খুঁজুন
                               
, ,
           

মক্কায় হামলার নিন্দা, কঠোর বার্তা মসজিদুল হারামের খতিবের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
মক্কায় হামলার নিন্দা, কঠোর বার্তা মসজিদুল হারামের খতিবের

পবিত্র মক্কা ও মদিনাসহ ইসলামের পবিত্র স্থান, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার নিন্দা জানিয়েছেন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ ড. বান্দার বিন বালিলাহ।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মসজিদুল হারামে জুমার খুতবায় তিনি পবিত্র স্থান ও নিরাপদ শহরগুলোর মর্যাদা রক্ষা এবং সেখানে বসবাসকারী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে মুসলমানদের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অমূলক সন্দেহ ও কুধারণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

খতিবের বক্তব্য

খুতবায় শায়খ বান্দার বালিলাহ বলেন, পবিত্র মক্কা ও মদিনা এবং অন্যান্য পবিত্র স্থানকে লক্ষ্য করা ইসলামের শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলা এবং নিরাপদ মানুষকে আতঙ্কিত করা গুরুতর অপরাধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, যারা পবিত্র স্থানকে লক্ষ্য করার সাহস করে, তারা ইসলামের প্রকৃত আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে না। খুতবায় তিনি হুথি গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গও উল্লেখ করে পবিত্র স্থান ও নিরাপদ শহরগুলোকে লক্ষ্য করার নিন্দা জানান।

খুতবার আরেক অংশে শায়খ বান্দার বালিলাহ মুসলমানদের পরস্পরের প্রতি ভালো ধারণা রাখার আহ্বান জানান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, অমূলক সন্দেহ মানুষকে গুপ্তচরবৃত্তি, পরনিন্দা ও শত্রুতার দিকে নিয়ে যেতে পারে। তাই কোনো বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হলে অনুমানের ওপর নির্ভর না করে প্রকৃত তথ্য যাচাই করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি

এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর মক্কার দক্ষিণে একটি ড্রোন ধ্বংসের কথা জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকির বক্তব্য অনুযায়ী, সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মক্কার দক্ষিণে একটি ড্রোন শনাক্ত করে তা পবিত্র নগরীর নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করে।

সৌদি পক্ষের দাবি, ড্রোনটি হুথিদের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছিল। জোটের মুখপাত্র মক্কা ও পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তাকে ‘লাল রেখা’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।

হুথিদের বক্তব্য

তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুথিরা। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুথি কর্মকর্তারা মক্কা বা অন্য কোনো ইসলামি পবিত্র স্থানকে লক্ষ্য করার কথা অস্বীকার করেছেন। হুথি রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-ফারাহ সৌদি অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেন।

ফলে ড্রোনটি মক্কাকে লক্ষ্য করেই পাঠানো হয়েছিল কি না—এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ ও হুথিদের বক্তব্য পরস্পরবিরোধী। তবে রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা মক্কার দক্ষিণে একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে—এই ঘটনাটি সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

মূল বিষয়

মসজিদুল হারামের খতিবের বক্তব্যে মূলত পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি মুসলমানদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও ভালো ধারণা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আর মক্কার দক্ষিণে ড্রোন ধ্বংসের ঘটনা নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ হুথিদের দায়ী করলেও হুথিরা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সূত্র: রয়টার্স, সাবক (SABQ), ওকাজ (Okaz)

কালের আলো/জেএন

সিটি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরি

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
সিটি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরি

সিটি ব্যাংক পিএলসি তাদের ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস ক্লায়েন্ট কভারেজ (এফআইসিসি) টিমে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার—ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস ক্লায়েন্ট কভারেজ’ পদে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার—ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস ক্লায়েন্ট কভারেজ
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মস্থল: ঢাকা
পদসংখ্যা:

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

প্রার্থীকে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সম্মান ডিগ্রিধারী হতে হবে। ব্যাংকিং খাতে ২ থেকে ৬ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। আবেদনকারীর বয়স ২৬ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।

ব্যাংকিং ও ট্রেড ফাইন্যান্স সম্পর্কে মৌলিক জ্ঞান থাকলে তা অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। পাশাপাশি ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা, বিশেষ করে ব্যবসায়িক যোগাযোগে পারদর্শিতা, শক্তিশালী ফলোআপ ও সমন্বয় দক্ষতা এবং সম্পর্ক ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা থাকতে হবে। এমএস অফিসের এক্সেল, ওয়ার্ড ও পাওয়ার পয়েন্টে দক্ষতাও প্রয়োজন।

দায়িত্ব

নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং ট্রেড ফাইন্যান্স–সংক্রান্ত ব্যাংকিং কার্যক্রমে এফআইসিসি টিমকে সহায়তা করবেন। এলসি ইস্যুকারী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও পেশাদার সম্পর্ক বজায় রাখাও তাঁর দায়িত্বের অংশ হবে।

এ ছাড়া সিটি ব্যাংকের হংকং সাবসিডিয়ারির মাধ্যমে এলসি রুটিং, বিলের ব্যাংক স্বীকৃতি, মেয়াদ শেষে বিল নিষ্পত্তি, ট্রেড ডকুমেন্ট সংগ্রহ ও সরবরাহ এবং সুইফট–সংক্রান্ত বিষয় সমন্বয় করতে হবে। বকেয়া বিল পর্যালোচনা এবং এফআইসিসি টিম ও সিটি এইচকেতে নিয়মিত প্রতিবেদন পাঠানোর দায়িত্বও থাকবে।

গ্রাহক ও ব্যাংকের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করাও পদটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

বেতন ও আবেদন

বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

আবেদনের বিস্তারিত তথ্য ও আবেদন করতে বিডিজবসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখুন।

কালের আলো/এসএ

বহু ভাষায় কাজ, উচ্চারণ নিয়ে ট্রল-মুখ খুললেন রাশমিকা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ
বহু ভাষায় কাজ, উচ্চারণ নিয়ে ট্রল-মুখ খুললেন রাশমিকা

তেলেগু, কন্নড়, তামিল ও হিন্দি—ভারতের একাধিক ভাষার সিনেমায় নিয়মিত অভিনয় করছেন রাশমিকা মান্দানা। দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা থেকে বলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করা এই অভিনেত্রী এখন বহুভাষিক তারকা হিসেবে পরিচিত। তবে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অভিনয় করতে গিয়ে তাঁর উচ্চারণ ও সংলাপ বলার ধরন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই ট্রলের শিকার হতে হয়।

এবার সেই সমালোচনা নিয়েই মুখ খুলেছেন রাশমিকা। তাঁর বক্তব্য, তিনি কোনো একটি ভাষার বিশেষজ্ঞ নন। বরং বিভিন্ন ভাষায় কাজ করতে করতে প্রতিটি ভাষার সঙ্গেই তাঁর আলাদা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

রাশমিকার মাতৃভাষা কোদাভা টাক। ভারতের কর্ণাটকের কুর্গ অঞ্চলে এই ভাষার প্রচলন থাকলেও এ ভাষায় বড় কোনো চলচ্চিত্রশিল্প গড়ে ওঠেনি। ফলে অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই তাঁকে অন্য ভাষায় কাজ করতে হয়েছে। ২০১৬ সালে কন্নড় সিনেমায় অভিষেকের পর তেলেগু ছবিতে জনপ্রিয়তা পান তিনি। পরে তামিল ও হিন্দি সিনেমাতেও নিজের জায়গা তৈরি করেন।

রাশমিকা মনে করেন, এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় যাওয়ার পেছনে তাঁর কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। কাজের সুযোগ ও দর্শকের ভালোবাসাই তাঁকে বিভিন্ন ভাষার সিনেমার দিকে নিয়ে গেছে। তিনি সব ভাষাকেই নিজের ভাষা হিসেবে দেখেন এবং যে অঞ্চলের দর্শকের জন্য কাজ করেন, তাঁদের ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করেন। তাঁর কাছে এটি শুধু ভাষা শেখার বিষয় নয়, দর্শকের প্রতি সম্মান দেখানোরও একটি উপায়।

উচ্চারণ নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর অবস্থানও স্পষ্ট। তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন, কোনো একটি ভাষাতেই তিনি ‘খুব ভালো’ নন। অনেক ভাষায় কাজ করলেও নিজেকে কোনো একটি ভাষার বিশেষজ্ঞ মনে করেন না। তাঁর মতে, একাধিক ভাষায় অভিনয় করতে গেলে প্রতিটি ভাষার উচ্চারণে সব সময় শতভাগ নিখুঁত হওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। শেখার চেষ্টা এবং দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করাটাই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

রাশমিকার ক্যারিয়ারও বহুভাষিক পথচলার উদাহরণ। ‘গীত গোবিন্দম’, ‘ডিয়ার কমরেড’, ‘সারিলেরু নিক্কেভারু’ ও ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’-এর মতো তেলেগু সিনেমা তাঁকে দক্ষিণ ভারতে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। এরপর ‘গুডবাই’ দিয়ে বলিউডে অভিষেক করেন। ‘অ্যানিমেল’ ছবির পর হিন্দি সিনেমাতেও তাঁর পরিচিতি আরও বিস্তৃত হয়।

তবে বহুভাষিক তারকা হওয়ার সঙ্গে বাড়তি চাপও এসেছে। একটি ভাষায় দর্শক যে উচ্চারণে অভিনেত্রীকে অভ্যস্তভাবে দেখেন, অন্য ভাষায় সামান্য পার্থক্যও তাঁদের নজরে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই পার্থক্য নিয়েই দ্রুত শুরু হয় আলোচনা ও ট্রল।

রাশমিকা অবশ্য এসব মন্তব্যকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে চান না। তাঁর কাছে সিনেমা মূলত দলগত কাজ। একজন অভিনেতা নিজের চরিত্রে ভালো করার চেষ্টা করলেও একটি সিনেমার চূড়ান্ত ফল তৈরি হয় পরিচালক, অভিনয়শিল্পী, চিত্রগ্রাহক, সংগীতশিল্পীসহ অনেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।

বর্তমানে রাশমিকার হাতে বেশ কয়েকটি আলোচিত প্রকল্পও রয়েছে। বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে তাঁর নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। পাশাপাশি ‘মাইসা’ ছবিতে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর জীবনভিত্তিক একটি সিনেমার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

কালের আলো/এসএ

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু

দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে আরও সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হয়। একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কূপটি খনন করা হয়েছে। প্রায় ৩ হাজার ৫২৬ মিটার গভীরতায় খনন শেষে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।

এরপর গত ১৯ জুন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এই কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। পরীক্ষামূলক সরবরাহের সময়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এখন থেকে তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন নিয়মিত ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি কূপ উৎপাদনে রয়েছে। এসব কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে। নতুন কূপটি উৎপাদনে যুক্ত হওয়ায় দেশের গ্যাসের সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এমএসআইপি