খুঁজুন
                               
, ,
           

এক লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ
এক লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এক লাখের বেশি নতুন শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক এবং বিভিন্ন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক-প্রভাষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর ইন্টার কন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ এডুকেশন সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্র্যান্ট অ্যান্ড মাল্টিপ্লায়ার গ্র্যান্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমার কাছে আরও একটি সুসংবাদ রয়েছে।

তিনি বলেন, এর সঙ্গে আরও প্রায় ৭০ হাজার জন (এমপিওভুক্ত শিক্ষক-প্রভাষক) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এটি আমাদের জন্য একটি বড় খবর।

পাবলিক পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়ে পরিবর্তনের কথাও উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজ সকালে আমাদের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আমাদের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করার কথা ছিল, কিন্তু সম্ভবত আমাদের সহকর্মীরা মনে করেন যে আমাদের সেখানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই কারণেই সবাই এই কক্ষে বসে আছি। আগে এমনটা হতো না। অনেক বড় পরিবর্তন এসেছে।

উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রায় ৫ লাখ ৪৪ হাজার শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি হলেও তারা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। সাধারণ ধারায় প্রায় ৩৩ শতাংশ, কারিগরি শিক্ষায় ৫৪ শতাংশ এবং মাদ্রাসা শিক্ষায় ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। যখন আমরা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলছি, তখন এটি আমাদের জন্য ভালো খবর নয়।

শিক্ষা খাতে বরাদ্দের অর্থের অপচয় বরদাশত করা হবে না বলেও সতর্ক করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০০১ সালে আমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং এই সব প্রকল্প সম্পর্কে আমার অভিজ্ঞতা ছিল। পূর্ববর্তী সরকার প্রচুর ঋণ এবং অনুদান নিয়েছিল, কিন্তু তা সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়নি।

দেশে মানসম্মত শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সম্ভবত আমরা মানসম্মত শিক্ষায় পিছিয়ে পড়েছি। আমি বিশ্বাস করি সরকারের একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করা উচিত। শিক্ষা পরিচালিত হবে প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে। আমরা এখানে সহায়ক হিসেবে কাজ করছি, যাতে তারা শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

দুর্যোগ মোকাবিলায় সামগ্রিক প্রস্তুতি রয়েছে: ত্রাণমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
দুর্যোগ মোকাবিলায় সামগ্রিক প্রস্তুতি রয়েছে: ত্রাণমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন জেলায় টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি ও পাহাড়ধসের ঘটনায় সরকার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেছেন, আমাদের সামগ্রিক প্রস্তুতি রয়েছে, বড় ধরনের কোনো আশঙ্কা আপাতত নেই।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

আগাম বন্যা নিয়ে প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে যেসব জায়গায় বন্যা এসেছে, বিশেষ করে কক্সবাজারে আপনারা জানেন যে ভূমিধসে গতকাল ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তারা সেখানে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। আজকে আমি ব্যক্তিগতভাবে রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেছি।

তিনি বলেন, এরই মধ্যে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে চট্টগ্রামের কক্সবাজার এবং পার্বত্য তিন জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি জেলায় ২০০ মেট্রিক টন করে চাল, ১০ লাখ করে টাকা বরাদ্দ দিয়েছি তাৎক্ষণিকভাবে এই ধরনের দুর্যোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহযোগিতা করার জন্য।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এ ব্যাপারে (দুর্যোগ) সামগ্রিক প্রস্তুতি রয়েছে, বড় ধরনের কোনো আশঙ্কা আপাতত নেই। বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে আমরা অবশ্যই তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে সহযোগিতা দেব।

এছাড়া দেশের বাকি সব জেলায় পাঁচ লাখ করে টাকা এবং ১০০ টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১:০৩ অপরাহ্ণ
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী–সংক্রান্ত মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রায় ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (৮ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ টানা তিনদিনের শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির ও ড. শরীফ ভূঁইয়া।

এর আগে গত বছরের ১৩ নভেম্বর আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন। ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর পৃথক দুটি রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি বিধানকে অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করেছিলেন।

২০১১ সালের ৩০ জুন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে। এ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ সংবিধানের ৫৪টি বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি আপিল করা হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদকসহ চার ব্যক্তি, নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পৃথকভাবে এসব আপিল করেন। শুনানির জন্য আপিলগুলো বুধবার কার্যতালিকায় ছিল।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মানবিক সংকট সমাধানে বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ
মানবিক সংকট সমাধানে বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক

পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের নাগরিক পরিচয়সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে তাদের মানবিক সংকটের দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আধুনিক নগর নিরাপত্তা, পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির ইন্টেরিয়র ও মাদক নিয়ন্ত্রণবিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভী।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আধুনিক নগর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পুলিশ বাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আলোচনার শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চলতি বছরের মে মাসে পাকিস্তানের ইন্টেরিয়র মন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ওই সফরের ধারাবাহিকতায় দুই দেশের মধ্যে মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার ও অপব্যবহার রোধে যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, তা সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং দুই দেশের সমাজকে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দীর্ঘ ১৪ বছর পর চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ঢাকা-করাচি রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ এবং বাণিজ্য-বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মানবিক সংকটের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রয়োজনীয় পারিবারিক নথিপত্র বা ‘ফ্যামিলি ট্রি’র অভাবে অনেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা দেশটির কম্পিউটারাইজড ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড (সিএনআইসি) পেতে জটিলতার মুখে পড়ছেন। এর ফলে তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত স্থায়ী সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানান।

নগর নিরাপত্তা জোরদারে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতার প্রশংসা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশটির ৪০টিরও বেশি শহরে বাস্তবায়িত ‘সেফ সিটি’ উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্য অনুসরণযোগ্য হতে পারে। তিনি জানান, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের তৎকালীন সিনিয়র সচিব, বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ইসলামাবাদ, লাহোর, মুলতান ও করাচির সেফ সিটি প্রকল্প পরিদর্শন করেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের শহরগুলোকে আরও নিরাপদ করতে পাকিস্তান কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা দিতে পারে।

এ সময় বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বাড়াতে পুলিশ কর্মকর্তাদের উচ্চতর প্রশিক্ষণে পাকিস্তানের সহযোগিতাও কামনা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে সৌদি আরবে অবস্থানরত অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের বিষয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি মিয়ানমার যেন তাদের নাগরিকদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে ফিরিয়ে নেয়, সে লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের আরও সক্রিয় সমর্থন কামনা করেন।

বৈঠকের শেষে পাকিস্তানের ইন্টেরিয়র মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভী বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে সফরটি সম্পন্ন করবেন বলে জানান।

বৈঠকে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন