খুঁজুন
                               
, ,
           

সেলিমের ‘সেপারেশন’-এ পরীমনি ও বর্ষণ

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
সেলিমের ‘সেপারেশন’-এ পরীমনি ও বর্ষণ

দেশের নন্দিত নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের নতুন ওয়েব ফিল্মে জুটি বেঁধেছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি ও ইমতিয়াজ বর্ষণ। ৬০ মিনিট দৈর্ঘ্যের মনস্তাত্ত্বিক ড্রামা ঘরানার এই ওয়েব ফিল্মের নাম ‘সেপারেশন’। এরই মধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে এর শুটিং।

পরিচালনা সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ৩০০ ফুট এলাকার একটি শুটিং হাউসে শুরু হয় ‘সেপারেশন’-এর দৃশ্যধারণ। এরপর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চ্যানেল আই ভবনেও ছবিটির কিছু অংশের শুটিং হয়েছে। আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই পুরো কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতার।

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের টানাপোড়েন

‘সেপারেশন’-এ পরীমনিকে দেখা যাবে সংবাদপত্রের সম্পাদক ও প্রকাশকের চরিত্রে। তাঁর বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে এই দম্পতির ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্কের জটিলতা ও টানাপোড়েন।

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের নানা টক-মিষ্টি অনুভূতির মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবে গল্প। মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও সম্পর্কের সূক্ষ্ম বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হচ্ছে ওয়েব ফিল্মটি।

সেলিমের সঙ্গে প্রথমবার বর্ষণ

গিয়াসউদ্দিন সেলিমের সঙ্গে এবারই প্রথম কাজ করছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। নির্মাতার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বর্ষণ জানান, কৈশোর থেকেই সেলিমের নির্মাণশৈলীর প্রতি তাঁর মুগ্ধতা ছিল। তাঁর পরিচালনায় কাজ করার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা এবার পূরণ হয়েছে।

সহশিল্পী পরীমনির আন্তরিকতারও প্রশংসা করেছেন বর্ষণ। তাঁর মতে, গল্পের সম্পর্কের আবেগ ও জটিলতা ফুটিয়ে তুলতে দুজনের পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

বর্ষণের অভিনয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন গিয়াসউদ্দিন সেলিমও। হুমায়ূন ফরীদি থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের চঞ্চল চৌধুরী—বিভিন্ন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও বর্ষণকে তাঁর কাছে একজন পরিপূর্ণ অভিনেতা মনে হয়েছে বলে জানান নির্মাতা। পাশাপাশি তাঁকে একজন আদর্শ ‘টিমম্যান’ হিসেবেও উল্লেখ করেন সেলিম।

চার বছর পর সেলিমের পরিচালনায় পরীমনি

গিয়াসউদ্দিন সেলিমের সঙ্গে পরীমনির এর আগেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। নির্মাতার ‘স্বপ্নজাল’ ও ‘গুণিন’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। প্রায় চার বছর পর আবারও সেলিমের নির্দেশনায় কাজ করছেন তিনি।

পরীমনির চরিত্রটি বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে বেশ পরিণত ও চ্যালেঞ্জিং বলে জানিয়েছেন পরিচালক। চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে অভিনেত্রী আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।

‘সেপারেশন’-এ পরীমনি ও ইমতিয়াজ বর্ষণের পাশাপাশি বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক নিরব। বিভিন্ন প্রতিবেদনে শার্লিন ফারজানার অভিনয়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

মুক্তি পাবে আইস্ক্রিনে

মনস্তাত্ত্বিক ড্রামা ঘরানার ‘সেপারেশন’ মুক্তি পাবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনে। তবে ওয়েব ফিল্মটির মুক্তির নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

কালের আলো/এসএ

গোয়ালন্দ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

অচল এক্স-রে ডেন্টাল চেয়ারও বন্ধ

রাজবাড়ী সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ
অচল এক্স-রে ডেন্টাল চেয়ারও বন্ধ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবায় দেখা দিয়েছে নানা সংকট। এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে অপারেশন থিয়েটার। টেকনিশিয়ানের অভাবে বন্ধ এক্স-রে কক্ষ, আর দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে দাঁতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ডেন্টাল চেয়ার। প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতির সংকটে ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালটির স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন পাঁচ শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেক রোগীকে চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জেলার বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে।

এক বছর ধরে বন্ধ অস্ত্রোপচার
হাসপাতালটিতে আধুনিক মানের অপারেশন থিয়েটার থাকলেও প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় সেখানে অস্ত্রোপচার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। গত বছরের নভেম্বর থেকে সব ধরনের অস্ত্রোপচার বন্ধ থাকায় রোগীদের ভোগান্তি বেড়েছে। সরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সুযোগ না থাকায় যেসব রোগীর অপারেশন প্রয়োজন, তাঁদের বিকল্প চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে রোগীদের বাড়তি অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি যাতায়াতের দুর্ভোগও পোহাতে হচ্ছে।

টেকনিশিয়ান নেই, তালাবদ্ধ এক্স-রে কক্ষ
হাসপাতালটিতে এক্স-রে সেবাও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। সেখানে জাপানে তৈরি ‘একোমা-১০০’ মডেলের একটি পুরোনো অ্যানালগ এক্স-রে মেশিন রয়েছে। ১৯৮৫ সালে স্থাপন করা এই মেশিনটি প্রথম দিকে কয়েক বছর সচল ছিল। পরে পুরোনো হয়ে যাওয়ায় এতে বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। বারবার মেরামত করে মেশিনটি কোনো রকমে সচল রাখা হলেও একপর্যায়ে মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান (রেডিওলজি) পদটি শূন্য হয়ে পড়ে। পরে পদটি পূরণ না করায় গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে এক্স-রে কক্ষটি তালাবদ্ধ রয়েছে। ফলে রোগীদের এক্স-রে করাতে হাসপাতালের বাইরে যেতে হচ্ছে। এতে সরকারি প্রতিষ্ঠানে কম খরচে পরীক্ষা করানোর সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা।

ডেন্টাল চেয়ার অকেজো, শূন্য চিকিৎসকের পদ
দাঁতের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও একই ধরনের সংকট রয়েছে। হাসপাতালটিতে ২০১৮ সালের প্রথম দিকে দাঁতের চিকিৎসার জন্য একটি নতুন ডেন্টাল চেয়ার স্থাপন করা হয়। তবে কিছুদিনের মধ্যেই এতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর থেকে চেয়ারটি অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এদিকে, হাসপাতালটিতে ডেন্টাল সার্জন ও মেডিক্যাল ডেন্টাল টেকনোলজিস্টের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও কারিগরি জনবল না থাকায় দাঁতের চিকিৎসাসেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সংকট সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে
হাসপাতালটির বিভিন্ন সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো. রোমেল হাসান। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে কবে নাগাদ অপারেশন থিয়েটার, এক্স-রে কক্ষ ও ডেন্টাল সেবা পুরোপুরি চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানা যায়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সংবিধানের কয়েকটি ক্ষেত্রে সংশোধন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষাবিদরা অংশ নেন। সভায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনা এবং কয়েকটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কয়েকটি কমিশন বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব কমিশন থেকে এসেছিল। এ নিয়ে আলোচনায় শেষ পর্যন্ত ছয়টি সংস্থার বিষয় উঠে এসেছে।  তিনি বলেন, ছয়টি সংস্থার মধ্যে চারটির বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। বাকি দুটি সংস্থার বিষয়ে মোটামুটি ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। তবে কোন ছয়টি সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে সেগুলোর নাম উল্লেখ করেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কমিটির আলোচনায় কোনো বিষয়ে কারও সুনির্দিষ্ট মতামত থাকলে তা লিখিতভাবে জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর ভাষ্য, লিখিতভাবে পাওয়া মতামতগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত গ্রহণ এবং আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ রাখা হচ্ছে বলে তাঁর বক্তব্য থেকে জানা যায়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন আনা হচ্ছে। কয়েকটি সংস্থার নিয়োগক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাবও সেই উদ্যোগের অংশ। সংবিধান সংশোধনের এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত কী ধরনের প্রস্তাবে রূপ নেয় এবং কোন কোন সংস্থার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসে, তা কমিটির পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধান সংশোধন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার ভারসাম্যে সংবিধান সংশোধন হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সংবিধানের কয়েকটি ক্ষেত্রে সংশোধন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধান ও আইন বিশেষজ্ঞ এবং শিক্ষাবিদরা অংশ নেন। সভায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনা এবং কয়েকটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, কয়েকটি কমিশন বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব কমিশন থেকে এসেছিল। এ নিয়ে আলোচনায় শেষ পর্যন্ত ছয়টি সংস্থার বিষয় উঠে এসেছে।

তিনি বলেন, ছয়টি সংস্থার মধ্যে চারটির বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। বাকি দুটি সংস্থার বিষয়ে মোটামুটি ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। তবে কোন ছয়টি সংস্থার নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে সেগুলোর নাম উল্লেখ করেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কমিটির আলোচনায় কোনো বিষয়ে কারও সুনির্দিষ্ট মতামত থাকলে তা লিখিতভাবে জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর ভাষ্য, লিখিতভাবে পাওয়া মতামতগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত গ্রহণ এবং আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ রাখা হচ্ছে বলে তাঁর বক্তব্য থেকে জানা যায়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন আনা হচ্ছে। কয়েকটি সংস্থার নিয়োগক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাবও সেই উদ্যোগের অংশ।

সংবিধান সংশোধনের এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত কী ধরনের প্রস্তাবে রূপ নেয় এবং কোন কোন সংস্থার নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসে, তা কমিটির পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ