খুঁজুন
                               
, ,
           

মৌসুমীর ভিডিও বার্তায় ওমর সানীর সঙ্গে সম্পর্কের নতুন ইঙ্গিত

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৯ পূর্বাহ্ণ
মৌসুমীর ভিডিও বার্তায় ওমর সানীর সঙ্গে সম্পর্কের নতুন ইঙ্গিত

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও বিভিন্ন কারণে নিয়মিতই আলোচনায় থাকেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। এবার পারিবারিক ব্যবসার নতুন উদ্যোগের খবর জানিয়ে ভক্তদের সামনে হাজির হয়েছেন তিনি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চিত্রনায়ক ওমর সানী তার ফেসবুক পেজে মৌসুমীর একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। এরপর থেকেই ভিডিওটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

ভিডিও বার্তায় মৌসুমী জানান, তাদের পারিবারিক রেস্টুরেন্ট ব্র্যান্ড ‘চাপওয়ালার শ্বশুরবাড়ি রেস্টুরেন্ট’-এর প্রথম শাখা মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় এবার সাভারের হেমায়েতপুরে চালু হচ্ছে রেস্টুরেন্টটির দ্বিতীয় শাখা।

আগামী শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নতুন শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। সেখানে ঐতিহ্যবাহী ‘চাপ’-এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বাঙালি খাবার পাওয়া যাবে বলেও জানান মৌসুমী।

এদিকে, এই ভিডিও বার্তাকে ঘিরে ওমর সানী ও মৌসুমীর দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে তাদের সম্পর্ক নিয়ে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক ভিডিও কলে তাদের স্বাভাবিক কথোপকথন এবং এবার ব্যবসায়িক প্রচারে মৌসুমীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সেই গুঞ্জনকে আরও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

সব মিলিয়ে, নতুন রেস্টুরেন্ট শাখা চালুর খবরের পাশাপাশি ওমর সানী-মৌসুমীর সম্পর্কের বিষয়টিও ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রে এসেছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

হুথির হামলায় ফুরোচ্ছে  সৌদির ‘আকাশের ঢাল’

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
হুথির হামলায় ফুরোচ্ছে  সৌদির ‘আকাশের ঢাল’

ইয়েমেনের হুথিদের সঙ্গে সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার মধ্যেই বড় ধরনের প্রতিরক্ষা চাপে পড়েছে সৌদি আরব। একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে গিয়ে দেশটির ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত কমে আসছে। ফলে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করতে এখন আঞ্চলিক ও পশ্চিমা মিত্রদের দিকে তাকাতে হচ্ছে রিয়াদকে। দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তার বরাতে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, হুথি ও অন্যান্য ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর হামলা ঠেকাতে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান ও মিসরের কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের অনুরোধ করেছে সৌদি আরব।

একসঙ্গে বহু দিক থেকে চাপ
সৌদি আরবের সংকট শুধু ইয়েমেন সীমান্তে সীমাবদ্ধ নেই। হুথিদের হামলার পাশাপাশি ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতায় তেল স্থাপনা, পাইপলাইন ও সমুদ্রপথও ঝুঁকিতে পড়েছে। লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হরমুজ প্রণালির উত্তেজনা। গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো সুরক্ষার পাশাপাশি সামরিক ঘাঁটি ও সরকারি স্থাপনাগুলো রক্ষায়ও আকাশ প্রতিরক্ষার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

ফলে রিয়াদের জন্য সমস্যা এখন শুধু পর্যাপ্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা নয়; সীমিত ইন্টারসেপ্টর কোথায় এবং কোন হুমকির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মক্কার আকাশে নতুন উদ্বেগ
এই চাপের মধ্যেই বুধবার সৌদি আরব দাবি করেছে, হুথিরা মক্কাকে লক্ষ্য করে একটি ড্রোন পাঠিয়েছিল। সৌদি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ড্রোনটি মক্কার দিকে পৌঁছানোর আগেই ভূপাতিত করা হয়েছে। পবিত্র নগরীটির নিরাপত্তাকে ‘রেড লাইন’ হিসেবে বিবেচনা করছে রিয়াদ। তবে হুথিরা মক্কাকে লক্ষ্য করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে মূলত এর প্রতীকী ও নিরাপত্তাগত গুরুত্বের কারণে। ইয়েমেন সীমান্ত থেকে প্রায় ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার দূরে থাকা মক্কার দিকে কোনো ড্রোন পৌঁছানোর দাবি সৌদির আকাশ প্রতিরক্ষার সক্ষমতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রও পারছে না চাহিদা মেটাতে
সৌদি আরবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাতের কারণে ওয়াশিংটনের নিজেদের ইন্টারসেপ্টর মজুতও কমেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ফলে রিয়াদের চাহিদা অনুযায়ী অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়েছে।

তবে ওয়াশিংটন পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় নয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের একটি টাস্কফোর্স সৌদি বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও সামরিক পরিকল্পনায় সহায়তা করছে। কিন্তু সরাসরি সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ নেওয়ার বিষয়ে অনাগ্রহ স্পষ্ট।

তেলের বাজারেও পড়ছে প্রভাব
সৌদির নিরাপত্তা সংকটের প্রভাব এখন মধ্যপ্রাচ্যের সীমানা ছাড়িয়ে জ্বালানি বাজারেও পড়ছে। তেল পাইপলাইন ও স্থাপনায় হামলার ঝুঁকি এবং লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের অনিশ্চয়তায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে রয়েছে।

অর্থাৎ রিয়াদের ইন্টারসেপ্টর সংকট কেবল সামরিক সরঞ্জামের ঘাটতি নয়। এটি একই সঙ্গে সৌদি তেল অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক নৌপথ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছে। এখন রিয়াদের বড় প্রশ্ন—মিত্রদের কাছ থেকে কত দ্রুত আকাশ প্রতিরক্ষা সহায়তা পাওয়া যাবে এবং দীর্ঘস্থায়ী হামলার মধ্যে সীমিত প্রতিরক্ষা মজুত কতদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে।

এম/এএইচ

ফিফার নগদ তহবিল ৬০০ কোটি ডলার, সদস্যদের অর্থ দেওয়ার দাবি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ফিফার নগদ তহবিল ৬০০ কোটি ডলার, সদস্যদের অর্থ দেওয়ার দাবি

বাংলাদেশসহ ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থাকে অন্তত ১ কোটি ডলার করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা ও উত্তর, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় ফুটবল কনফেডারেশন (কনকাকাফ)। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতিটি সদস্য সংস্থার জন্য এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১২৩ কোটি টাকা।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে এ দাবি জানানো হয়েছে। চিঠিতে উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তালিয়ানি স্বাক্ষর করেছেন।

২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত তহবিল নিয়ে প্রস্তাব

চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৬ মেয়াদ শেষে ফিফার নগদ তহবিল প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০৩০ সালের পুরুষ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ফিফার প্রয়োজনের তুলনায় এই অর্থ অনেক বেশি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

উয়েফা ও কনকাকাফের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০৩০ চক্রে ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থার প্রত্যেককে অন্তত ১ কোটি ডলার করে এককালীন বরাদ্দ দেওয়া উচিত। অবকাঠামো নির্মাণ ও ফুটবলের উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে।

এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে ফিফাকে অতিরিক্ত প্রায় ২১১ কোটি ডলার ব্যয় করতে হবে। নিয়মিত বরাদ্দের বাইরে এই অর্থ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

বিনিয়োগ পরিকল্পনার নথি প্রকাশের দাবি

এদিকে এর একদিন আগে ফিফার সহসভাপতি ও ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপারসন ডেবি হিউইট ফিফার বাতিল হওয়া বিনিয়োগ পরিকল্পনার সব নথি প্রকাশের দাবি জানান। ১৫ অক্টোবর ফিফা কাউন্সিলের সভার আগেই এসব নথি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ফিফার বাণিজ্যিক ও টিকিটিং অধিকার পরিচালনার জন্য নতুন একটি কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে জাতীয় ফুটবল সংস্থাগুলোর বিরোধিতার মুখে চার দিনের মধ্যেই সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়।

এদিকে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগামী মার্চে ফিফা সভাপতি পদে চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

দেশীয় উৎসে বাড়ছে গ্যাস, কয়েক মাসে মিলতে পারে ৬৭.৫ মিলিয়ন ঘনফুট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
দেশীয় উৎসে বাড়ছে গ্যাস, কয়েক মাসে মিলতে পারে ৬৭.৫ মিলিয়ন ঘনফুট

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বাড়তি গ্যাস যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নতুন কূপ খনন এবং পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়নের মাধ্যমে আগামী কয়েক মাসে পাঁচটি কূপ থেকে দৈনিক সর্বোচ্চ প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)।

এরই অংশ হিসেবে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রায় ১৩ হাজার ফুট গভীর এই কূপের খননকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। উদ্বোধনের পর প্রসেস প্ল্যান্টের মাধ্যমে কূপটি থেকে সরাসরি জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে।

বিজিএফসিএল সূত্র জানায়, তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকেও দৈনিক সর্বোচ্চ প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। তিতাস-২৯-এর মূল খননকাজ শেষ হয়েছে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিতাস-৩০-এর কাজ তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অন্যদিকে, তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজও এগিয়ে চলছে। সফল হলে এই কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। এরপর বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের ১১ নম্বর গভীর কূপ থেকে আরও প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে সরবরাহ রয়েছে প্রায় ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট। ফলে শিল্প, বিদ্যুৎ ও আবাসিক খাতে দীর্ঘদিন ধরেই গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পাঁচটি কূপ থেকে সম্ভাব্য বাড়তি গ্যাস দেশের মোট চাহিদার তুলনায় খুব বেশি না হলেও এলএনজি আমদানির ওপর চাপ কিছুটা কমাতে এবং গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

কালের আলো/এমএসআইপি