খুঁজুন
                               
, ,
           

‘আমার সঙ্গে বিয়ে নয়, হয়তো স্বপ্নের বাসর হয়েছিল’: রিজভীর বক্তব্যে চটলেন শাবনূর

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
‘আমার সঙ্গে বিয়ে নয়, হয়তো স্বপ্নের বাসর হয়েছিল’: রিজভীর বক্তব্যে চটলেন শাবনূর

রিজভী আহমেদ নামের এক ব্যক্তির সাম্প্রতিক কয়েকটি সাক্ষাৎকারের বক্তব্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। রিজভী দাবি করেছেন, তিনি শাবনূরকে ভালোবাসতেন এবং একসময় তাঁদের বিয়েও হয়েছিল। তবে শাবনূরের দাবি, এসব তথ্য সম্পূর্ণ বানোয়াট। এমনকি বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রসিকতা করে তিনি লিখেছেন, বাস্তবে বিয়ে না হয়ে হয়তো তাঁদের ‘স্বপ্নের বাসর’ই হয়েছিল।

শাবনূর তাঁর অফিশিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে রিজভীর বক্তব্যের বিভিন্ন অসংগতির কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আরজে নীরবকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিজভী বলেছেন, শাবনূরের প্রতি তাঁর ভালোবাসার কথা কখনো প্রকাশ করতে পারেননি। তবে মনে মনে তাঁকে এতটাই ভালোবাসতেন যে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন এবং এখনো চান।

অন্যদিকে, একই সময়ের কাছাকাছি সময় টিভিকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে রিজভী দাবি করেছেন, শাবনূর তাঁর সাবেক প্রেমিকা ছিলেন।

রিজভীর বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০১৬ সালে শাবনূরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল এবং দুই বছর পর, ২০১৮ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।

এই দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছেন শাবনূর। তাঁর প্রশ্ন, রিজভী যদি ১৯৯৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে বসবাস করে থাকেন এবং ওই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে না এসে থাকেন, তাহলে তাঁদের বিয়ে কোথায় এবং কীভাবে হয়েছিল?

শাবনূর আরও জানান, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তিনি যুক্তরাজ্যে যাননি। তাঁর দাবি, ওই সময়ের অনেক আগেই তিনি বিবাহিত ছিলেন। রিজভীর সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক তো দূরের কথা, তাঁকে তিনি কখনো দেখেছেন বা চিনেছেন বলেও মনে করতে পারেন না।

এ প্রসঙ্গেই রসিকতার সুরে শাবনূর লিখেছেন, রিজভীর বক্তব্য শুনে তাঁর মনে হচ্ছে, তাঁদের বাস্তবে কোনো বিয়ে হয়নি; হয়তো হয়েছিল শুধু ‘স্বপ্নের বাসর’।

রিজভীর বক্তব্যের আরেকটি অংশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন শাবনূর। তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে জানান তিনি। এমনকি সালমান শাহর মৃত্যুর জন্যও তাঁকে দায়ী করা হয়েছে বলে দাবি করেন শাবনূর।

এই অভিযোগের ভিত্তি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। শাবনূরের ভাষ্য, রিজভীর নাম তিনি প্রথম শোনেন সালমান শাহর মৃত্যুর পর। তখন সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় তাঁকে রাজসাক্ষী হওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছিল।

শাবনূরের প্রশ্ন, যদি রিজভীকে তিনি আগে চিনতেনই না, তাহলে কীভাবে তিনি দাবি করছেন যে শাবনূর সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেল করতেন?

শাবনূরের বিরুদ্ধে সালমান শাহ ও তাঁর স্ত্রী সামিরার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরির জন্য একে অন্যের কথা পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে বলে জানান অভিনেত্রী।

তবে এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। শাবনূরের দাবি, চলচ্চিত্র অঙ্গনে তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কেউ কখনো বলতে পারবেন না যে তিনি কারও সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করেছেন।

নিজের পরিবার থেকেও এমন আচরণের শিক্ষা পাননি বলে উল্লেখ করে শাবনূর বলেন, চলচ্চিত্রজীবনের ব্যস্ততার মধ্যে এ ধরনের কাজ করার সময়ও তাঁর ছিল না।

নিজের পোস্টে রিজভীর অতীতের বক্তব্যের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন শাবনূর। তাঁর দাবি, সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ একসময় রাজসাক্ষী হয়েছিলেন। শাবনূরের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই আদালতে দেওয়া এক জবানবন্দিতে রিজভী সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছিলেন।

সেই সময় তাঁর বক্তব্য ছিল, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অর্থের বিনিময়ে সালমান শাহকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি আরও কয়েকজনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি যুক্তরাজ্যে চলে যান বলে শাবনূর তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেছেন।

তবে দীর্ঘ সময় পর সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারগুলোতে রিজভী ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন বলেও দাবি করেন শাবনূর। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এখন রিজভী সালমান শাহর মৃত্যুকে হত্যা নয়, আত্মহত্যা বলে দাবি করছেন। একই সঙ্গে এ ঘটনায় সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীকেও দায়ী করেছেন তিনি।

শাবনূরের দাবি, সাম্প্রতিক এসব বক্তব্যে প্রথমবারের মতো তাঁকেও সালমান শাহর মৃত্যুর সঙ্গে জড়িয়ে অভিযোগ করা হয়েছে।

শাবনূরের পোস্টের পর তাঁর ভক্ত ও অনুসারীদের অনেকে মন্তব্যে সমর্থন জানিয়েছেন। কেউ সত্য তুলে ধরার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, আবার কেউ লিখেছেন, সত্য শেষ পর্যন্ত প্রকাশ পায়।

রিজভী আহমেদের বক্তব্য এবং শাবনূরের পাল্টা বক্তব্যকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও অভিযোগগুলোর সত্যতা নিয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এখনো সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যের মধ্যেই আপাতত বিতর্ক সীমাবদ্ধ রয়েছে।

কালের আলো/এসএ

খুলনায় রূপসা এক্সপ্রেসের ১২ চাকা লাইনচ্যুত, সীমান্ত এক্সপ্রেস অনিশ্চিত

খুলনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় রূপসা এক্সপ্রেসের ১২ চাকা লাইনচ্যুত, সীমান্ত এক্সপ্রেস অনিশ্চিত

খুলনায় রেলওয়ে ইয়ার্ডে রূপসা এক্সপ্রেসের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ট্রেনটি ওয়াশপিটে নেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বগি দুটির ১২টি চাকা লাইন থেকে ছিটকে পড়ে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, যাত্রা শেষে রূপসা এক্সপ্রেসের খালি ট্রেনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য ওয়াশপিটে নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় ইয়ার্ডের ভেতরে দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনটি খালি থাকায় এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

দুর্ঘটনার পর খুলনা থেকে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা সীমান্ত এক্সপ্রেসের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। কখন ট্রেনটি ছাড়তে পারবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া ঢাকাগামী ২৫ আপ নকশীকাঁথা এক্সপ্রেসের যাত্রাও প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

খুলনা স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করার কাজ শুরু হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে অন্যান্য ট্রেনের চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে। তবে সীমান্ত এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

যুদ্ধ নয়, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
যুদ্ধ নয়, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধ, নিরাপত্তা সংকট, ভূখণ্ড দখল বা শোষণের সঙ্গে জড়াতে চায় না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ। দেশের উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের একটি সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট শুধু একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিভিন্ন দেশকে ভোগাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার প্রতিযোগিতাও সহজে শেষ হওয়ার নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব সম্প্রদায়ের অংশ এবং দেশটি স্থিতিশীলতা চায়। কারণ মানুষের প্রধান চিন্তা খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে। যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতায় জড়ানোর মতো সময় বাংলাদেশের নেই। দিন শেষে এসব সংকটের ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষই হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতের প্রভাবে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথাও তুলে ধরেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেসব যুদ্ধের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই, সেসব যুদ্ধের প্রভাবেও বাংলাদেশকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধে জড়াতে চায় না। চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ পরাশক্তিগুলো বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা করবে—এটাই প্রত্যাশা।

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করতে প্রস্তুত। তাদের প্রয়োজন এমন একটি স্থিতিশীল পরিবেশ, যেখানে তারা শান্তিতে কাজ করতে পারবেন এবং দেশের উন্নয়ন এগিয়ে নিতে পারবেন।

‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ প্রতিপাদ্যে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ বক্তা, ৩০০ প্রতিনিধি ও এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনটি ৫ অক্টোবর শেষ হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

গ্যাস সিলিন্ডারে বেশি দাম, ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
গ্যাস সিলিন্ডারে বেশি দাম, ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগরসহ দেশের ১৬ জেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) অধিদপ্তরের ২৩টি টিম একযোগে ডিলার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করে।

অধিদপ্তর জানায়, বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম নেওয়া বন্ধ করতে এ তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়।

অভিযানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও প্রদান, সিলিন্ডারের নিরাপত্তাবিধি মানা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না তা যাচাই করা হয়।

এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিকভাবে সিলিন্ডার মজুত এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি এবং দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শনের বিষয়েও সতর্ক করা হয়।

ভোক্তাদের সিলিন্ডার কেনার সময় ওজন, সিল, মেয়াদ ও দৃশ্যমান ত্রুটি যাচাই করার পাশাপাশি মূল্যতালিকা দেখে রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর।

গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ যোগাযোগ করা যাবে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি