খুঁজুন
                               
, ,
           

রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে সরকারের ব্যাপক কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে সরকারের ব্যাপক কর্মসূচি

চলতি বছর রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও বড় পরিসরে উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-২ শাখার উপসচিব শবনম মুস্তারী রিক্তা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষে গত ৩ মে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থায় পাঠানো হয়েছে এবং সেখানে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের চিঠি অনুযায়ী, দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের লক্ষ্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসন পর্যন্ত ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। এই আয়োজনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও উপজেলা প্রশাসনসহ দেশের প্রায় সব সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে বিশেষ স্মারক পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ড, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশসহ (ডিএমপি) সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতার, তথ্য অধিদপ্তর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরকে দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে দেশব্যাপী বিশেষ প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিশেষ প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।

মাঠ প্রশাসনের অংশ হিসেবে দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) কাছেও এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও সমন্বিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

দিবসটি উদযাপনের প্রস্তুতির সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, কৃষি, পরিবহন, ধর্ম এবং সমাজকল্যাণসহ বিভিন্ন খাতভিত্তিক মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে যুক্ত করায় জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ স্কাউটস, বিএনসিসি এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদকেও এই কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য অবহিত করা হয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসকে জাতীয় পর্যায়ে মর্যাদাপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে দেশজুড়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচি আয়োজন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আলোকসজ্জা, আলোচনা সভা, বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠান এবং গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সব সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দিবসটির গুরুত্ব সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে এবং সব প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

সাবেক রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তারের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ
সাবেক রাষ্ট্রপতির গ্রেপ্তারের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের বিক্ষোভ

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা। সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

বুধবার (২৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে পল্টনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

বিক্ষোভকারীরা জানান, একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের পর ব্যাংকটির সুশাসন, আর্থিক স্থিতিশীলতা ও গ্রাহকদের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই শেয়ার কেলেঙ্কারি, ব্যাংক দখল ও আর্থিক অনিয়মের ঘটনায় দায়ীদের বিচারের আওতায় না আনলে এ খাতে আস্থা ফিরবে না।

এ সময় তারা সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান তারা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ জনপরিসরে এসেছে, সেগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। নয়তো আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ দেখিয়ে দায়মুক্তির দাবি করলেও রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের কোনো কর্মকাণ্ড এ সুরক্ষার আওতায় পড়ে না। ফলে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব পালনের সময় শেয়ার কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত, মামলাসহ গ্রেপ্তারের সুযোগ রয়েছে।

অতএব রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগেই তিনি ফৌজদারি অপরাধ করেছেন। এজন্য তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

সিআইডির প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
সিআইডির প্রধানের দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোশাররফ

সিআইডির নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন। এর আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবু তালেব এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মোহাম্মদ মোশারফ হোছাইনকে সিআইডির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এনএসআই-এ কর্মরত অবস্থায় তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পান।

ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস-এর মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।এছাড়া কর্মজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও কারিকুলাম উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। সিআইডির সদর দফতর, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা ইউনিটে বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন। মাঠ পর্যায়ে পিরোজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর, খুলনা ও ঢাকা রেঞ্জের বিভিন্ন ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে তিনি তদন্ত, গোয়েন্দা কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

‎শিক্ষাগত জীবনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার-অ্যাট-ল (Bar-at-Law) সম্পন্ন করেন। দেশ-বিদেশে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি আধুনিক পুলিশিং, তদন্ত এবং ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেছেন। উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়ায় ফরেনসিক ল্যাবরেটরি কোর্স, পাকিস্তানে বিশেষ আঞ্চলিক কর্মশালা এবং তুরস্কে অনুষ্ঠিত ১০ম ইন্টারপা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে সিআইডির ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নবনিযুক্ত সিআইডি প্রধানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মোশাররফ হোছাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মোশাররফ হোছাইন

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন।

বুধবার(জুলাই) ঢাকার সিআইডি সদর দপ্তরে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডি মুখপাত্র অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবু তালেব।

এ সময় সিআইডির ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নবনিযুক্ত সিআইডির প্রধানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এর আগে, গত ২৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে সিআইডির প্রধান হিসেবে পদায়ন করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি প্রেষণে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এনএসআইয়ে কর্মরত অবস্থায় তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি লাভ করেন।

ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। প্রায় তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি পুলিশ একাডেমি, সিআইডি, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি), র‍্যাব, পুলিশ সদর দপ্তর এবং বিভিন্ন রেঞ্জ ও জেলা পুলিশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে বার অ্যাট ল সম্পন্ন করেছেন। এ ছাড়া মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্কে ফরেনসিক, তদন্ত এবং আধুনিক পুলিশিং-সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ ও সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতা অর্জন করেছেন।

কালের আলো/এসএকে