ থেকে।

বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক বলেন, এখন আমি অ্যাটর্নি জেনারেল সাহেবকে আপনাদের মাধ্যমে বলতে চাই, এই চার মাস যে উনারা কাজ করলেন, এরা সরকারের পক্ষে কাজ করেছে? নাকি সরকারের বিপক্ষে স্যাবোটাজ করেছে? এই চার মাসের যে যতগুলো ফাইল ছিল, সবগুলো ফাইল যেন উনারা একটু খোঁজখবর নিয়ে দেখেন।

কারণ সরকারের কাছ থেকে বেতন-ভাতা সুযোগ-সুবিধা সব নিয়ে পদত্যাগ করে আবার সরকারের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিলেন। অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে সরকারের স্বার্থ রক্ষার জন্য তারা কাজ করেছে বলে আমাদের কাছে মনে হয়নি। কাজেই সরকারের বিরুদ্ধে মনে হয় কাজ করেছে, এইজন্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে এই সমস্ত ভিত্তিহীন অভিযোগ তারা এনেছে, যেটা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি