খুঁজুন
                               
, ,
           

আইয়ুব বাচ্চুর গান নিয়ে বিশেষ অ্যালবাম ‘উত্তরাধিকার’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
আইয়ুব বাচ্চুর গান নিয়ে বিশেষ অ্যালবাম ‘উত্তরাধিকার’

আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর জনপ্রিয় ২০টি গান নতুন সংগীতায়োজনে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। দেশের আটটি ব্যান্ড ও ১২ জন শিল্পীর কণ্ঠে গানগুলো নিয়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ অ্যালবাম ‘উত্তরাধিকার’। আগামী ১৬ আগস্ট আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিনে ডাবল সিডি ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অ্যালবামটি প্রকাশ করা হবে।

এ প্রকল্প থেকে পাওয়া অর্থ ব্যয় করা হবে আইয়ুব বাচ্চু মিউজিয়াম তৈরির কাজে। অ্যালবামটি প্রকাশ উপলক্ষে ১৬ আগস্ট বেলা তিনটায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরবেন আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ও আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফেরদৌস আক্তার।

‘উত্তরাধিকার’ অ্যালবামে আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলো নতুন সংগীতায়োজনে পরিবেশন করেছেন দেশের পরিচিত ব্যান্ড ও শিল্পীরা। ব্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে দলছুট, আরবোভাইরাস, সোনার বাংলা সার্কাস, শুভযাত্রা, ক্যালিপসো, রকসল্ট, ডোপামিন ও এ কে রাহুল। একক শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন বাবনা করিম, রাসেল আলী, রোমেল আলী, চন্দন জামান আলী-মেনন, কানিজ সুবর্ণা, সাজ্জাদ, পলাশ, জয় শাহরিয়ার, অদিত, বখতিয়ার হোসেন, আতিকা ইয়ামিন, অটামনাল মুনসহ অন্যরা। সব কটি গানের মাস্টারিং করেছেন ইকবাল আসিফ জুয়েল।

অ্যালবামে দলছুট গেয়েছে ‘রুপালি গিটার’, আরবোভাইরাস ‘নীল বেদনা’, সোনার বাংলা সার্কাস ‘গতকাল রাতে’, শুভযাত্রা চলো বদলে যাই’, ক্যালিপসো ‘চাঁদ মামা’, রকসল্ট ‘অচেনা জীবন’, ডোপামিন ‘মাধবী’ এবং এ কে রাহুল গেয়েছেন ‘মন চাইলে মন’।

একক শিল্পীদের মধ্যে বাবনা করিম ও রাসেল আলী গেয়েছেন ‘হাসতে দেখো’, রোমেল আলী ‘এখন অনেক রাত’, চন্দন জামান আলী-মেনন ‘মেয়ে’, কানিজ সুবর্ণা ও সাজ্জাদ ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, পলাশ ‘আপন কেহ নাই’, জয় শাহরিয়ার ‘কষ্ট কাকে বলে’, অদিত ‘ঘুমন্ত শহরে’, বখতিয়ার হোসেন ‘রাতের তারা’, আতিকা ইয়ামিন ‘ফেরারি এই মন’, অটামনাল মুন ‘হকার’, কনক আচার্য্য ‘নীরবে’ এবং তওফিক-এবি-মেনন ‘বাংলাদেশ’ গানটি গেয়েছেন।

আইয়ুব বাচ্চুর অন্যতম জনপ্রিয় গান ‘চলো বদলে যাই’ নতুন সংগীতায়োজনে পরিবেশন করেছে ব্যান্ড শুভযাত্রা। ব্যান্ডটির ভোকাল শুভ বলেন, বাচ্চু ভাইয়ের গান আনুষ্ঠানিকভাবে কাভার করার বিষয়টি তাঁদের জন্য একই সঙ্গে আনন্দের ও আবেগের ছিল। চন্দনা ভাবীর পরামর্শে গানটি নিয়ে কাজ শুরু করেন তাঁরা। টানা পাঁচ দিনে নতুন সংগীতায়োজনে গানটি তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আইয়ুব বাচ্চুর গিটারপ্রেমের কথা তাঁর ভক্তদের কাছে সুপরিচিত। অস্ট্রিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্র—বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তিনি সংগ্রহ করেছিলেন নানা নামী ব্র্যান্ডের গিটার। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ‘ফেন্ডার স্ট্রাটোকাস্টার’, আইভানেজের ‘জেম সেভেনটি সেভেন’সহ প্রায় ৫০টি গিটার নিয়ে মিউজিয়াম তৈরির পরিকল্পনা করেছে তাঁর পরিবার ও আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন।

বর্তমানে মগবাজারের বাসায় সংরক্ষিত রয়েছে এসব গিটার। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে গিটারগুলো যত্নে রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফেরদৌস আক্তার। তাঁর ভাষায়, আইয়ুব বাচ্চুর গিটার তাঁর আরেকটি অস্তিত্বের অংশ। মিউজিয়াম বা মিউজিক্যাল লাউঞ্জ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত সেগুলো এভাবেই যত্নে রাখা হবে।

প্রায় আট বছর ধরে আইয়ুব বাচ্চুর গিটার, এবি কিচেনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, ব্যবহৃত ক্যাপ, টি-শার্টসহ নানা স্মারক নিয়ে একটি মিউজিয়াম তৈরির স্বপ্ন দেখছে তাঁর পরিবার। এর আগে পরিবারের উদ্যোগে ঢাকায় ও চট্টগ্রামে আইয়ুব বাচ্চুর কয়েকটি গিটার নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল।

২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর ৫৬ বছর বয়সে মারা যান আইয়ুব বাচ্চু। তাঁর মৃত্যুর পরও গান ও গিটারবাদনের মাধ্যমে তিনি শ্রোতাদের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। শিল্পীর মৃত্যুর পর তাঁর স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুরু হয় ২০২০ সালে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয় গত বছরের ৯ জুলাই।

ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফেরদৌস আক্তার জানিয়েছেন, আইয়ুব বাচ্চুর স্বপ্ন পূরণ করাই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য। তবে এ জন্য প্রয়োজন পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা।

‘উত্তরাধিকার’ প্রকল্পের সমন্বয়ক চিশতি ইকবাল জানান, আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিনে বিশেষ কিছু করার পরিকল্পনা থেকেই প্রকল্পটির শুরু। ফেরদৌস আক্তারের সঙ্গে আলোচনার পর তাঁর গাওয়া কয়েকটি গান নতুন সংগীতায়োজনে প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে ২০টি গান নিয়ে পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম হিসেবে ‘উত্তরাধিকার’ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়।

১৬ আগস্ট ডাবল সিডির পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও প্রকাশিত হবে অ্যালবামটি। প্রকল্পটির মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে দ্য ডেইলি স্টার। অ্যালবাম থেকে পাওয়া অর্থ আইয়ুব বাচ্চু মিউজিয়াম তৈরির কাজে ব্যয় করা হবে।

কালের আলো/এসএ

সন্ধ্যার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
সন্ধ্যার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এসময় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আরএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
আরএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনারের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বোয়ালিশা থানা পুলিশ।  রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানা এলাকায় এক অনার্স পড়ুয়া ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের ওই তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনার ভিডিওটি রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরের নজরে আসার পর তাঁর নির্দেশনায় এক ঘণ্টার মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বোয়ালিয়া থানার কালুমিস্ত্রির মোড় এলাকার মো. জিয়াদের ছেলে মো. রিয়াজন (২০), মো. বাবুর ছেলে মো. বান্টি হাসান (১৮) ও মো. এনামুল হকের ছেলে মো. তাসিন লাবিব (১৯)। পুলিশ জানায়, পূর্ববিরোধের জেরে অভিযুক্তরা ওই ছাত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

গত ২ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কালুমিস্ত্রির মোড় এলাকায় ওই ছাত্রীর ভাড়া বাসার সামনে গিয়ে তাঁকে যৌন হয়রানি, অশালীন কথাবার্তা ও অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তাঁকে রাজশাহীতে পড়াশোনা ও অবস্থান করতে না দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ১৪ আগস্ট বোয়ালিয়া থানায় মামলা হওয়ার পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে কালুমিস্ত্রির মোড় এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং, যৌন হয়রানি, ভয়ভীতি ও হুমকিসহ যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে রাজশাহী মহানগর পুলিশ।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

সরকারি কর্মকর্তা সেজে চাকরির নামে প্রতারণা, বাবলু কাজী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
সরকারি কর্মকর্তা সেজে চাকরির নামে প্রতারণা, বাবলু কাজী গ্রেপ্তার

সরকারি কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র ও প্রজ্ঞাপন তৈরি করে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে প্রতারক চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারী বিভাগ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. বাবলু কাজী (৬০)। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর পল্লবী থানাধীন মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী জানান, বাবলু কাজী ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। তারা উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র ও প্রজ্ঞাপন তৈরি করে চাকরিপ্রার্থীদের দিতেন।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ জুন থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দা এলাকার মো. সবুজ সরকারের কাছ থেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১৩ লাখ টাকা নেয় চক্রটি। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমে বাবলু কাজীর সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত করে ডিবি।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে বাংলাদেশ সরকারের সিলযুক্ত ও জাল স্বাক্ষর করা ভুয়া নিয়োগ আদেশ, যোগদানপত্র, প্রজ্ঞাপন এবং নকল হাজিরা খাতা উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিবি জানায়, চক্রটি সরকারি অফিসে সাধারণ মানুষের আনাগোনাকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণা করত। চক্রের একজন নিজেকে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং অন্যরা তার গাড়িচালক বা অফিস সহকারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সরকারি অফিসে চলাফেরা করত। এতে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে তারা নিজেদের সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলত।

কোনো পরীক্ষা ছাড়াই সরকারি চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হতো। এমনকি চাকরিতে যোগদানের পর টাকা পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলা হতো। ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস অর্জনের পর তাদের হাতে ভুয়া নিয়োগপত্র ও প্রজ্ঞাপন তুলে দেওয়া এবং নকল হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করানো হতো।

প্রতারণাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করতে চাকরিতে যোগদানের পর প্রথম এক-দুই মাস নিজেদের পকেট থেকে কিছু টাকা ‘বেতন’ হিসেবেও দেওয়া হতো। পরে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যেত চক্রের সদস্যরা।

এ ঘটনায় রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার বাবলু কাজীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি