খুঁজুন
                               
সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

রামিসা হত্যা মামলা: আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী আদালতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলা: আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী আদালতে

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে আট বছরের শিশুকে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) সকাল পৌনে আটটার দিকে প্রিজন ভ্যানে তাদের আদালতে আনা হয়। সোহেল রানাকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকে নারী হাজতখানায় রাখা হয়েছে।

আজ আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের শুনানি হবে। মহানগর দায়রা জজ আদালতের ইনচার্জ রিপন মোল্লাি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে আসামি সোহেল রানা কৌশলে ৫ম তলা বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার একটি রুমে নিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের রুমের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করে তার মা। সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার মা ফ্ল্যাটের অন্যদের নিয়ে এসে ভেতরে প্রবেশ করেন।

সোহেল ও স্বপ্নার শোয়ার রুমে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পায়। স্বপ্না সেখানে দাঁড়ানো ছিল। এ ঘটনার দিন শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।

পরে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

একইদিন আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আদেশ দেন আদালত। তদন্ত শেষে গত ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। এতে আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হামের পর এবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত দেড় বছরের শিশু, ভর্তি রামেক হাসপাতালের আইসিইউতে

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
হামের পর এবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত দেড় বছরের শিশু, ভর্তি রামেক হাসপাতালের আইসিইউতে

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেড় বছর বয়সী এক শিশুর শরীরে হামের পর ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালের শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রাখা হয়েছে। চলতি মৌসুমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনাক্ত হওয়া এটি প্রথম ডেঙ্গু রোগী।

শিশুটির নাম তাইবা। তার বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা চৌধুরীপাড়া গ্রামে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের শুরুতে জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত হলে তাকে স্থানীয় জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই দিন পর তার শরীরে লালচে দানার মতো ফুসকুড়ি দেখা দেয়।

চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে হাম শনাক্ত হলে প্রায় ১২ দিন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায় সে। পরে তাকে হামের টিকাও দেওয়া হয়।

কিন্তু সুস্থ হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই গত বুধবার আবার জ্বর ও কাশি দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে স্থানীয় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা অথবা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে শুক্রবার রাতে শিশুটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

রোববার শিশুটির রক্ত পরীক্ষা করলে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। হাসপাতালের শিশু আইসিইউর দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, শনিবার রাউন্ডে গিয়ে তিনি দেখতে পান শিশুটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল।

পরীক্ষার রিপোর্টে রক্তের শ্বেতকণিকার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেশি এবং প্লাটিলেটের সংখ্যা অনেক কম ছিল। পরদিন আইসিইউর ল্যাবে পুনরায় পরীক্ষা ও ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হলে ফলাফলে ডেঙ্গু পজিটিভ আসে।

তিনি বলেন, হামের ধকল কাটিয়ে ওঠার আগেই শিশুটি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। শিশুটিকে সুস্থ করে তুলতে চিকিৎসক, নার্স এবং পরিবারের সদস্যরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শিশুটির বাবা জাহিদুল ইসলাম একজন কৃষিশ্রমিক। তিনি অন্যের জমিতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। একমাত্র সন্তানের চিকিৎসা নিয়ে উদ্বিগ্ন এই বাবা বলেন, মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে যা প্রয়োজন, তা করতে তিনি প্রস্তুত।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

 

রাজশাহী রেল স্টেশন ও বাস টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
রাজশাহী রেল স্টেশন ও বাস টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়

পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় রাজশাহী থেকে শুরু হয়েছে কর্মস্থলমুখী মানুষের ফিরতি যাত্রা। তাই রাজশাহীর রেল স্টেশন ও বাস টার্মিনালে দেখা যাচ্ছে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়।

সোমবার সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রেন ও বাসে উঠছেন যাত্রীরা। ফিরতি যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলওয়ে ও পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

পাশাপাশি নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মাঠে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। যাত্রীদের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ভোগান্তি বা বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি।

নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অধিকাংশ ট্রেন ও বাস চলাচল করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার জিয়াউল আহসান জানান, এবারের ঈদে ট্রেন চলাচলে কোনো বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় বা দুর্ঘটনা ঘটেনি।

গত ২৩ মে থেকে শুরু হওয়া ঈদের বিশেষ ট্রেন পরিচালনা কর্মসূচি আগামী ৩ জুন শেষ হবে। যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় এবারের ঈদযাত্রা সফল ও নিরাপদ হয়েছে। তিনি বলেন, ট্রেনগুলো সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল করেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১০ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত বিলম্ব হলেও পরে তা সমন্বয় করে নেওয়া হয়েছে।

ফলে বড় ধরনের কোনো সমস্যা ছাড়াই যাত্রীরা ঈদ উদযাপন এবং যাতায়াত করতে পেরেছেন। যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ মোকাবিলায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রতিটি ট্রেনে একটি এসি ও একটি শোভন চেয়ার কোচসহ দুটি অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করেছে। এতে ট্রেনের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন সহজ হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

 

হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক 
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
হজ পালন শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

সোমবার (১ জুন) তিনি দেশে ফেরেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, গত ২২ মে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সৌদি আরব যান।

কালের আলো/এমএএইচ