খুঁজুন
                               
, ,
           

শুভেচ্ছা সফরে চীনা নৌবাহিনী তিন জাহাজ চট্টগ্রামে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ
শুভেচ্ছা সফরে চীনা নৌবাহিনী তিন জাহাজ চট্টগ্রামে

পাঁচ দিনের শুভেচ্ছা সফরে চীনা নৌবাহিনীর তিন জাহাজ ‘থাং শান’, ‘দা ছিং’ ও  ‘থাই হু’ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাহাজগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের পক্ষ থেকে চিফ স্টাফ অফিসার জাহাজের কর্মকর্তা ও নাবিকদের স্বাগত জানান।

এ সময় নৌবাহিনীর সুসজ্জিত বাদকদল ঐতিহ্যবাহী রীতি অনুযায়ী ব্যান্ড পরিবেশন করে। এছাড়াও জাহাজগুলোকে স্বাগত জানাতে বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ চীনা নাগরিক এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর স্থানীয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সফরকারী জাহাজসমূহ বাংলাদেশের জলসীমায় এসে পৌঁছালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা ওমর ফারুক’ তাদের অভ্যর্থনা জানায়।

বাংলাদেশে অবস্থানকালে সফরকারী জাহাজসমূহের অধিনায়ক ও বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের মিলিটারি অ্যাটাশেসহ একটি প্রতিনিধি দল কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার বিএন ফ্লিট এবং চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

সফরকারী জাহাজসমূহের কর্মকর্তা ও নাবিকরা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ, ঘাঁটি, চট্টগ্রামের বিভিন্ন দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনাস পরিদর্শন করবেন।

এছাড়া, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যগণ চীনা জাহাজ পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি, এ সফরের মাধ্যমে উভয় দেশের নৌসদস্যগণ পারস্পরিক কার্যক্রম ও পেশাগত উৎকর্ষ প্রত্যক্ষভাবে পর্যবেক্ষণ এবং মতবিনিময়ের সুযোগ পাবেন।

শুভেচ্ছা সফরের মাধ্যমে দুই দেশের নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ও নাবিকদের পেশাগত বিষয়ে মতবিনিময়, ভবিষ্যৎ প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করা যায়।

উল্লেখ্য, শুভেচ্ছা সফর শেষে জাহাজসমূহ আগামী ২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জলসীমা ত্যাগ করবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

পরিত্যক্ত তুঁতবাগান, পড়ে আছে ভবন—নিভু নিভু ঝিনাইদহের রেশম শিল্প

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
পরিত্যক্ত তুঁতবাগান, পড়ে আছে ভবন—নিভু নিভু ঝিনাইদহের রেশম শিল্প

ঝিনাইদহের হলিধানী রেশম উন্নয়ন বোর্ডে একসময় ছিল কর্মচাঞ্চল্য। প্রতি মৌসুমে প্রায় ৩ হাজার রেশম পোকার ডিম নিয়ে চলত উৎপাদন কার্যক্রম। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছিল তুঁতবাগান। রেশম পোকা পালনসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালিত হতো তিনটি ভবনে। তবে সময়ের সঙ্গে অব্যবস্থাপনা, তদারকির অভাব ও প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতার সংকটে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে সেখানে মাত্র ২০০ রেশম পোকার ডিমের চাষ হচ্ছে। বড় একটি অংশের তুঁতবাগান পরিত্যক্ত পড়ে আছে। রেশম চাষের জন্য নির্মিত একাধিক ভবনও দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে।

ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের পাশে ৭২ বিঘা জমির ওপর ১৯৮৩ সালে হলিধানী রেশম উন্নয়ন বোর্ড গড়ে ওঠে। রেশম চাষ সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচন ছিল প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য। এর মধ্যে ৫৪ বিঘা জমি ছিল চাষযোগ্য। একসময় পুরো জমিতেই রেশম পোকার প্রধান খাদ্য তুঁতগাছের বাগান ছিল।

২০১৬ সালে একই স্থানে রেশম বীজাগার কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে পরবর্তী সময়ে রেশম চাষের পরিধি কমতে থাকে। বর্তমানে একটি ভবনে সীমিত পরিসরে মৌসুমি রেশম পোকার চাষ চলছে। বাকি অবকাঠামোর অধিকাংশই পড়ে আছে।

স্থানীয় কৃষক মিজান মিয়া বলেন, সরকার তুঁত চাষ ও রেশম পালনে কৃষকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতের নিশ্চয়তা দিলে অনেকে আবার এ চাষে ফিরতে আগ্রহী হবেন। এতে পতিত জমি কাজে লাগার পাশাপাশি কর্মসংস্থানও বাড়বে।

স্থানীয় বাসিন্দা বজলুর রহমান বলেন, এত বড় জায়গা ও অবকাঠামো থাকার পরও কার্যক্রম সীমিত থাকা সম্পদের অপচয়। রেশম চাষের পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় যুবক মনি মিয়া বলেন, সরকারি সহযোগিতা ও নিয়মিত তদারকি থাকলে তুঁতবাগান আবারও গড়ে তোলা সম্ভব। একই সঙ্গে রেশম পোকার ডিম ও সুতা উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রেশম শিল্প টিকিয়ে রাখতে পর্যাপ্ত তুঁতবাগান, উন্নত জাতের রেশম পোকার ডিম, আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষিত জনবল নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি পরিত্যক্ত বাগান পুনরায় চাষের আওতায় আনা, অব্যবহৃত ভবন সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ প্রয়োজন।

তবে সংকটের মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটিকে ঘিরে নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছে। আগে যেখানে ৮ জন শ্রমিক কাজ করতেন, সেখানে জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনও জারি হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী নিয়মিত ১৮ জন শ্রমিক কাজ করার সুযোগ পাবেন।

হলিধানী রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ফার্ম ম্যানেজার মো. স্বপন মিয়া বলেন, আগে এখানে বড় পরিসরে রেশম চাষ ও পলুপালন হতো। বর্তমানে কার্যক্রম সীমিত থাকলেও সরকার নতুন করে জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন জনবল যুক্ত হলে আগের মতো বড় পরিসরে রেশম চাষের কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৩৯৬ জন শ্রমিক ফার্মের বিভিন্ন কাজে যুক্ত থাকেন। নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে রেশম চাষের কার্যক্রমের পাশাপাশি কর্মসংস্থানও আরও বাড়বে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

‘হাজারবার বর্ণবাদের শিকার হয়েছি’, বললেন ইয়ামাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
‘হাজারবার বর্ণবাদের শিকার হয়েছি’, বললেন ইয়ামাল

বার্সেলোনার স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ‘হাজারবার’ বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, অনেক মানুষ নিজেদের মন্তব্য বা আচরণ যে বর্ণবাদী, সেটিও বুঝতে পারেন না।

২০২৪ সালের অক্টোবরে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে বার্সেলোনার ম্যাচে ইয়ামাল, রাফিনিয়া ও আনসু ফাতিকে বর্ণবাদী গালাগাল করার দৃশ্য ভিডিও ফুটেজে ধরা পড়েছিল। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে।

এ ছাড়া স্পেনে অনলাইনেও নিয়মিত বর্ণবাদী আক্রমণের শিকার হয়েছেন ইয়ামাল। স্প্যানিশ অবজারভেটরি অন রেসিজম অ্যান্ড জেনোফোবিয়ার গত মার্চে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের শেষ তিন মাসে স্পেনে অনলাইনে বর্ণবাদী আক্রমণের সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছেন ইয়ামাল ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

স্পেনের সাবেক তারকা হোর্হে ভালদানোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামালকে সরাসরি বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘হাজারবার।’

নিজের অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করে ইয়ামাল বলেন, অনেক সময় মানুষ পরোক্ষভাবে বর্ণবাদী আচরণ করে, কিন্তু তারা নিজেরাই তা বুঝতে পারে না। তাঁর ভাষায়, অনেক মন্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গি বর্ণবাদী হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সেটি উপলব্ধি করেন না।

তবে কেউ তাঁকে ‘ব্ল্যাক’ বললে আপত্তি নেই ইয়ামালের। তিনি বলেন, বিষয়টি নির্ভর করে শব্দটি কীভাবে বলা হচ্ছে এবং তাঁকে অপমান করার উদ্দেশ্য আছে কি না।

ম্যাচ চলাকালে এমন মন্তব্যে সাধারণত খুব বেশি প্রতিক্রিয়া দেখান না বলেও জানান এই ফরোয়ার্ড। তাঁর মতে, দর্শক তাঁকে দেখতে টিকিট কিনে মাঠে এলেও শুধু অসম্মানজনক মন্তব্যের কারণে তিনি রেগে যেতে চান না।

স্পেনের ফুটবলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক আলোচিত বর্ণবাদী ঘটনার পর স্টেডিয়ামে এ ধরনের আচরণ ঠেকাতে বিভিন্ন উদ্যোগ জোরদার করেছে লা লিগা।

কালের আলো/এসএ

ইমরান খানকে মুক্ত করতে ব্রিটিশ সরকারের প্রভাব কাজে লাগানোর আহ্বান বরিস জনসনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
ইমরান খানকে মুক্ত করতে ব্রিটিশ সরকারের প্রভাব কাজে লাগানোর আহ্বান বরিস জনসনের

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেটার ইমরান খানকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে ব্রিটিশ সরকারের প্রভাব কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ডেইলি মেইল-এ প্রকাশিত এক কলামে তিনি ইমরানের কারাবন্দি জীবন ও স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত তাঁর মুক্তির দাবি জানান।

বরিস জনসনের বর্ণনা অনুযায়ী, ৭৩ বছর বয়সী ইমরান পাকিস্তানের একটি কারাগারের ছোট, স্যাঁতসেঁতে ও পোকামাকড়পূর্ণ কক্ষে বন্দি আছেন। তিনি দাবি করেন, প্রায় ৬ ফুট × ৮ ফুটের ওই কক্ষেই শৌচাগার রয়েছে এবং কোনো জানালা নেই। দীর্ঘ সময় তাঁকে একাকী রাখা হয় এবং কখনো কখনো কক্ষের আলোও বন্ধ করে দেওয়া হয় বলেও কলামে উল্লেখ করেন বরিস।

তাঁর দাবি, দীর্ঘ সময় বই, সংবাদপত্র ও দর্শনার্থীদের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকায় ইমরান নিজেকে বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন অনুভব করছেন। বরিস আরও লিখেছেন, তিন বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দি ইমরান গরমে প্রচণ্ড তাপ এবং শীতকালে তীব্র ঠান্ডার মধ্যেও দিন কাটাচ্ছেন।

ইমরানের চিকিৎসা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বরিস। তাঁর দাবি, চিকিৎসায় বিলম্ব ও অপর্যাপ্ততার কারণে ইমরানের ডান চোখের দৃষ্টিশক্তির ৮৫ শতাংশ নষ্ট হয়েছে। তবে ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে বিভিন্ন দাবির ক্ষেত্রে পাকিস্তান সরকার ও তাঁর দলটির বক্তব্যে পার্থক্য রয়েছে। আগস্টে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট স্বাস্থ্যগত উদ্বেগের কারণে ইমরানকে হাসপাতালে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কারাগারে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ইমরানের দল আদালত অবমাননার অভিযোগে পদক্ষেপ নেয়।

ইমরানের বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন বরিস। রয়টার্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ইমরানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা হয়েছে বলে তাঁর দল দাবি করে; তাঁর অধিকাংশ সাজা স্থগিত বা বাতিল হয়েছে কিংবা আপিলাধীন। বর্তমানে আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় ইমরান ও তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবির ১৪ বছরের সাজা বহাল রয়েছে এবং তাঁরা দুজনই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বরিস জনসন তাঁর কলামে ইমরানের বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মত দিয়েছেন। তবে এটি তাঁর ব্যক্তিগত মূল্যায়ন; পাকিস্তান সরকার ইমরানের মামলাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে যে অভিযোগ করা হয়, তা প্রত্যাখ্যান করে এবং মামলাগুলোকে আইনি বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করে।

ইমরানের সব রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে তিনি একমত নন বলেও জানিয়েছেন বরিস। বিশেষ করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও তালেবান বিষয়ে ইমরানের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে পরিবেশ, বনায়ন ও নারীশিক্ষার মতো ক্ষেত্রে ইমরানের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন তিনি।

ইমরানের ক্রিকেট ক্যারিয়ারও কলামে স্মরণ করেছেন বরিস। ১৯৯২ সালে তাঁর নেতৃত্বে পাকিস্তানের প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ের কথা উল্লেখ করে তাঁকে পাকিস্তান ও বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম পরিচিত কিংবদন্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি।

বরিসের মতে, ইমরানের জনপ্রিয়তা পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাঁর দাবি, মুক্তি পেলে ইমরান বিপুলসংখ্যক সমর্থন নিয়ে রাজনীতিতে আবারও বড় প্রভাব তৈরি করতে পারেন। তবে এটি বরিস জনসনের রাজনৈতিক মূল্যায়ন, কোনো স্বাধীন নির্বাচনী পূর্বাভাস নয়।

ইমরানের দুই ছেলে সুলেইমান ও কাসিমের ব্রিটিশ পাসপোর্ট রয়েছে এবং ইমরান নিজেও ব্রিটেনে পড়াশোনা করেছেন—এ বিষয়টি উল্লেখ করে বরিস বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কারণে ইমরানের বিষয়টি নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের আরও সক্রিয় হওয়া উচিত।

কলামের শেষদিকে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানিয়ে বরিস জনসন ইমরানের মুক্তির জন্য ব্রিটেনের কূটনৈতিক প্রভাব ব্যবহারের কথা বলেন। তাঁর কলামের মূল বক্তব্য হলো—ইমরান খানের দীর্ঘ কারাবাসের অবসানে যুক্তরাজ্যের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত।

সূত্রঃ রয়টার্স

কালের আলো/এসএ