খুঁজুন
                               
, ,
           

‘দুর্নীতি-চাঁদাবাজি কমলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১:৫১ অপরাহ্ণ
‘দুর্নীতি-চাঁদাবাজি কমলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব’

চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম্য কমাতে পারলে সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব বলে মনে করেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তার মতে, কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে ব্যবসায়ী ও করদাতাদের আস্থা বাড়বে। এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর দেওয়ার আগ্রহও বাড়বে এবং রাজস্ব আদায়ও বৃদ্ধি পাবে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের করদাতারা বর্তমানে একাধিক স্তরের চাপের মুখে পড়ছেন। একজন করদাতাকে শুধু সরকারি কোষাগারে কর দিলেই শেষ হয় না; এর বাইরে অনানুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন পক্ষকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়, যা চাঁদাবাজি ও অনিয়মের মাধ্যমে আদায় করা হয়। এতে প্রকৃত কর ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

জামায়াত আমির বলেন, যদি করদাতাদের জন্য এমন একটি নিশ্চিত পরিবেশ তৈরি করা যায়, যেখানে তারা শুধু একবারই বৈধভাবে কর প্রদান করবেন এবং কোনো অতিরিক্ত চাপ থাকবে না, তাহলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর প্রদানে আগ্রহ বাড়বে। এতে রাজস্ব আদায়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করে শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের প্রতি আস্থা থাকলে ব্যবসায়ীরা নিয়মিত ও স্বচ্ছভাবে কর দিতে আগ্রহী হন।

উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ টেনে জামায়াত আমির বলেন, সেখানে করদাতারা নিরাপদ পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা পাওয়ার কারণে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর প্রদান করেন।

বর্তমান জুলাই-জুন ভিত্তিক অর্থবছর পরিবর্তন করে জানুয়ারি-ডিসেম্বর ভিত্তিক অর্থবছর চালুর প্রস্তাবও দেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা। বলেন, আমাদের ফিসকাল ইয়ার জুলাই থেকে জুন। জুন মাসে বর্ষা, ঘূর্ণিঝড়সহ নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি থাকে। তাই ফিসকাল ইয়ারকে ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে সমন্বয় করা হলে বাজেট প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও আর্থিক পরিকল্পনায় আরও সমন্বয় আসবে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমও আরও কার্যকর হবে।

বক্তব্যে জাতীয় সংসদে একে অপরকে ‘কুচকুচ’ করে কাটার পর আবার ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানোর মানসিকতা পরিহার করার আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দল সংসদের দুটি চাকার মতো। একটি চাকা অচল হলে পুরো সংসদই অকার্যকর হয়ে পড়বে। তাই বিভাজনের রাজনীতি নয়, পারস্পরিক সম্মান ও গঠনমূলক সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

‘সংসদ মূলত দুটি চাকার ওপর চলে। একটি সরকারি দল, অন্যটি বিরোধী দল। যেকোনো একটি চাকা অচল হয়ে গেলে পুরো যানবাহনই অচল হয়ে পড়বে। তাই এই দুই চাকায় পিন বা পেরেক মেরে ফুটো করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। সংসদে ‘কুচকুচ’ করে কাটার পর আবার ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানোর যে মানসিকতা, সেই বিভাজনের যন্ত্র ফেলে দিতে হবে।’

জামায়াত আমির বলেন, সরকারি দলের সব অভিপ্রায় বিরোধী দল চোখ বন্ধ করে মেনে নেবে না। আবার সরকার ভালো কোনো উদ্যোগ নিলে বিরোধিতার জন্যই তার বিরোধিতা করা হবে না। সরকারি দলকে বিরোধী পক্ষকে সম্মান করতে হবে, আর বিরোধী দলকেও যৌক্তিক বিষয়ে সরকারকে সহযোগিতা করার মানসিকতা রাখতে হবে।

সংসদ কোনো তোষামোদের জায়গা নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এটি দায়িত্ব পালনের জায়গা। জনগণের ট্যাক্সের টাকা খরচ করে সংসদে ব্যক্তিকে খুশি করতে গান, কবিতা বা স্বপ্নবিলাস করার যে সংস্কৃতি অতীতে ছিল, তা আর চলতে পারে না।

ব্যক্তিকে খুশি করতে গিয়ে অন্যকে আঘাত করা এবং চরিত্র হননের যে ‘ব্যাড কালচার’ ছিল, তা পুরোপুরি বন্ধ করতে স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানান জামায়াত আমির।

কালের আলো/এসআর/এএএন

চটকদার বিজ্ঞাপনে অবৈধ অভিবাসন বন্ধে সরকার কঠোর হবে: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
চটকদার বিজ্ঞাপনে অবৈধ অভিবাসন বন্ধে সরকার কঠোর হবে: প্রতিমন্ত্রী

বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে চটকদার বিজ্ঞাপন ও প্রতারণার মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরির পাশাপাশি নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন নিশ্চিত করার ওপর সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিনিয়োগ ভবনে বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) আয়োজিত র‌্যালি ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল হক বলেন, বর্তমান সরকার স্বল্প ব্যয়ে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো কার্যকরভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, দক্ষতা উন্নয়নে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতকেও আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে দেশের তরুণেরা দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কাতার সরকার বাংলাদেশের চারটি সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রকে তাদের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী উপযোগী করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ জনবল তৈরি করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ইউরোপে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি প্রথাগত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বাইরে বিকল্প ও উদ্ভাবনী উপায়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

নুরুল হক বলেন, বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অনেককে অবৈধ অভিবাসনের পথে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের প্রতারণা ও অবৈধ অভিবাসন রোধে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে এনএসডিএকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সরকারের সচিব ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমান। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তর-সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাতের প্রতিনিধি, প্রশিক্ষক, অ্যাসেসর, প্রশিক্ষণার্থী এবং তরুণ-যুব প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জ্বালানি সংকট কাটাতে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫১ অপরাহ্ণ
জ্বালানি সংকট কাটাতে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বিকল হয়ে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মালয়েশিয়ার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ফোনালাপে এ সহযোগিতা চান তিনি। পরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তার দেশের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে গ্যাস সংকট নিরসনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী সোমবার আনোয়ার ইব্রাহিমকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। মঙ্গলবার মালয়েশিয়ায় সেই চিঠি হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। চিঠিতে বাংলাদেশের গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান কমাতে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ফোনালাপে আনোয়ার ইব্রাহিম তার দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বাংলাদেশকে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, তা দ্রুত জানাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

মালয়েশিয়ার আশ্বাস প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়ার কিছু সুযোগ আছে কি না তারা জানাবেন। তাৎক্ষণিক সমাধান দিতে পারলে আলহামদুলিল্লাহ। না হলে কোন ফর্মে তারা সহযোগিতা করতে পারে, সেটা তারা জানাবেন।

মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ আগে থেকেই কাজ করছে তথ্য দিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আমরা মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির সুযোগ নিয়ে কাজ করছি। এলএনজি সরবরাহের পাশাপাশি অভিজ্ঞতা, পরামর্শ কিংবা সম্পদ ভাগাভাগির মাধ্যমে মালয়েশিয়া সহযোগিতা করতে পারে কিনা, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

টানা ৫ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
টানা ৫ দিন ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা 

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে টানা পাঁচ দিন দেশের ভিন্ন জায়গায় ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। পাশাপাশি অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে অধিদফতর।

পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে আজ সকাল ৬টায় পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করেছে। এটি আরও পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে বর্তমানে উত্তর উড়িষ্যা এবং তৎসংলগ্ন বিহার-গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ উপকূল এলাকায় অবস্থান করছে।

গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর এবং ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামী বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আগামী শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আগামী শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত এই পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ