খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির স্বপ্ন নিয়ে দুই দশক পর বিএনপির বাজেট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২:১৬ পূর্বাহ্ণ
ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির স্বপ্ন নিয়ে দুই দশক পর বিএনপির বাজেট

প্রায় দুই দশক পর জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

এর আগে ২০০৬ সালের ৪ জুন ক্ষমতার শেষ বছরে ২০০৬-২০০৭ অর্থবছরের জন্য ৭০ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান। বিশ বছরে বাজেটের আকারে ব্যবধান প্রায় ৯ গুণ।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ের পর ১১ জুন বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

দুই দশক পর বিএনপি সরকারে নেতৃত্বে এবারের বাজেট নিয়ে সাধারণ মানুষের রয়েছে ‘আকাশচুম্বী’ প্রত্যাশা। বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতি থেকে রেহাই পেতে চাইবেন তারা। তাছাড়া বাজারে চাপ সহনীয় পর্যায়ে থাকার দাবিও আছে।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের কাছে অর্থনীতিবিদ মাসরুর রিয়াজ বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতিটা গত কয়েক বছর ধারাবাহিকভাবে একটি চ্যালেঞ্জ বা একটি সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

এর মধ্যে মূল্যস্ফীতি ‘সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য’ জানিয়ে তিনি বলেন, “এখন আমরা ১২ (মূল্যস্ফীতি সূচক) বলি, ৯ বলি, সাড়ে ৮ বলি— সবই কিন্তু উচ্চ মূল্যস্ফীতি। এই মূল্যস্ফীতিতে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এর থেকে রেহাই পাওয়া যায় কিনা— সেটাই দেখার বিষয়।”

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

 

প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট 

বগুড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ২:০১ পূর্বাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে তুলে নেওয়া হলো সেই সড়কের ইট 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে নির্মাণ করা সড়ক থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে ইট

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী সফরের সময় একটি আধা কিলোমিটার কাঁচা রাস্তায় ইট-বালু ফেলে রাতারাতি নির্মাণ করেছিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। এ রাস্তা দিয়েই প্রধানমন্ত্রী তার পৈতৃক ভিটায় পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন বৃষ্টিতে এ সড়কে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চৌকির খাল হয়ে প্রধানমন্ত্রীর পৈতৃক বাড়ি পর্যন্ত ৫০০ মিটার এ কাঁচা সড়ক পাকাকরণের জন্য গত অর্থবছর এলজিইডি থেকে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কার্যাদেশ পাওয়ার পরও ঠিকাদার সঠিক সময়ে কাজ শুরু করেননি। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী সফরের সময় এ কাঁচা সড়কে অস্থায়ীভাবে ইট বিছানো হয়। আনুষঙ্গিক কিছু কাজসহ এতে ব্যয় দেখানো হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার সপ্তাহখানেকের মধ্যে সড়কের ৫০০ মিটার অংশে বিছানো ইট পুরোটায় তুলে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে এলজিইডির বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুদুজ্জামান বলেন, ‘নিয়মনীতি মেনেই অস্থায়ীভাবে সড়কে ইট বিছানো হয়েছিল। ওই সড়ক পাকা করতে ৮৪ লাখ টাকা আগেই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ কারণে সেখানে অস্থায়ীভাবে বিছানো ইট ঠিকাদারকে তুলে নিতে বলা হয়েছে। কারণ অস্থায়ীভাবে সোলিং করার জন্য ইট ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। ইট কিনতে গেলে ব্যয় অনেক বেড়ে যেতো।’

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, বাগবাড়ি-সোনাহাটা সড়ক থেকে জিয়াবাড়ি পর্যন্ত সংযোগ সড়কটি কার্পেটিং করার জন্য গত অর্থবছরে এলজিইডি থেকে ৮৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। দরপত্র আহ্বানের পর গত বছরের আগস্ট মাসে মেসার্স হক ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়।

কার্যাদেশ অনুযায়ী, এ বছরের আগস্টের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত সড়ক পাকাকরণের কাজ শুরুই করেনি। এর মধ্যে গত ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সফরে আসেন। এদিন তিনি বাগবাড়ী শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন, চৌকিরদহ খাল খননকাজের উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী পৈতৃক ভিটা জিয়াবাড়ি পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ৫০০ মিটার এই কাঁচা রাস্তায় রাতারাতি ইট বিছানোর তোড়জোড় শুরু করে এলজিইডি। শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমানকে এ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগমুহূর্তে তড়িঘড়ি করে ইট বিছানোর কাজ শেষ হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মিনহাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমনে কাঁচা সড়কে ইট বসায় এলাকাবাসী খুশি হয়েছিলেন। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হয়েছিল। এখন সড়কের ইট তুলে নেওয়ায় এ রাস্তা দিয়ে চলাচল দায় হয়ে পড়েছে। চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।’

এ বিষয়ে মাদলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে এলজিইডি থেকে ওই কাঁচা সড়কে অস্থায়ীভাবে ইট সোলিং করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী, ভাটা থেকে ইট নিয়ে গিয়ে শ্রমিক দিয়ে সড়কে ইট বিছিয়ে দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সড়কের ইট তুলে ভাটায় নিয়ে এসেছেন। এলজিইডি থেকে শুধু পরিবহন ও শ্রমিক খরচ দেওয়া হয়েছে। তবে সেই কাজের জন্য ঠিক কত টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেটা এই মুহূর্তে মনে নেই।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

শেষ’ বিশ্বকাপে কি হচ্ছে মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১:৫০ পূর্বাহ্ণ
শেষ’ বিশ্বকাপে কি হচ্ছে মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ?

রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বয়স বিবেচনায় সম্ভবত এটাই তাদের শেষ বিশ্বকাপ, মানে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে বর্তমান প্রজন্মের দুই সেরা তারকার মুখোমুখি হওয়ার শেষ সুযোগ।

২০২৬ বিশ্বকাপে নিজ নিজ দেশের হয়ে মেসি-রোনালদোর মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ আছে। কিন্তু দুই তারকার দ্বৈরথ কখন হতে পারে?

মেসির আর্জেন্টিনা আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান ‘জে’ গ্রুপে খেলবে। তারা যদি গ্রুপটির শীর্ষে থাকে, তাহলে স্পেন, উরুগুয়ে, কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবকে নিয়ে গড়া ‘এইচ’ গ্রুপের দ্বিতীয় দলের মুখোমুখি হবে শেষ ৩২ এ।

রোনালদোর পর্তুগাল ‘কে’ গ্রুপে খেলবে ডিআর কঙ্গো, উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে। আর্জেন্টিনার মতো তারাও গ্রুপের শীর্ষে থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তারা যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় তাহলে ব্র্যাকেট অনুযায়ী তারা ডি, ই, আই, জে কিংবা এল গ্রুপের তৃতীয় দলের মুখোমুখি হবে ৪ জুলাই।

তিনটি পথে মেসি ও রোনালদো মুখোমুখি হতে পারেন। গ্রুপের শীর্ষে থাকতে হবে এবং শেষ ৩২ ও শেষ ষোলোর ম্যাচ জিততে হবে। তাহলে কোয়ার্টার ফাইনালে হবে আর্জেন্টিনা বনাম পর্তুগাল ম্যাচ।

ব্র্যাকেটের গঠন অনুযায়ী এই পথেই তাদের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এই সময়ে কাগজেকলমে আর্জেন্টিনার সামনে শেষ ৩২-এ কঠিন প্রতিপক্ষ হতে পারে উরুগুয়ে। আর কোয়ার্টার ফাইনালে আগে তেমন বড় কোনো দলের মুখোমুখি হতে হবে না পর্তুগালকে।

তবে নিজ নিজ গ্রুপে দুই দলই রানার্সআপ হলে আরও নাটকীয় ব্যাপার হবে। এক্ষেত্রে শেষ ষোলোতেই দেখা হতে পারে তাদের। অবশ্য তাতে শেষ ষোলোতে দুই দলকেই কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হবে। আর্জেন্টিনার সামনে পড়তে পারে স্পেন, পর্তুগালের প্রতিপক্ষ হতে পারে ক্রোয়েশিয়া।

মেসি-রোনালদোর মহাকাব্যিক ফাইনাল হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। সেক্ষেত্রে এক দলকে হতে হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, আরেক দল রানার্সআপ। তারপর দুই দলই সব বাধা আর চ্যালেঞ্জ উতরে যেতে পারলে শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে মুখোমুখি দাঁড়াবেন সময়ের অন্যতম সেরা দুই তারকা।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আ. লীগ নেতাকর্মীদের নির্বাচনের সুযোগ রেখে আচরণ বিধি খসড়া চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আ. লীগ নেতাকর্মীদের নির্বাচনের সুযোগ রেখে আচরণ বিধি খসড়া চূড়ান্ত

মতামতের জন্য রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়েছে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে নতুন বিধি যুক্তের উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের অঙ্গীকার দেওয়ার যে বিধান যুক্তের প্রস্তাব করেছিলেন ইসির কর্মকর্তারা, সেটি বাদ দিয়েই এ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়া অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

একইভাবে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়াও অনুমোদন করেছে ইসি। বুধবার এসব নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে মতামত দেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে মতামত পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছে ইসি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আরও জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা এবং আচরণ বিধিমালায় সংশোধনী আনে ইসি। ওই নির্বাচনের আচরণ বিধিমালায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীকে অঙ্গীকারনামায় সই করার বিধান যুক্ত করা হয়।

একইভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার খসড়াতেও অঙ্গীকারনামায় সই করার বিধান যুক্তের প্রস্তাব করা হয়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ইসি ওই অঙ্গীকারনামা যুক্তের উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে। এরফলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে। ইসির কর্মর্তারা জানান, স্থানীয় সরকার নির্দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে। নির্দলীয় নির্বাচন বিবেচনায় আচরণ বিধিমালায় অঙ্গীকার যুক্ত করেনি ইসি।

জানা গেছে, খসড়া আচরণ বিধিমালায় নির্বাচনে পোষ্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। ক্যারাভ্যান বা ভ্রাম্যমান বাহনে প্রচার চালানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনে দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করে প্রচার চালানোর কথা বলা হয়েছে। আচরণ বিধিমালায় প্রার্থিতা বাতিলের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আদলে একই পদ্ধতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আচরণ বিধিমালা লংঘনের দায়ে প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে ইসি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি