খুঁজুন
                               
, ,
           

বিয়ের অনুষ্ঠান ও রীতিপ্রথা নিয়ে ইসলামের নির্দেশনা

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ণ
বিয়ের অনুষ্ঠান ও রীতিপ্রথা নিয়ে ইসলামের নির্দেশনা

ইসলামে বিয়ে শুধু সামাজিক বন্ধন নয়, বরং এটি একটি পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি। তাই বিয়ের অনুষ্ঠান, এর প্রচার-প্রকাশ এবং আনন্দ আয়োজনের ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু শরিয়াহসম্মত নির্দেশনা। ইসলামি আলেমদের মতে, বিয়ের আকদ মসজিদে সম্পন্ন করা মুস্তাহাব এবং বিয়ের বিষয়টি মানুষের মাঝে প্রকাশ্যে জানান দেওয়াও প্রশংসনীয়।

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিয়ের ঘোষণা দেওয়ার প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে, ‘তোমরা এই বিবাহের ঘোষণা দাও। এটা মসজিদে সম্পন্ন করো এবং বিবাহ উপলক্ষে দফ বাজাও।’—তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ।

আরেক হাদিসে বিয়ের ঘোষণা ও দফ বাজানোর মাধ্যমে হালাল ও হারামের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করার কথা বলা হয়েছে। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘হালাল ও হারামের মাঝে পার্থক্য নির্ণয়কারী হলো- বিয়ের সময় দফ বাজানো এবং তা জনসম্মুখে প্রচার করা।’—তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ।

আলেমদের ব্যাখ্যায়, বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে ঘোষণা করার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বৈধ দাম্পত্য সম্পর্ককে অবৈধ সম্পর্ক থেকে আলাদা করে দেওয়া। এর ফলে স্বামী-স্ত্রীর বৈধ সম্পর্ক নিয়ে মানুষের মধ্যে অযথা সন্দেহেরও অবকাশ থাকে না।

বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও ইসলামে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। একজন মুসলিমের বিয়ের দাওয়াতে অংশ নেওয়া শুধু সামাজিক দায়িত্ব পালনের বিষয় নয়; বরং শরিয়াহসম্মত একটি আনন্দের আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুযোগও হতে পারে। তাই এমন অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় ভালো নিয়ত রাখা এবং নবদম্পতির জন্য কল্যাণ ও বরকতের দোয়া করা উচিত।

নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানানোর ক্ষেত্রেও রয়েছে ইসলামের শিক্ষা। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) নবদম্পতির জন্য দোয়া করতেন, ‘আল্লাহ তোমাদের জন্য বরকত দান করুন, তোমাদের ওপর বরকত নাজিল করুন এবং তোমাদেরকে কল্যাণের মধ্যে একত্রিত করুন।’—তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ।

বিয়ের অনুষ্ঠানে পোশাক-পরিচ্ছদ ও সাজসজ্জার ক্ষেত্রেও শরিয়াহর সীমারেখা মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অনুষ্ঠানের আনন্দ ও সৌহার্দ্য নষ্ট করে—এমন আচরণ থেকেও বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে।

নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানানোর সময় অশালীন, কুরুচিপূর্ণ বা অভদ্র ভাষা ব্যবহার করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.)-এর সঙ্গে তার বিবাহের সময় কয়েকজন আনসারি নারী তাকে মঙ্গল, বরকত ও সৌভাগ্যের জন্য দোয়া করেছিলেন।—সহিহ বোখারি।

ইসলামে বিয়ের অনুষ্ঠানে বৈধ আনন্দ-বিনোদনেরও সুযোগ রাখা হয়েছে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে দফ বাজিয়ে কবিতা বা আনন্দের গান পরিবেশনের অনুমতির কথা হাদিসে পাওয়া যায়। তবে এসব আয়োজন অবশ্যই অশালীনতা, অনৈতিকতা ও পাপাচারমুক্ত হতে হবে।

হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, এক নববধূকে এক আনসারি বরের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হলে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকে বলেন, ‘হে আয়েশা! তোমাদের কাছে কি আনন্দ বিনোদনের কিছু নেই? মদিনার আনসারিরা বিনোদনে বিমুগ্ধ হয়।’—সহিহ বোখারি।

এ থেকে আলেমরা বলেন, বিয়ের মতো আনন্দঘন আয়োজনে শরিয়াহসম্মত বিনোদনের সুযোগ রয়েছে। নারীরা দফ বাজিয়ে কবিতা বা সুন্দর কথা পরিবেশন করতে পারেন। তবে তাতে অবৈধ প্রেম, অশালীনতা কিংবা অনৈতিক বিষয় থাকা যাবে না। এ ধরনের গান ও বিনোদন পরিত্যাজ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।—তাবারানি।

অতএব, ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের অনুষ্ঠান আনন্দ, সৌহার্দ্য ও বরকতের উপলক্ষ হতে পারে। তবে সেই আনন্দ উদযাপন করতে হবে শরিয়াহর সীমারেখার মধ্যে থেকে। বিয়ের ঘোষণা, নবদম্পতির জন্য দোয়া, পারস্পরিক শুভেচ্ছা এবং বৈধ বিনোদনের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করাই হতে পারে ইসলামের নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আয়োজন।

কালের আলো/জেএন

ফেসবুকে পরিচয়, কক্সবাজার যাত্রা, এরপর মর্মান্তিক পরিণতি তাজমীনের

কুমিল্লা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৬ পূর্বাহ্ণ
ফেসবুকে পরিচয়, কক্সবাজার যাত্রা, এরপর মর্মান্তিক পরিণতি তাজমীনের

কুমিল্লার কিশোরী জান্নাতুন তাজমীন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছেন কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলের কর্মচারী রাজু চৌধুরী। পুলিশের তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে রাজুর সঙ্গে দেখা করতে কক্সবাজার গিয়েছিল তাজমীন। তবে হত্যাকাণ্ডে রাজুর সম্পৃক্ততার বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৪ আগস্ট বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যায় তাজমীন। পরে কুমিল্লায় ফিরে আবার কক্সবাজারে যায় সে। এ সময় মাকে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা জানিয়েছিল কিশোরী।

কক্সবাজারের কক্স প্যানোরামিক ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর এজেন্সির ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ জানান, গত ৬ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে তাজমীন ও রাজু তাদের কাউন্টারে এসে কুমিল্লাগামী বাসের টিকিট কাটে। পরদিন দুপুর ১২টার দিকে আইকনিক এক্সপ্রেসের বাসটি কক্সবাজার থেকে ছেড়ে যায়।

আবদুল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে বাসটি কুমিল্লার পদুয়ারবাজার বিশ্বরোড এলাকার হোটেল নূরজাহানে পৌঁছায়। সিসিটিভি ফুটেজে ওই স্থান থেকে তাজমীনের নামার দৃশ্য দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর ফুটেজটি সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং পুলিশ চাইলে তা সরবরাহ করা হবে বলে জানান তিনি।

মায়ের সঙ্গে শেষ কথা

তাজমীনের মা কেয়া খাতুন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে মেয়ের সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়। তখন তাজমীন এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকার কথা জানিয়েছিল। মেয়ের কাছে বান্ধবীর নাম ও তার মা-বাবার পরিচয় জানতে চেয়েও তিনি তা জানতে পারেননি।

মেয়ের বন্ধুবান্ধব নিয়ে আগে থেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন কেয়া খাতুন। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় প্রায় ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি বলে তিনি জানিয়েছেন।

হত্যাকাণ্ডে একজনের সম্পৃক্ততার কথা পুলিশের

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তাজমীনকে হত্যার ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে পদুয়ারবাজারের হোটেল নূরজাহান থেকে কুমিল্লা শহরের রেইসকোর্স এলাকার বাসায় যাওয়ার জন্য অটোরিকশা ভাড়া করে তাজমীন। পরে সুমন তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন বলে পুলিশের অভিযোগ।

পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে তাজমীনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিকে তাজমীনের মায়ের সন্দেহের তালিকায় থাকা এক বান্ধবীর সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পৃক্ততা এখনো পাওয়া যায়নি বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। পুরো ঘটনার সঙ্গে কার কী ভূমিকা ছিল, তা নিশ্চিত করতে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করা প্রয়োজন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পেনসিলভানিয়ায় বন্দুকধারীর তাণ্ডব, শিশুসহ প্রাণ গেল ৯ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
পেনসিলভানিয়ায় বন্দুকধারীর তাণ্ডব, শিশুসহ প্রাণ গেল ৯ জনের

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের এরি শহরে বন্দুকধারীর হামলায় শিশুসহ অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীকেও মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিজের ছোড়া গুলিতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে একটি বাড়ির বাইরে গুলি চালানোর পর ভেতরে প্রবেশ করে হামলা চালান ওই বন্দুকধারী।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে গুলির শব্দ শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানান, এক ব্যক্তিকে বাড়ির বাইরে গুলি চালাতে দেখেছেন তাঁরা। পরে ওই ব্যক্তি বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ রাস্তায় দুই নারীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। তাঁদের দুজনেরই গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল। এরপর পুলিশ ও বিশেষ কৌশলগত দল বাড়িটি ঘিরে অবস্থান নেয়। এ সময় বাড়ির ভেতর থেকে আরও গুলির শব্দ শোনা যায়।

পরে পুলিশ বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে আরও সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করে। তাঁদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া সন্দেহভাজন হামলাকারীকেও মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এরি শহরের পুলিশপ্রধান রিক লোরাহ। তিনি ঘটনাটিকে তাঁর দেখা সবচেয়ে মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনাগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেন।

পুলিশপ্রধান জানান, সন্দেহভাজন হামলাকারী মারা গেছেন এবং তাঁদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি নেই। নিহত ব্যক্তিদের পরিবার ও ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সবার প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।

শনিবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরিস্থিতি এবং হামলার পেছনের উদ্দেশ্য জানতে তদন্ত চলছে। তবে হামলার আগে কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে, এরি শহর কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সন্দেহভাজন হামলাকারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ঘটনাটিকে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে গভীর শোক ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দিল্লিতে আটক নেহা বোরা ও অন্য নারীরা মুক্তি পেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
দিল্লিতে আটক নেহা বোরা ও অন্য নারীরা মুক্তি পেলেন

ভারতের দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে আটক অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিজেই মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেহা বোরা। তিনি জানান, আটকের সময় পুলিশ তাঁর মুঠোফোন নিয়ে গিয়েছিল। পরে সেটি ফেরত পেয়েছেন তিনি। এ সময় থানায় আটক অন্য নারীদেরও মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানান নেহা।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ নেহা বোরা। ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে নির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে নেহা বোরাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের আটক করে পুলিশ। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নেহা বোরার মুক্তির মধ্য দিয়ে আটকের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে দিল্লির নির্বাচনব্যবস্থা ও ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চলমান প্রতিবাদ কর্মসূচি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি