খুঁজুন
                               
, ,
           

ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে শক্তিশালী হচ্ছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে শক্তিশালী হচ্ছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর

ভোক্তাদের নিরাপদ, বিশুদ্ধ ও মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে প্রযুক্তি, জনবল ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার দিক থেকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একজন মানুষ কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে যেন ভেজাল, নিম্নমানের বা ক্ষতিকর পণ্য কিনতে বাধ্য না হন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। দেশের ১৭ থেকে ১৮ কোটি মানুষের ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় অধিদপ্তরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অধিদপ্তরকে আধুনিক ও কার্যকর করতে প্রশিক্ষণ, জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি বিদ্যমান সেবাগুলো পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের আকার বা পরিচিতির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষের জীবনে ওই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের বাস্তব প্রভাব। সে বিবেচনায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কাজের গুরুত্ব অনেক বেশি।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের কাঠামো, জনবল ও সেবা কার্যক্রম নিয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে (বিআইডিএস) দিয়ে গবেষণা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, গবেষণার সুপারিশের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও জনবান্ধব করা হবে। ভোক্তারা যাতে সহজে ও কার্যকরভাবে অধিদপ্তরের সেবা পান, সে লক্ষ্যে শিগগির নতুন কিছু উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মতবিনিময় সভায় অধিদপ্তরের বর্তমান কার্যক্রম, প্রযুক্তির ব্যবহার, জনবল কাঠামো, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ভোক্তা সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ফিফার নগদ তহবিল ৬০০ কোটি ডলার, সদস্যদের অর্থ দেওয়ার দাবি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ফিফার নগদ তহবিল ৬০০ কোটি ডলার, সদস্যদের অর্থ দেওয়ার দাবি

বাংলাদেশসহ ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থাকে অন্তত ১ কোটি ডলার করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা ও উত্তর, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় ফুটবল কনফেডারেশন (কনকাকাফ)। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতিটি সদস্য সংস্থার জন্য এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১২৩ কোটি টাকা।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে এ দাবি জানানো হয়েছে। চিঠিতে উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন ও কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তালিয়ানি স্বাক্ষর করেছেন।

২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত তহবিল নিয়ে প্রস্তাব

চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ থেকে ২০২৬ মেয়াদ শেষে ফিফার নগদ তহবিল প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০৩০ সালের পুরুষ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ফিফার প্রয়োজনের তুলনায় এই অর্থ অনেক বেশি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

উয়েফা ও কনকাকাফের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০৩০ চক্রে ফিফার ২১১ সদস্য সংস্থার প্রত্যেককে অন্তত ১ কোটি ডলার করে এককালীন বরাদ্দ দেওয়া উচিত। অবকাঠামো নির্মাণ ও ফুটবলের উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে।

এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে ফিফাকে অতিরিক্ত প্রায় ২১১ কোটি ডলার ব্যয় করতে হবে। নিয়মিত বরাদ্দের বাইরে এই অর্থ সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়নে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

বিনিয়োগ পরিকল্পনার নথি প্রকাশের দাবি

এদিকে এর একদিন আগে ফিফার সহসভাপতি ও ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপারসন ডেবি হিউইট ফিফার বাতিল হওয়া বিনিয়োগ পরিকল্পনার সব নথি প্রকাশের দাবি জানান। ১৫ অক্টোবর ফিফা কাউন্সিলের সভার আগেই এসব নথি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ফিফার বাণিজ্যিক ও টিকিটিং অধিকার পরিচালনার জন্য নতুন একটি কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে জাতীয় ফুটবল সংস্থাগুলোর বিরোধিতার মুখে চার দিনের মধ্যেই সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়।

এদিকে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগামী মার্চে ফিফা সভাপতি পদে চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

দেশীয় উৎসে বাড়ছে গ্যাস, কয়েক মাসে মিলতে পারে ৬৭.৫ মিলিয়ন ঘনফুট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
দেশীয় উৎসে বাড়ছে গ্যাস, কয়েক মাসে মিলতে পারে ৬৭.৫ মিলিয়ন ঘনফুট

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বাড়তি গ্যাস যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নতুন কূপ খনন এবং পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়নের মাধ্যমে আগামী কয়েক মাসে পাঁচটি কূপ থেকে দৈনিক সর্বোচ্চ প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)।

এরই অংশ হিসেবে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রায় ১৩ হাজার ফুট গভীর এই কূপের খননকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। উদ্বোধনের পর প্রসেস প্ল্যান্টের মাধ্যমে কূপটি থেকে সরাসরি জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে।

বিজিএফসিএল সূত্র জানায়, তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকেও দৈনিক সর্বোচ্চ প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। তিতাস-২৯-এর মূল খননকাজ শেষ হয়েছে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিতাস-৩০-এর কাজ তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অন্যদিকে, তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজও এগিয়ে চলছে। সফল হলে এই কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। এরপর বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের ১১ নম্বর গভীর কূপ থেকে আরও প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে সরবরাহ রয়েছে প্রায় ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট। ফলে শিল্প, বিদ্যুৎ ও আবাসিক খাতে দীর্ঘদিন ধরেই গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পাঁচটি কূপ থেকে সম্ভাব্য বাড়তি গ্যাস দেশের মোট চাহিদার তুলনায় খুব বেশি না হলেও এলএনজি আমদানির ওপর চাপ কিছুটা কমাতে এবং গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে রংপুরের পথে ১১ দল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে রংপুরের পথে ১১ দল

রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর সকাল ৮টায় সহস্রাধিক গাড়ির বহর নিয়ে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবেন জোটের নেতাকর্মীরা।

লংমার্চের বহর টঙ্গী, গাজীপুর ও টাঙ্গাইল হয়ে সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধা অতিক্রম করে রংপুরে পৌঁছাবে। পথে বিভিন্ন এলাকায় সাতটি জনসভা ও পাঁচটি পথসভা করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে নেতারা জানান, কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তারা সরকার, প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

নেতারা জানান, বিপুলসংখ্যক মানুষ ও সহস্রাধিক গাড়ির অংশগ্রহণের কারণে সড়কে যান চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে সাময়িক ভোগান্তি হতে পারে। এ জন্য তারা আগাম দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

লংমার্চে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদেরও সংযম বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো উসকানি বা বাধার মুখে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন জোটের নেতারা।

এদিকে রংপুর অভিমুখী লংমার্চে মোট আট দফা দাবি তুলে ধরছে ১১ দলীয় ঐক্য। আগের চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের ছয় দফার সঙ্গে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধের দাবি যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি হিসেবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়টিও যুক্ত হয়েছে।

জোটের নেতাদের দাবি, তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও কৃষির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই এ বিষয়ে দ্রুত কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

লংমার্চকে ঘিরে ঢাকা থেকে রংপুর পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মী ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। স্থানীয় জনগণ, রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়ার কথা জানিয়েছেন জোটের নেতারা।

কালের আলো/এমএসআইপি