খুঁজুন
                               
, ,
           

অভিনয় ছাড়ছেন না হাসান মাসুদ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
অভিনয় ছাড়ছেন না হাসান মাসুদ

হজ করে দেশে ফেরার পর আপাতত অভিনয় থেকে দূরে থাকার কথা জানিয়েছিলেন অভিনেতা হাসান মাসুদ। এক অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছিলেন, বর্তমানে অভিনয়ের চেয়ে ধর্মকর্মেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। তবে প্রস্তাব পেলে বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করছেন তিনি।

হাসান মাসুদের সেই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরই শুরু হয় আলোচনা। অনেকের মনে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি অভিনয় থেকে পুরোপুরি সরে দাঁড়াচ্ছেন এই অভিনেতা?

এবার সেই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন হাসান মাসুদ। তিনি স্পষ্ট করেছেন, অভিনয় ছাড়ার কোনো সিদ্ধান্ত তাঁর নেই। বরং তাঁর বক্তব্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

এক সাক্ষাৎকারে হাসান মাসুদ বলেন, ‘ওই কথাটা বলা আমার ভুল হয়েছে। আমি বলেছিলাম, দুই বছর ধরে অভিনয় করছি না এবং মাঝেমধ্যে বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করি। এই মুহূর্তে ভালো কনটেন্টও তেমন নেই। কিন্তু আমি কখনো বলিনি যে আর অভিনয় করব না।’

ভালো গল্প ও পছন্দসই চরিত্র পেলে এখনো অভিনয়ে ফেরার আগ্রহ রয়েছে এই অভিনেতার। তাঁর মতে, ধর্মচর্চা ও অভিনয়—দুটিকে পরস্পরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ভাবারও কোনো কারণ নেই।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনি ধর্ম পালন করতে পারেন, আবার শুটিং সেটেও নামাজ পড়তে পারেন। গত চার-পাঁচ বছরে যাদের সঙ্গে কাজ করেছি, তারা সবাই জানেন যে আমি ২০০০ সাল থেকে নিয়মিত নামাজ পড়ি। শুটিংয়ের সময় সবাই আমাকে নামাজ পড়ার জন্য বিরতি দিতেন। আমি চেষ্টা করতাম ওই সময়ে যেন আমার কোনো দৃশ্যের শুটিং না থাকে।’

শুটিংয়ের সময় তাঁর নামাজ পড়ার বিষয়টি পরিচালক ও সহকর্মীরাও সহযোগিতা করতেন বলে জানান হাসান মাসুদ। তিনি বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে পরিচালকেরাই বলতেন, “বিরতির সময় হয়েছে হাসান ভাই। যান, নামাজ পড়ে আসেন।” এভাবেই চলত।’

হজ শেষে দেশে ফেরার পর এরই মধ্যে দুটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয় করেছেন বলেও জানিয়েছেন হাসান মাসুদ। তাঁর কথায়, অভিনয় থেকে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। পছন্দসই গল্প ও চরিত্রের প্রস্তাব পেলে ভবিষ্যতেও অভিনয় চালিয়ে যাবেন তিনি।

কালের আলো/এসএ

‘র’ প্রধানের ঢাকা সফর নিয়ে যা জানাল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৬ অপরাহ্ণ
‘র’ প্রধানের ঢাকা সফর নিয়ে যা জানাল সরকার

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, ‘র’ প্রধান পরাগ জৈনের ঢাকা সফর নিয়ে জল্পনা-কল্পনা করার কিছু নেই। তার এই সফর ভারত-বাংলাদেশের প্রতিরক্ষার নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘র’ প্রধান চীন থেকে ঢাকা এসেছেন। তার এই সফর নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। এটা জল্পনার কিছু নেই। হয়তো তার সফর শেষে সরকার কোনো বিবৃতি দিলেও দিতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে হলে ভারতকে ফ্যাসিস্ট আমলের চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ভারতকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের বাইরে থাকা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং পলাতক শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, পালিয়ে থাকা ব্যক্তিরা দেশে ফিরতে চাইলে আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাকিব আল হাসান প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তাকে নষ্ট-পচে যাওয়া মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেন তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা।

জ্বালানি খাত বেসরকারি খাতে দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জ্বালানি খাত কোনো একক প্রতিষ্ঠানের কাছে দেওয়া হবে না। বেসরকারি খাতে দেওয়ার জন্য নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে।

কালের আলো/এসএকে

জ্বালাও-পোড়াও করে দেশ অস্থিতিশীল করবেন না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

টাঙ্গাইল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ
জ্বালাও-পোড়াও করে দেশ অস্থিতিশীল করবেন না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, ‘বিরোধী দলের উদ্দেশে বলতে চাই, আপনারা শান্ত হোন, হুঁশে আসুন, বেহুঁশ হবেন না। এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার। এই সরকারকে হটাতে হলে পাঁচ বছর পর যে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের ভোটে বেশি আসন পেলে সরকার গঠন করবেন। নয়তো এই সরকারই আবার নির্বাচিত হবে।’

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আহমেদ আযম খান বলেন, ‘আপনারা তো আবারও পাপাচার করবেন। যে ভোট দেন, বেহেশত দেব—নাউজুবিল্লাহ মিন জালিক। জনগণ বুঝেছে, এই বেহেশতের টিকিট মানে পাপাচার। এখানে আমরা যাব না বলেই জনগণ ৩০০ আসনের মধ্যে সোয়া ২০০ আসনে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে বিরোধী দল অযথা কাল্পনিক আস্ফালন করেছে। আমরা বিরোধী দলের উদ্দেশে বলতে চাই—শান্ত থাকুন, দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন। জ্বালাও-পোড়াও করে ফ্যাসিবাদের চরিত্রে যাবেন না। আমরা আর বাংলাদেশে জ্বালাও-পোড়াও দেখতে চাই না। আমরা কোনো সিলের নির্বাচন দেখতে চাই না, কোনো জোর-জবরদস্তির শাসনও দেখতে চাই না।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার সেবকের সরকার। আমরা সেবা করব। পাঁচ বছর পর আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণের কাছে যাব। জনগণ যদি আমাদের ভোট দেয়, আমরা আসব। আপনাদের ভোট দিলে আপনারা আসবেন। জ্বালাও-পোড়াও করে অযথা সচিবালয়-মন্ত্রণালয় ঘেরাও করে দেশকে অস্থিতিশীল করবেন না। কথা খুব পরিষ্কার।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেমন পার্লামেন্টে দায়িত্বশীল আচরণ করেন, আমরা বারবার তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছি। তেমনি পার্লামেন্টের বাইরে মাঠের আন্দোলনেও দায়িত্বশীল আচরণ করুন। এটাই বাংলাদেশের মানুষ চায়, বাংলাদেশের মানুষ আশা করে। আপনাদের বলব, আমাদের সরকারের সঙ্গে থাকুন, ঐক্যবদ্ধ থাকুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকুন। আমরা একটি সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ আপনাদের ইনশাআল্লাহ উপহার দেব।

বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি সৈয়দ মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন, বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবুল কাশেম মিয়া, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, সাবেক সভাপতি এনামুল করিম অটল, বাসাইল পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান তুহিন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ পিন্টুসহ অনেকে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আদিবাসী পরিচয়কে বিভাজনের চোখে দেখার সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
আদিবাসী পরিচয়কে বিভাজনের চোখে দেখার সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আদিবাসী পরিচয়কে বিভাজনের চোখে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের বাস্তবতায় আদিবাসী পরিচয় অপ্রাসঙ্গিক’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশের সব জনগণই বাংলাদেশি। তাই কাউকে আদিবাসী পরিচয়ের বিভাজনের চোখে দেখার সুযোগ নেই।’

দেশের সকল নাগরিকের সমান অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, ‘সকল ধর্ম, বর্ণ, সংস্কৃতি ও ভাষাভাষীর মানুষ আমরা সবাই এই দেশের নাগরিক। নাগরিক হিসেবে আমাদের সাংবিধানিক অধিকার পুরোপুরি সমান এবং এই পরিচয়েই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই অঞ্চলে অতীতে যেমন ভিনদেশি উস্কানি ছিল, তেমনি এখনো বাংলাদেশের পূর্ব সীমান্ত ও আশপাশের অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহল নিজেদের স্বার্থে ষড়যন্ত্রমূলক পরিকল্পনা করছে। তবে এই ভূখণ্ডের ঐতিহ্য বহুকালের। লক্ষণ সেন বা পাল বংশের বহু আগে থেকেই এ দেশের মানুষ নিজস্ব আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের জন্য সংগ্রাম করে আসছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র ও আধুনিক নেশন স্টেট হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও এ দেশের নিজস্ব জাতিসত্তা বহুকালের পুরনো।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কেন নদী অববাহিকায় বাস করলাম, আর কেন আরেকজন পাহাড়ি উপত্যকায় বাস করল, তার ওপর ভিত্তি করে কোনো নেশন স্টেট হতে পারে না। তাই আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী হবো, আদিবাসী কেউ হবো না।’

জুলাই চার্টার নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই চার্টারে রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে সবাই স্বাক্ষর করেছে। দলগুলোর মধ্যে যেসব দফায় কোনো দ্বিমত বা নোট অব ডিসেন্ট ছাড়াই ঐকমত্য তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো বাংলাদেশের ভূখণ্ডের ভেতরের সকল নাগরিকের মূল পরিচয় হবে বাংলাদেশি। এটি সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর ভাষা, যা আগামী অষ্টম সংশোধনীতেও নিয়ে আসার জন্য রাজনৈতিক সমঝোতা ও অঙ্গীকার রয়েছে।’

এসময় মন্ত্রী সকলকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের ভূখণ্ডের ভেতরে বসবাসকারী সকল নাগরিকের সাংবিধানিক পরিচয় হবে বাংলাদেশি এবং কোনো ভুল বা বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের পেছনে না ছুটে দেশের সবাইকে আদিবাসী না হয়ে অধিবাসী হতে হবে।’

একইসঙ্গে পাহাড়ি অঞ্চলে সৃষ্ট ঐতিহাসিক বিভেদ ও ষড়যন্ত্রের পেছনে ভিনদেশি উস্কানি এবং আন্তর্জাতিক মহলের স্বার্থ রয়েছে বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বিশেস অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বাংলাদেশের জননীতিকে অভিবাসীদের চশমা দিয়ে দেখা যাবে না। কারও পাতানো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। দেশের সব জনগণ সমান। বাংলাদেশে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই।’

এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সিএইচটি রিসার্স ফাউন্ডেশন।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, এনসিপি নেতা সারজিস আলম, আইনজীবী তাজুল ইসলাম, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান আহমেদ, প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান, সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি, ড. হাসাহাব এনাম খান, লে.জে. (অব) আবদুল্লাহিল আযমী, ড. আবদুল্লাহ আল ইউসুফ, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী উপদেষ্টা মোহাম্মদ রাশেদ খান, লে. (অব) জেনারেল মাফফুজুর রহমান, ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমান, ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী ও ড. মাহমুদ পারভেজ প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ