খুঁজুন
                               
, ,
           

কৃষি কল সেন্টারে এক বছরে ৯২ হাজারের বেশি ফোনকল, বাড়ছে কৃষকদের আস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
কৃষি কল সেন্টারে এক বছরে ৯২ হাজারের বেশি ফোনকল, বাড়ছে কৃষকদের আস্থা

কৃষি কল সেন্টার থেকে এক বছরে ৯২ হাজারের বেশি ফোনকলে সেবা নিয়েছেন কৃষকরা। চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬ নম্বর মৈশাদী ইউনিয়নের খলিশাডুলী গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর আলম হঠাৎ দেখেন, তার ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দিশেহারা হয়ে তিনি সরকারের কৃষি কল সেন্টারের ১৬১২৩ নম্বরে ফোন করেন। সেখান থেকে কৃষিবিদদের পরামর্শ নিয়ে ক্ষেতে তা প্রয়োগ করেন। এতে সমস্যার সমাধান হয়।

একইভাবে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মঙ্গলবাড়িয়া গ্রামের কৃষক সাদ্দাম হোসেনও ফসলের সমস্যা নিয়ে কৃষি কল সেন্টারে ফোন করেন। প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেয়ে তিনিও উপকৃত হন।

জাহাঙ্গীর বা সাদ্দামই নন, দেশের হাজারো কৃষক কৃষিসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে এখন নির্ভর করছেন সরকারের কৃষি কল সেন্টারের ওপর।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের (এআইএস) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরে কল সেন্টারে মোট ৯২ হাজার ৯৪টি ফোনকল ধরা হয়েছে। কৃষিখাতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সেবার প্রতি কৃষকদের ক্রমবর্ধমান আস্থারই প্রতিফলন এটি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসেই সর্বোচ্চ ১০ হাজার ১৪১টি কল গ্রহণ করা হয়। মে মাসে ৯ হাজার ৯০৩টি এবং জুনে ৮ হাজার ৫৭৬টি কল আসে। বছরের শুরুতে কলের সংখ্যা তুলনামূলক কম ছিল। জানুয়ারিতে সর্বনিম্ন ৪ হাজার ৯২৬টি, ফেব্রুয়ারিতে ৫ হাজার ৩১৫টি এবং মার্চে ৬ হাজার ৫৭১টি কল গ্রহণ করা হয়। পরে বোরো ধান কাটার মৌসুম ও কৃষি কার্যক্রম বেড়ে যাওয়ায় কলের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে ৮ হাজার ৪০টি, আগস্টে ৮ হাজার ৮৯টি, সেপ্টেম্বরে ৮ হাজার ৪১৬টি, অক্টোবরে ৭ হাজার ৪০৯টি, নভেম্বরে ৭ হাজার ৯৮৬টি এবং ডিসেম্বরে ৬ হাজার ৭২২টি কল গ্রহণ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ১৬১২৩ নম্বরে পরিচালিত কৃষি কল সেন্টার দেশের কৃষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম। এখানে কৃষকরা সরাসরি কৃষিবিদদের সঙ্গে কথা বলে ফসল উৎপাদন, রোগবালাই দমন, সার ব্যবস্থাপনা, আবহাওয়া এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ে তাৎক্ষণিক পরামর্শ পাচ্ছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত এ সেবা বিশেষ করে গ্রামীণ কৃষকদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের তথ্যভিত্তিক সেবার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।

এছাড়া ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার অংশ হিসেবে কৃষি খাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। মোবাইল ফোনভিত্তিক সেবা, কৃষি অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও কল সেন্টারের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে দ্রুত ও সহজে তথ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষি কল সেন্টারে কল সংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত সেবা চালুর সম্ভাবনারই ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে এটি কৃষকদের সচেতনতা এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধিরও প্রতিফলন।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা শামীম হোসেন বলেন, কৃষি কল সেন্টার বর্তমানে দেশের কৃষকদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর তথ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কলের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, যা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এ সেবার প্রতি কৃষকদের আস্থার প্রমাণ।

ভবিষ্যতে এ সেবা আরও সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিগতভাবে সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরাও সহজে এর সুফল পান বলেন তথ্য কর্মকর্তা শামীম।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক মো. মসীহুর রহমান বলেন, কৃষি কল সেন্টার ইতোমধ্যে দেশের কৃষকদের জন্য সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছে। প্রযুক্তিনির্ভর এ সেবার মাধ্যমে কৃষকরা দ্রুত সঠিক পরামর্শ পাচ্ছেন, যা উৎপাদন বৃদ্ধি ও ঝুঁকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আমরা কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবার মান আরও উন্নত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, কৃষি খাতকে আরও আধুনিক, টেকসই ও উৎপাদনমুখী করতে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে এটি কৃষকদের ব্যাপক আস্থা অর্জন করেছে। এতে উৎপাদন ব্যয় কমানো, রোগবালাই দমন এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হচ্ছে।

তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে কৃষি সেবা পৌঁছে দিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করছে। তবে দেশের বিস্তীর্ণ গ্রামীণ এলাকায় দ্রুত ও সমন্বিতভাবে তথ্য পৌঁছে দিতে কৃষি কল সেন্টার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

মহাপরিচালক জানান, ভবিষ্যতে কৃষি কল সেন্টারের সেবা সম্প্রসারণ, দক্ষ জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন এবং তথ্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরাও আরও সহজে ও দ্রুত মানসম্মত কৃষি পরামর্শ পাবেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের এ উদ্যোগ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

কালের আলো/এসএকে

আ.লীগ আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তা পেলেন বিশেষ সুবিধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আ.লীগ আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তা পেলেন বিশেষ সুবিধা

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীতে বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হওয়া ১৫০ জন অবসরপ্রাপ্ত, অপসারণকৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্তকৃত (চাকরিচ্যুত) অফিসারকে পুনর্বাসন, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং বকেয়া আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার (১ জুলাই ) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখায় চাকরিতে বৈষম্য ও প্রতিহিংসার শিকার কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনার জন্য সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি কমিটি এবং বাহিনী সদর দপ্তরসমূহ কর্তৃক পর্ষদ গঠন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ৩ মে গঠিত আরেকটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি এসব প্রস্তাব ও সুপারিশ বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। সেই কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এই সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশের আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২১ জন এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ১৪ জনসহ সর্বমোট ১৫০ জন অফিসারকে তাদের যোগ্যতানুযায়ী স্বাভাবিক অবসর, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিসহ স্বাভাবিক অবসর, অকালীন (বাধ্যতামূলক) অবসর বা পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিধি অনুযায়ী তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা, আর্থিক সুবিধা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনাও দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং এটি বাস্তবায়ন করবে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।

একই সঙ্গে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এ-সংক্রান্ত আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সশস্ত্র বাহিনী থেকে বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত, বাধ্যতামূলক অবসর, অকালীন অবসর ও স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া ১৪১ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেয়। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বরখাস্ত, চাকরিচ্যুত, বাধ্যতামূলক অবসর, অকালীন অবসর ও স্বেচ্ছা অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা চাকরি ফিরে পাওয়ার আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজের নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হয়। কমিটি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া আবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করে। কমিটি ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত পদ্ধতিগত বৈষম্য ও পেশাগত ক্ষতির অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত বা বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের করা আবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশ পেশ করে।

কমিটির সুপারিশে উল্লেখ করা হয়, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বৈষম্য ও অন্যায়ের শিকার হওয়া কর্মকর্তাদের মান-মর্যাদা ও প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পুনর্বহালের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

 

রাজশাহীতে মহাসড়কে ডাকাতি, ১৯ মহিষসহ ট্রাক লুট

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে মহাসড়কে ডাকাতি, ১৯ মহিষসহ ট্রাক লুট

রাজশাহীর পুঠিয়ায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ১৯টি মহিষবোঝাই একটি ট্রাক লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় মহাসড়কের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার তারাপুর ও মাইপাড়া বাজারের মধ্যবর্তী মহাসড়কের নির্জন অংশে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগীরা পুঠিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

ব্যবসায়ী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী অঞ্চলের সাতজন ব্যবসায়ী যৌথভাবে সিলেট থেকে ১৯টি মহিষ কিনে একটি ট্রাকে করে রাজশাহী সিটি হাটে নিয়ে আসছিলেন। তারাপুর বাজার অতিক্রম করার পর একটি ড্রাম ট্রাক দিয়ে তাদের পথরোধ করে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল।

ডাকাতরা ট্রাকের চালক, হেলপারসহ চারজনকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে এবং মুখে টেপ লাগিয়ে জিম্মি করে। পরে তাদের সিরাজগঞ্জের কাচিকাটা টোলপ্লাজার আগে একটি পাটক্ষেতে ফেলে রেখে মহিষবোঝাই ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

ডাকাতির শিকার ট্রাকচালক রিয়াজউদ্দিন বলেন, “তারাপুর বাজার পার হওয়ার পরই একটি ড্রাম ট্রাক আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায়। এরপর কয়েকজন এসে আমাদের মারধর করে, মুখে টেপ লাগিয়ে তুলে নিয়ে যায়। পরে কাচিকাটা এলাকায় একটি পাটক্ষেতে ফেলে রেখে তারা ট্রাক নিয়ে চলে যায়।”

পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগীরা আমাদের কাছে এসে জানিয়েছেন, তাদের ১৯টি মহিষসহ ট্রাক লুণ্ঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় তারা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমাকির নেতৃত্বে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্টসহ একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এমআরটি লাইনসমূহ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া, বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে জাপান ইতিবাচক সাড়া দেয়।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ সময় জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি পেট্রোল বোট প্রদান করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে।

এ ছাড়া বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে জাপানের ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে জাপান ইতিবাচক সাড়া দেয়।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ–জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ সময় জাপানি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি পেট্রোল বোট প্রদান করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে।

কালের আলো/এসএকে