খুঁজুন
                               
, ,
           

৩৪ বলে সেঞ্চুরি, এরপর মেডিটেশনে অভিষেক—কার জন্য এই উদ্‌যাপন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
৩৪ বলে সেঞ্চুরি, এরপর মেডিটেশনে অভিষেক—কার জন্য এই উদ্‌যাপন

সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পরও যেন কোনো বাড়তি উচ্ছ্বাস নেই। মাইলফলকে পৌঁছে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেন অভিষেক শর্মা। এরপর দুই হাত প্রসারিত করে ব্যাট তুললেন। সতীর্থ সঞ্জু স্যামসন এগিয়ে এসে তাঁকে অভিনন্দন জানালেন। তারপরই মাঠে বসে পড়লেন মেডিটেশনের ভঙ্গিতে।

দর্শকদের কাছে দৃশ্যটি মনে করিয়ে দিতে পারে ম্যানচেস্টার সিটির তারকা আর্লিং হলান্ডের উদ্‌যাপন। তবে অভিষেকের এই উদ্‌যাপনের পেছনে অনুপ্রেরণা হলান্ড নন; ভারতীয় ক্রিকেটের সাবেক তারকা যুবরাজ সিং।

যুবরাজ সিং অভিষেকের মেন্টর ও ব্যাটিংয়ের গুরু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এর আগে দুজনকে একসঙ্গে মেডিটেশন করতে দেখা গেছে। তাই আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর নিজের উদ্‌যাপনের মাধ্যমে সেই অভ্যাস ও যুবরাজের প্রতি শ্রদ্ধাই প্রকাশ করেছেন অভিষেক।

দিল্লিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানকে ১২৭ রানে হারিয়ে ভারত সিরিজে ধবলধোলাই করে। ম্যাচটিতে মাত্র ৩৪ বলে ১০৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন অভিষেক। তাঁর ইনিংসেই উঠে আসে সেঞ্চুরি উদ্‌যাপনের সেই বিশেষ মুহূর্ত।

ম্যাচ শেষে অভিষেক জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই মেডিটেশন ও নিজের লক্ষ্যে মনোযোগ দেওয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। তাঁর মতে, দীর্ঘ ক্রিকেট মৌসুমে একজন খেলোয়াড়কে ভালো ও খারাপ—দুই ধরনের সময়ের মধ্য দিয়েই যেতে হয়। সেই সময় মানসিকভাবে স্থির থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

অভিষেক বলেন, মেডিটেশন তাঁকে মানসিকভাবে স্থির থাকতে অনেক সাহায্য করেছে। তাই এই উদ্‌যাপনের মাধ্যমে অন্য ক্রিকেটারদেরও মেডিটেশনের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে চেয়েছেন তিনি।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড গড়া ইনিংসের আগে যুবরাজের সঙ্গেও কথা হয়েছিল অভিষেকের। মেন্টর তাঁকে প্রতি বলে জোর করে বড় শট খেলার পরিবর্তে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

যুবরাজের পরামর্শ ছিল, বল পছন্দের জায়গায় না থাকলে সিঙ্গেল নেওয়াতেও সমস্যা নেই। বিশেষ করে ওই কন্ডিশনে এক-দুই রান করে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছিলেন তিনি।

অভিষেকের ভাবনাও একই। দলের জন্য ভালো শুরু এনে দীর্ঘ সময় ব্যাট করতে পারলেই জয়ের পথ সহজ হয়—এই লক্ষ্যই মাথায় রাখেন তিনি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩৪ বলে ১০৮ রানের ইনিংসে সেই পরিকল্পনারই সফল প্রতিফলন দেখা গেছে।

কালের আলো/এসএ

প্রাইম ব্যাংকে সিনিয়র ম্যানেজার নিয়োগ, বেতন ১ লাখ ১০ হাজার

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রাইম ব্যাংকে সিনিয়র ম্যানেজার নিয়োগ, বেতন ১ লাখ ১০ হাজার

বেসরকারি ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসিতে সিনিয়র ম্যানেজার পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ‘কার্ডস, কনজ্যুমার ও এসএমই ব্যাংকিং’ বিভাগে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সিনিয়র ম্যানেজার পদে আবেদন করতে প্রার্থীর ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক (বিবিএ) ডিগ্রি থাকতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতে কমপক্ষে পাঁচ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।

প্রার্থীর বয়স কমপক্ষে ৩২ বছর হতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থীকে মাসিক ১ লাখ ১০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে। কর্মস্থল হবে বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে।

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

পদের তথ্য

  • পদের নাম: সিনিয়র ম্যানেজার (কার্ডস, কনজ্যুমার ও এসএমই ব্যাংকিং)
  • পদসংখ্যা:
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক (বিবিএ)
  • অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৫ বছর, ব্যাংকিং খাতে
  • বয়স: কমপক্ষে ৩২ বছর
  • বেতন: মাসিক ১,১০,০০০ টাকা
  • কর্মস্থল: বাংলাদেশের যেকোনো স্থান
  • আবেদনের শেষ তারিখ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রার্থীদের প্রাইম ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নির্দেশনা অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

কালের আলো/এসএ

দেনমোহর কি শুধু কাবিনে লেখার অঙ্ক, নাকি স্বামীর ওপর ঋণ?

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
দেনমোহর কি শুধু কাবিনে লেখার অঙ্ক, নাকি স্বামীর ওপর ঋণ?

বিয়েতে দেনমোহর নির্ধারণ নিয়ে অনেক সময় সামাজিক মর্যাদা ও আভিজাত্য প্রদর্শনের প্রবণতা দেখা যায়। কনেপক্ষ লাখ লাখ বা কোটি টাকা দেনমোহর দাবি করে, আবার বরপক্ষও অনেক ক্ষেত্রে মনে করে, কাবিনে বড় অঙ্ক লেখা হলেও তা বাস্তবে পরিশোধ করতে হবে না। কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে দেনমোহর কি নিছক আনুষ্ঠানিকতা, নাকি এটি স্বামীর ওপর বাধ্যতামূলক আর্থিক দায়?

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, দেনমোহর স্ত্রীর একান্ত অধিকার। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তাদেরকে তাদের নির্ধারিত মোহর ফরজ দায়িত্ব হিসেবে প্রদান করো।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ২৪)

দেনমোহরের অর্থ পুরোপুরি স্ত্রীর সম্পত্তি। তাঁর বাবা-মা, অভিভাবক বা অন্য কোনো আত্মীয়ের এই অর্থের ওপর অধিকার নেই। স্ত্রী নিজের ইচ্ছায়, কোনো ধরনের চাপ ছাড়া দেনমোহরের কোনো অংশ ক্ষমা করলে তবেই স্বামী সেই অংশের দায় থেকে মুক্ত হতে পারেন।

কাবিনে স্বাক্ষরের পর দায় থাকে

অনেকের ধারণা, সামাজিক মর্যাদা দেখানোর জন্য কাবিনে বড় অঙ্কের দেনমোহর লেখা হলে সেটি বাস্তবে পরিশোধের প্রয়োজন নেই। ইসলামি ফিকহের আলোচনায় এমন ধারণাকে গ্রহণযোগ্য মনে করা হয় না।

বিবাহচুক্তিতে নির্দিষ্ট অঙ্কের দেনমোহরে সম্মতি দিয়ে স্বাক্ষর করলে তা স্বামীর ওপর আর্থিক দায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুধু ‘লোকদেখানোর জন্য লেখা হয়েছিল’—এমন দাবি করে দায় এড়ানো যায় না।

ইসলামি সূত্রে দেনমোহরকে স্বামীর ওপর ঋণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ফলে কাবিনে বড় অঙ্কের দেনমোহর নির্ধারণ করার আগে তা পরিশোধের সক্ষমতা ও বাস্তবতা বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

পরিশোধের নিয়ত না থাকলে কী হবে?

দেনমোহর পরিশোধের কোনো ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও বড় অঙ্কে সম্মতি দিয়ে বিয়ে করা প্রতারণার শামিল বলে ইসলামি হাদিসে সতর্ক করা হয়েছে।

মুসনাদে আহমাদের একটি হাদিসে এমন ব্যক্তির ব্যাপারে কঠোর সতর্কবার্তা এসেছে, যে নারীকে দেনমোহর দেওয়ার অঙ্গীকার করে কিন্তু মনে মনে তা পরিশোধের নিয়ত রাখে না এবং দেনমোহর না দিয়েই মারা যায়। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ১৮৯৩৩)

বাকি দেনমোহরও পরিশোধযোগ্য

দেনমোহরের পুরো অর্থ বিয়ের সময় পরিশোধ করা সম্ভব না হলে এর একটি অংশ পরে দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা যায়। তবে বাকি রাখার অর্থ দেনমোহর মাফ হয়ে যাওয়া নয়।

স্ত্রী পরবর্তী সময়ে তাঁর বকেয়া দেনমোহর দাবি করতে পারেন। স্বামী জীবদ্দশায় তা পরিশোধ না করলে তাঁর মৃত্যুর পরও এই পাওনা বহাল থাকে। ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী, স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টনের আগে তাঁর দেনমোহরের মতো ঋণ পরিশোধ করতে হয়।

বড় অঙ্ক নয়, সহজ দেনমোহরের তাগিদ

ইসলামে দেনমোহরকে স্ত্রীর অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হলেও অযথা বড় অঙ্ক নির্ধারণে উৎসাহ দেওয়া হয়নি। বরং বিয়েকে সহজ ও সহনীয় রাখার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মুসনাদে আহমাদের একটি বর্ণনায় সহজ ও কম ব্যয়ের বিয়েকে বরকতময় বলা হয়েছে। তাই সামাজিক মর্যাদা বা লোকদেখানোর জন্য এমন অঙ্কের দেনমোহর নির্ধারণ করা উচিত নয়, যা বাস্তবে পরিশোধ করা কঠিন।

দেনমোহর তাই কেবল কাবিননামায় লেখা একটি সংখ্যা নয়। এটি স্ত্রীর অধিকার এবং স্বামীর ওপর আর্থিক দায়। সে কারণে দেনমোহর নির্ধারণের ক্ষেত্রে সামাজিক প্রদর্শনীর বদলে বাস্তব সক্ষমতা, পারস্পরিক সম্মতি এবং ইসলামি বিধানের প্রতি দায়িত্বশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

কালের আলো/এসএ

ঢাকায় নতুন অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক, মাছ-পাখির সঙ্গে আছে ৪০ ফুটের ঝরনা

ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
ঢাকায় নতুন অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক, মাছ-পাখির সঙ্গে আছে ৪০ ফুটের ঝরনা

ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী জাদুঘরের ভেতরে চালু হয়েছে নতুন বিনোদনকেন্দ্র ‘অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক’। রঙিন মাছের দুনিয়া, ৪০ ফুট উঁচু কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনা, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এবং শিশুদের জন্য মাছ ধরার সুযোগ—সব মিলিয়ে দর্শনার্থীদের জন্য এখানে রয়েছে নানা আয়োজন।

গত ২৮ আগস্ট পার্কটির উদ্বোধন করা হয়।

৩৫টি অ্যাকুয়ারিয়ামে নানা প্রজাতির মাছ

অ্যাকুয়ারিয়াম পার্কে রয়েছে ৩৫টি অ্যাকুয়ারিয়াম ট্যাংক। প্রতিটি ট্যাংকের সামনে মাছের নাম, আবাস ও পরিচিতি উল্লেখ করা হয়েছে।

এখানে দেখা যাবে ফ্লাওয়ার হর্ন, ক্রেফিশ, অ্যালিগেটর গার, অ্যালবিনো শার্ক, রেইনবো শার্ক, পেরুন শার্ক ও পাঙ্গাসিয়াস শার্কসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। পাশাপাশি রয়েছে দেশি মাছের সংগ্রহও।

পার্কে রয়েছে ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প, ৮ কেজি ওজনের গ্রাস কার্প এবং আড়াই কেজি ওজনের তেলাপিয়াসহ বড় আকারের মাছ।

৪০ ফুটের কৃত্রিম ঝরনা

অ্যাকুয়ারিয়াম ঘুরে সামনে এগোলেই দেখা মিলবে ৪০ ফুট উঁচু কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনার। ঝরনার নিচের পানিতে রয়েছে রঙিন কই ও কার্প মাছ।

এখানে দর্শনার্থীরা নিজ হাতে মাছকে খাবার দেওয়ার সুযোগও পাবেন। ঝরনার পথে রয়েছে কৃত্রিম ধোঁয়া ও আলো-ছায়ার আয়োজন।

আছে ম্যাকাউসহ বিভিন্ন পাখি

ঝরনা পেরিয়ে রয়েছে পাখিশালা। সেখানে গ্রিন-উইংড ম্যাকাউ, ব্লু অ্যান্ড গোল্ড ম্যাকাউ, লাভবার্ডসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রাখা হয়েছে।

দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট টিকিটের মাধ্যমে ম্যাকাউ পাখি হাতে নিয়ে ছবি তুলতে পারবেন। পাশাপাশি ৩৬০ ডিগ্রি ফটো বুথে ম্যাকাউ কাঁধে নিয়েও ছবি তোলার ব্যবস্থা রয়েছে।

শিশুদের মাছ ধরার সুযোগ

১২ বছর বা এর কম বয়সী শিশুরা ১০০ টাকা দিয়ে ছোট নেট ব্যবহার করে মাছ ধরতে পারবে। ধরা মাছগুলোর মধ্যে অ্যাকুয়ারিয়ামে পালনের উপযোগী মাছ সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার সুযোগও রয়েছে। চাইলে পার্ক থেকেই অ্যাকুয়ারিয়ামের জার কেনা যাবে।

এ ছাড়া ৫০ টাকার টিকিটে নির্দিষ্ট দুটি স্থানে মাছকে খাবার দেওয়া যাবে।

টিকিট কত

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী জাদুঘরের ভেতরে হওয়ায় প্রথমে জাদুঘরে প্রবেশের টিকিট কাটতে হবে। দুই বছরের বেশি বয়সী দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরের প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা।

এরপর অ্যাকুয়ারিয়াম পার্কে প্রবেশের জন্য বর্তমানে ১৫০ টাকা দিতে হবে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের পর এই টিকিটের মূল্য হবে ২০০ টাকা। দলগতভাবে আসা স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য টিকিটে ৫০ শতাংশ ছাড় থাকবে।

পাখিশালায় ম্যাকাউ হাতে নিয়ে ছবি তুলতে ২৫০ টাকা এবং ৩৬০ ডিগ্রি ফটো বুথে ছবি তুলতে ৩০০ টাকা খরচ হবে।

আরও যা যুক্ত হচ্ছে

পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিগগিরই এখানে লোনাপানির বিভিন্ন প্রজাতির মাছ যুক্ত করা হবে। বিশেষভাবে সংরক্ষিত বিলুপ্তপ্রায় মাছ কাচের জারে প্রদর্শনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এ ছাড়া চালু হবে বার্ড ফিডিং জোন। সেখানে দর্শনার্থীদের হাত থেকে পাখিকে খাবার দেওয়ার সুযোগ থাকবে। স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য কুইজ, ওয়ার্কশপ ও লার্নিং সেশন জোন চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

কখন যাবেন

অ্যাকুয়ারিয়াম পার্কটি রোববার বন্ধ থাকে। সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার, শনিবার ও সরকারি ছুটির দিনে সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

আগারগাঁও মেট্রোস্টেশনের কাছেই বাংলাদেশ বিমানবাহিনী জাদুঘর। জাদুঘরে প্রবেশের পর হাতের ডান দিকে এগোলেই অ্যাকুয়ারিয়াম পার্কটি পাওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ