খুঁজুন
                               
, ,
           

ভাইরাল অডিও নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, ডিবি হেফাজতে ওসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ভাইরাল অডিও নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, ডিবি হেফাজতে ওসি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও রেকর্ডের ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য প্রত্যাহার হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে ডিবি কার্যালয়ে ডাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, ঘটনাটি তদন্তে ডিএমপি থেকে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে ডিবির একজন কর্মকর্তা এবং ডিএমপি সদর দপ্তরের দুজন কর্মকর্তা রয়েছেন। ভাইরাল হওয়া অডিওর বিষয়ে জানতে ওই কমিটি ওসি রাকিবকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাকিবুল হাসানের নামে একটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে। অডিওতে এক ব্যক্তিকে পুলিশের মাঠপর্যায়ের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়। সেখানে বলা হয়, রাস্তায় থাকা পুলিশ দুর্বল এবং শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরলে পুলিশ কিছু করতে পারবে না।

এ ছাড়া পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়া এবং মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের এ বিষয়ে ভিন্ন অবস্থানের কথাও ওই অডিওতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পদায়নে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ নিয়েও কথোপকথন শোনা যায়।

অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ডিএমপি। এরই ধারাবাহিকতায় ওসি মো. রাকিবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং এখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

বালিপাড়া ব্রিজে অবৈধ টোল বন্ধে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক অ্যাকশন

বিশেষ সংবাদদাতা/ময়মনসিংহ প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৫ পূর্বাহ্ণ
বালিপাড়া ব্রিজে অবৈধ টোল বন্ধে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক অ্যাকশন

একদিকে সড়ক অবরোধ, অন্যদিকে টোলের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ—বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ত্রিশালের বালিপাড়া ব্রিজ ঘিরে বাড়ছিল উত্তেজনা। তখনই আসে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ। তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়ে যায় ব্রিজের অবৈধ টোল আদায়। তাঁর নির্দেশনার পর অবরোধ তুলে নেন বিক্ষুব্ধরা। থামে যানজট, স্বস্তি ফেরে চালক-যাত্রীদের মধ্যে।

  • সড়ক অবরোধের খবর পেয়েই প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ
  • এক ফোনেই থামল ‘অবৈধ টোল’, স্বস্তি বালিপাড়ায়
  • জনস্বার্থে দ্রুত সিদ্ধান্তে প্রশংসা স্থানীয়দের

ঘটনার সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক, জনভোগান্তির একটি অভিযোগ প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে থাকেনি। অভিযোগ ও বিক্ষোভের খবর সামনে আসার পর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতির দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটে। স্থানীয়দের কাছে এ কারণেই তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপটি আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে।

ক্ষোভ জমছিল, সড়কে নামলেন চালকেরা
ত্রিশাল-নান্দাইল সড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজে টোল আদায় শুরু হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভ তৈরি হয় স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবহন চালকদের মধ্যে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সেই ক্ষোভ রূপ নেয় সড়ক অবরোধে। নান্দাইল-ত্রিশাল সড়কে অবস্থান নিয়ে টোল বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা।

অবরোধে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। আটকে পড়ে সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন। এমন পরিস্থিতিতে বিষয়টি দ্রুত তথ্য প্রতিমন্ত্রীর নজরে আসে। তাঁর নির্দেশনায় ব্রিজের টোল আদায় পুরোপুরি স্থগিত করা হয়। ঘোষণার পরই অবরোধ প্রত্যাহার করেন আন্দোলনকারীরা।

‘অনুমতিই ছিল না’—সওজের বক্তব্য
বিষয়টির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দিকও উঠে এসেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের বক্তব্যে। সওজ কিশোরগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আহমেদ বলেন, বালিপাড়া ব্রিজে কোনো ধরনের টোল আদায়ের অনুমতি নেই। যারা অর্থ আদায় করছিল, তারা অবৈধভাবে এ কাজ করছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, টোল আদায়ের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

সিদ্ধান্তে মিলল সরাসরি সুফল
একজন পরিবহন চালকের ভাষায়, টোলের নামে জোর করে টাকা নেওয়া হচ্ছিল। সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে সেই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাওয়ায় তাঁরা স্বস্তি পেয়েছেন। স্থানীয়দের মন্তব্যেও উঠে এসেছে অভিন্ন কথা।

তাঁদের মতে, অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘসূত্রতা না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। এতে করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়েছেন। তাঁরা প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

সরকারের ‘জনবান্ধব’ নীতির বার্তাকে করেছে স্পষ্ট
বালিপাড়া ব্রিজের ঘটনাটি এখন শুধু অবৈধ টোল বন্ধের ঘটনা নয়। জনস্বার্থের একটি অভিযোগের বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল একজন প্রতিমন্ত্রী, জনপ্রতিনিধির দ্রুত হস্তক্ষেপ কীভাবে তাৎক্ষণিক সুফল আনতে পারে, তারও একটি বড় উদাহরণ হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত আমলে নিয়ে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার এই পদক্ষেপ সরকারের জনবান্ধব নীতির বার্তাকে আরও স্পষ্ট করেছে। এতে করে সরকারের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হয়েছে।একই সঙ্গে স্থানীয়দের প্রত্যাশা—অবৈধ টোলের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিয়ে এই উদ্যোগকে পূর্ণতা দেওয়া হবে।

কালের আলো/এমএএএমকে

টার্গেটে চোখ, নিশানায় শ্রেষ্ঠত্ব

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
টার্গেটে চোখ, নিশানায় শ্রেষ্ঠত্ব

নিশানার নিখুঁততা, দ্রুত সিদ্ধান্ত এবং চাপের মধ্যে স্থির থাকার দক্ষতার পরীক্ষা নিয়ে শেষ হলো চলতি বছরের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুটিং প্রতিযোগিতা। পাঁচ দিন ধরে চলা এই প্রতিযোগিতায় সাতটি ডিভিশনের ৮৪ জন শুটার ছয়টি ইভেন্টে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরেন। শেষ দিনের ফলাফলে চট্টগ্রাম সেনা শুটিং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন এবং ঘাটাইল সেনা শুটিং ক্লাব রানারআপ হয়েছে।

  • সেনাবাহিনীর শুটিং প্রতিযোগিতায় সাত ডিভিশনের ৮৪ শুটারের লড়াই
  • ছয় ইভেন্টে সামর্থ্যের পরীক্ষা
  • চট্টগ্রামের বাজিমাত, শ্রেষ্ঠ শুটার ইউসুফ আলী

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি শুটিং কমপ্লেক্সে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। সেনাবাহিনীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এম খায়ের উদ্দীন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

৬ ইভেন্টে দক্ষতার বহুমাত্রিক পরীক্ষা
গত ১৩ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া প্রতিযোগিতায় ৬টি ইভেন্টে অংশ নেন সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ডিভিশনের শুটাররা। ফলে প্রতিযোগিতাটি শুধুমাত্র নির্ভুল নিশানার পরীক্ষা ছিল না। এটি প্রশিক্ষণ, মনোসংযোগ, নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পারফরম্যান্স ধরে রাখার সক্ষমতারও মূল্যায়ন হয়েছে। সেনাবাহিনীর মতো একটি পেশাদার বাহিনীর জন্য শুটিং দক্ষতা মৌলিক প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নিয়মিত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেই দক্ষতাকে পরিমাপ ও উন্নত করার পাশাপাশি বিভিন্ন ইউনিটের শুটারদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগও তৈরি হয়।

চ্যাম্পিয়ন চট্টগ্রাম, ব্যক্তিগত সাফল্য ইউসুফের
দলগত লড়াইয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফল হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে চট্টগ্রাম সেনা শুটিং ক্লাব। ঘাটাইল সেনা শুটিং ক্লাব পেয়েছে রানারআপের স্বীকৃতি।
দলগত সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও নজর কেড়েছেন যশোর সেনা শুটিং ক্লাবের সৈনিক মো. ইউসুফ আলী। প্রতিযোগিতায় সামগ্রিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন শ্রেষ্ঠ শুটার। দলগত সমন্বয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত দক্ষতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার এই ব্যবস্থা প্রতিযোগিতার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও অর্থবহ করেছে।
প্রশিক্ষণ থেকে প্রতিযোগিতা, সক্ষমতার যাচাই

সেনাবাহিনীর শুটিং প্রতিযোগিতা নিয়মিত প্রশিক্ষণকে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে যাচাই করার একটি কার্যকর ক্ষেত্র। প্রশিক্ষণকেন্দ্রিক অনুশীলনে অর্জিত দক্ষতা বাস্তব প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে কতটা কার্যকর থাকে, এ ধরনের আয়োজন তার একটি বাস্তব মূল্যায়নের সুযোগ তৈরি করে।

একই সঙ্গে প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রশিক্ষণের কোন জায়গাগুলো আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন, তা শনাক্ত করতেও সহায়ক হতে পারে। ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা ও পেশাগত দায়িত্বে শুটারদের প্রস্তুতি আরও ধারালো করার ক্ষেত্রেও এ ধরনের আয়োজনের ভূমিকা রয়েছে।

সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি ক্রীড়া সংস্কৃতি
প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিট ও সংস্থার সদস্য এবং অংশগ্রহণকারী শুটাররা উপস্থিত ছিলেন। সুশৃঙ্খল প্রতিযোগিতা, নির্ধারিত মানদণ্ডে পারফরম্যান্স মূল্যায়ন এবং দক্ষতার স্বীকৃতি—এই তিন উপাদান সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি একটি প্রতিযোগিতামুখী সংস্কৃতিও গড়ে তোলে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শুটিং প্রতিযোগিতায় সেই ধারাবাহিকতারই আরেকটি পর্ব। এখানে লক্ষ্যভেদী দক্ষতার পাশাপাশি পেশাদারিত্ব ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মানও উপস্থাপিত হয়েছে মোটা দাগে।

কালের আলো/এমএএএমকে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২২ বছর বয়সী কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৪ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২২ বছর বয়সী কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে বসবাসরত ২২ বছর বয়সী কবি রো হেফজুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ১৪৮ পৃষ্ঠার বইটির নাম ‘স্টিল আই ব্রিদ: ভয়েসেস দ্য ওয়ার্ল্ড মাস্ট হিয়ার’ (Still I Breathe: Voices the World Must Hear)।

চলতি বছরের শুরুর দিকে বইটি প্রকাশিত হলেও সম্প্রতি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ এক সাহিত্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। আন্তর্জাতিক সাহিত্য সংগঠন পেন ইন্টারন্যাশনাল ও তাদের ইয়াং রাইটার্স কমিটির সহযোগিতায় আয়োজন করা হয় অনুষ্ঠানটি।

রো হেফজুরের বাড়ি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুথিডং শহরের কিয়াং তং গ্রামে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে বসবাস করছেন। ক্যাম্পে তিনি রোহিঙ্গা শিশুদের পড়াশোনায় সহায়তার পাশাপাশি তরুণদের শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত।

হেফজুরের কবিতায় উঠে এসেছে ঘরহারা মানুষের বেদনা, নির্বাসনের যন্ত্রণা ও নিপীড়নের স্মৃতি। পাশাপাশি বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, শিক্ষা ও ধর্মীয় উৎসবের মতো বিষয়ও স্থান পেয়েছে তাঁর লেখায়। নিজের ভাষা ও সংস্কৃতি ধরে রাখার আকুতিও তাঁর কবিতায় বারবার প্রকাশ পেয়েছে।

রোহিঙ্গা লেখকদের কণ্ঠ

‘রোহিঙ্গা ফিউচার্স’ প্রকল্পের আওতায় গবেষক ড. রোনান লির সহযোগিতায় বইটি প্রকাশিত হয়েছে। প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা লেখকদের সাহিত্যকর্ম প্রকাশ ও তাঁদের লেখালেখিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার কাজ করছে।

এর আগে উদীয়মান তরুণ লেখকদের জন্য পেন ইন্টারন্যাশনালের সহযোগী উদ্যোগ ‘টুমরো ক্লাব’-এর সঙ্গে যুক্ত হন হেফজুর। সেখানে তাঁর কবিতা ও একটি সাক্ষাৎকারও প্রকাশিত হয়।

অনলাইনে বই প্রকাশের পর হেফজুর পেন ইন্টারন্যাশনালকে জানান, অর্থের অভাবে ক্যাম্পে থাকা বন্ধু ও স্বজনদের হাতে বইটির মুদ্রিত কপি তুলে দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। এরপর তাঁর সেই ইচ্ছা পূরণে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পেন ইন্টারন্যাশনাল।

রোহিঙ্গা লেখক মায়ু আলীর সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিদের হাতে বইটির মুদ্রিত কপি তুলে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএ