খুঁজুন
                               
, ,
           

ইয়াশ রোহানের সঙ্গে নতুন প্রেমের গল্পে নিহা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
ইয়াশ রোহানের সঙ্গে নতুন প্রেমের গল্পে নিহা

নতুন এক প্রেমের গল্প নিয়ে ছোট পর্দায় হাজির হচ্ছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী নাজনীন নাহার নিহা। নির্মাতা ইমরাউল রাফাতের নতুন নাটক ‘মনের মতো মন’-এ তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান।

ভালোবাসার ভিন্নধর্মী ও আবেগঘন গল্প নিয়ে নির্মিত নাটকটিতে নিহাকে দেখা যাবে নতুন এক চরিত্রে। চিত্রনাট্য ও চরিত্রের গভীরতা পছন্দ হওয়ায় কাজটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

নিহা বলেন, গল্প ও চরিত্রের প্রতি আগ্রহ থেকেই নাটকটিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তাঁর প্রত্যাশা, ভিন্নধর্মী গল্প ও চরিত্র দর্শকদের ভালো লাগবে।

নাটকটিতে ইয়াশ রোহান ও নিহার রসায়নের পাশাপাশি থাকছে অভিজ্ঞ অভিনয়শিল্পীদের উপস্থিতি। গুরুত্বপূর্ণ ও বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সানজিদা হিমু, আজিজুল হাকিম, চিত্রলেখা গুহ, সাবেরী আলম, মানস বন্দ্যোপাধ্যায় ও কচি খন্দকার।

নির্মাতা ইমরাউল রাফাতের পরিচালনায় ‘মনের মতো মন’-এ প্রেম, আবেগ ও সম্পর্কের নানা টানাপোড়েন উঠে আসবে। ইয়াশ-নিহা জুটির পাশাপাশি গুণী অভিনয়শিল্পীদের উপস্থিতি নাটকটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

কালের আলো/এসএ

প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ
প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবাকে কোনো চ্যারিটি হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে দেখছে সরকার। অন্য সকল সাধারণ নাগরিকের মতো প্রতিটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। ঢাকার কড়াইল বস্তিতে প্রতিবন্ধী শিশুদের শনাক্তকরণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ইতোমধ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের ২২টি জেলার ২২টি উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের সার্বিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আরও বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগের ফলে এরই মধ্যে বেশ কিছু অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের যেকোনো শ্রেণিতে এবং মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন নির্মিতব্য সব স্টেশনে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুধু যাতায়াতের র‍্যাম্প নয়, টিকিট কাটা থেকে শুরু করে বাহনে ওঠা এবং টয়লেট ব্যবহারসহ পুরো ভ্রমণ যেন প্রতিবন্ধীদের জন্য নির্বিঘ্ন ও এক্সেসিবল হয়, সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষায়িত স্কুলগুলোর পাশাপাশি মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থায় প্রতিবন্ধী শিশুদের অংশগ্রহণের ওপর জোর দিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিশেষায়িত স্কুলগুলোকে আরও সুসংগঠিত করা হচ্ছে যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পায়। একই সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সাধারণ স্কুলগুলোকেও প্রতিবন্ধীবান্ধব করা হচ্ছে। যাতে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী কোনো শিশুই সাধারণ বিদ্যালয় থেকে বঞ্চিত না হয়। পাঠ্যক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কার, ব্রেইল পদ্ধতি এবং সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যবহার নিশ্চিত করতেও কাজ চলছে।

নতুন অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বেশ কিছু প্রতিবন্ধীবান্ধব প্রকল্প হাতে নিয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকার কড়াইল বস্তিতে প্রতিবন্ধী শিশুদের শনাক্তকরণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ইতোমধ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের ২২টি জেলার ২২টি উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের সার্বিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।”

ভৌত অবকাঠামোর পাশাপাশি ডিজিটাল এক্সেসিবিলিটির ওপর গুরুত্ব দিয়ে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতেও প্রতিবন্ধীদের প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিটি প্রতিবন্ধী মানুষের ভেতরে কোনো না কোনো বিশেষ মেধা বা দক্ষতা রয়েছে, সেই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই সরকারের মূল লক্ষ্য। প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইসলাম গ্রহণের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন রবার্তো কার্লোস

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
ইসলাম গ্রহণের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন রবার্তো কার্লোস

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কিংবদন্তি রবার্তো কার্লোস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন—এমন গুঞ্জন কয়েক সপ্তাহ ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সেই দাবি সরাসরি নাকচ করেছেন সাবেক এই তারকা ফুটবলার।

গুঞ্জনের সূত্রপাত হয় কার্লোসের একটি মুসলিম পরিবারের সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠান ঘিরে। সম্প্রতি মরক্কোর ব্যবসায়ী সোহাইলা তাহিরিকে বিয়ে করেছেন তিনি। তাঁদের বিয়ের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিতে ইসলামি রীতিতে বিয়ের আয়োজন দেখা যাওয়ায় অনেকেই ধারণা করেন, কার্লোসও ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

তবে সৌদি আরবের দৈনিক ‘ওকাজ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কার্লোস স্পষ্ট করে বলেছেন, ইসলাম ধর্মের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা থাকলেও তিনি ইসলাম গ্রহণ করেননি।

কার্লোস জানান, তাঁর পরিবারের সদস্যরা ক্যাথলিক। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী ও তাঁর বন্ধুদের অনেকেই মুসলিম। দুই পরিবারের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সম্মান জানাতেই তাঁদের বিয়েতে একাধিক ধর্মীয় রীতি অনুসরণ করা হয়েছিল।

অর্থাৎ বিয়ের অনুষ্ঠানে ইসলামি রীতির উপস্থিতি কার্লোসের ধর্ম পরিবর্তনের প্রমাণ নয়। স্ত্রীর ধর্মীয় অনুভূতি ও তাঁর বন্ধুদের প্রতি সম্মান দেখাতেই তিনি এসব আয়োজনে অংশ নিয়েছেন।

কার্লোস জানান, ফুটবল–সম্পর্কিত একটি ব্যবসায়িক বৈঠকে সোহাইলা তাহিরির সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচয়। গত দুই বছর ধরে তাঁদের সম্পর্ক। ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি পেশাগত ক্ষেত্রেও তাঁদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

৫৩ বছর বয়সী কার্লোসের এটি তৃতীয় বিয়ে। প্রথম স্ত্রী আলেকজান্দ্রা পিনহেইরোর সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয় ২০০৩ সালে। তাঁদের সংসারে তিন সন্তান। পরে ২০০৯ সালে মারিয়ানা লুকনকে বিয়ে করেন তিনি। ১৫ বছরের বেশি সময় সংসার করার পর ২০২৫ সালের শুরুতে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। এই সংসারে তাঁদের দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।

সব মিলিয়ে সাতজন নারীর গর্ভে রবার্তো কার্লোসের ১১ সন্তান রয়েছে। ২০১৭ সালে তাঁর মেয়ে জিওভানার একটি পুত্রসন্তান হওয়ায় ফুটবল কিংবদন্তি এরই মধ্যে নানাও হয়েছেন।

ইসলাম গ্রহণের গুঞ্জন নিয়ে কার্লোসের বক্তব্যের পর বিষয়টি পরিষ্কার—মুসলিম রীতিতে বিয়ের আয়োজন করা হলেও তিনি ধর্ম পরিবর্তন করেননি।

কালের আলো/এসএ

দেশের শান্তি কামনা করে বঙ্গভবন থেকে বিদায় হাফিজ উদ্দিনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ
দেশের শান্তি কামনা করে বঙ্গভবন থেকে বিদায় হাফিজ উদ্দিনের

বঙ্গভবনে শেষ অফিস করে বিদায় নিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ত্যাগ করেন তিনি।  এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।  অন্যদিকে সালাম গ্রহণ করে উপস্থিত সবার সঙ্গে বিদায়ী শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন হাফিজ উদ্দিন।

এ সময় দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সরকারের সাফল্য কামনা করেন হাফিজ উদ্দিন।  বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির সামরিক ও বেসামরিক সচিব এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।

এরপর তিনি কঠোর প্রটোকলের মধ্য দিয়ে বঙ্গভবন এলাকা ত্যাগ করেন। গত ২৪ জুলাই তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করার পর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

গত প্রায় এক মাস তিনি রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ