খুঁজুন
                               
, ,
           

রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি, ১৯ দিনে এসেছে ২৩ হাজার কোটি টাকার বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি, ১৯ দিনে এসেছে ২৩ হাজার কোটি টাকার বেশি

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৩ হাজার ৮৭ কোটি টাকার বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। এতে দেখা যায়, গত বছরের একই সময়ে দেশে ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। সে হিসাবে চলতি বছরের প্রথম ১৯ দিনে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৮০ লাখ ডলার।

তিন দিনে এসেছে ১৩ কোটি ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর—এই তিন দিনে দেশে ১৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ফলে মাসের প্রথম ১৯ দিনেই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ১৩.৮ শতাংশ

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৭৭০ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৯৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। শতাংশের হিসাবে এই প্রবৃদ্ধি ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

নয় ব্যাংকে আসেনি রেমিট্যান্স

তবে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৯ দিনে দেশের নয়টি ব্যাংকের মাধ্যমে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং বেসরকারি খাতের আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক পিএলসি।

এ ছাড়া বিদেশি খাতের পাঁচটি ব্যাংকের মাধ্যমেও কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এসব ব্যাংক হলো—আল ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও উরি ব্যাংক।

কালের আলো/এমএসআইপি 

বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে প্রশিক্ষণে জোর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে প্রশিক্ষণে জোর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

দেশে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ইনফার্টিলিটি সেন্টারে প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি ইউনিটে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের হাসপাতালগুলোতে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নারীদের হরমোনজনিত ও বিপাকীয় সমস্যা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের কারণে দেশে বন্ধ্যাত্বের হার বাড়ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তান ধারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ কারণে চীনসহ উন্নত দেশগুলোর আধুনিক প্রযুক্তি দেশে আনতে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে।

বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসাও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার অংশ। সন্তান ধারণে সমস্যার কারণে অনেক দম্পতিকে সামাজিক কটূক্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয়। চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে পিছিয়ে থাকার কোনো কারণ নেই।

দেশে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় রোগীদের বিদেশমুখিতা কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, দেশের মেধাবী চিকিৎসকেরা সক্ষম হলেও অনেক রোগী ভারত ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে যান। এতে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়।

তিনি আরও বলেন, বিদেশের সমমানের চিকিৎসা দেশে সম্ভব—এমন আস্থা তৈরি করতে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি জেলা ও গ্রাম পর্যায়েও সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় থাকা নারীদের দেশে চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করা হবে। চিকিৎসায় ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রেও সফলতা অর্জন করা গেলে সেটিকে দেশের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হবে।

বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের প্রশংসা করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তাদের সহযোগিতা পেলে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মুসাররাত সুলতানার সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. মাজহারুল শাহীন এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য দেন।

কালের আলো/এম/এসআইপি 

রুশ তেল কেনা নিয়ে চাপে ভারত, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক হুমকিতে নতুন সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
রুশ তেল কেনা নিয়ে চাপে ভারত, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক হুমকিতে নতুন সংকট

রাশিয়া থেকে কম দামে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল কেনা এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা—দুই দিক সামলাতে ক্রমেই কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়ছে ভারত। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার মধ্যে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও শুল্কের হুমকি দিল্লির জন্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি আইনে সই করেছেন, যাতে রাশিয়া থেকে তেল ও অন্যান্য জ্বালানি কেনা দেশগুলোর পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে ভারতের ওপর কখন বা আদৌ এ ধরনের শুল্ক আরোপ করা হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ভারতের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে দেশটির জ্বালানি আমদানির ওপর উচ্চ নির্ভরতার কারণে। ভারত প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের ৯০ শতাংশের বেশি বিদেশ থেকে আমদানি করে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় রাশিয়ার তেলের ওপর ভারতের নির্ভরতা আরও বেড়েছে।

জাহাজ চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের হিসাবে, চলতি গ্রীষ্মে ভারতের আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের প্রায় অর্ধেকই এসেছে রাশিয়া থেকে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে একটি বাণিজ্যচুক্তিতে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছিল। বিনিময়ে ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক কমানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সম্মতি দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ও মার্কিন নীতির পরিবর্তনে সেই সমঝোতার বাস্তবতা জটিল হয়ে পড়ে।

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভিন্ন দেশ থেকে তেল কেনা এবং জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনার নীতি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে দেশটি।

নতুন মার্কিন আইনের প্রভাব শুধু দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্কেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে ভারত।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের পর ভারতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রান্নার গ্যাসের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রেও দুই দেশের পারস্পরিক নির্ভরতা তৈরি হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে রাশিয়ার তেল কেনার ক্ষেত্রে চীনও বড় ক্রেতা হওয়ায় নতুন মার্কিন আইনের প্রয়োগ কীভাবে হবে, তা পর্যবেক্ষণ করছে দিল্লি।

ভারতের বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্যিক স্বার্থ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক—এই তিনটি বিষয়কে একই সঙ্গে বিবেচনায় রেখেই ভারতকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

কালের আলো/এসএ

বিদেশি পর্যটকে মুখর কুয়াকাটা, বাড়ছে আন্তর্জাতিক পর্যটনের সম্ভাবনা

ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
বিদেশি পর্যটকে মুখর কুয়াকাটা, বাড়ছে আন্তর্জাতিক পর্যটনের সম্ভাবনা

সাগরের নীল জলরাশি, দিগন্তজোড়া আকাশ, সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত ও সবুজে ঘেরা উপকূলীয় প্রকৃতির টানে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বাড়ছে বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা। শুধু সমুদ্রসৈকত নয়, স্থানীয় সংস্কৃতি, বন, নদী, চরাঞ্চল ও মানুষের জীবনযাত্রা দেখতে কুয়াকাটার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকাতেও ঘুরছেন বিদেশিরা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ও শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুয়াকাটা সৈকত, মিনি সুইজারল্যান্ড, রাখাইন পল্লী ও লেম্বুর বন এলাকায় বিভিন্ন দেশের পর্যটকদের ঘুরতে দেখা যায়। কেউ সমুদ্রের ঢেউ উপভোগ করছেন, কেউ নৌপথে ঘুরছেন। আবার কেউ ম্যানগ্রোভ বন, চরাঞ্চল ও উপকূলীয় মানুষের জীবনযাত্রা কাছ থেকে দেখছেন।

স্থানীয় পর্যটনসংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, রাশিয়া, সুইজারল্যান্ড, নাইজেরিয়া, ভারত, নেপাল ও আর্জেন্টিনাসহ বিভিন্ন দেশের পর্যটক কুয়াকাটায় আসছেন। তাদের অনেকেই কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও স্থানীয় মানুষের আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে আবারও এখানে আসছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কুয়াকাটা ট্যুর গাইড ও বাইক রাইডার আবু সালেহ বলেন, প্রায় পাঁচ বছর ধরে তিনি বিদেশি পর্যটকদের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে নিয়ে যাচ্ছেন। বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে মিনি সুইজারল্যান্ড ও লেম্বুর বন ঘুরে দেখার আগ্রহ বেশি। অনেক পর্যটক কয়েক মাস পরপর আবারও কুয়াকাটায় আসেন বলেও জানান তিনি।

মিনি সুইজারল্যান্ড এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তারিকুল ইসলাম বলেন, বিদেশি পর্যটকরা ওই এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশে বেশ মুগ্ধ হন। অনেকে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে খাল ও আশপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করেন এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে বিভিন্ন খাবারও কেনেন।

হোটেল খান প্যালেসের অপারেশন ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান সাকুর জানান, তাদের হোটেলে দেশি অতিথিদের পাশাপাশি নিয়মিত বিদেশি পর্যটকরাও থাকেন। বিশেষ করে ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর রাশিয়ান পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল। হোটেলের সুইমিং পুল ও খাবার বিদেশি অতিথিদের কাছে জনপ্রিয় বলেও জানান তিনি।

কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু বলেন, কুয়াকাটার আকর্ষণ শুধু সমুদ্রসৈকতে সীমাবদ্ধ নয়। সাগর, নদী, বন, চর, জেলে পল্লী, রাখাইন সংস্কৃতি ও গ্রামীণ জীবনযাত্রার বৈচিত্র্য বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে। সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়ানো গেলে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে টুরিস্ট পুলিশ। কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ মো. নাজমুল হাসান বলেন, বিদেশি পর্যটকরা যে হোটেলে অবস্থান করেন, সেখান থেকে ই-মেইলের মাধ্যমে পুলিশকে জানানো হয়। এরপর তাদের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হয়। বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ও শিক্ষিত গাইড নেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়।

পর্যটনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশি পর্যটকদের আগমনকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক মানের যোগাযোগব্যবস্থা, তথ্যসেবা, নিরাপত্তা, আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে কুয়াকাটা দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে।

কালের আলো/এসএ