খুঁজুন
                               
, ,
           

ইউপি ভোটে নতুন হিসাব, নভেম্বরের পরিকল্পনায় ‘স্লট’ সংকট

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
ইউপি ভোটে নতুন হিসাব, নভেম্বরের পরিকল্পনায় ‘স্লট’ সংকট

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রাথমিক পরিকল্পনায় চারদিনের ব্যবধানে এসেছে নতুন হিসাব। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সাত ধাপে আগামী নভেম্বর থেকে ভোট শুরুর সম্ভাব্য তারিখ জানানো হলেও বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর ইসি বলছে, নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভোট করতে হলে আগে পরীক্ষার সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘স্লট’ নিশ্চিত করতে হবে। গত সোমবারের সম্ভাব্য সূচি এখনো বাতিল হয়নি। তবে সেটি চূড়ান্তও নয়। নতুন তথ্য-উপাত্ত পাওয়ার পর কমিশন আবার বসে তারিখ নির্ধারণ করবে।

চারদিনেই বদলাল হিসাব
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। তিনি বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরজুড়ে বিভিন্ন পরীক্ষা থাকায় ভোট আয়োজনের জন্য পাওয়া সময় খুবই সীমিত। আগে যে দুটি সময়ের ‘গ্যাপ’ নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, নতুন তথ্যের ভিত্তিতে সেগুলো আদৌ ব্যবহার করা সম্ভব কি না, তা আবার দেখতে হবে।

সামনে বড় চ্যালেঞ্জ পরীক্ষার সূচি
ইসির এই অবস্থানকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে মূলত পরীক্ষার সময়সূচি। বৈঠকে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা পরীক্ষায় যেন কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেন। একজন শিক্ষককে ভোটের দায়িত্ব পালনের আগে প্রশিক্ষণ, সমন্বয় ও প্রস্তুতির জন্যও সময় প্রয়োজন—এ বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।

সানাউল্লাহ বলেন, এসব উদ্বেগকে ‘জেনুইন কনসার্ন’ হিসেবে বিবেচনা করছে কমিশন এবং ভোটের পরিকল্পনায় সেগুলো সমন্বয় করা হবে। একই সঙ্গে বাজেট ও প্রশাসনিক সমন্বয়সহ আরও কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ দ্রুত শেষ করার কথা জানান তিনি।

নভেম্বর কি তাহলে অনিশ্চিত?
তবে ইউপি নির্বাচন পিছিয়ে যাচ্ছে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিশনার স্পষ্ট করে বলেন, বৃহস্পতিবার পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এখনো কমিশনের কোনো চূড়ান্ত বৈঠক হয়নি। কমিশনে আলোচনা ও আরও কিছু সমন্বয় বৈঠকের পর নির্দিষ্ট তারিখ জানানো হবে।

নভেম্বরে ভোট শুরু হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখনই এককভাবে এ বিষয়ে বলা সম্ভব নয়। কমিশনে বসে এবং আরও কিছু সমন্বয় বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

৬ জুনের আগেই শেষ করতে চায় ইসি
এর আগে ১৪ সেপ্টেম্বর ইসি জানিয়েছিল, দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়নে সাত ধাপে ভোট করার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে। সম্ভাব্য সূচিতে প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর। এরপর ১৭ জানুয়ারি, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২২ এপ্রিল ও ২৭ মে আরও চার ধাপে ভোট আয়োজনের কথা বলা হয়েছিল। এখন নতুন আলোচনায় জানুয়ারি ও পরবর্তী সময়ের সম্ভাবনাও সামনে এসেছে। তবে ইসির লক্ষ্য—সব ধাপের ভোট আগামী ৬ জুনের আগেই শেষ করা, অর্থাৎ এইচএসসি পরীক্ষার শুরুর আগে। ফলে সোমবারের ঘোষিত সম্ভাব্য সূচি থেকে চূড়ান্ত নির্বাচনী ক্যালেন্ডারে যেতে এখন ইসিকে পরীক্ষার সূচি, প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও পাওয়া সময়—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে মেলাতে হচ্ছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

মায়ামির হয়ে মেসির ১০০ গোল, জিতলেন ক্যাম্পিওনেস কাপ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
মায়ামির হয়ে মেসির ১০০ গোল, জিতলেন ক্যাম্পিওনেস কাপ

লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে যোগ হলো আরেকটি মাইলফলক। ইন্টার মায়ামির জার্সিতে ১০০ গোল পূর্ণ করেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। তাঁর শততম গোলের ম্যাচেই ক্রুজ আজুলকে ২–০ গোলে হারিয়ে ক্যাম্পিওনেস কাপ জিতেছে মায়ামি।

মায়ামির হয়ে মেসির ১০০তম গোলটি এসেছে হেডে। ম্যাচের ২৪ মিনিটে ডান দিক থেকে লুইস সুয়ারেজের দারুণ ক্রসে নিজের মার্কারকে টপকে উঠে হেড করেন মেসি। বল জালে জড়াতেই পূর্ণ হয় মায়ামির হয়ে তাঁর শততম গোল।

ম্যাচের ৮১ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে গোল করেন কাসেমিরো। তাতেই নিশ্চিত হয় মায়ামির ২–০ গোলের জয় এবং ক্যাম্পিওনেস কাপের শিরোপা।

মেজর লিগ সকারের চ্যাম্পিয়ন ও মেক্সিকোর লিগা এমএক্সের চ্যাম্পিয়নের মধ্যকার বার্ষিক লড়াই ক্যাম্পিওনেস কাপ। এবারই প্রথম এই শিরোপা জিতল ইন্টার মায়ামি। চলতি বছরে এটিই মেসির প্রথম শিরোপা।

একই সঙ্গে নতুন কোচ ক্রিস্তিয়ান ‘কিলি’ গনসালেসের অধীনে মায়ামির পথচলাও শুরু হলো শিরোপা দিয়ে।

১১৫ ম্যাচে ১০০ গোল

ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর মাত্র ১১৫ ম্যাচেই ১০০ গোল করেছেন মেসি। কোনো ক্লাব বা জাতীয় দলের হয়ে ১০০ গোলের মাইলফলকে পৌঁছাতে এটিই তাঁর দ্রুততম সময়।

বার্সেলোনার হয়ে ১০০ গোল পূর্ণ করতে মেসির লেগেছিল ১৮৮ ম্যাচ। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে এই মাইলফলকে পৌঁছাতে খেলেছেন ১৭৪ ম্যাচ।

২০২৩ সালে মায়ামিতে যোগ দেন মেসি। মজার ব্যাপার হলো, ক্লাবটির হয়ে তাঁর প্রথম গোলটিও এসেছিল ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে।

মায়ামির হয়ে মেজর লিগ সকারে মেসির গোল ৭৬টি। লিগস কাপে ১৪টি, কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপে ৮টি এবং ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে ১টি গোল করেছেন তিনি।

মায়ামির হয়ে চতুর্থ শিরোপা

মায়ামির হয়ে ২০২৩ সালে প্রথম শিরোপা জিতেছিলেন মেসি—লিগস কাপ। পরের বছর সাপোর্টার্স শিল্ড জেতে মায়ামি। সেই মৌসুমে এমএলএসে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে সর্বোচ্চ পয়েন্টের রেকর্ডও গড়েছিল দলটি।

এরপর ২০২৫ সালের এমএলএস কাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মেসি। এবার ক্যাম্পিওনেস কাপও যোগ হলো তাঁর মায়ামি অধ্যায়ের ট্রফির তালিকায়।

ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে ম্যাচে মেসিই নির্বাচিত হয়েছেন সেরা খেলোয়াড়।

মোট গোল ৯২৯

ক্লাব ও আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে মেসির মোট গোল এখন ৯২৯টি।

চলতি এমএলএস মৌসুমেও দুর্দান্ত ফর্মে আছেন তিনি। ২২ ম্যাচে করেছেন ১৯ গোল, যা লিগে সর্বোচ্চ। তবে এমএলএসের শিরোপা ধরে রাখার দৌড়ে মায়ামি এখন পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে।

ইস্টার্ন কনফারেন্সে ২৫ ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ন্যাশভিল। একইসংখ্যক ম্যাচে মায়ামির পয়েন্ট ৪৫—ব্যবধান ৯ পয়েন্ট।

কালের আলো/এসএ

অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ ড্র করা বাংলাদেশ দলকে কোয়াবের সংবর্ধনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ ড্র করা বাংলাদেশ দলকে কোয়াবের সংবর্ধনা

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ড্র করে দেশে ফেরা বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা দিয়েছে ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্লেয়ার্স লাউঞ্জ ‘টাইগার্স ডেন’-এ এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়া সফর করা দলের সব সদস্যকে সাফল্যের স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, বোর্ডের অন্যান্য পরিচালক এবং কোয়াবের উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা।

কোয়াবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন অস্ট্রেলিয়ায় দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন। টেস্ট ক্রিকেটে দলের সাম্প্রতিক অগ্রগতির জন্য পুরো কোচিং স্টাফের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তিনি।

বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওই টেস্ট সিরিজের কথা মনে পড়লেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশ দলের সাবেক ক্রিকেটার, বিসিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং কোয়াবের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সৈয়দ আশরাফুল হকও বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বাংলাদেশের টেস্ট মর্যাদা অর্জনের সংগ্রামের সময়কার বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন।

বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল দলের প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ দল এমন একটি কীর্তি অর্জন করেছে, যা সবার প্রত্যাশার বাইরে ছিল।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিসিবির প্রধান নির্বাচক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার, সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ, সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খান এবং সাবেক ক্রিকেটার এনামুল হক।

অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ফেরা দলের ক্রিকেটার লিটন দাস, হাসান মাহমুদ, শরীফুল ইসলাম ও তানজিদ হাসানও অনুষ্ঠানে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন ও কোচ ফিল সিমন্স কেক কাটেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে দলের লড়াকু পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে আয়োজিত এ সংবর্ধনায় খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিল উৎসবের আবহ।

কালের আলো/ এসএ

৫০০ কুমিরের নদীতেই হবে অলিম্পিকের রোয়িং

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৪ অপরাহ্ণ
৫০০ কুমিরের নদীতেই হবে অলিম্পিকের রোয়িং

অস্ট্রেলিয়ার রকহ্যাম্পটনের ফিটজরয় নদীতে বাস করে প্রায় ৫০০ নোনাপানির কুমির। সেই নদীতেই ২০৩২ ব্রিসবেন অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকের রোয়িং ও ক্যানো স্প্রিন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্রিসবেন থেকে প্রায় ৫৬৫ কিলোমিটার দূরের এই নদীকে একটি স্বাধীন কারিগরি মূল্যায়নের পর ক্যানোয়িংয়ের জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে মূল্যায়নের সময় কুমিরের উপস্থিতিকে ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। সেখানে মূলত গেমস চলাকালীন ও তার আগের সময়ে আবহাওয়া, পানির স্তর এবং বন্যার ঝুঁকি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

গেমস ইনডিপেনডেন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন অথরিটির তথ্য অনুযায়ী, ফিটজরয় নদীর ফ্ল্যাটওয়াটার ফ্যাসিলিটি আগে থেকেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এখানে স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, স্থানীয় রেগাটা এবং জাতীয় দলের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প নিয়মিত আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নদীতে কুমিরের উপস্থিতি নতুন কোনো বিষয় নয়। তাই কুমির দেখা দিলে অ্যাথলেট ও অন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট জরুরি পরিকল্পনাও রয়েছে। অলিম্পিক কর্মকর্তাদের আগেই এ বিষয়ে নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থার সবুজ সংকেত

রোয়িংয়ের আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড রোয়িং এবং ক্যানো স্প্রিন্টের আন্তর্জাতিক সংস্থা প্যাডেল ওয়ার্ল্ডওয়াইড—দুই সংস্থাই ফিটজরয় নদীকে প্রতিযোগিতার জন্য উপযুক্ত বলে অনুমোদন দিয়েছে।

ওয়ার্ল্ড রোয়িংয়ের সভাপতি জিন-ক্রিস্টোফ রোল্যান্ড বলেন, বিস্তারিত বিশ্লেষণের পর তাঁরা নিশ্চিত হয়েছেন যে ফিটজরয় নদী অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিক রোয়িংয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিযোগিতা আয়োজনের উপযুক্ত।

প্যাডেল ওয়ার্ল্ডওয়াইডের সভাপতি টমাস কোনিয়েটজকোও ভেন্যুটিকে ক্যানো স্প্রিন্টের জন্য উপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, কারিগরি মূল্যায়নের পর অ্যাথলেটদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।

‘সমুদ্রে হাঙরও থাকে’

ফিটজরয় নদীতে কুমিরের উপস্থিতি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছিল। তবে ব্রিসবেন ২০৩২-এর সভাপতি অ্যান্ড্রু লিভারিস গত বছর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগকে গুরুত্ব না দিয়ে বলেছিলেন, সমুদ্রে হাঙর থাকে বলে যেমন সার্ফিং বন্ধ করা হয় না, তেমনি কুমির আছে বলে রোয়িংও বন্ধ করার প্রয়োজন নেই।

ভেন্যু চূড়ান্ত হওয়ার পর তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি অলিম্পিক আয়োজনের পরিকল্পনাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে।

ফিটজরয় নদীর নোনাপানির কুমিরগুলো স্থানীয়ভাবে ‘সল্টি’ নামে পরিচিত। এরা স্বাদু ও লোনা—দুই ধরনের পানিতেই চলাচল করতে পারে। পূর্ণবয়স্ক কিছু কুমিরের দৈর্ঘ্য ছয় মিটারেরও বেশি হতে পারে।

ফলে ২০৩২ সালের অলিম্পিকে ফিটজরয় নদীতে রোয়িং ও ক্যানো স্প্রিন্টের সময় অ্যাথলেটদের প্রতিযোগিতার পাশাপাশি কুমিরের উপস্থিতিও যে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয় হয়ে থাকবে, তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

সূত্রঃবিবিসি

কালের আলো/এসএ