খুঁজুন
                               
, ,
           

৬১ গোলের মৌসুম, এবার ব্যালন ডি’অরের স্বপ্ন কেইনের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
৬১ গোলের মৌসুম, এবার ব্যালন ডি’অরের স্বপ্ন কেইনের

হ্যারি কেইন কি তাহলে ওয়াইনের মতো? বয়স যত বাড়ছে, যেন ততই বাড়ছে তাঁর গোলের স্বাদ। ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে ইংল্যান্ডের এই স্ট্রাইকার গোল করার ক্ষেত্রে বরং আরও ধারালো হয়ে উঠেছেন।

টটেনহামে থাকাকালে এক মৌসুমে কেইনের সর্বোচ্চ গোল ছিল ৪১টি। ২০১৭–১৮ মৌসুমে ২৫ বছর বয়সে এই কীর্তি গড়েছিলেন তিনি। এরপর ২০২৩ সালে ৩০ বছর বয়সে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়ার পর যেন গোলের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। বায়ার্নের হয়ে প্রথম তিন মৌসুমে তাঁর গোলসংখ্যা যথাক্রমে ৪৪, ৪১ ও ৬১।

ইংল্যান্ডের হয়ে গত মৌসুমে আরও ১২ গোল যোগ করলে ৬৫ ম্যাচে কেইনের গোল দাঁড়ায় ৭৩টি। এমন পরিসংখ্যানই তাঁকে এবারের ব্যালন ডি’অরের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী করে তুলেছে।

গত মৌসুমের ৬১ গোলও বিশেষ এক কীর্তি। ২০১১–১২ মৌসুমে ৬৯ ম্যাচে লিওনেল মেসির ৮২ গোলের পর ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে গত মৌসুমে কেইনের গোলসংখ্যাই ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ—প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী।

বায়ার্নের হয়ে গত মৌসুমে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ জিতেছেন কেইন। বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের হয়ে ছয় গোল করে দলকে সেমিফাইনালে তুলেছেন। ফলে ইংলিশ ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যালন ডি’অর নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হওয়াটা স্বাভাবিক।

এমবাপ্পে-ইয়ামালের সঙ্গে লড়াই

তবে ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে কেইনের প্রতিদ্বন্দ্বীও কম নয়। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামাল নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে আলোচনায় আছেন।

এমবাপ্পে বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড গড়েছেন এবং ফ্রান্সকে সেমিফাইনালে তোলার পথে গোল্ডেন বুট জিতেছেন। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে গত মৌসুমে করেছেন ৪২ গোল। অন্যদিকে ইয়ামাল বার্সেলোনার হয়ে ২৪ গোলের পাশাপাশি ১৮টি গোল বানিয়েছেন এবং দলকে লা লিগা ও বিশ্বকাপ জয়ে সহায়তা করেছেন।

তাঁরা দুজনই নিজেদের ব্যালন ডি’অর সম্ভাবনা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। সেই তুলনায় কেইন নিজের প্রচারে অনেকটাই সংযত।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেইন বলেছেন, গত মৌসুম ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুমগুলোর একটি। তবে ব্যালন ডি’অর তাঁর হাতে নেই এবং পুরস্কারটি ভোটদাতাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, ৭৩ গোলই তাঁর পারফরম্যান্সের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

নিজের শহরে ব্যালন ডি’অর

এবারের ব্যালন ডি’অরের আসর আরও বিশেষ কেইনের জন্য। প্রথমবারের মতো লন্ডনে বসতে যাচ্ছে এই পুরস্কারের আয়োজন। কেইনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই শহরেই।

নিজের শহরে ব্যালন ডি’অরের অনুষ্ঠান হওয়াকে বিশেষ অনুভূতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন কেইন। তবে শেষ পর্যন্ত কী হবে, সেটি দেখার বিষয় বলেই জানিয়েছেন তিনি।

বয়স কেন বাধা হচ্ছে না?

৩৩ বছর বয়সে যেখানে অনেক ফুটবলারের পারফরম্যান্স কমতে শুরু করে, সেখানে কেইনের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র। তাঁর এই ধারাবাহিকতার পেছনে ব্যক্তিগত ক্রীড়া চিকিৎসক আলেহান্দ্রো এলোরিয়াগার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন ইংলিশ তারকা।

প্রায় সাড়ে ছয় বছর ধরে এলোরিয়াগার সঙ্গে কাজ করছেন কেইন। তাঁর মতে, পর্দার আড়ালে দীর্ঘদিনের এই কাজই তাঁকে এত বেশি ম্যাচ খেলতে এবং ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে সাহায্য করেছে।

কেইনের ভাষায়, বয়স বাড়ার সঙ্গে তাঁর পারফরম্যান্স কমার বদলে উন্নতি করেছে—আর এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়।

গোল করার আনন্দও এখনো আগের মতোই উপভোগ করেন কেইন। তাঁর কাছে গোল করার মুহূর্ত এখনো ফুটবলের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অনুভূতিগুলোর একটি। বরং ফুটবল ছাড়ার পর এই অনুভূতিটিই সবচেয়ে বেশি মিস করবেন বলে মনে করেন তিনি।

বয়সের সঙ্গে থেমে না গিয়ে আরও ধারালো হয়ে ওঠা কেইনের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—এই অসাধারণ গোলসংখ্যা কি তাঁকে এনে দেবে কাঙ্ক্ষিত ব্যালন ডি’অর!

কালের আলো/এসএ

‘মৃত থেকে জীবিত’ খোরশেদের গল্প, মায়ের বক্তব্যে ভিন্ন তথ্য

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
‘মৃত থেকে জীবিত’ খোরশেদের গল্প, মায়ের বক্তব্যে ভিন্ন তথ্য

চট্টগ্রামে পাঁচ দিন মর্গে থাকার পর জীবিত ফিরে আসার দাবি করা খোরশেদ আলমের ১৭ বছর আগের সেই ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। তার দাবির পক্ষে কোনো নথি বা প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি তার মা ও স্ত্রীর বক্তব্যেও ঘটনার বর্ণনায় রয়েছে একাধিক অসঙ্গতি।

২০০৯ সালের জুনে চট্টগ্রামের বায়েজিদ কুঞ্জছায়া এলাকার সাবেক হেলপার খোরশেদ দাবি করেছিলেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার এক দিন পর তার মৃত্যু হয়। এরপর তার মরদেহ পাঁচ দিন মর্গে রাখা হয়েছিল। পরে বাড়ি নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্স গর্তে পড়ে ঝাঁকুনি দিলে তিনি নড়ে ওঠেন বলে দাবি করেন তিনি।

সম্প্রতি নিজের এই ‘অলৌকিক’ ঘটনার গল্প ও আর্থিক সংকটের কথা তুলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের কাছ থেকে সহযোগিতাও নেন খোরশেদ।

তবে অনুসন্ধানে তার মায়ের বক্তব্যের সঙ্গে খোরশেদের দাবির অমিল পাওয়া গেছে। খোরশেদের মা সায়েরা বেগম জানান, মর্গ থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে দুই নম্বর গেটে নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ট্রলিতে পড়ে থাকা অবস্থায় ছেলেকে দেখে তার সন্দেহ হয়। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তিনি জীবিত বলে প্রমাণিত হন।

সায়েরা বেগম বলেন, ছেলের চিকিৎসায় তিনি নিজের জমানো চার লাখ টাকা খরচ করেছেন। সুস্থ হয়ে ফেরার পর খোরশেদ আর তার সঙ্গে থাকতে চাননি বলেও জানান তিনি।

চিকিৎসা ব্যয়ের হিসাবেও রয়েছে বড় ধরনের পার্থক্য। মায়ের দাবি, খরচ হয়েছিল চার লাখ টাকা। অন্যদিকে খোরশেদ দাবি করেছেন, তার চিকিৎসায় ব্যয় হয়েছিল ১২ লাখ টাকা।

খোরশেদের দ্বিতীয় স্ত্রী মানসুরা বলেন, মা-ছেলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ রয়েছে। তারা আলাদাভাবে থাকেন। আর খোরশেদের ‘মৃত থেকে জীবিত’ হওয়ার ঘটনাটি তিনি সবার মুখে শুনেছেন, তাই বিষয়টি তার বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল জানান, খোরশেদের অসুস্থতার বিষয়টি তারা জানতেন। তবে তিনি মারা গিয়ে কয়েক দিন পর আবার জীবিত হয়ে ফিরেছেন—এমন কথা ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে সেটিকে সত্য বলে ধরে নেন।

এ বিষয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, তার কাছে বিভিন্ন ধরনের মানুষ সহযোগিতার জন্য আসেন এবং তিনি সাধ্যমতো সহায়তা করার চেষ্টা করেন। তবে বিষয়টি জানতে পেরে এখন তারা ঘটনাটি খতিয়ে দেখবেন।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতেও খোরশেদের দাবির পক্ষে প্রমাণ থাকা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন বলেন, কোনো রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলে সাধারণত ওয়ার্ড থেকেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করে স্বজনদের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। খোরশেদের কাছে এ-সংক্রান্ত কোনো নথি থাকলে তা দেখানোর কথাও বলেন তিনি।

চিকিৎসক ডা. আমির খসরু বলেন, কোনো রোগীকে মৃত ঘোষণার আগে তার প্রেসার, পালস, চোখের মনি ও ইসিজিসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়। এমন ঘটনা সত্যি ঘটে থাকলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা-নথি থাকার কথা। এসব নথি না থাকলে দাবিটির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

কালের আলো/এমএসআইপি 

৩৪ বলে সেঞ্চুরি, এরপর মেডিটেশনে অভিষেক—কার জন্য এই উদ্‌যাপন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
৩৪ বলে সেঞ্চুরি, এরপর মেডিটেশনে অভিষেক—কার জন্য এই উদ্‌যাপন

সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পরও যেন কোনো বাড়তি উচ্ছ্বাস নেই। মাইলফলকে পৌঁছে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেন অভিষেক শর্মা। এরপর দুই হাত প্রসারিত করে ব্যাট তুললেন। সতীর্থ সঞ্জু স্যামসন এগিয়ে এসে তাঁকে অভিনন্দন জানালেন। তারপরই মাঠে বসে পড়লেন মেডিটেশনের ভঙ্গিতে।

দর্শকদের কাছে দৃশ্যটি মনে করিয়ে দিতে পারে ম্যানচেস্টার সিটির তারকা আর্লিং হলান্ডের উদ্‌যাপন। তবে অভিষেকের এই উদ্‌যাপনের পেছনে অনুপ্রেরণা হলান্ড নন; ভারতীয় ক্রিকেটের সাবেক তারকা যুবরাজ সিং।

যুবরাজ সিং অভিষেকের মেন্টর ও ব্যাটিংয়ের গুরু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এর আগে দুজনকে একসঙ্গে মেডিটেশন করতে দেখা গেছে। তাই আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর নিজের উদ্‌যাপনের মাধ্যমে সেই অভ্যাস ও যুবরাজের প্রতি শ্রদ্ধাই প্রকাশ করেছেন অভিষেক।

দিল্লিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানকে ১২৭ রানে হারিয়ে ভারত সিরিজে ধবলধোলাই করে। ম্যাচটিতে মাত্র ৩৪ বলে ১০৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন অভিষেক। তাঁর ইনিংসেই উঠে আসে সেঞ্চুরি উদ্‌যাপনের সেই বিশেষ মুহূর্ত।

ম্যাচ শেষে অভিষেক জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই মেডিটেশন ও নিজের লক্ষ্যে মনোযোগ দেওয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। তাঁর মতে, দীর্ঘ ক্রিকেট মৌসুমে একজন খেলোয়াড়কে ভালো ও খারাপ—দুই ধরনের সময়ের মধ্য দিয়েই যেতে হয়। সেই সময় মানসিকভাবে স্থির থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

অভিষেক বলেন, মেডিটেশন তাঁকে মানসিকভাবে স্থির থাকতে অনেক সাহায্য করেছে। তাই এই উদ্‌যাপনের মাধ্যমে অন্য ক্রিকেটারদেরও মেডিটেশনের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে চেয়েছেন তিনি।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড গড়া ইনিংসের আগে যুবরাজের সঙ্গেও কথা হয়েছিল অভিষেকের। মেন্টর তাঁকে প্রতি বলে জোর করে বড় শট খেলার পরিবর্তে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

যুবরাজের পরামর্শ ছিল, বল পছন্দের জায়গায় না থাকলে সিঙ্গেল নেওয়াতেও সমস্যা নেই। বিশেষ করে ওই কন্ডিশনে এক-দুই রান করে ইনিংস এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছিলেন তিনি।

অভিষেকের ভাবনাও একই। দলের জন্য ভালো শুরু এনে দীর্ঘ সময় ব্যাট করতে পারলেই জয়ের পথ সহজ হয়—এই লক্ষ্যই মাথায় রাখেন তিনি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩৪ বলে ১০৮ রানের ইনিংসে সেই পরিকল্পনারই সফল প্রতিফলন দেখা গেছে।

কালের আলো/এসএ

সবজির বাজার চড়া, কমেছে মুরগি-ইলিশের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
সবজির বাজার চড়া, কমেছে মুরগি-ইলিশের দাম

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দাম বেড়েছে। সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে আগের সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দাম কমেছে। একইসঙ্গে সরবরাহ বাড়ায় ইলিশের দামও কমেছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তালতলা, আগারগাঁও ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

রাজধানীর এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম বেড়েছে।

সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। বাজারে বেগুন কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, টমেটো ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া পটল, ঢেঁড়স, কাকরোল ও ঝিঙা মানভেদে প্রতিকেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, আলু ৩০ টাকা ও পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুর মুখি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ২০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনেপাতা ৩০০ টাকা ও হাইব্রিড ধনেপাতা ২৪০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। এ ছাড়া চাল কুমড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস ও ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে শীতকালীন সবজি শিম প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা। এ ছাড়া ফুলকপি ৬০ থেকে ৮০ টাকা ও ছোট আকারে বাঁধাকপি ৮০ টাকা পিস দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহ ব্যবধানে সব ধরনের মুরগির দাম কমেছে। সোনালি কক মুরগি কেজিতে ২০ টাকা কমে ৩০০ টাকা ও সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৭০ টাকা ও দেশি মুরগি কেজিতে ৫০ টাকা কমে ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে লাল শাক আঁটি ১৫ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়।

সরবরাহ বাড়ায় বাজারগুলোতে ইলিশের দাম কমেছে। বাজারে ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি ইলিশ মাছ ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা ও ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২০০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সরবরাহ বাড়লেও তুলনামূলক দাম কমেনি বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। তাদের মতে এখন ইলিশের সিজন। এখন দাম যে পরিমাণ কমার কথা সেটি কমেনি।

এ ব্যাপারে তালতলা বাজারে বাজার করতে আসা ইলিয়াস হোসেন বলেন, ছোট ইলিশের চাহিদা বেশি থাকায় গত বছরের তুলনায় দাম তেমন কমেনি। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলে চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে ইলিশ।

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে প্রচুর ইংলিশ আসছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে দাম আরও কিছুটা কমবে বলে তারা উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে বাজারগুলোতে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি শিং ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা, প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২৪০ টাকা, কই ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা ও পাঁচ মিশালি মাছ ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা, হাঁসের ডিম এক ডজন ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা ও সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ