খুঁজুন
                               
, ,
           

জাতিসংঘের নতুন মহাসচিব বাছাইয়ে তৃতীয় দফার ভোট, এগিয়ে আছেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘের নতুন মহাসচিব বাছাইয়ে তৃতীয় দফার ভোট, এগিয়ে আছেন যারা

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় তৃতীয় দফার অনানুষ্ঠানিক ভোটাভুটি করেছে নিরাপত্তা পরিষদ। শুক্রবার নিউইয়র্কে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা গোপন এ ভোটেও কোনো প্রার্থী স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারেননি।

ভোটাভুটির আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করা হয়নি। বৈঠক শেষে নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সভাপতি ও জাতিসংঘে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জেরোম বোনাফন্ট জানান, তৃতীয় দফার খসড়া ভোটাভুটি সম্পন্ন হয়েছে।

বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হতে বর্তমানে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রথম দুই দফার ভোটেও কোনো প্রার্থী স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারেননি।

দ্বিতীয় দফার ভোটে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিন রদ্রিগেজ-বার্কেট। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান। আর তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক ও আর্জেন্টিনার নাগরিক রাফায়েল গ্রোসি।

অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি স্যাল, ইকুয়েডরের ইভন এ-বাকি ও মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা, চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাসেলেট এবং উগান্ডার ওলারা ওতুন্নু।

এবার জাতিসংঘের শীর্ষ পদে একজন নারীকে দেখতে আগ্রহী নিরাপত্তা পরিষদের কয়েকটি সদস্যদেশ। ইতিমধ্যে কয়েকটি দেশ প্রকাশ্যেই নারী প্রার্থীর প্রতি তাদের সমর্থনের কথা জানিয়েছে।

সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা পাঁচ স্থায়ী সদস্যের

জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স ও রাশিয়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো প্রার্থীকে অন্তত ১৫ সদস্যের পরিষদে ৯টি ভোট পেতে হবে। একই সঙ্গে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কোনো একটি দেশের ভেটোও এড়াতে হবে।

বর্তমানে স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে গভীর মতবিরোধ রয়েছে। এ কারণে শেষ পর্যন্ত কোনো প্রার্থীকে নিয়ে তাদের মধ্যে সমঝোতা হবে কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কূটনীতিক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, প্রক্রিয়াটি যদি অস্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয় এবং শেষ মুহূর্তে নতুন কোনো সমঝোতার প্রার্থী সামনে আনা হয়, তাহলে তা বড় ধরনের সংকট তৈরি করতে পারে।

কয়েক দফা অনানুষ্ঠানিক ভোটের পর স্থায়ী পাঁচ সদস্যের জন্য ভিন্ন রঙের ব্যালট ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে বোঝা যাবে কোনো স্থায়ী সদস্য প্রার্থীকে ভেটো দিয়েছে কি না। তবে কোন দেশ ভেটো দিয়েছে, তা প্রকাশ করা হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা

নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীর নাম উল্লেখ না করে বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, নতুন মহাসচিবকে জাতিসংঘকে এর মূল লক্ষ্য ও দায়িত্বের দিকে ফিরিয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নে প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।

ওই কর্মকর্তা জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে সমালোচনা করে বলেন, নতুন মহাসচিবের দায়িত্ব হবে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় সংস্থাটির মূল ভূমিকা আরও জোরদার করা।

নিরাপত্তা পরিষদের অনানুষ্ঠানিক ভোটে প্রতিটি প্রার্থীকে নিয়ে সদস্যদেশগুলো সাধারণত তিন ধরনের মতামত দেয়—‘উৎসাহিত করা’, ‘নিরুৎসাহিত করা’ অথবা ‘মতামত নেই’। এসব ভোটের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয় না।

নিরাপত্তা পরিষদের ভোটে কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় সমর্থন পেলে তাঁর নাম চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাঠানো হবে। এরপর সাধারণ পরিষদের সদস্যরাষ্ট্রগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মহাসচিব নিয়োগ করবে।

কালের আলো/এসএ

সিটি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরি

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
সিটি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরি

সিটি ব্যাংক পিএলসি তাদের ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস ক্লায়েন্ট কভারেজ (এফআইসিসি) টিমে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার—ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস ক্লায়েন্ট কভারেজ’ পদে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার—ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস ক্লায়েন্ট কভারেজ
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মস্থল: ঢাকা
পদসংখ্যা:

যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

প্রার্থীকে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সম্মান ডিগ্রিধারী হতে হবে। ব্যাংকিং খাতে ২ থেকে ৬ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। আবেদনকারীর বয়স ২৬ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।

ব্যাংকিং ও ট্রেড ফাইন্যান্স সম্পর্কে মৌলিক জ্ঞান থাকলে তা অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। পাশাপাশি ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা, বিশেষ করে ব্যবসায়িক যোগাযোগে পারদর্শিতা, শক্তিশালী ফলোআপ ও সমন্বয় দক্ষতা এবং সম্পর্ক ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা থাকতে হবে। এমএস অফিসের এক্সেল, ওয়ার্ড ও পাওয়ার পয়েন্টে দক্ষতাও প্রয়োজন।

দায়িত্ব

নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং ট্রেড ফাইন্যান্স–সংক্রান্ত ব্যাংকিং কার্যক্রমে এফআইসিসি টিমকে সহায়তা করবেন। এলসি ইস্যুকারী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও পেশাদার সম্পর্ক বজায় রাখাও তাঁর দায়িত্বের অংশ হবে।

এ ছাড়া সিটি ব্যাংকের হংকং সাবসিডিয়ারির মাধ্যমে এলসি রুটিং, বিলের ব্যাংক স্বীকৃতি, মেয়াদ শেষে বিল নিষ্পত্তি, ট্রেড ডকুমেন্ট সংগ্রহ ও সরবরাহ এবং সুইফট–সংক্রান্ত বিষয় সমন্বয় করতে হবে। বকেয়া বিল পর্যালোচনা এবং এফআইসিসি টিম ও সিটি এইচকেতে নিয়মিত প্রতিবেদন পাঠানোর দায়িত্বও থাকবে।

গ্রাহক ও ব্যাংকের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করাও পদটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

বেতন ও আবেদন

বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

আবেদনের বিস্তারিত তথ্য ও আবেদন করতে বিডিজবসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখুন।

কালের আলো/এসএ

বহু ভাষায় কাজ, উচ্চারণ নিয়ে ট্রল-মুখ খুললেন রাশমিকা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ
বহু ভাষায় কাজ, উচ্চারণ নিয়ে ট্রল-মুখ খুললেন রাশমিকা

তেলেগু, কন্নড়, তামিল ও হিন্দি—ভারতের একাধিক ভাষার সিনেমায় নিয়মিত অভিনয় করছেন রাশমিকা মান্দানা। দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা থেকে বলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করা এই অভিনেত্রী এখন বহুভাষিক তারকা হিসেবে পরিচিত। তবে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অভিনয় করতে গিয়ে তাঁর উচ্চারণ ও সংলাপ বলার ধরন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই ট্রলের শিকার হতে হয়।

এবার সেই সমালোচনা নিয়েই মুখ খুলেছেন রাশমিকা। তাঁর বক্তব্য, তিনি কোনো একটি ভাষার বিশেষজ্ঞ নন। বরং বিভিন্ন ভাষায় কাজ করতে করতে প্রতিটি ভাষার সঙ্গেই তাঁর আলাদা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

রাশমিকার মাতৃভাষা কোদাভা টাক। ভারতের কর্ণাটকের কুর্গ অঞ্চলে এই ভাষার প্রচলন থাকলেও এ ভাষায় বড় কোনো চলচ্চিত্রশিল্প গড়ে ওঠেনি। ফলে অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই তাঁকে অন্য ভাষায় কাজ করতে হয়েছে। ২০১৬ সালে কন্নড় সিনেমায় অভিষেকের পর তেলেগু ছবিতে জনপ্রিয়তা পান তিনি। পরে তামিল ও হিন্দি সিনেমাতেও নিজের জায়গা তৈরি করেন।

রাশমিকা মনে করেন, এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় যাওয়ার পেছনে তাঁর কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। কাজের সুযোগ ও দর্শকের ভালোবাসাই তাঁকে বিভিন্ন ভাষার সিনেমার দিকে নিয়ে গেছে। তিনি সব ভাষাকেই নিজের ভাষা হিসেবে দেখেন এবং যে অঞ্চলের দর্শকের জন্য কাজ করেন, তাঁদের ভাষায় কথা বলার চেষ্টা করেন। তাঁর কাছে এটি শুধু ভাষা শেখার বিষয় নয়, দর্শকের প্রতি সম্মান দেখানোরও একটি উপায়।

উচ্চারণ নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর অবস্থানও স্পষ্ট। তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন, কোনো একটি ভাষাতেই তিনি ‘খুব ভালো’ নন। অনেক ভাষায় কাজ করলেও নিজেকে কোনো একটি ভাষার বিশেষজ্ঞ মনে করেন না। তাঁর মতে, একাধিক ভাষায় অভিনয় করতে গেলে প্রতিটি ভাষার উচ্চারণে সব সময় শতভাগ নিখুঁত হওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। শেখার চেষ্টা এবং দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করাটাই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

রাশমিকার ক্যারিয়ারও বহুভাষিক পথচলার উদাহরণ। ‘গীত গোবিন্দম’, ‘ডিয়ার কমরেড’, ‘সারিলেরু নিক্কেভারু’ ও ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’-এর মতো তেলেগু সিনেমা তাঁকে দক্ষিণ ভারতে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। এরপর ‘গুডবাই’ দিয়ে বলিউডে অভিষেক করেন। ‘অ্যানিমেল’ ছবির পর হিন্দি সিনেমাতেও তাঁর পরিচিতি আরও বিস্তৃত হয়।

তবে বহুভাষিক তারকা হওয়ার সঙ্গে বাড়তি চাপও এসেছে। একটি ভাষায় দর্শক যে উচ্চারণে অভিনেত্রীকে অভ্যস্তভাবে দেখেন, অন্য ভাষায় সামান্য পার্থক্যও তাঁদের নজরে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই পার্থক্য নিয়েই দ্রুত শুরু হয় আলোচনা ও ট্রল।

রাশমিকা অবশ্য এসব মন্তব্যকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে চান না। তাঁর কাছে সিনেমা মূলত দলগত কাজ। একজন অভিনেতা নিজের চরিত্রে ভালো করার চেষ্টা করলেও একটি সিনেমার চূড়ান্ত ফল তৈরি হয় পরিচালক, অভিনয়শিল্পী, চিত্রগ্রাহক, সংগীতশিল্পীসহ অনেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়।

বর্তমানে রাশমিকার হাতে বেশ কয়েকটি আলোচিত প্রকল্পও রয়েছে। বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে তাঁর নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে। পাশাপাশি ‘মাইসা’ ছবিতে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর জীবনভিত্তিক একটি সিনেমার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

কালের আলো/এসএ

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু

দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে আরও সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হয়। একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কূপটি খনন করা হয়েছে। প্রায় ৩ হাজার ৫২৬ মিটার গভীরতায় খনন শেষে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।

এরপর গত ১৯ জুন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এই কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। পরীক্ষামূলক সরবরাহের সময়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এখন থেকে তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন নিয়মিত ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি কূপ উৎপাদনে রয়েছে। এসব কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে। নতুন কূপটি উৎপাদনে যুক্ত হওয়ায় দেশের গ্যাসের সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এমএসআইপি