খুঁজুন
                               
, ,
           

বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির দাবি, আইনমন্ত্রী-প্রধান বিচারপতির সমর্থন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধির দাবি, আইনমন্ত্রী-প্রধান বিচারপতির সমর্থন

ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন আদালতে কর্মরত বিচারকরা বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি ও বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিচারকদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এজলাস, খাসকামরা, রেকর্ডরুম, মালখানা ও আবাসন-সংকট নিরসনে অবকাঠামোগত সংস্কার ও উন্নয়ন, আদালত ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাইজেশন এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তারও দাবি করেন তারা।

শনিবার (২০ জুন) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ স্পোর্টস কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের সব জেলা থেকে আগত জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা এমন দাবি করেন।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কার্যালয় এসব তথ্য জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি অভিভাষণ দেন। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাইজেশন, বিচাকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিচারকদের দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণ, প্রতিটি জেলা আদালতে মেডিকেল সেন্টার ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, স্পিচ-টু-টেক্সট সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার এবং বিচারকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমি কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকল্পে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সেজন্য বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে আইন ও বিচার বিভাগের জন্য জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা। একই সময়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জন্য বরাদ্দ ৩৪৭ কোটি টাকা, আর দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের জন্য বরাদ্দ মাত্র ২৯১ কোটি টাকা।

বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, একটি রাষ্ট্রের আইনের শাসন ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার কেন্দ্রবিন্দু যেখানে আদালত, সেখানে বিচার বিভাগের জন্য এমন সীমিত বরাদ্দ রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ৪৩ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ‘ভারত-সমর্থিত’ ৪৩ সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে চলমান ‘অপারেশন শাবান’-এ ‘ভারত-সমর্থিত’ আরও ১৭ জন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। এর ফলে এ অভিযানে মোট নিহত সশস্ত্র ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, মাঙ্গি বাঁধ পুলিশ স্টেশনে হামলার পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কর্পস এবং বেলুচিস্তান পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে।

এর আগে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানান, ‘ভারত-সমর্থিত’ সশস্ত্র ব্যক্তিরা ওই পুলিশ চৌকিতে হামলা চালায়।

প্রাথমিক সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যরা প্রতিরোধ গড়ে তুলে ১৫ জন হামলাকারীকে হত্যা করেন। তবে এ সময় ৯ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন।

তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে জিম্মি করে। জিম্মিদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বাহিনী সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালায়।

চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, ৬ জুলাই থেকে জিয়ারাত জেলার পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলছিল। অবরোধ আরও কঠোর হলে হামলাকারীরা ১৮ জন জিম্মি পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে। মাঙ্গি চেকপোস্টে হামলায় মোট ২৭ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন এবং ওই অভিযানে ২৬ জন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়।

এদিকে নিরাপত্তা সূত্র জানায়, খুজদারের একটি পুলিশ স্টেশনে হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। এর জবাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও ফ্রন্টিয়ার কর্পস অভিযান চালিয়ে আরও ৮ জন সশস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যা করেছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, গত ৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন শাবান’ এবং অন্যান্য গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ৯১ জন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়েছে।

এ ছাড়া হেলিকপ্টার অভিযানেও আরও ৫ থেকে ৬ জন সশস্ত্র ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র: জিও নিউজ

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচে জিতবে কে, জানালো সুপার কম্পিউটার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচে জিতবে কে, জানালো সুপার কম্পিউটার

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আগামীকাল সকালে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড মুখোমুখি হতে চলেছে। এই লড়াইয়ে কে জিততে পারে, তা নিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছে অপ্টার সুপার কম্পিউটার।

এই ম্যাচ শুরুর আগে ২৫ হাজার সিমুলেশন চালিয়েছে অপ্টা। তারই ফলাফলে দেখা গেছে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা ৫৭ দশমিক ১ শতাংশ।

একই সিমুলেশনে সুইজারল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। বাকি ২৪ দশমিক ২ শতাংশ ক্ষেত্রে ম্যাচ ড্র হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে, অর্থাৎ খেলা গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে।

তবে বারবার প্রত্যাশিত হিসাবনিকাশ উল্টে দেওয়ার অভ্যাস যেন গড়ে তুলেছে আর্জেন্টিনা। এরপরও সার্বিকভাবে শেষ চারে উঠে শিরোপা রক্ষার লড়াই টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে তাদের সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে ৬৯ দশমিক ৪ শতাংশ।

অন্যদিকে ইংল্যান্ড বা নরওয়ের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা সুইজারল্যান্ডের জন্য দেখানো হয়েছে ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

ঢাকাসহ ১৬ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, জলাবদ্ধতার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ
ঢাকাসহ ১৬ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, জলাবদ্ধতার শঙ্কা

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ঢাকাসহ দেশের অন্তত ১৬টি অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে ঢাকাসহ দেশের আট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে।

এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

শনিবার (১১ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪–৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (৮৮ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টিপাত হতে পারে।

সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরের কোথাও কোথাও সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে অধিদপ্তর জানায়, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে মধ্য উত্তরপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ আকারে অবস্থান করছে এবং এটি আরও দুর্বল হতে পারে।

তবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দরগুলোকে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি