খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

সাফের মহারণে মুখোমুখি ভারত-বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
সাফের মহারণে মুখোমুখি ভারত-বাংলাদেশ

 রোববার(৩১মে), বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা।গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের আলোয় যখন সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও বাংলাদেশ, তখন সেটি কেবল আর একটি সাধারণ ফুটবল ম্যাচ থাকবে না।

মালদ্বীপ ইতোমধ্যেই ছিটকে যাওয়ায় দুই দলই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে। তবে এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি রূপ নিয়েছে এক মানসিক লড়াইয়ে।

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অঙ্কটা এখানে বেশ পরিষ্কার। যে জিতবে, সে সেমিফাইনালে এড়াতে পারবে গ্রুপ এ-এর শক্তিশালী দল নেপালকে।

দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ের ইতিহাসে ভারত বরাবরই আধিপত্য বিস্তার করে এসেছে। ২০১০ সালে ৭-০ গোলের জয় দিয়ে শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত ১২ বারের দেখায় ৯ বারই জিতেছে ভারত।

তবে, বর্তমান ফুটবলের চিত্রপট এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি পুরোপুরি বেঙ্গল টাইগ্রেসদের পক্ষে।

২০২২ ও ২০২৪ সালের আসরে দারুণ সব জয়ের মাধ্যমে ভারতের দীর্ঘদিনের আধিপত্যে বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে বাংলাদেশ। টানা দুবারের চ্যাম্পিয়ন বাঘিনীরা এবার গোয়ায় পা রেখেছে হ্যাটট্রিক শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে। অন্যদিকে, স্বাগতিক ভারতের জন্য এই ম্যাচটি হারানো সম্মান পুনরুদ্ধারের এক অগ্নিপরীক্ষা।

মালদ্বীপকে ১১-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকেই আজ মাঠে নামবে ভারত। আভিকা সিংয়ের দুর্দান্ত চার গোল এবং এসিএল ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা প্রিয়াঙ্কা দেবী নাওরেমের জোড়া গোল ভারতের আক্রমণভাগের শক্তিমত্তারই প্রমাণ দেয়।

ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগের পর পাঁচ দিনের বিশ্রাম পাওয়া ব্লু টাইগ্রেসদের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে আজ কেবল একটি ড্র প্রয়োজন।

তবে, ভারতীয় কোচ ক্রিসপিন ছেত্রী এসব সমীকরণে গা ভাসাতে নারাজ। তিনি বলেন, জয় তো জয়ই, তা ১১-০ হোক বা ১-০। কিন্তু আমরা আমাদের পরিকল্পনাগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করছি, সেটাই আসল।

তরুণ খেলোয়াড়দের চাপের কথা মাথায় রেখে তিনি আরও যোগ করেন, স্বাগতিক হিসেবে আমরা জিততে চাই এবং বাংলাদেশের জয়ের ধারা ভাঙতে চাই। তরুণদের এই চাপ সামলাতে হবে। যে দল চাপ সামলে নিজেদের খেলাটা খেলতে পারবে, তারাই আজ জিতবে।

অন্যদিকে, মালদ্বীপের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের জড়তা কাটিয়ে আজ আরও শাণিত রূপে মাঠে নামার অপেক্ষায় তারা। সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর হলো মাঝমাঠে ফিরছেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা।

প্রতিপক্ষের মাঠে স্বাগতিক দর্শকদের চাপের মুখে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে তার উপস্থিতি হবে টার্নিং পয়েন্ট।

বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ পিটার জেমস বাটলার এই উচ্চ চাপের ম্যাচটিকে নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী। তিনি দল সাজিয়েছেন একাধিক পরিকল্পনা নিয়ে।

বাটলার বলেন, এই ম্যাচটি আমাদের কয়েকজন মেয়েকে আরও কিছু সময় মাঠে কাটানোর সুযোগ করে দেবে। মনিকাও ফিরছে আমি প্ল্যান এ এবং প্ল্যান বি নিয়ে কাজ করেছি। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী, তাই আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিয়েছি।

ভারতের বড় জয়ে মোটেও ভীত নন বাটলার। বরং ঋতুপর্ণা চাকমা এবং সৌরভী আকন্দ প্রীতির মতো তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে গড়া দলকে তিনি করে তুলেছেন আরও নির্ভীক। দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, আমরা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দল। আমরা ভালো ফুটবল খেলি। তাদের আক্রমণভাগ যতই শক্তিশালী হোক না কেন, আমাদেরও সেই সামর্থ্য আছে। প্রয়োজনে আমরা রক্ষণ সামলাতে পারি, আবার প্রতিপক্ষকে বোকা বানিয়ে সুযোগও তৈরি করতে পারি।

এই দুই কোচের কাছেই আজকের ম্যাচটি কেবল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। তাদের উভয়েরই চোখ আরও বহুদূরে এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে।

ভারতীয় কোচ ছেত্রীর ভাষায়, আসল লক্ষ্য হলো নিজেদের দেশের ফুটবলের উন্নয়ন এবং এএফসির জন্য যোগ্যতা অর্জন করা। একই সুর বাটলারের কণ্ঠেও, কার বিপক্ষে খেলব, তা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। আমি তাদের মাঠে নামাতে প্রস্তুত।

গোয়ার তপ্ত রোদে অনুশীলনের ঘাম ঝরানো শেষ। এখন অপেক্ষা কেবল বাঁশির হুইসেলের। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের এই মহারণে আজ কে হাসবে শেষ হাসি? সে প্রশ্নের উত্তর মিলবে রাতেই।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১০৮৯

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১০৮৯

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৮৯ জন শিশু।

বুধবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে মোট ১ হাজার ৮৯ জন শিশু। এ সময়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদফতর।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি বা হামসদৃশ উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন।

এদিকে দেশে হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি ও জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আরও ২ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আরও ২ জনের মৃত্যু

প্রতি বছরের মতো এবারও বর্ষাকাল শুরু হতেই বাড়ছে মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। দেশের ৫৮টি জেলায় ছড়িয়েছে ডেঙ্গু জ্বর। এতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৫৭ জন রোগী।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে দুইজনের মৃত্যু এবং ১৫৭ জনের হাসপাতালে ভর্তির খবর জানানো হয়।

গত রোববার ডেঙ্গুতে দুই নারীর মৃত্যু হয়। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১১ জনে পৌঁছেছে। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। যে ছয়টি জেলায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়নি তার মধ্যে আছে ঢাকা বিভাগের শরীয়তপুর; সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার এবং রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলা।

প্রতি বছর বর্ষা এলেই বাড়ে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। অবশ্য এবার গতবারের তুলনায় এখনো প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেনি। গত বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৭ হাজার ৭৭ জন রোগী। ওই সময় ডেঙ্গুতে মারা যান ৩০ জন। চলতি বছর এই সংখ্যাটি অনেকটা কম।

তবে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে দিন দিন বাড়ছে তাতে পরিস্থিতি গুরুতর হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এজন্য সরকারও আগেভাগেই ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে নড়েচড়ে বসেছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধান করে ১৯ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স করা হয়েছে। ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ঠেকাতে দুই সিটি করপোরেশনই পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করেছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রায় ৪৬৪ কোটি টাকার ইউরিয়া ও টিএসপি সার কিনছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
প্রায় ৪৬৪ কোটি টাকার ইউরিয়া ও টিএসপি সার কিনছে সরকার

দেশের কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ইউরিয়া ও ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং ৩০ হাজার টন টিএসপি সার রয়েছে। এই সার কিনতে মোট ব্যয় হবে ৪৬৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার ৬২৫ টাকা।

বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে কৃষি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে সূত্রে জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ব্যয় হবে ১৯৯ কোটি ৯৪ লাখ ২৩ হাজার ১২৫ টাকা, যা সার বিক্রির আয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভর্তুকি থেকে মেটানো হবে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পরিকল্পনা অনুসারে কাফকোর সঙ্গে ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনার সংশোধিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির আওতায় ১৬তম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার প্রতি মেট্রিক টন ৫৪০ দশমিক ৭৫ মার্কিন ডলার দরে কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১ কোটি ৬২ লাখ ২২ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে কাফকো থেকে কেনা হবে ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন।

অন্যদিকে বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস-এর কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় ২১তম (ঐচ্ছিক-৬ষ্ঠ) লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ২৬৩ কোটি ৬৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা, যা সরকারি তহবিল (জিওবি) থেকে বহন করা হবে।

বিএডিসি সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববর্তী চুক্তির কার্যক্রম শেষ হওয়ায় ২০২৫ সালের ২ জুলাই মরক্কোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি নবায়ন করা হয়। নবায়িত চুক্তির মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতি মেট্রিক টন টিএসপি সারের এফওবি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১৩ মার্কিন ডলার। এ হিসাবে ২১তম লটের জন্য মোট ব্যয় হবে ২ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৬৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত এই টিএসপি সারের চালান আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে পৌঁছাবে এবং তখনই তা কৃষকদের ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিএডিসির টিএসপি সার আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ লাখ মেট্রিক টন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ