খুঁজুন
                               
, ,
           

তিন মামলায় উচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
তিন মামলায় উচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সুমনের জামিন

রাজধানীর মুগদা ও খিলগাঁও থানার পৃথক দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

একইসঙ্গে চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত।

বুধবার (২৯ জুলাই) মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা ও খিলগাঁও থানার একটি হত্যা মামলায় আগে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে ব্যারিস্টার সুমনকে জামিন দেন বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

সুমনের জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। তবে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় এখনই তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম লিটন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইছা।

আইনজীবী লিটন আহমেদ জানান, ‘খিলগাঁও থানার হত্যা মামলা এবং মুগদা থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় আগে রুল জারি করা হয়েছিল। আজ সেই রুল অ্যাবসুলেট (চূড়ান্ত) করে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।’

এদিকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ২২ জুলাই হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ ওই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করলে বিচারপতি রেজাউল হকের চেম্বার আদালত আজ কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে জামিন বহাল রাখার আদেশ দেন।

সাবেক এই সংসদ সদস্যের কারামুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে আইনজীবী লিটন আহমেদ বলেন, ‘ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর ও চুনারুঘাট  থানার মামলাসহ দুটিতে তার জামিন প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। তবে বাকি আরও পাঁচটি মামলায় হাইকোর্টে রুল শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ফলে এই মামলাগুলোতে জামিন না পাওয়া পর্যন্ত তিনি এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না।’

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর রাত দেড়টায় রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনকে। প্রথমে তাকে মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল।

পরবর্তীতে গত বছরের ২১ মে থেকে বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর খিলগাঁও, আদাবর এবং নিজ এলাকা চুনারুঘাট থানায় দায়ের হওয়া হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ মোট সাতটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়

গত ৭ এপ্রিল চুনারুঘাট থানার মামলায় সুমনের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন হবিগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত, যার প্রেক্ষিতে তিনি উচ্চ আদালতে আবেদন করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শূন্য ঘোষণা ঠাকুরগাঁও-১ আসন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৩ অপরাহ্ণ
শূন্য ঘোষণা ঠাকুরগাঁও-১ আসন

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য পদ হারালেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংবিধান অনুযায়ী তাঁর সংসদীয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের আইন প্রণয়ন শাখা-২-এর সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নির্বাচনী এলাকা-৩, ঠাকুরগাঁও-১ থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির কার্যভার গ্রহণ করেন। ফলে সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকেই আসনটি শূন্য হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, আসনটি শূন্য হওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশের জন্য সরকারি মুদ্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে শূন্য আসনে উপনির্বাচনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়, বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এখন তাঁর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আসনটিতে উপনির্বাচনের পথ তৈরি হলো।

কালের আলো/এসএ

পরিচ্ছন্ন শহরের লক্ষ্যে মহাখালীতে ডিএনসিসির ‘ক্লিন উইক’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
পরিচ্ছন্ন শহরের লক্ষ্যে মহাখালীতে ডিএনসিসির ‘ক্লিন উইক’

নগরবাসীকে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা এবং স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর শহর গড়ে তুলতে মহাখালীতে বিশেষ সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জোন-৩। শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে জোন-৩ কার্যালয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে জোন-৩ কার্যালয় থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়ে মহাখালী বাস টার্মিনালে গিয়ে শেষ হয়। সেখান থেকেই পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেন।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, ‘ক্লিন উইক’ কর্মসূচির আওতায় জোন-৩-এর বিভিন্ন প্রধান সড়ক, ফুটপাত ও ড্রেন পরিষ্কারে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এটি শুধু একদিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়; নগরবাসীর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতা তৈরিই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।

প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ে তোলা শুধু সিটি করপোরেশনের একার দায়িত্ব নয়। এ কাজে নগরবাসী, উন্নয়ন সহযোগী ও সংশ্লিষ্ট সবার সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। চলার পথে টিস্যু বা অন্যান্য আবর্জনা যেখানে-সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও সামনের অংশ পরিচ্ছন্ন রাখলে শহরকে দ্রুত পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করে তোলা সম্ভব। নগরবাসীকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতেই এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

ডিএনসিসির কর্মকর্তারা জানান, ওয়ার্ড ও ইউনিট পর্যায়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এ বিশেষ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। প্রতি সপ্তাহে সচেতনতামূলক র‍্যালিও আয়োজন করা হবে।

কর্মসূচিতে ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার এই উদ্যোগে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নাগরিকদের দৈনন্দিন অভ্যাসের। যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলা এবং নিজের আশপাশ পরিষ্কার রাখার অভ্যাসই পারে নগর পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগকে স্থায়ী রূপ দিতে।

কালের আলো/এসএ

ইউক্রেনে রুশ হামলায় প্রাণ গেল ১৪ জনের, আহত ১২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
ইউক্রেনে রুশ হামলায় প্রাণ গেল ১৪ জনের, আহত ১২১

ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রিভি রিহের একটি ব্যস্ত শপিং সেন্টারে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২১ জন। আহতদের মধ্যে ২২ জন শিশু রয়েছে। গুরুতর আহত ২৯ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় শহরটির বড় একটি শপিং কমপ্লেক্সে হামলা চালানো হয়। হামলার পর ভবনটিতে আগুন ধরে গেলে পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

ক্রিভি রিহ ডিফেন্স কাউন্সিলের প্রধান ওলেক্সান্দর ভিলকুল জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এটিকে ‘নিষ্ঠুর ও জঘন্য’ হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

জেলেনস্কির দাবি, প্রথম হামলার প্রায় ৩০ মিনিট পর একই শপিং সেন্টারে দ্বিতীয় ড্রোন হামলা চালানো হয়। তার অভিযোগ, দ্বিতীয় হামলাটি উদ্ধারকারী ও জরুরি সেবাকর্মীদের লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে চালানো হয়েছিল।

এদিকে ইউক্রেনের মাইকোলাইভ অঞ্চলেও রুশ বাহিনীর পৃথক হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু রয়েছে।

জাতিসংঘের ইউক্রেন মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ মিশনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু জুলাই মাসে রুশ হামলায় ইউক্রেনে অন্তত ৪৩৭ জন বেসামরিক মানুষ নিহত এবং ২ হাজার ৬১০ জন আহত হয়েছেন। ২০২২ সালের মে মাসের পর জুলাই মাসেই সবচেয়ে বেশি মাসিক বেসামরিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি