খুঁজুন
                               
, ,
           

ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সামিটের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ
ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সামিটের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর তেজগাঁওয়ের নভো থিয়েটারে শুরু হয়েছে দু’দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট-২০২৬’।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সামিটের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে আয়োজক এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দু’দিনব্যাপী এ সামিটের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ শিল্পে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ সামিটের আয়োজন করা হয়েছে।

দু’দিনব্যাপী এ আয়োজনে দেশি-বিদেশি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গবেষক, প্রকৌশলী এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছেন।

সামিটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে বাংলাদেশের সম্ভাবনা, বিনিয়োগ আকর্ষণ, দেশীয় প্রকৌশলীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা নিয়ে একাধিক সেমিনার ও প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ জন্য সংসদে বিশেষ অধিবেশন ডেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি হয়নি বলেও মতামত তার।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন কথা জানান।

সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগের রাষ্ট্রপতির মামলা নিয়ে এখনই মন্তব্য নয়। কে হচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সময়ই বলে দেবে।

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় স্পিকারের কাছে দাখিল করেছেন। এর পর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছেন স্পিকার।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এখন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকবেন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আইসিসির প্রসিকিউটর করিম খান বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
আইসিসির প্রসিকিউটর করিম খান বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসিকিউটর করিম খানকে পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত জুনে আদালতের পরিচালনা পর্ষদ গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেয়। এরপর আইসিসির সদস্যদেশগুলোর পরিষদ ‘অ্যাসেম্বলি অব স্টেটস পার্টি’ তাকে সরিয়ে দেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ প্রথম উত্থাপিত হওয়ার দুই বছর পর আইসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলো শুক্রবার (২৪জুলাই) ব্রিটিশ প্রসিকিউটরকে অপসারণের পক্ষে ভোট দিয়েছে। এ ঘটনাকে নজিরবিহীন পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ অধিবেশনে আদালতের ১২৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ৮২টি রাষ্ট্র খানকে অপসারণের পক্ষে ভোট দিয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই ভোট একটি দীর্ঘ শাস্তিমূলক প্রক্রিয়ার পর অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইসিসিতে করিম খানের অধীনে কর্মরত এক নারীর করা যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তের জন্য এ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছিল।

করিম খান তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে জবরদস্তিমূলক ও অসম্মতিমূলক যৌন আচরণে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

তার আইনজীবীরা এই শাস্তিমূলক প্রক্রিয়াকে পদ্ধতিগতভাবে অন্যায্য বলে সমালোচনা করেছেন। ভোটের প্রতিক্রিয়ায় তারা বলেছেন, করিম খান সম্ভাব্য সব আইনি উপায়ে এ সিদ্ধান্তের বৈধতা ও ন্যায্যতাকে চ্যালেঞ্জ করবেন।

ব্রিটিশ আইনজীবী করিম খান ২০২১ সালে আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের প্রধান হিসেবে নয় বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন। এ বিভাগের মূল দায়িত্ব হলো মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যাসহ গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের তদন্ত করা এবং বিচারের আওতায় আনা।

নিজের দায়িত্ব পালনকালে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

তার এ সিদ্ধান্ত আইসিসির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয় এবং আদালতকে বিভিন্ন পরাশক্তির রোষানলে ফেলে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাকে অপসারণের ফলে ইতোমধ্যে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাগুলোর ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না।

এর আগে গত মাসে আইসিসির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটি যৌন হয়রানির অভিযোগের বিষয়ে গুরুতর অসদাচরণের সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে করিম খানকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

একই সঙ্গে তাকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিষয়টি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে পাঠানো হয়।

২০২৪ সালে অভিযোগগুলো প্রথম প্রকাশ্যে আসে। সে সময় তার আইনজীবীরা দাবি করেন, নেতানিয়াহু এবং তার তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এ অভিযোগ আনা হয়েছে।

করিম খানের আইনজীবীরা এর আগে বলেছিলেন, তিনি ‘কোনো ব্যক্তিকে হয়রানি বা কারোর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের’ অভিযোগ দ্ব্যর্থহীনভাবে অস্বীকার করেছেন।

এক বিবৃতিতে তার আইনজীবী তাইয়াব আলী বলেন, করিম খানের অপসারণ এমন একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে তাকে কখনোই ন্যায্যভাবে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এ সিদ্ধান্ত কোনো আইনসম্মত বা যথাযথ অনুসন্ধানের ভিত্তিতেও নেওয়া হয়নি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সেমিকন্ডাক্টর শিল্প হতে পারে বাংলাদেশের পরবর্তী অর্থনৈতিক গন্তব্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ
সেমিকন্ডাক্টর শিল্প হতে পারে বাংলাদেশের পরবর্তী অর্থনৈতিক গন্তব্য

পোশাক তৈরি শিল্পের সফলতার পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের জন্য আরেকটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক গন্তব্য বলে উল্লেখ করেছেন তারেক রহমান। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির বিকাশে সেমিকন্ডাক্টরকে আধুনিক সভ্যতার মূল ভিত্তি। মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করার এখনই উপযুক্ত সময়।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম এবং বায়োটেকনোলোজি, ইলেক্ট্রনিক্স, এ-আই অ্যান্ড রোবোটিক্স সামিটের উদ্বোধন করে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এই সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সম্মেলনকে আগামীর প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের কারিগরদের মিলনমেলা হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া প্রবাসীদের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিশ্ব সেমিকন্ডাক্টর বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যেই তা ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছানোর পথে। ফলে বাংলাদেশের সামনে এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এই শিল্প থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে রফতানি আয়ের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ সক্ষম হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত তিন হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি সেমিকন্ডাক্টর পেশাজীবীদের মেধা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে আরও গভীরভাবে যুক্ত করার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।

একইসঙ্গে তিনি দেশে ইতোমধ্যে সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন, ভেরিফিকেশন, টেস্টিং, এমবেডেড সিস্টেম, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স ও অ্যাডভান্সড প্যাকেজিং খাতে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের প্রশংসা করেন।

সম্প্রতি মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত রোডশোর কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র রোডশোতেই সীমাবদ্ধ না থেকে ফলো-আপ, পার্টনারশিপ, বিনিয়োগ, প্রশিক্ষণ এবং রপ্তানি সুযোগকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে।

সেমিকন্ডাক্টর খাতকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যেই সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সব ধরনের কাঁচামালের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করেছে, ডিজাইন সেবার রপ্তানি আয়ে নগদ প্রণোদনা চালু করেছে এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বছরে ৫০০ কোটি টাকা স্টার্ট-আপ অনুদান বরাদ্দ রেখে ইতোমধ্যে কিছু বিতরণ সম্পন্ন করেছে।

এছাড়া বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে ট্যাক্স ও বন্ড সুবিধা প্রদান, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস আরও কার্যকর করা, বিদ্যমান হাইটেক পার্কের আধুনিকায়ন এবং নতুন বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

দক্ষতার ঘাটতি, গবেষণাগারের সীমাবদ্ধতা ও বিশ্ববাজারের কঠিন প্রতিযোগিতার কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার এই অদম্য ইচ্ছায় সরকার সব সাধ্য ও সামর্থ্য নিয়ে খাতটির পাশে থাকবে।

এসময় তিনি সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প খাত ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিতভাবে কাজ করে নতুন অংশীদারিত্ব, উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার মাধ্যমে প্রযুক্তি খাতকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।

কালের আলো/এসআর/এএএন