খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

২০২৬ বিশ্বকাপে দেখা যাবে যেসব নতুন নিয়ম

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ
২০২৬ বিশ্বকাপে দেখা যাবে যেসব নতুন নিয়ম

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বেশ কিছু নিয়মে পরিবর্তন এনেছে ফুটবলের আইনপ্রণেতা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি)।

নতুন নিয়মগুলো ২০২৬-২৭ মৌসুম থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও আসন্ন বিশ্বকাপই হতে যাচ্ছে এই নিয়মগুলো প্রয়োগের প্রথম বড় মঞ্চ।

ফিফার প্রধান রেফারিং কর্মকর্তা পিয়েরলুইজ কলিনা জানিয়েছেন, ম্যাচে বর্ণবাদ ও বৈষম্য দূর করা, সময় অপচয় রোধ করা এবং খেলার গতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে।

উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মুখ ঢাকলেই লাল কার্ড

ম্যাচ চলাকালীন সময়ে কোনো ফুটবলার মাঠে কোনো ধরণের বিরোধ বা উত্তপ্ত পরিস্থিতির সময় হাত, বাহু কিংবা জার্সি দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে রাখলে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হবে। মূলত প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে বর্ণবাদী বা আপত্তিকর গালি দিয়ে মুখ লুকিয়ে পার পেয়ে যাওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে এই কঠোর নিয়ম আনা হয়েছে।

তবে একই ক্লাবে খেলা দুই ভিন্ন দেশের সতীর্থরা যদি মাঠে স্বাভাবিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ কথাবার্তা বলার সময় মুখ ঢাকেন, তবে কোনো শাস্তি দেওয়া হবে না।

প্রতিবাদে মাঠ ছাড়লে লাল কার্ড ও ম্যাচ বাজেয়াপ্ত

রেফারির কোনো সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে যদি কোনো খেলোয়াড় মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান, তবে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হবে। কোনো দলের কোচ বা অফিশিয়াল যদি খেলোয়াড়দের মাঠ ছেড়ে চলে যেতে প্ররোচিত করেন, তবে তাদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

এছাড়া কোনো দল মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে প্রতিপক্ষ দলকে সরাসরি জয়ী ঘোষণা করা হবে।

থ্রো-ইন ও গোল-কিকের জন্য ৫ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন

সময় নষ্ট করা বন্ধ করতে রেফারিরা এখন থেকে থ্রো-ইন এবং গোল-কিকের সময় হাত উঁচিয়ে দৃশ্যমান ৫ সেকেন্ডের একটি কাউন্টডাউন শুরু করবেন।

৫ সেকেন্ডের মধ্যে বল মাঠে না পাঠালে থ্রো-ইনের সুযোগ প্রতিপক্ষ দল পেয়ে যাবে। আর গোলরক্ষক যদি ৫ সেকেন্ডের মধ্যে কিক না নেন, তবে শাস্তি স্বরুপ প্রতিপক্ষ দলকে সরাসরি একটি কর্নার কিক উপহার দেওয়া হবে।

বদলি খেলোয়াড়দের জন্য ১০ সেকেন্ডের নিয়ম

কোনো খেলোয়াড়কে তুলে নেওয়ার জন্য যখন ফোর্থ আম্পায়ার সাইডলাইনে কোড বোর্ড প্রদর্শন করবেন, তখন মাঠের খেলোয়াড়কে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে বাউন্ডারি লাইনের সবচেয়ে কাছের অংশ দিয়ে মাঠের বাইরে চলে যেতে হবে। যদি তিনি ১০ সেকেন্ডের মধ্যে মাঠ না ছাড়েন, তবে তার পরিবর্তে নামতে যাওয়া নতুন খেলোয়াড়টি পরবর্তী এক মিনিট মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না।

এক মিনিট পর খেলা যখন প্রথমবার থামবে, তখন রেফারির সংকেত পাওয়ার পরই কেবল নতুন খেলোয়াড় মাঠে ঢুকতে পারবেন। তবে গুরুতর চোট বা নিরাপত্তার বিষয় থাকলে এই নিয়ম শিথিল হতে পারে।

মাঠের বাইরে এক মিনিটের চিকিৎসা

মাঠে চোট পাওয়ার পর যদি কোনো আউটফিল্ড খেলোয়াড়কে চিকিৎসা দিতে মেডিকেল স্টাফরা মাঠে প্রবেশ করেন, তবে চিকিৎসা শেষে খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার পর ওই খেলোয়াড়কে বাধ্যতামূলকভাবে এক মিনিট মাঠের বাইরে অপেক্ষা করতে হবে।

তবে গোলরক্ষকের চোট, গোলরক্ষক ও আউটফিল্ড খেলোয়াড়ের মুখোমুখি সংঘর্ষ, একই দলের দুই খেলোয়াড়ের সংঘর্ষ, মাথায় গুরুতর আঘাত কিংবা চোট পাওয়া খেলোয়াড়টি যদি পেনাল্টি শ্যুটার হন, তবে তাকে বাইরে যেতে হবে না।

ভিএআর প্রযুক্তির পরিধি বৃদ্ধি

ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর’র ক্ষমতা আরও বাড়ানো হয়েছে। ভুলবশত কাউকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেওয়া হলে কিংবা ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানো হলে তা সংশোধন করতে এটা ব্যবহৃত হবে। আবার ভুলভাবে কোনো কর্নার কিক দেওয়া হলে, খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার আগে তাৎক্ষণিকভাবে তা সংশোধন করার সুযোগ থাকছে।

ফ্রি-কিক বা কর্নার নেওয়ার আগে যদি কোনো ফরোয়ার্ড রক্ষণভাগের খেলোয়াড়কে ফাউল করেন, তবে ভিএআর রেফারিকে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের পরামর্শ দেবে এবং ফাউল প্রমাণিত হলে কার্ড ও পুনরায় কিক নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

বাধ্যতামূলক তিন মিনিটের হাইড্রেশন ব্রেক

বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের দুই অর্ধে বাধ্যতামূলকভাবে তিন মিনিট করে হাইড্রেশন ব্রেক বা পানি পানের বিরতি দেওয়া হবে। সাধারণত প্রতি অর্ধে ২২ মিনিটের কাছাকাছি সময়ে এই বিরতি দেওয়া হবে।

গোলরক্ষকের চিকিৎসাকালীন কোচিং নিষিদ্ধ

ম্যাচ চলাকালীন কোনো গোলরক্ষক মাঠে চোট পেয়ে চিকিৎসা নিতে থাকলে সেই সুযোগে অন্য খেলোয়াড়রা মাঠের সাইডলাইনে গিয়ে নিজেদের কোচের কাছ থেকে কোনো ধরণের কৌশলগত পরামর্শ নিতে পারবেন না। তাদের মাঠের ভেতরেই অবস্থান করতে হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১০৮৯

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১০৮৯

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৮৯ জন শিশু।

বুধবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে মোট ১ হাজার ৮৯ জন শিশু। এ সময়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদফতর।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি বা হামসদৃশ উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন।

এদিকে দেশে হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি ও জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আরও ২ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আরও ২ জনের মৃত্যু

প্রতি বছরের মতো এবারও বর্ষাকাল শুরু হতেই বাড়ছে মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। দেশের ৫৮টি জেলায় ছড়িয়েছে ডেঙ্গু জ্বর। এতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৫৭ জন রোগী।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে দুইজনের মৃত্যু এবং ১৫৭ জনের হাসপাতালে ভর্তির খবর জানানো হয়।

গত রোববার ডেঙ্গুতে দুই নারীর মৃত্যু হয়। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১১ জনে পৌঁছেছে। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। যে ছয়টি জেলায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়নি তার মধ্যে আছে ঢাকা বিভাগের শরীয়তপুর; সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার এবং রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলা।

প্রতি বছর বর্ষা এলেই বাড়ে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। অবশ্য এবার গতবারের তুলনায় এখনো প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেনি। গত বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৭ হাজার ৭৭ জন রোগী। ওই সময় ডেঙ্গুতে মারা যান ৩০ জন। চলতি বছর এই সংখ্যাটি অনেকটা কম।

তবে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে দিন দিন বাড়ছে তাতে পরিস্থিতি গুরুতর হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এজন্য সরকারও আগেভাগেই ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে নড়েচড়ে বসেছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধান করে ১৯ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স করা হয়েছে। ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ঠেকাতে দুই সিটি করপোরেশনই পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করেছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

প্রায় ৪৬৪ কোটি টাকার ইউরিয়া ও টিএসপি সার কিনছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
প্রায় ৪৬৪ কোটি টাকার ইউরিয়া ও টিএসপি সার কিনছে সরকার

দেশের কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ইউরিয়া ও ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং ৩০ হাজার টন টিএসপি সার রয়েছে। এই সার কিনতে মোট ব্যয় হবে ৪৬৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার ৬২৫ টাকা।

বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে কৃষি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে সূত্রে জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) কর্তৃক কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ব্যয় হবে ১৯৯ কোটি ৯৪ লাখ ২৩ হাজার ১২৫ টাকা, যা সার বিক্রির আয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভর্তুকি থেকে মেটানো হবে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পরিকল্পনা অনুসারে কাফকোর সঙ্গে ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনার সংশোধিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির আওতায় ১৬তম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার প্রতি মেট্রিক টন ৫৪০ দশমিক ৭৫ মার্কিন ডলার দরে কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১ কোটি ৬২ লাখ ২২ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে কাফকো থেকে কেনা হবে ৫ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন।

অন্যদিকে বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস-এর কাছ থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় ২১তম (ঐচ্ছিক-৬ষ্ঠ) লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ২৬৩ কোটি ৬৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা, যা সরকারি তহবিল (জিওবি) থেকে বহন করা হবে।

বিএডিসি সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববর্তী চুক্তির কার্যক্রম শেষ হওয়ায় ২০২৫ সালের ২ জুলাই মরক্কোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি নবায়ন করা হয়। নবায়িত চুক্তির মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুযায়ী প্রতি মেট্রিক টন টিএসপি সারের এফওবি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১৩ মার্কিন ডলার। এ হিসাবে ২১তম লটের জন্য মোট ব্যয় হবে ২ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৬৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত এই টিএসপি সারের চালান আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে পৌঁছাবে এবং তখনই তা কৃষকদের ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিএডিসির টিএসপি সার আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ লাখ মেট্রিক টন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ