খুঁজুন
                               
, ,
           

গ্যাসের ঘাটতি বিদ্যুতে টান

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
গ্যাসের ঘাটতি বিদ্যুতে টান

এলএনজি সরবরাহে নতুন করে ধাক্কা লাগায় দেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়েছে। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে এলএনজি কার্গোর মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর পর থেকেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে চাপ বাড়তে থাকে এবং সন্ধ্যার পর লোডশেডিং দ্রুত বেড়ে যায়। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও এক্সিলারেটের এফএসআরইউ বন্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার সঙ্গে সন্ধ্যায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকাতেও ভাগ করে লোডশেডিং করতে হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি ছিল আরও কঠিন। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

এক টার্মিনাল বন্ধ, চাপ পুরো গ্যাস ব্যবস্থায়

এলএনজি কার্গোর অভাবে বুধবার বিকেলে এক্সিলারেটের টার্মিনালের মজুত শেষ হয়ে যায়। ফলে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে ওই টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়। নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত আমদানি করা এলএনজির ওপর মূলত সামিটের টার্মিনালের সরবরাহের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

এর আগে সাগর উত্তাল থাকায় সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকেও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল। পরে ১৪ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে সামিট আবার জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ শুরু হলেও ধীরে ধীরে তা টার্মিনালের সক্ষমতার কাছাকাছি নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ, গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা স্বস্তি ফেরার পরই আবার এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংকট নতুন করে বাড়ল।

চাহিদা ৩৮০, সরবরাহ ২১৯ কোটি ঘনফুট

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর ১২টায় দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছিল ৬৬ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট। দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাওয়া ১৬২ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুটসহ মোট সরবরাহ ছিল ২২৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট। ছয় ঘণ্টা পর, সন্ধ্যা ৬টায় এলএনজি সরবরাহ কমে দাঁড়ায় ৫৬ কোটি ২০ লাখ ঘনফুটে। দেশীয় গ্যাসের সরবরাহও সামান্য কমে হয় ১৬২ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট। ফলে মোট সরবরাহ নেমে আসে ২১৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুটে।

সরকারি হিসাবে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। সে হিসাবে বুধবার সন্ধ্যায় সরবরাহ ও চাহিদার ব্যবধান দাঁড়ায় প্রায় ১৬১ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে চাহিদা সামাল দেওয়া হলেও বর্তমান ঘাটতি বিদ্যুৎ, শিল্প ও অন্যান্য খাতে বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

লোডশেডিংয়ের ভয়াবহ পরিবর্তন

গ্যাস সরবরাহ কমার প্রভাব বুধবার সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ উৎপাদনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পাওয়ার গ্রিডের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ১৭ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট। তখন লোডশেডিং ছিল ১১৭ মেগাওয়াট। দুপুর ২টায় চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১৫ হাজার ২০৬ মেগাওয়াটে। সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার ১৩৯ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং বেড়ে হয় ১ হাজার ৬৭ মেগাওয়াট। বিকেল ৫টায় চাহিদা আরও বেড়ে ১৫ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ নেমে আসে ১৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটে। তখন লোডশেডিং দাঁড়ায় ১ হাজার ৮০৪ মেগাওয়াটে।

সন্ধ্যা নামার সঙ্গে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। রাত ৭টায় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার ৮১৫ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৩০ মেগাওয়াটে। রাত ৯টায়ও লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৪৪৩ মেগাওয়াট। অর্থাৎ, বুধবার সকাল ১০টায় যেখানে লোডশেডিং ছিল মাত্র ১১৭ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে তা বেড়ে ২ হাজার ৫৩০ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। প্রায় ২২ গুণের এই বৃদ্ধি একই দিনে বিদ্যুৎ চাহিদা ও উৎপাদন সক্ষমতার ওপর গ্যাস সরবরাহের প্রভাব কতটা গভীর, তা স্পষ্ট করে।

গ্যাস কমলে কেন বাড়ে লোডশেডিং?

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসনির্ভর কেন্দ্রগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে গেলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারে না। একই সময়ে সন্ধ্যায় আবাসিক ও অন্যান্য খাতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। ফলে একদিকে উৎপাদন কমে, অন্যদিকে চাহিদা বাড়ে—দুইয়ের চাপ একসঙ্গে পড়লে ঘাটতি সামাল দিতে লোডশেডিং করতে হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতেও বিদ্যুৎ খাত–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পিক আওয়ারে চাহিদা দ্রুত বাড়ায় ঘাটতিও বেড়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

কভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আশুলিয়ায় নিহত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
কভার্ড ভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, আশুলিয়ায় নিহত ৭

সাভারের আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার প্রীতি গ্রুপের এফএনএস কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কারখানার ভেতরে তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে একটি কাবার ভেতর থেকে পাঁচজনের ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে বিস্ফোরণের তীব্রতায় একটি সিলিন্ডার ছিটকে পাশের একটি কাপড়ের দোকানে গিয়ে পড়ে। এতে জয়নাব বেগম নামে এক নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুলাল নামে আরও এক আহত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় সাতজনে।

ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কারখানার ভেতরে আরও কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, একটি কভার্ড ভ্যানের ভেতরে থাকা সিএনজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ডিজেল-কেরোসিন-অকটেন-পেট্রোলের দাম বাড়ল ২০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
ডিজেল-কেরোসিন-অকটেন-পেট্রোলের দাম বাড়ল ২০ টাকা

দেশে চার ধরনের প্রধান জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেল প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নতুন দাম নির্ধারণের তথ্য জানানো হয়।

নতুন দামে ডিজেলের মূল্য ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল। সর্বশেষ বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল এপ্রিলে। তখন ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা এবং অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম যথাক্রমে ২০, ১৯ ও ১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।

২০২৪ সাল থেকে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় দেশে খুচরা জ্বালানি তেলের দাম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, আমদানি ব্যয়, কর ও শুল্ক, বিনিময় হারসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে নিয়মিত এ দাম সমন্বয় করা হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি 

অটোরিকশা উচ্ছেদ নয়, নিবন্ধন ও ফিটনেসের আওতায় আনার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
অটোরিকশা উচ্ছেদ নয়, নিবন্ধন ও ফিটনেসের আওতায় আনার দাবি

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্পূর্ণ বন্ধ বা উচ্ছেদ না করে আধুনিকায়ন, নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ, চালকদের প্রশিক্ষণ ও বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় এনে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছে ঢাকা মহানগর ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সামাদ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা-ইজিবাইক মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি এস এম আবু বকর বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধ বা উচ্ছেদের পরিবর্তে আধুনিকায়ন, নিবন্ধন, ফিটনেস সনদ, চালকদের প্রশিক্ষণ, বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, নির্ধারিত রুট ও সড়ক ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে একদিকে যাত্রী ও অন্যান্য সড়ক ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে এ খাতের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত চালক, মালিক ও শ্রমজীবী মানুষের জীবিকা ও অধিকারও সুরক্ষিত থাকবে।

১০ দফা দাবি

সংগঠনের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার আধুনিকায়ন ও ফিটনেস সনদ প্রদান। পাশাপাশি বাণিজ্যিক লাইসেন্স ও জোনভিত্তিক রুট পারমিট চালুর দাবি জানানো হয়েছে।

চালকদের ট্রাফিক আইন ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশেষ ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যবস্থা এবং প্রতিটি অটোরিকশা গ্যারেজে ডি-৩ ক্যাটাগরির বৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করার দাবিও রয়েছে।

এ ছাড়া গ্যারেজ থেকে সরকারের প্রাপ্য বিদ্যুৎ বিল ও রাজস্ব যথাযথভাবে আদায়, সিটি করপোরেশনের প্রধান সড়কে অটোরিকশার জন্য পৃথক ‘লো-স্পিড লেন’ এবং জাতীয় মহাসড়কের সঙ্গে সংযুক্ত ঢাকার প্রধান সড়কে পৃথক লেন নির্ধারণের দাবি জানানো হয়।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রধান ও ফিডার সড়ক বিবেচনায় বৈজ্ঞানিকভাবে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ অটোরিকশার সিলিং নির্ধারণ, দেশের পরিবহন ব্যবস্থার আইনি কাঠামোর মধ্যে এ যানবাহনকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং নীতিনির্ধারণে মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবিও রয়েছে।

আধুনিক প্রযুক্তিতে রূপান্তরের দাবি

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, অটোরিকশা খাতের সমস্যার স্থায়ী সমাধান শুধু নিষেধাজ্ঞা বা উচ্ছেদের মাধ্যমে সম্ভব নয়। প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক, নিরাপদ, নিবন্ধিত ও আইনসম্মত কাঠামোর মধ্যে এ খাতকে নিয়ে আসা প্রয়োজন।

তারা বলেন, অটোরিকশা বন্ধের অন্যতম কারণ হিসেবে ব্রেকিং সিস্টেম ও অনিরাপদ বডি স্ট্রাকচারের বিষয়টি তুলে ধরা হচ্ছে। এ কারণে বুয়েট অনুমোদিত আধুনিক ব্রেকিং সিস্টেম ও নিরাপদ ডিজাইনের ই-রিকশা দেশীয় প্রযুক্তিতে উৎপাদনের সুযোগ দিতে হবে।

একই সঙ্গে পুরোনো অটোরিকশাগুলো আধুনিক ও নিরাপদ প্রযুক্তিতে রূপান্তরের জন্য তিন থেকে পাঁচ বছরের নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়ার দাবি জানান তারা।

নেতারা বলেন, ১০ দফা দাবি নিয়ে চালক-মালিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা করে বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। আইন মেনে নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তারা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সেক্রেটারি মো. আবু বকর ছিদ্দিক এবং কেন্দ্রীয় নেতা দেলাওয়ার হোসাইন ও শরিফুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি