খুঁজুন
                               
, ,
           

অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ ড্র করা বাংলাদেশ দলকে কোয়াবের সংবর্ধনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ ড্র করা বাংলাদেশ দলকে কোয়াবের সংবর্ধনা

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ড্র করে দেশে ফেরা বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা দিয়েছে ক্রিকেটারদের সংগঠন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্লেয়ার্স লাউঞ্জ ‘টাইগার্স ডেন’-এ এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়া সফর করা দলের সব সদস্যকে সাফল্যের স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল, বোর্ডের অন্যান্য পরিচালক এবং কোয়াবের উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা।

কোয়াবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন অস্ট্রেলিয়ায় দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন। টেস্ট ক্রিকেটে দলের সাম্প্রতিক অগ্রগতির জন্য পুরো কোচিং স্টাফের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান তিনি।

বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওই টেস্ট সিরিজের কথা মনে পড়লেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশ দলের সাবেক ক্রিকেটার, বিসিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং কোয়াবের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সৈয়দ আশরাফুল হকও বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বাংলাদেশের টেস্ট মর্যাদা অর্জনের সংগ্রামের সময়কার বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন।

বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল দলের প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ দল এমন একটি কীর্তি অর্জন করেছে, যা সবার প্রত্যাশার বাইরে ছিল।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিসিবির প্রধান নির্বাচক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার, সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ, সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খান এবং সাবেক ক্রিকেটার এনামুল হক।

অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ফেরা দলের ক্রিকেটার লিটন দাস, হাসান মাহমুদ, শরীফুল ইসলাম ও তানজিদ হাসানও অনুষ্ঠানে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন ও কোচ ফিল সিমন্স কেক কাটেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে দলের লড়াকু পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে আয়োজিত এ সংবর্ধনায় খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিল উৎসবের আবহ।

কালের আলো/ এসএ

লংমার্চের নামে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: রাশেদ খাঁন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
লংমার্চের নামে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: রাশেদ খাঁন

জামায়াত লংমার্চের নামে সরকার পতনের হুঁশিয়ারি দিয়ে আওয়ামী লীগকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, হঠকারিতার সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগ দেশে ফিরে এলে এর দায় জামায়াতকেই নিতে হবে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাস্থল ও স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, শহীদ আবু সাঈদ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তার রক্তের সঙ্গে জামায়াত বেঈমানি করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জ্বালানি সংকটের কথা বলে লংমার্চের নামে গাড়িবহর নিয়ে জামায়াত-এনসিপি জনদুর্ভোগ তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন। তার ভাষ্য, লংমার্চ গাড়িবহর নিয়ে নয়, পায়ে হেঁটে হওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, শুধু নির্বাচনে জেতার জন্য আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে—এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, মানুষ এসব ভুলে যায়নি। গণহত্যার বিচার বিএনপি সরকার করছে। ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলার রায় হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রংপুরে লংমার্চকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করেছিল বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জামায়াতের উত্থাপিত সাতটি দাবির প্রত্যেকটিই সরকার বাস্তবায়ন করছে। এ অবস্থায় রাস্তাঘাট বন্ধ করে লংমার্চ করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

রাস্তাঘাট অচল করে জনগণের উপকারের পরিবর্তে ভোগান্তি বাড়ানো হচ্ছে দাবি করে রাশেদ খাঁন বলেন, ঢাকাসহ বিভিন্ন সড়ক বন্ধ রাখার কারণে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। রংপুরের সড়কও বন্ধ হলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হবে।

এর আগে সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন রাশেদ খাঁন। সেখানে তিনি আগামী দুই বছরের মধ্যে হাসপাতালটিকে আধুনিকায়নের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে রংপুরের মানুষকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যেতে হবে না এবং হাসপাতালে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট থাকবে না।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ট্রাম্পের নৈশভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪০ অপরাহ্ণ
ট্রাম্পের নৈশভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে অধিবেশনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য বৈঠকের তালিকায় রয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেঙ্কোভিচ এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। এ ছাড়া সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সঙ্গে বৈঠক হতে পারে।

এ ছাড়া বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসনের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে। সফরকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ৮১তম সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্র জানায়, ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। সফর শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। এবারের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর তালিকাও তুলনামূলক ছোট রাখা হচ্ছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

হাসিনার আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
হাসিনার আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের সরকার। ঢাকার এই উদ্যোগ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় নয়াদিল্লি প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশ আগের সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের বিষয়টিও এই পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে—এ বিষয়ে ভারতের প্রতিক্রিয়া কী?

জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ‘এ বিষয়ে গণমাধ্যমের কিছু প্রতিবেদন দেখেছি, তবে ঢাকার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের কাছে কিছু জানানো হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই, ভারত তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।’

এরআগে গত ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের বিষয়টিও এই পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ।

তিনি বলেন, আগের সরকারের করা কিছু ব্যবস্থায় বিদেশি জাহাজকে বাংলাদেশের জাহাজের তুলনায় অগ্রাধিকার দেওয়ার সুযোগ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো ব্যবস্থা থাকলে তা পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

নুরুল ইসলাম মনি আরও বলেন, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ। কিন্তু সেই সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এসব চুক্তির পর্যালোচনার ফলাফল খুব শিগগিরই জানানো হবে বলেও জানান চিফ হুইপ। তবে কোন কোন চুক্তি বহাল থাকবে, সংশোধন হবে বা বাতিল হতে পারে—এ বিষয়ে সরকার এখনো নির্দিষ্ট কোনো তালিকা প্রকাশ করেননি তিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএউচ