খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে, বিস্তারিত শিগগির প্রকাশ হবে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ
ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে, বিস্তারিত শিগগির প্রকাশ হবে: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে একটি প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে হওয়া এই চুক্তির বিস্তারিত শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কারিগরি আলোচনা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) জি-৭ সম্মেলনে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সবকিছুই সম্পন্ন হয়েছে।’

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও চুক্তির কিছু বিষয় প্রকাশ করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। ওই দিনই জেনেভায় আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে স্বাক্ষর হবে।

তারা জানান, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে এ সপ্তাহেই কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা শুরু হবে। তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি নির্ভর করবে ইরান চুক্তির শর্ত পূরণ করছে কি না তার ওপর।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স সোমবার সিএনএনকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) প্রায় দেড় পৃষ্ঠার একটি সাধারণ নথি। এর অনেক বিস্তারিত বিষয় ভবিষ্যৎ আলোচনায় নির্ধারিত হবে।

ভ্যান্স বলেন, ‘বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের কারিগরি আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে। তবে এই সমঝোতা স্মারক এমন একটি কাঠামো তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে ইরান নিজেদের দায়বদ্ধতা পূরণ করলে চুক্তির সুবিধা পাবে।’

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জানান, নথির প্রথম অনুচ্ছেদে ইরান ‘আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা’ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে তথাকথিত ‘সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর’ অর্থায়ন বন্ধ করাও অন্তর্ভুক্ত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ইরান যাচাইযোগ্যভাবে প্রতিশ্রুতি দেবে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না।’

মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ট্রাম্প, ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ডিজিটাল পদ্ধতিতে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

তাদের মতে, বুধবারের মধ্যেই চুক্তির আরো বিস্তারিত প্রকাশ করা হতে পারে। তবে ট্রাম্প বলেছেন, শুক্রবারের আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের পর পুরো চুক্তিপত্র ‘খুব শিগগির’ প্রকাশ করা হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দলিল। আমি চাই এটি প্রকাশ করা হোক। সম্ভবত খুব শিগগিরই তা হবে।’

চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানো হবে। এ সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষ একটি চূড়ান্ত চুক্তির বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করবে।

রোববার এই অগ্রগতির ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, এতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, লেবানন যুদ্ধবিরতি কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত হলেও লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার চুক্তির শর্ত নয়। তাদের মতে, ইসরায়েল আত্মরক্ষার অধিকার বজায় রাখবে।

সোমবার সন্ধ্যায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, লেবানন, সিরিয়া ও গাজায় নিরাপত্তা অঞ্চলগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনী ‘যতদিন প্রয়োজন’ অবস্থান করবে এবং হামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার স্বাধীনতা বজায় রাখবে।

তিনি আরো বলেন, চুক্তি হোক বা না হোক, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।

নেতানিয়াহুর এই বক্তব্যের আগে লেবাননের গণমাধ্যম দক্ষিণ লেবাননে একটি গাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানির খবর দেয়। শান্তিচুক্তির ঘোষণা দেওয়ার পর এটিই ছিল প্রথম হামলা। এর জবাবে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো তথ্য জানায় লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ।

এর আগে গত রোববার ট্রাম্প বলেন, তিনি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অবিলম্বে তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা জানান।

সোমবার সামাজিক মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। অনেক জাহাজ তেল বোঝাই অবস্থায় সেখান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।’

ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে সামরিক অভিযান বন্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ইরানি গণমাধ্যম এই চুক্তিকে ইরানের বিজয় হিসেবে তুলে ধরেছে।

গারিবাবাদি বলেন, প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছাতে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা তেহরানে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা দীর্ঘ আলোচনা চালিয়েছেন।

ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার দাবি করেছে, ইরানি জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী এবং আঞ্চলিক মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দেখিয়ে দিয়েছে যে ‘তাদের (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল) ‘পরাজয় মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।’

তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের ‘গভীর অবিশ্বাস’ এখনো রয়েছে এবং এই চুক্তি ‘উত্তেজনা কমানোর পথে কেবল একটি পদক্ষেপ’ মাত্র।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তিনি আশা করেন এই সমঝোতা বাস্তব পদক্ষেপে রূপ নেবে এবং সহিংসতার চক্রের স্থায়ী অবসান ঘটাবে। সূত্র: বিবিসি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই: ডা. জাহেদ 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ
ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই: ডা. জাহেদ 

প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায়) ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ভারত আমন্ত্রণ জানালে নিশ্চয়ই যাবো। আমি এই কথাটা খুব স্পষ্ট করে দিচ্ছি— আমি যদি প্রোপার ইনভিটেশন পাই, আমি নিশ্চয়ই যাবো। আমি ভারতের সঙ্গে এনগেজ করতে চাই, লজিক্যালি অ্যান্ড রেশনালি। কথাটা খুব ইম্পর্টেন্ট।”

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরকারের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহেদ বলেন, “ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার কথা বললে কারও কারও কাছে মনে হয় যে আমি দেশ বিকিয়ে দিতে যাচ্ছি। বাংলাদেশ বিকিয়ে দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এই সরকার কখনও করবে না। সবার আগে বাংলাদেশ বলছি আমরা। সুতরাং ভারতের সঙ্গে আমরা এনগেজ করতে চাই। আমাদের সমমর্যাদার ভিত্তিতে আমরা ব্যবসা-বাণিজ্যসহ আরও অনেক কিছুতে আমাদের উন্নতি করার সুযোগ আছে। আমরা যে জায়গায় ছিলাম সেখান থেকে তো আমরা নেমেও এসেছি। ইন্টেরিমের সময় সম্পর্কটা যথেষ্ট খারাপ পর্যায়ে গেছে। সেগুলো সরিয়ে রেখে আমরা এনগেজ করতে চাই। ব্যবসা-বাণিজ্য করতে চাই। আমাদের এক্সচেঞ্জ নানান ফর্মে হতে পারে।”

তিনি বলেন, “শুধু সেটা না। গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে এই বছরের ডিসেম্বরে। আমাদের সেই পানি চুক্তি রিনিউয়াল নিয়ে কথা আছে। আমাদের তিস্তা চুক্তি নিয়ে কথা আছে। আমাদের পানি আমাদের অভিন্ন আরও টোটাল ৫৩টা নদী আছে। আমাদের রাইট আছে। আমাদের ভারতের সঙ্গে এনগেজ করতে হবে এবং সেখানে যদি কোনোভাবে রোল প্লে করতে পারি আমি সেটা লুফে নেবো। আমি এটা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেই। আমার সঙ্গে যে আচরণ হয়েছে সেই আচরণের জন্য আমি যা করেছি এটা ওই আচরণের একটা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই ভারত তার এই মানসিকতা নিয়ে আমাদের সঙ্গে আসবেন। একটা গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে—ইনফ্যাক্ট ইন্টেরিম সরকারের সময় তারা অনেকবার এই কথাবার্তা বলেছেন যে, গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে তারা, নতুন সরকার যেটা আসবে যেটা জনগণের ম্যান্ডেট-প্রাপ্ত তার সঙ্গে তারা এনগেজ করবেন। আমি আশা করি তারা সেটা এগিয়ে যাবেন এবং আমি যদি কোথাও কোনোভাবে রোল প্লে করার সুযোগ পাই, ইনভিটেশন পাই নিশ্চয়ই ভারতে যাবো। আবারও বলছি ব্যক্তি জাহেদ ওখানে কিছু করে নাই। আসলে আমি বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে নেইনি। বিষয়টি দেখেছি যে, একটা রাষ্ট্রের একটা সরকারের একটা পজিশনের একজন মানুষের সঙ্গে এই আচরণ হচ্ছে, সেই কারণে আসলে ওটা করেছি।”

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি