খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

১৪ জুন কক্সবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
১৪ জুন কক্সবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

আগামী ১৪ জুন কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে একটি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এই তথ্য জানিয়েছেন।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এই সফরের কথা জানান।

বৈঠকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) বাঁধ এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালে নেওয়া একটি বড় প্রকল্প ২০২৪ সালে শেষ হলেও এর সুফল এখনো পুরোপুরি পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। ফলে ওই এলাকায় জলাবদ্ধতা সমস্যা অনেকাংশে রয়ে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে সমস্যার স্থায়ী সমাধান খুঁজতেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিশেষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিএনডি এলাকার চলমান প্রকল্পটি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পানি সম্পদ মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, সিটি করপোরেশনের সরাসরি তদারকি ও ব্যবস্থাপনায় এবার ডিএনডি এলাকার উন্নয়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখা যাবে।

তিনি আরও জানান, শুধু জলাবদ্ধতা দূর করাই নয়—এলাকার বর্জ্য অপসারণ ও সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনাও এখন থেকে সিটি করপোরেশন তদারকি করবে, যা ওই অঞ্চলের পরিবেশ উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

ডিএনডি এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে নতুন কিছু পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অতিরিক্ত ৩০ কিলোমিটার ড্রেনেজ উন্নয়ন কাজের একটি নতুন প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই এই নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যেই ডিএনডি এলাকাবাসীকে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার ভোগান্তি থেকে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

কালের আলো/এসএকে

টানা তিন জয়ে নকআউটে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মেক্সিকো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
টানা তিন জয়ে নকআউটে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মেক্সিকো

ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে আরও একবার মেক্সিকান ফুটবলের মহোৎসব দেখা গেল। আজ ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এ’-র শেষ ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-০ ব্যবধানে অনায়াসে হারিয়েছে টুর্নামেন্টের অন্যতম সহ-আয়োজক মেক্সিকো। এই জয়ে ৩ ম্যাচে শতভাগ সাফল্য ও পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান মজবুত করল স্বাগতিকরা। অন্যদিকে, এই হারের পর গ্রুপ পর্বের তলানিতে থেকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল চেক প্রজাতন্ত্র।

প্রথমার্ধে চেক রক্ষণভাগ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে মেক্সিকোর আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে তা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে মেক্সিকোকে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন মাতেও চাভেজ। তাঁর নিখুঁত ফিনিশিংয়ে লিড নেয় স্বাগতিকরা। প্রথম গোলের ঠিক ৬ মিনিট পর চেক ডিফেন্সের চরম অসতর্কতার সু্যোগ লুফে নেন জুলিয়ান কুইনোনেস।

প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের এলোমেলো অবস্থার সুযোগ নিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। এরপর ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে আলভারো ফিদালগো এক চমৎকার ক্রসে বল জালে জড়ালে মেক্সিকোর ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয়।

ম্যাচের ফলাফল ছাপিয়ে এই রাতটি মেক্সিকান ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে দাঁড়ায় দ্বিতীয়ার্ধে। দলের অভিজ্ঞ ও কিংবদন্তি গোলরক্ষক গিলিয়ার্মো ওচোয়াকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামান কোচ। এর মাধ্যমে ৪০ বছর বয়সী এই তারকা ফুটবলার ইতিহাসের অন্যতম বিরল কীর্তি হিসেবে ৬টি ভিন্ন বিশ্বকাপ আসরে খেলার অনন্য রেকর্ড স্পর্শ করেন। আজতেকার গ্যালারি ভরা হাজার হাজার দর্শক এই প্রবীণ প্রাচীরকে মাঠে নামতে দেখে তুমুল করতালিতে বরণ করে নেন।

এই গ্রুপ থেকে ৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটে পা রাখল মেক্সিকো। একই রাতে অন্য ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রানার্স-আপ হিসেবে ইতিহাস গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে কোরিয়া এবং ১ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে চেক প্রজাতন্ত্র।

স্বাগতিক মেক্সিকোকে তাদের শেষ ৩২ বা রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচের জন্য অন্য কোথাও ভ্রমণ করতে হচ্ছে না। আগামী ৩০ জুন এই আজতেকা স্টেডিয়ামেই তারা নকআউট পর্বের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামবে। ঘরের মাঠের চেনা কন্ডিশন এবং ওচোয়ার মতো কিংবদন্তির অনুপ্রেরণা নিয়ে মেক্সিকানরা এখন আরও দূর যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জরুরি অবস্থা জারি

ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় এক লাখের বেশি প্রাণহানির আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলায় এক লাখের বেশি প্রাণহানির আশঙ্কা

এক মিনিটের ব্যবধানে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হেনেছে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে এক লাখের বেশি মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে। এর ৩৯ সেকেন্ড পর আরও শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প হয়, যার মাত্রা ৭ দশমিক ৫ ছিল বলে যুক্তরাষ্ট্রের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে।

ইউএসজিএস বলছে, ব্যাপক হতাহত ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে—দ্বিতীয় প্রধান ভূমিকম্পের পর ১০ হাজারের বেশি প্রাণহানির আশঙ্কা ৪৪ শতাংশ এবং এক লাখের বেশি মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা ৩০ শতাংশ।

রাজধানী কারাকাসেও কম্পন অনুভূত হয়েছে, সেখানে ভবন ধসে পড়েছে, জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ সাহায্যের জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে, ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন এবং জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার তদারকির জন্য তিনি একজন জেনারেলকে দায়িত্ব দেন।

তার পূর্বসূরি নিকোলাস মাদুরোকে জানুয়ারিতে মার্কিন বাহিনী আটক করে মাদক পাচার সংক্রান্ত অভিযোগে বিচারের জন্য নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করে আসছেন।

তিনি ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতি সর্বোপরি ঐক্যের আহ্বান জানান। এছাড়া, ভূমিকম্পে যারা তাদের প্রিয়জন হারিয়েছেন তাদের প্রতি তিনি সমবেদনা জানান, তবে নিহতের সংখ্যা উল্লেখ করেননি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে ‘সুখবর’

সিলেট প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ
জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে ‘সুখবর’

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সদ্য মালয়েশিয়া সফরের ফলে এই শ্রমবাজার খোলার আশা করা যাচ্ছে। আগামী জুলাই মাসের মধ্যে মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মালয়েশিয়া সফর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সফরটি অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার ও জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনার ফলে শ্রমবাজার ও জনশক্তি রপ্তানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আগামী জুলাই মাসের মধ্যে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তখন চলমান বিভিন্ন বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণ দেখতে পাবেন।

ওসমানী বিমানবন্দরের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের সেবার মান উন্নয়নে বিমানবন্দরে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ এবং বিশেষ সহায়তাপ্রার্থী যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ চলছে। পাশাপাশি প্রবাসীরা যাতে বিমানবন্দরে কোনো ধরনের হয়রানি বা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর সুবিধা বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, রাতের ফ্লাইটে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণ এবং বিমানবন্দরে শিশুদের জন্য ‘কিডস জোন’ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।

মাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী আরও বলেন, এ বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অস্বচ্ছতার সুযোগ দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব দেবজিৎ সিংহ ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুল ইসলাম, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালক হাফিজ আহমদসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ