খুঁজুন
                               
, ,
           

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৮৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৮৪

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪৮৪ জন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৬। আর এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৫৮ হাজার ৪০০ জন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

থামছে না চায়না দুয়ারি জালের বিস্তার

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
থামছে না চায়না দুয়ারি জালের বিস্তার

নিষেধাজ্ঞা আছে, অভিযানও চলছে—তবু থামছে না চায়না দুয়ারি জালের বিস্তার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ, আইডি ও ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ্যেই চলছে এই জালের প্রচার ও বিক্রি। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারেও মিলছে জালটি। ফলে একদিকে যেমন আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে নির্বিচার মাছ শিকারের এই উপকরণ দেশি মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য তৈরি করছে ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি।

ফাঁদে মাছের সঙ্গে পোনা ও জলজ প্রাণী
চায়না দুয়ারি বা চায়না রিং জাল মূলত এক ধরনের ফাঁদ। জালের দুই পাশে প্রবেশপথ থাকে। মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী ভেতরে ঢোকার পর সহজে বের হতে পারে না। কয়েক হাত থেকে শত হাত পর্যন্ত লম্বা এই জালে নির্দিষ্ট দূরত্বে রিং বসানো থাকে।

মৎস্য অধিদপ্তরের প্রচারপত্রেও বলা হয়েছে, দেশি মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ এবং খাদ্যনিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহারে মাছের পাশাপাশি পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণীও নির্বিচারে আটকা পড়ে। ফলে প্রজনন ও স্বাভাবিক বংশবিস্তারের ওপরও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

আইনে নাম নেই, নিষেধাজ্ঞার ভিত্তি অন্য জায়গায়
চায়না দুয়ারি জালকে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে আলাদাভাবে নাম উল্লেখ করে নিষিদ্ধ করা হয়নি। তবে আইনে ‘ফিক্সড ইঞ্জিন’ স্থাপন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণের বিধান রয়েছে।
আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী, মাছ ধরার জন্য মাটিতে গেঁথে বা অন্য কোনো উপায়ে স্থির করা জাল, খাঁচা, ফাঁদ কিংবা অন্য কোনো কৌশল ‘ফিক্সড ইঞ্জিন’-এর আওতায় পড়ে। মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, চায়না দুয়ারি জাল এই বিধানের আওতায় অবৈধ। অর্থাৎ জালের নাম আইনে না থাকলেও এর ব্যবহার পদ্ধতিই নিষেধাজ্ঞার আইনি ভিত্তি।

ফেসবুক-ইউটিউবে যেন খোলা বাজার
নিষেধাজ্ঞার বাস্তব চিত্র সবচেয়ে স্পষ্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে। ‘চায়না রিং জাল’ নামেই একাধিক পেজ রয়েছে। এর বাইরে বিভিন্ন নামে আরও বহু পেজে পাইকারি ও খুচরা বিক্রির প্রচার চলছে।

ইউটিউবেও রয়েছে জালটির বিক্রয়সংক্রান্ত ভিডিও। কিছু ভিডিওতে কারখানায় উৎপাদনের দৃশ্য, যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমোর তথ্য এবং জালের দাম পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ উৎপাদন থেকে বিপণন—পুরো প্রক্রিয়াটিই অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতার সামনে উন্মুক্ত।

রাজধানীর বাজারেও মিলছে
অনলাইনেই সীমাবদ্ধ নয় চায়না দুয়ারি জালের বাজার। রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারেও এর বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। গত ৫ সেপ্টেম্বর সেখানে এক দোকানদার জানান, তাঁর কাছে জালটি রয়েছে এবং কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা থেকে এনে তিনি বিক্রি করেন।

এতে বোঝা যায়, অনলাইন প্রচারের পাশাপাশি সরবরাহের একটি বাস্তব বাজারও গড়ে উঠেছে। ফলে শুধু ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা কঠিন। উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রির উৎস শনাক্ত করাও জরুরি।

অভিযান আছে, পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেই
চায়না দুয়ারি জালের উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধে গত ১৩ এপ্রিল দেশের সব বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেওয়া হয়। অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

তবে এরপর বা চলতি বছরে কতটি অভিযান হয়েছে, কত জাল জব্দ হয়েছে কিংবা কতজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এর পূর্ণাঙ্গ তথ্য অধিদপ্তরে নেই। অভ্যন্তরীণ মৎস্য বিভাগের পরিচালক মোতালেব হোসেন অবশ্য জানিয়েছেন, ব্যাপকভাবে জাল জব্দ করা হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কয়েকটি কারখানার বিদ্যুৎ-সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

প্রশ্নটা শুধু একটি জালের নয়
মৎস্য কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে খাল-বিল, নদী-নালা, হাওর-বাঁওড়ে মাছের প্রাপ্যতা আরও কমে যেতে পারে। কারণ চায়না দুয়ারি জালের ক্ষতি শুধু ধরা পড়া মাছের সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে ধ্বংস হচ্ছে পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণীও।

তাই সমস্যাটিকে কেবল অবৈধ জাল জব্দের অভিযান হিসেবে দেখলে চলবে না। উৎপাদনকারী কারখানা, সরবরাহকারী, বাজার ও অনলাইন বিক্রয়—পুরো শৃঙ্খলকে নজরদারির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে আইনের প্রয়োগ কতটা নিয়মিত ও কার্যকর হচ্ছে, তার পরিমাপযোগ্য তথ্য প্রকাশ করাও জরুরি। কারণ পানিতে একবার জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য নষ্ট হলে শুধু অভিযান চালিয়ে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সহজ হবে না।

কালের আলো/এম/এএএইচ

গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ

রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধ এবং পরিবেশগত উন্নয়নে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।

লেকগুলোতে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ বন্ধ, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর ) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আয়োজিত বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেন তিনি।

বৈঠকে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকার লেকগুলোর বর্তমান অবস্থা, দূষণের উৎস এবং সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

একই সঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ধানমন্ডি লেকের সংস্কার, স্লাজ অপসারণ ও পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে জানানো হয়, গুলশান লেকে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের উৎস ও মাধ্যম হিসেবে ছয়টি প্রাইমারি এবং ছয়টি সেকেন্ডারি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব পয়েন্ট দিয়ে লেকে দূষিত পানি ও পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ করছে। সমস্যা সমাধানে গঠিত কারিগরি কমিটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সুপারিশ উপস্থাপন করে।

লেকের দূষণ রোধে পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের পথ বন্ধ, ভবন ভিত্তিক এসটিপি স্থাপন এবং বিদ্যমান স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্কের বিস্তারিত জরিপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গুলশান-বনানী এলাকায় শর্তসাপেক্ষে স্যুয়ারেজ বিল আদায় এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ক্যাচমেন্ট এরিয়া বা পানি সংগ্রহের জন্য এলাকা তৈরির বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়।

লেকের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ভাসমান বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত যান্ত্রিক নৌকার সংখ্যা দুটি থেকে বাড়িয়ে ১০টিতে উন্নীত করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ভাসমান এক্সক্যাভেটরের মাধ্যমে লেকের তলদেশে জমে থাকা স্লাজ অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।

বৈঠকে ঢাকা মহানগর ইমারত বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী প্রযোজ্য ভবনগুলোতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসটিপি স্থাপন নিশ্চিত করার বিষয়টিতে গুরুত্বারোপ করা হয়। বাসাবাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের পয়ঃনিষ্কাশন লাইন সরাসরি বৃষ্টির পানির ড্রেন বা লেকের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে কি না, তা শনাক্ত করে অবৈধ সংযোগ বন্ধে ঢাকা ওয়াসা ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুপারিশ করা হয়।

এ ছাড়া লেকের পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ানোর যন্ত্র (এরেটর) স্থাপন, দুর্গন্ধ দূর করতে জৈবিক ও রাসায়নিক পদ্ধতির সমন্বিত প্রয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদী স্যানিটেশন নেটওয়ার্ক নির্মাণের প্রস্তাবও বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

বৈঠকে, রাজউকের আওতাধীন লেকগুলোর সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিতে ইতোমধ্যেই ৪২ জন জনবলের সমন্বয়ে পাঁচটি বিশেষ টিম নিয়োজিত করা হয়েছে উল্লেখ করা হয়।

বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচনে থাকবে সশস্ত্র বাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও-১ উপ-নির্বাচনে থাকবে সশস্ত্র বাহিনী

আসন্ন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বলি যে বাই ইলেকশনটা, এই বাই ইলেকশনে আমাদের ট্রুপস ডেপ্লয়মেন্ট হবে যেমনটা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হয়েছিল অনেকটা ওরকমই। এবং এখানে আমরা সব ধরনের যে আপনার প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিলাম জাতীয় নির্বাচনে সেই প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার হবে। পারতপক্ষ আরেকটু বেশি ব্যবহৃত হবে যাতে করে খুব সুন্দরভাবে নির্বাচনটা সম্পন্ন করা যায়। সুতরাং ওখানে সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সকল বাহিনী থাকবে।

তফসিল অনুযায়ী, এ উপ-নির্বাচনে ২৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন, বাছাইয়ের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর।

আপিল নিষ্পত্তি ৬ অক্টোবর। প্রার্থীতা প্রত্যাহার ৭ অক্টোবর। প্রতীক বরাদ্দ ৮ অক্টোবর। ভোটগ্রহণ ২৯ অক্টোবর।

নির্বাচনে আউট অব কান্ট্রি ভোটিং (আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট) থাকছে এবারও। গত নির্বাচনে বিদেশ থেকে ঠাকুরগাঁও ১ আসন থেকে নিবন্ধিত হয়েছিলেন ৩৮৬ জন, ৩৩টি দেশ থেকে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধিত হয়েছিলেন সৌদি আরব থেকে। ইন কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিংয়ে নিবন্ধনের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৪৫, তার মধ্যে সরকারি চাকরিজীবী ছিল ২ হাজার ৭৩৫।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটিতে ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৭ হাজার ২০৩ জন। এবার ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫ জন। ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে ৮ হাজার ৩২২ জন। নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সকাল আটটা থেকে টানা বিকেল চারটা পর্যন্ত। ভোটকেন্দ্র ১৮৫টি, ভোটকক্ষ ৯৮৯টি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ