খুঁজুন
                               
, ,
           

পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিতে চায় সরকার : পর্যটনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিতে চায় সরকার : পর্যটনমন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপ দিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেরই নিজস্ব পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় তিন দিনব্যাপী ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে নদী, পাহাড়, সমুদ্র, বন, জঙ্গলসহ বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্পদ রয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, দীর্ঘ প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, কুয়াকাটাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়া সিলেটের চা-বাগান, নদী ও জলাভূমি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যও বাংলাদেশের পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

তিনি বলেন, পর্যটনের সম্ভাবনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত গন্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেরই নিজস্ব গল্প ও পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এখন এসব বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত, টেকসই এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন শিল্পে রূপ দেওয়াই লক্ষ্য। বিভিন্ন শ্রেণির পর্যটন আকর্ষণকে নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে। একই সঙ্গে পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ওপর জোর দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, পর্যটন উন্নয়ন শুধু প্রশাসনিক অগ্রাধিকার নয়, এটি বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারও। অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়নের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পর্যটন খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতকে কেন্দ্র করে এটিকে আঞ্চলিক পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বাইরের পর্যটকদের আকৃষ্ট করা। আর সুন্দরবনকে নিয়ে পিপিপি মডেলে কিছু করা গেলে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে।

পর্যটন খাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এ খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যেতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও কমিউনিটিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বর্তমানে পর্যটন খাতের অবদান যে পর্যায়ে রয়েছে, সেখান থেকে তা আরও বাড়াতে কাজ করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নতুন, উদ্ভাবনী ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ট্যুরিজম ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা চলবে। এতে বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০০টি বুথে অংশ নিচ্ছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, সার্ক পুনরুজ্জীবনের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, সার্ক পুনরুজ্জীবনের আহ্বান

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এ সময় দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির সময় দুই মন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান। তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভুটানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ভুটান প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভুটানের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভুটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি উন্নয়ন উদ্যোগে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

বিশেষ করে ওই প্রকল্পে বাংলাদেশ থেকে পেশাজীবী, দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনবল দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহের কথা জানান বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।

সার্ক পুনরুজ্জীবনের আহ্বান

বৈঠকে দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধির জন্য প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আঞ্চলিক সহযোগিতার ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগে ভুটানের সহযোগিতা কামনা করেন বাংলাদেশের দুই মন্ত্রী।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে ঢাকার ভিভিআইপি লাউঞ্জে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন। পরে তিনি জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

পৃথিবী থেকে এক আলোকদিবস দূরত্বে ‘ভয়েজার ১’, নতুন ইতিহাসের পথে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
পৃথিবী থেকে এক আলোকদিবস দূরত্বে ‘ভয়েজার ১’, নতুন ইতিহাসের পথে

মহাশূন্যের গভীরে ছুটে চলা নাসার মহাকাশযান ‘ভয়েজার ১’ এবার নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে। প্রায় পাঁচ দশক ধরে মহাকাশে থাকা এই যানটি পৃথিবী থেকে এক আলোকদিবসের দূরত্বে পৌঁছানোর দ্বারপ্রান্তে। একই সঙ্গে এটি মানুষের তৈরি কোনো যান হিসেবে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করার রেকর্ডও ধরে রেখেছে।

আলোর গতিতে ২৪ ঘণ্টায় আলো যে দূরত্ব অতিক্রম করে, সেটিই এক আলোকদিবস। নাসার তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবারের মধ্যে ভয়েজার ১ পৃথিবী থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০৯ কোটি মাইল দূরে পৌঁছানোর কথা। এই দূরত্বই প্রায় এক আলোকদিবসের সমান।

ভয়েজার ১-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৭৭ সালে। বৃহস্পতি ও শনি গ্রহের পাশ দিয়ে যাওয়ার জন্য মহাকাশযানটি পাঠানো হলেও প্রাথমিকভাবে এর কার্যক্রম মাত্র পাঁচ বছর চালু থাকার কথা ছিল। কিন্তু প্রত্যাশার তুলনায় বহুগুণ বেশি সময় ধরে এটি মহাকাশে সক্রিয় রয়েছে।

২০১২ সালে ভয়েজার ১ সৌরজগতের সীমানা পেরিয়ে আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশে প্রবেশ করে। এর মাধ্যমে এটি সৌরজগতের বাইরে আন্তঃনাক্ষত্রিক অঞ্চলে প্রবেশ করা প্রথম মানবসৃষ্ট বস্তু হিসেবে ইতিহাস গড়ে।

বর্তমানে ভয়েজার ১ এত দূরে অবস্থান করছে যে মহাকাশযানটি থেকে পাঠানো কোনো সংকেত পৃথিবীতে পৌঁছাতে প্রায় ২৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট সময় লাগে। অর্থাৎ পৃথিবী থেকে পাঠানো কোনো নির্দেশনাও সেখানে পৌঁছাতে প্রায় এক দিন সময় লাগে।

অন্যদিকে, ভয়েজার ২-ও মহাকাশের গভীরে এগিয়ে চলেছে। তবে ভিন্ন পথে চলার কারণে সেটি ভয়েজার ১-এর এই মাইলফলকে পৌঁছাবে আরও প্রায় নয় বছর পর, ২০৩৫ সালের নভেম্বরে।

বর্তমানে ভয়েজার ১ উরসা মাইনর নক্ষত্রমণ্ডলের ‘গ্লিস ৪৪৫’ নক্ষত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে নক্ষত্রটির কাছাকাছি পৌঁছাতে মহাকাশযানটির প্রায় ৪০ হাজার বছর সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি

কালের আলো/এসএ

৫০টির বেশি সুবিধা নিয়ে মেটার নতুন সাবস্ক্রিপশন ‘মেটা ওয়ান’

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
৫০টির বেশি সুবিধা নিয়ে মেটার নতুন সাবস্ক্রিপশন ‘মেটা ওয়ান’

এআই ব্যবহারের সীমা বাড়ানো এবং নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের বাড়তি সুবিধা দিতে ‘মেটা ওয়ান’ নামে নতুন সাবস্ক্রিপশন সেবা চালু করেছে মেটা। নতুন এই সেবার মাধ্যমে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা এআইয়ের ৫০টির বেশি সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে।

মেটা জানিয়েছে, ‘মেটা ওয়ান’-এর আওতায় নির্দিষ্ট অ্যাপের জন্য আলাদা সাবস্ক্রিপশনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্য কোর ও প্রিমিয়াম বান্ডেল এবং নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ থাকবে। তবে সাবস্ক্রিপশন না করলেও ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা এআইয়ের মূল সুবিধাগুলো বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যাবে।

নতুন সেবার কোর ও প্রিমিয়াম প্যাকেজ মূলত নিয়মিত এআই ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। এসব প্যাকেজে মেটা এআই দিয়ে আরও বেশি ছবি ও ভিডিও তৈরি করা যাবে। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামের এআইভিত্তিক রিস্টাইল ফিচার, ভয়েস ইফেক্ট এবং বিভিন্ন সৃজনশীল টুল ব্যবহারের সীমাও বাড়বে।

এর আগে ইনস্টাগ্রাম প্লাস, ফেসবুক প্লাস ও হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস নামে আলাদা সাবস্ক্রিপশন সেবা চালু করেছিল মেটা। এখন এসব সুবিধা ‘মেটা ওয়ান’-এর কোর ও প্রিমিয়াম বান্ডেলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ সুবিধা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনা, কনটেন্ট প্রকাশ এবং গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন পেশাদার টুল ব্যবহার করা যাবে। নির্মাতাদের প্যাকেজে ভেরিফায়েড ব্যাজ, হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসে ভেরিফায়েড চ্যানেল এবং অন্য কেউ পরিচয় নকল করে অ্যাকাউন্ট পরিচালনার চেষ্টা করলে তা ঠেকানোর সুবিধাও থাকছে।

এ ছাড়া ব্যবসায়িক কাজে ‘মেটা বিজনেস এজেন্ট’ ব্যবহারের সুযোগ আরও সহজ করার কথা জানিয়েছে মেটা। সেবাটি পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন দেশে চালু করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এডিটস এবং এআইনির্ভর স্মার্ট চশমাতেও ‘মেটা ওয়ান’-এর বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

কালের আলো/এসএ