খুঁজুন
                               
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১৪ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে সরকারের ব্যাপক কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে সরকারের ব্যাপক কর্মসূচি

চলতি বছর রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও বড় পরিসরে উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব শবনম মুস্তারী রিক্তা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষে গত ৩ মে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থায় পাঠানো হয়েছে এবং সেখানে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের লক্ষ্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসন পর্যন্ত ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। এই আয়োজনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও উপজেলা প্রশাসনসহ দেশের প্রায় সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে বিশেষ স্মারক পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশসহ (ডিএমপি) সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতার, তথ্য অধিদপ্তর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরকে দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে দেশব্যাপী বিশেষ প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।

মাঠ প্রশাসনের অংশ হিসেবে দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) কাছেও এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

দিবসটি উদযাপনের প্রস্তুতির সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবহন, ধর্ম এবং সমাজকল্যাণসহ বিভিন্ন খাতভিত্তিক মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে যুক্ত করায় জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ স্কাউটস, বিএনসিসি এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদকেও এই কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য অবহিত করা হয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসকে জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে দেশজুড়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি আয়োজন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা, আলোচনা সভা, বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠান এবং গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সব সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দিবসটির গুরুত্ব সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে এবং সব প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প : মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৪৩০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১:৫০ পূর্বাহ্ণ
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্প : মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৪৩০

ভেনেজুয়েলায় পরপর দুইবার আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৩০ জনে। এ ছাড়া অন্তত ৩ হাজার ২৩৮ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, গত বুধবারের এই বিধ্বংসী ভূমিকম্পে দেশের প্রায় ৬৭ লাখ ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত এই বিশাল জনসংখ্যার মধ্যে শুধু রাজধানী কারাকাসেরই প্রায় ২০ লাখ মানুষ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এখনো চলমান থাকায় মানবিক সংকটের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

প্রাথমিক স্যাটেলাইট বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সংস্থাটি জানায়, উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মার-এর প্রায় ৩১.৫ শতাংশ ভবন ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, গত বুধবার মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে ভেনেজুয়েলায় ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।

এর মধ্যে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পটি ইয়ারাকুই রাজ্যের ইউমারে শহর থেকে ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্পটি একই রাজ্যের সান ফেলিপে থেকে ২৩.৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে আঘাত হানে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

সব মাধ্যমিক স্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সোমবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
সব মাধ্যমিক স্কুলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সোমবার

দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সব স্কুলে আগামী সোমবার একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালনের নির্দেশে দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

সম্প্রতি মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন-লেইস প্রজেক্ট থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জলবায়ু অনুদান বাবদ দেওয়া পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে এদিন একটি ফলদ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি বৃক্ষরোপণ, ব্যানার ফেস্টুন তৈরি এবং সেমিনার ও র‍্যালি আয়োজন করতে হবে।

এদিন প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্যদের উপস্থিত থেকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার ব্যবস্থা করতে হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে বলেও জনানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
বুয়েটকে বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: মাহদী আমিন

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) বিশ্বমানের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বুয়েটের যেমন সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে সৃজনশীলতা, মেধা, বুদ্ধি এবং দেশ বিনির্মাণের ভূমিকা রয়েছে, ঠিক তেমনি রয়েছে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে অনেক অবদান। শনিবার (২৭ জুন) বিকালে বুয়েট অডিটোরিয়ামে ২০২৫-২৬ সেশনের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মাহদী আমিন বলেন, ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে আমরা চিন্তা করতে পারি, ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই কিন্তু বুয়েটের ফ্যাকাল্টি মেম্বার্সদের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বের যত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন না কেন, দেখবেন সেখানে আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যারা রয়েছেন তারা সেখানে হয় পড়াশোনা করছেন অথবা কেউ না কেউ শিক্ষকতা করছেন। অর্থাৎ আজকে বুয়েটে ভর্তির মাধ্যমে আপনারা খুব রিয়েল একটা লেগেসি পাচ্ছেন, যেটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেই ঐতিহ্য বর্তমানে বাংলাদেশের বাইরেও বিশ্বের অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত।

শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্যে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই উপদেষ্টা বলেন, নতুন সরকার মাত্র চার মাস হলো দায়িত্ব নিয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- এমন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেখানে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র কোনো সার্টিফিকেট অর্জন করবে না, শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য থেকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। একজন মানুষ যার ন্যায়, নীতি, সততা, যোগ্যতা, দেশপ্রেম থাকবে। এবং একই সঙ্গে সেই দক্ষতা এবং যোগ্যতা নিয়ে তিনি গড়ে উঠবেন। যেখানে আগামীর বাংলাদেশের কর্ণধার হিসেবে তারা চাকরির জন্য, ব্যবসার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য সে প্লাটফর্মগুলোতে সুযোগ পাবেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সেক্ষেত্রে বুয়েটকে অবশ্য বড় একটা ভূমিকা রাখতে হবে। যেহেতু আপনারা দেশের শীর্ষ মেধাবী, সবচেয়ে বেশি সৃজনশীলতা নিয়ে আপনারাই তো আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন, সেটাই স্বাভাবিক।

আপনারা যারা রয়েছেন, জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পড়াশোনা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে পড়াশোনার পাশাপাশি এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিসকেও প্রাধান্য দেওয়া উচিত।স্পোর্টস কালচারকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। পুথিগত বিদ্যা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপনাদের ইন্টারপার্সোনাল স্কিলস, ট্রান্সফারেবল স্কিলস, টিম স্কিল, লিডারশিপ এই প্রত্যেকটা তৈরি করতে হবে।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা যেমন বলি- ‘গ্রেট পাওয়ার কামস গ্রেট রেসপন্সিবিলিটি’ আপনাদের ক্ষেত্রেও একই। আপনাদের অনেক স্বীকৃতি আছে। এর মানে, আমাদের এটাকে আরও এক হাত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্ব মানচিত্রে কীভাবে একটা শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারি, সেখানে আপনারা অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।

সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে বুয়েট শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন- তিনি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন, কীভাবে বুয়েটে গবেষণার জন্য আরও বেশি ফান্ডিংয়ের ব্যবস্থা আমরা করতে পারি। এত বড় বিশ্ববিদ্যালয় প্রো-ভিসি স্যারকে বলছিলাম অডিটোরিয়ামের এ অবস্থা কেন? আমাদের মনে হয় সরকারের দিক থেকেও আরও বেশি সহযোগিতা করার প্রয়োজন রয়েছে এবং আমরা ইনশাআল্লাহ সেটা করব।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আমি আজকে যখন আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছি এটা শুধু ওরিয়েন্টেশনের শিক্ষার্থীর সামনে না, দাঁড়িয়ে রয়েছি আগামী বাংলাদেশ যারা বিনির্মাণ করবে, আগামীর বাংলাদেশের যারা কান্ডারি, সেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে। আগামীর ভবিষ্যৎ ইনশাআল্লাহ আপনারা নির্মাণ করবেন। সরকারের দিক থেকে যা করণীয়, যা সহযোগিতার প্রয়োজন হবে, আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা দিয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়াব।

এ সময় শহীদ আবরার ফাহাদের কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, শহীদ আবরার ফাহাদ সেই মানুষটা কিন্তু আপনাদেরই পূর্বে ছিলেন এ বুয়েটের। আমরা চাই আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সুনাগরিক হয়ে ওঠার যে আকাঙ্ক্ষা সেটাকে ধারণ করে, আগামী বাংলাদেশের বুয়েট এবং বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যারা শিক্ষার্থী রয়েছেন, তাদেরকে মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্লাটফর্মটা তৈরি করে দিতেন।

মাহদী আমিন বলেন, জনগণের সরকার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা যখন সেই কাজটা করতে যাব, অবশ্যই মূল গড়ে উঠার ভিত্তি হবেন আপনারা। আপনারা যারা ছাত্র-ছাত্রী রয়েছেন, আগামীর বাংলাদেশে যখন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠবেন, ভালো ভালো জায়গায় নিজেদের কর্মসংস্থান হবে, হাজারো, লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান আপনারা তৈরি করবেন। আগামীর বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ আপনারা সেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একরামুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাসিব চৌধুরী এবং ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এন এম গোলাম জাকারিয়া।

কালের আলো/এম/এএইচ