খুঁজুন
                               
, ,
           

হোলি আর্টিজানে হামলায় নিহতদের স্মরণ

বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ যেন আর মাথাচাড়া না দেয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ যেন আর মাথাচাড়া না দেয়

রাজধানীর গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা ছিল দেশে ভয়, বিভাজন ও অস্থিরতা সৃষ্টি এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন গুলশানে ইতালির রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা। ওই হামলায় প্রাণ হারানো সাহসী মানুষদের স্মৃতি ধরে রাখতে হবে এবং বাংলাদেশে যেন আর কখনও সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারি জঙ্গি হামলায় নিহতদের স্মরণে ইতালির রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্মরণানুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো জানান, এবার হোলি আর্টিজানের সামনে নয়, তার বাসভবনে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী বছর হামলার এক দশক পূর্তি উপলক্ষে হোলি আর্টিজানের সামনেই স্মরণ ও শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হবে।

পরে হামলায় নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে একটি স্মারক ফলকের সামনে ইতালি, জাপান, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রর কূটনীতিকরা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে যারেফ আয়াত হোসেন এবং বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশে বসবাসরত ইতালীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও শ্রদ্ধা জানান।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ২০১৬ সালের এই দিনে সংঘটিত নির্মম হামলা হোলি আর্টিজান বেকারির শান্ত পরিবেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। তিনি বলেন, এ আয়োজন শুধু নিহতদের স্মরণ নয়, বরং সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করারও প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, হোলি আর্টিজান হামলা ছিল মানবতার বিরুদ্ধে নির্মম আঘাত এবং বাংলাদেশের সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজে ভয় ও বিভাজন ছড়িয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা। তবে সেই ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশ দৃঢ়তা দেখিয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী সাহসিকতার সঙ্গে জঙ্গিদের মোকাবিলা করেছে। অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে পুলিশের দুই কর্মকর্তা শহীদ হন।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ওই ঘটনার পর বাংলাদেশ সন্ত্রাসবাদ দমনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে এবং একটি বিশেষ সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনেছে। তিনি জানান, সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ অব্যাহত রাখবে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।

ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, বাংলাদেশে যেন আর কখনও সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, জঙ্গিরা স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিক, মুসলিম ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায় এবং বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের সম্পর্কের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইলেও তারা সফল হয়নি। বরং সময়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ অঙ্গীকার আরও দৃঢ় হয়েছে।

ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক লুইগি ভিগনালি বলেন, যারা সেই ভয়াবহ হামলায় প্রাণ দিয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগ যেন কখনও ভুলে না যাওয়া হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের কোথাও যাতে সন্ত্রাসবাদ আর মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

স্মরণানুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইতালি ও জাপানের নিহত নাগরিকদের পরিবারের সদস্যরা, নিহত ফারাজ আইয়াজ হোসেন–এর মা ও ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন, ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচিসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গিরা হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশি অতিথিদের জিম্মি করে। পরে তারা কুপিয়ে ও গুলি করে ২০ জনকে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে ইতালির ৯ জন, জাপানের ৭ জন, ভারতের ১ জন এবং বাংলাদেশের ৩ জন নাগরিক ছিলেন। জিম্মিদের উদ্ধারে অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের হামলায় পুলিশের দুই কর্মকর্তা নিহত হন। ভয়াবহ এ হামলা দেশজুড়ে গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল।

কালের আলো/এসআর/এএএন

আ.লীগ আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তা পেলেন বিশেষ সুবিধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আ.লীগ আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তা পেলেন বিশেষ সুবিধা

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীতে বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হওয়া ১৫০ জন অবসরপ্রাপ্ত, অপসারণকৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্তকৃত (চাকরিচ্যুত) অফিসারকে পুনর্বাসন, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং বকেয়া আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার (১ জুলাই ) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখায় চাকরিতে বৈষম্য ও প্রতিহিংসার শিকার কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনার জন্য সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি কমিটি এবং বাহিনী সদর দপ্তরসমূহ কর্তৃক পর্ষদ গঠন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ৩ মে গঠিত আরেকটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি এসব প্রস্তাব ও সুপারিশ বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। সেই কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশের আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২১ জন এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ১৪ জনসহ সর্বমোট ১৫০ জন অফিসারকে তাদের যোগ্যতানুযায়ী স্বাভাবিক অবসর, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিসহ স্বাভাবিক অবসর, অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর বা পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিধি অনুযায়ী তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা, আর্থিক সুবিধা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনাও দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং এটি বাস্তবায়ন করবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।

একই সঙ্গে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ-সংক্রান্ত আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সশস্ত্র বাহিনী থেকে বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত, বাধ্যতামূলক অবসর, অকালীন অবসর ও স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া ১৪১ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেয়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত, বাধ্যতামূলক অবসর, অকালীন অবসর ও স্বেচ্ছা অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা চাকরি ফিরে পাওয়ার আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজের নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হয়। কমিটি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া আবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করে। কমিটি ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত পদ্ধতিগত বৈষম্য ও পেশাগত ক্ষতির অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত বা বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের করা আবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশ পেশ করে।

কমিটির সুপারিশে উল্লেখ করা হয়, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বৈষম্য ও অন্যায়ের শিকার হওয়া কর্মকর্তাদের মান-মর্যাদা ও প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পুনর্বহালের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

 

রাজশাহীতে মহাসড়কে ডাকাতি, ১৯ মহিষসহ ট্রাক লুট

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে মহাসড়কে ডাকাতি, ১৯ মহিষসহ ট্রাক লুট

রাজশাহীর পুঠিয়ায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ১৯টি মহিষবোঝাই একটি ট্রাক লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় মহাসড়কের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার তারাপুর ও মাইপাড়া বাজারের মধ্যবর্তী মহাসড়কের নির্জন অংশে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগীরা পুঠিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

ব্যবসায়ী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী অঞ্চলের সাতজন ব্যবসায়ী যৌথভাবে সিলেট থেকে ১৯টি মহিষ কিনে একটি ট্রাকে করে রাজশাহী সিটি হাটে নিয়ে আসছিলেন। তারাপুর বাজার অতিক্রম করার পর একটি ড্রাম ট্রাক দিয়ে তাদের পথরোধ করে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল।

ডাকাতরা ট্রাকের চালক, হেলপারসহ চারজনকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং মুখে টেপ লাগিয়ে জিম্মি করে। পরে তাদের সিরাজগঞ্জের কাচিকাটা টোলপ্লাজার আগে একটি পাটক্ষেতে ফেলে রেখে মহিষবোঝাই ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

ডাকাতির শিকার ট্রাকচালক রিয়াজউদ্দিন বলেন, “তারাপুর বাজার পার হওয়ার পরই একটি ড্রাম ট্রাক আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায়। এরপর কয়েকজন এসে আমাদের মারধর করে, মুখে টেপ লাগিয়ে তুলে নিয়ে যায়। পরে কাচিকাটা এলাকায় একটি পাটক্ষেতে ফেলে রেখে তারা ট্রাক নিয়ে চলে যায়।”

পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগীরা আমাদের কাছে এসে জানিয়েছেন, তাদের ১৯টি মহিষসহ ট্রাক লুণ্ঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় তারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমাকির নেতৃত্বে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্টসহ একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এমআরটি লাইনসমূহ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া, বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে জাপান ইতিবাচক সাড়া দেয়।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ সময় জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি পেট্রোল বোট প্রদান করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে।

এ ছাড়া বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে জাপান ইতিবাচক সাড়া দেয়।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ সময় জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি পেট্রোল বোট প্রদান করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে।

কালের আলো/এসএকে