খুঁজুন
                               
, ,
           

প্যারিসের বাস্তিল চত্বরে বাংলাদেশের পতাকা, তৈরি ফেলে দেওয়া কাপড়ে

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
প্যারিসের বাস্তিল চত্বরে বাংলাদেশের পতাকা, তৈরি ফেলে দেওয়া কাপড়ে

ইতিহাসের সাক্ষী প্যারিসের বাস্তিল চত্বর। ফরাসি বিপ্লব ও স্বাধীনতার প্রতীকের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই চত্বরেই এবার দেখা যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পতাকা। সারি সারি বাঁশের দণ্ডে উড়ছে ১৯৫টি দেশ ও পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের পতাকা। সেই সারিতে রয়েছে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাও।

তবে এই পতাকাগুলো সাধারণ নতুন কাপড় দিয়ে তৈরি নয়। প্রতিটি পতাকা তৈরি হয়েছে ব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত পোশাকের কাপড় থেকে। পুনর্ব্যবহৃত বস্ত্রকে শিল্পের মাধ্যমে নতুন পরিচয় দেওয়াই এই স্থাপনাশিল্পের মূল বার্তা।

‘লা রে-প্রিসে দে লা বাস্তিল’

‘লা রে-প্রিসে দে লা বাস্তিল’ নামের এই বিশাল স্থাপনাটি তৈরি করেছেন ডিজাইনার ক্লেয়ার রেনার ও জঁ-সেবাস্তিয়াঁ ব্ল্যাঁ। এটি ফেস্টিভ্যাল দ্যু মঁদ ও প্যারিস ডিজাইন উইকের সহযোগিতায় এবং বস্ত্র পুনর্ব্যবহারকারী সংস্থা রিফ্যাশনের অংশীদারত্বে আয়োজন করা হয়েছে।

বাস্তিল চত্বরে ৯ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থাপনাটি দেখা যাবে। ১৯৫টি সদস্য ও পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের পতাকার পাশাপাশি রয়েছে একটি সাদা পতাকা। সেটিকে বিশ্বজাতির শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

ফেলে দেওয়া পোশাক থেকে জাতীয় পতাকা

এই প্রকল্পের অন্যতম আকর্ষণ হলো পতাকাগুলোর কাঁচামাল। বিভিন্ন সংগ্রহ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংগৃহীত ব্যবহৃত পোশাক থেকে কাপড় বাছাই করে পতাকাগুলো তৈরি করা হয়েছে। পুরোনো পোশাকের বিভিন্ন টুকরা, রং ও স্মৃতিকে একত্র করে তৈরি হয়েছে প্রতিটি দেশের পতাকা।

ফলে একটি পতাকা এখানে শুধু জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক নয়, একই সঙ্গে পুনর্ব্যবহার ও টেকসই নকশারও বার্তা বহন করছে।

আয়োজকদের ভাবনায়, একসময় যে পোশাক আর ব্যবহারের উপযোগী ছিল না, সেটিই নতুন রূপে শিল্পকর্ম হয়ে আবার মানুষের সামনে হাজির হয়েছে। অর্থাৎ ফেলে দেওয়া বস্ত্রও নতুন অর্থ ও মূল্য তৈরি করতে পারে।

প্রদর্শনীর পরও থাকবে নতুন জীবন

স্থাপনাটি শেষ হওয়ার পরও পতাকাগুলোর ব্যবহার থেমে যাবে না। প্রতিটি পতাকা অনলাইনে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। নিলাম থেকে পাওয়া অর্থ টেকসই বস্ত্রশিল্প ও ভবিষ্যৎ পুনর্ব্যবহারমূলক উদ্যোগে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

টেকসই ফ্যাশনের বার্তা

প্যারিসের মতো বিশ্ব ফ্যাশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহরে এমন আয়োজনের মাধ্যমে পুরোনো পোশাক পুনর্ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে। এর বার্তা পরিষ্কার—ব্যবহৃত বা পুরোনো পোশাক মানেই ফেলনা নয়; সৃজনশীলতা ও নকশার মাধ্যমে সেটিকে নতুন মূল্য দেওয়া সম্ভব।

বাস্তিলের মতো ঐতিহাসিক স্থানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পতাকাকে পুনর্ব্যবহৃত কাপড় দিয়ে তৈরি করার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা, সহাবস্থান ও টেকসই ভবিষ্যতের ভাবনাকে একসঙ্গে সামনে আনা হয়েছে।

এই বৈশ্বিক আয়োজনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার উপস্থিতিও তাই আলাদা তাৎপর্য বহন করছে। দেশের জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক এই পতাকা একই সঙ্গে টেকসই জীবনযাপন ও পুনর্ব্যবহারের বৈশ্বিক বার্তার অংশ হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ

ভুল পথে হাঁটলে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিরোধিতা করা হবে: গোলাম পরওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
ভুল পথে হাঁটলে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিরোধিতা করা হবে: গোলাম পরওয়ার

সরকারকে ভুল পথে না হাঁটার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেছেন, সরকারের ভালো কাজে জামায়াতে ইসলামী সহযোগিতা করবে। তবে কোনো ভুল বা দেশবিরোধী কাজ হলে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিকভাবে তার বিরোধিতা করা হবে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে মেজর (অব.) বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ দলের কয়েকজন মন্ত্রী-এমপি জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে ‘গুপ্ত’ বলে মন্তব্য করছেন। দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময়ের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি ও জামায়াত একসঙ্গে ছিল। চারদলীয় জোট, ১৮ দলীয় জোট ও ২০ দলীয় জোটের বিভিন্ন আন্দোলনেও দুই দল একসঙ্গে রাজপথে ছিল। সে সময় জামায়াত-শিবিরকে ‘গুপ্ত’ বলা হয়নি।

জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠনের সময়ও জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগ ছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্দোলনে দুই দল একসঙ্গে অংশ নিয়েছে। তাই সেই রাজনৈতিক ইতিহাস ভুলে গিয়ে জামায়াতকে নতুন করে বিভিন্ন আখ্যা দেওয়ার বিষয়টি প্রশ্ন তৈরি করছে।

তিনি বলেন, জামায়াতকে ১৯৭১ সালের বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া হলে এর প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। জাতিকে বিভক্ত করার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্যকে বিমানবন্দরের ঘটনার মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে তোলা হয়েছে এবং রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি মামলা প্রত্যাহার, রিমান্ড বাতিল ও আখতারুজ্জামানের মুক্তির দাবি জানান।

বিমানবন্দরের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলা নাগরিকের অধিকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি। লাগেজ, পানি ও ট্রলি না পাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যায় যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে কৈফিয়ত চাওয়া অপরাধ হতে পারে না।

আখতারুজ্জামানকে হেলমেট পরানো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, তিনি কোনো দুর্ধর্ষ অপরাধী নন; নিজ বাসা থেকেই পুলিশের সঙ্গে এসেছেন। তাই তাকে কেন হেলমেট পরানো হয়েছে, তার জবাব দিতে হবে।

সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিনসহ দলের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে প্রেসক্লাব, হাইকোর্ট ও মৎস্য ভবন প্রদক্ষিণ করে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পূজার ছুটিতে বড় পার্থক্য

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
পূজার ছুটিতে বড় পার্থক্য

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি থাকলেও শিক্ষাস্তর ও প্রতিষ্ঠানভেদে এর মেয়াদে বড় পার্থক্য থাকছে। সরকারি ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ছুটির সময় আরও বেড়েছে। এবার দুর্গাপূজায় কলেজ ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে সর্বোচ্চ ১৪ দিন, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ দিন এবং মাদ্রাসায় ৫ দিন ছুটি থাকছে।

স্কুলে ১০ দিনের ছুটি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি ১৮ অক্টোবর (রোববার) থেকে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত পাঁচ দিন। এর আগে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় পূজার ছুটির সঙ্গে সেটিও যুক্ত হচ্ছে। ফলে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৬ অক্টোবর (শুক্রবার) থেকে ছুটি শুরু হবে। এর সঙ্গে ২৫ অক্টোবর (রোববার) লক্ষ্মীপূজার ছুটি যুক্ত হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সব মিলিয়ে ১০ দিনের ছুটি পাবেন। অর্থাৎ, ১৬ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্কুলগুলো বন্ধ থাকবে।

কলেজে ছুটি ১৪ দিন

কলেজ ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ছুটির মেয়াদ আরও বেশি। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কলেজ শাখার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে ছুটির আগে ও পরে থাকা শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় কলেজ ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে মোট ছুটির মেয়াদ দাঁড়াচ্ছে ১৪ দিন।

মাদ্রাসায় ছুটি ৫ দিন

অন্যদিকে, মাদ্রাসায় দুর্গাপূজার ছুটি তুলনামূলকভাবে কম। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ইবতেদায়ি ও এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় ২০ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন দুর্গাপূজার ছুটি থাকবে। এর পরের শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন।

ফলে এবারের দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী ছুটির মেয়াদে স্পষ্ট পার্থক্য থাকছে। কলেজ ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ১৪ দিন, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ দিন এবং মাদ্রাসায় পাঁচ দিনের ছুটি থাকবে।

কালের আলো/এসএ

চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে বাংলাদেশকে থামাতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র: ক্যারল ফেয়ার

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে বাংলাদেশকে থামাতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র: ক্যারল ফেয়ার

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র থামাতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্যারল ক্রিস্টাইন ফেয়ার।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এর একটি সেশনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ক্যারল ফেয়ার বলেন, বাংলাদেশকে ঘিরে বড় শক্তিগুলোর স্বার্থে ভারসাম্যহীনতা রয়েছে। বাংলাদেশ নিয়ে চীন বা ভারতের যে পরিমাণ আগ্রহ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের তেমন আগ্রহ নেই। এর অন্যতম কারণ দেশগুলোর নিজেদের মধ্যকার প্রতিযোগিতা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য চীনের কাছে যে পরিমাণ সম্পদ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তা নেই। ফলে বাংলাদেশকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বড় ধরনের প্রতিযোগিতা চলছে—এমন ধারণার সঙ্গে তিনি একমত নন।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন কোনো নিরাপত্তা চুক্তি বা সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্র বাধাগ্রস্ত করতে পারবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাংলাদেশকে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন থেকে থামানো সম্ভব নয়। বাংলাদেশ তার নিজস্ব স্বার্থের জন্য যেটিকে ভালো মনে করবে, সেটিই করবে। তবে দুই দেশের মধ্যে মৌলিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা থাকবে।

‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ স্লোগানে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনে শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ জন বক্তা, ৩০০ প্রতিনিধি ও এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী যোগ দিয়েছেন।

সম্মেলনে সাবেক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, কূটনীতিক, গবেষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উদ্ভাবক ও তরুণ নেতৃত্ব অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনটি আগামী ৫ অক্টোবর শেষ হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি