খুঁজুন
                               
, ,
           

গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে, জার্মান প্রতিনিধিদলকে স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে, জার্মান প্রতিনিধিদলকে স্পিকার

বাংলাদেশের জনগণের বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বর্তমান সরকার সচেষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে জার্মানির একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার বাংলাদেশ ও জার্মানির দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার সূচনালগ্ন থেকেই জার্মান সরকার বাংলাদেশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহায়তা করে আসছে। ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্যও জার্মানি।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জিত হলেও দীর্ঘদিন কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, পরপর তিনটি নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন করে গণতন্ত্রকে বিপর্যস্ত করেছিল।

তিনি আরও বলেন, গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও বিতর্কিত নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এর পর দেশে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্পিকার বাংলাদেশের নারীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমান সংসদে জনগণের ভোটে নির্বাচিত ছয়জন নারী সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন।

বৈঠকে জার্মানি-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন, সংসদীয় কূটনীতির প্রসার এবং বাংলাদেশে চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও মতবিনিময় হয়।

জার্মানির ফেডারেল পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বুন্দেস্ট্যাগের সদস্য নিকলাস কাপের নেতৃত্বে গেরোল্ড ওটেন, জোহান সাথফ, উলে শাউস এবং ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় জার্মান দূতাবাস ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এসআইপি

২৫ হাজার টাকার জন্য পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে হত্যা, বলছে এসআরবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
২৫ হাজার টাকার জন্য পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে হত্যা, বলছে এসআরবি

পাবনার সাঁথিয়ায় পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজকে (৫৫) মাত্র ২৫ হাজার টাকার লোভে পরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান অভিযুক্ত মোহাম্মদ রেজাউল করিম প্রামাণিক ওরফে ‘বাঘা’কে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি ফোর্সেসের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

এসআরবি জানায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ডাঙ্গামারি গ্রামের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ নিখোঁজ হন। ব্যবসার কারণে তার কাছে সবসময় নগদ টাকা থাকত—এমন তথ্য জানার পর তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন চারজন।

নিখোঁজের পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয়রা একটি পুকুরে ভাসমান অবস্থায় আব্দুল আজিজের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের স্বজনের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সাঁথিয়া থানায় হত্যা মামলা হয়।

এসআরবির ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আব্দুল আজিজকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ একটি পুকুরে ফেলে রেখে যায়।

মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ চারজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করে। তাঁদের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চারজন মিলে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেন বলে জানায় এসআরবি।

তদন্তে উঠে আসে, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী বাঘা ঘটনার পর বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

এসআরবি জানায়, বাঘা নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। পরে ১৭ সেপ্টেম্বর এসআরবি-১১ ও এসআরবি-১২-এর যৌথ আভিযানিক দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, গ্রেপ্তার বাঘা নিজেকে একটি নিষিদ্ধ সর্বহারা গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে স্বীকার করেছেন। আব্দুল আজিজের কাছে সবসময় টাকা-পয়সা থাকে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে মাত্র ২৫ হাজার টাকার লোভে চারজন মিলে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন বাঘা।

গ্রেপ্তার বাঘাকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য পাবনার সাঁথিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

মালিবাগে পরপর ককটেল বিস্ফোরণ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
মালিবাগে পরপর ককটেল বিস্ফোরণ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

রাজধানীর মালিবাগ রেলগেট এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে মালিবাগ ফ্লাইওভারের ওপর থেকে নিচের সড়কে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে মালিবাগ ফ্লাইওভারের ওপর থেকে নিচে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। ওই সময় দোকানপাট বন্ধ থাকায় এবং সড়কে লোকজন না থাকায় বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম জানান, দুপুর ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে ফ্লাইওভারের ওপর থেকে সড়কে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনায় জড়িত কাউকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ডেঙ্গু প্রতিরোধে হাতে হাতে পরিচ্ছন্নতা, খাল পরিষ্কার করলেন হুইপ অপু

শরীয়তপুর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে হাতে হাতে পরিচ্ছন্নতা, খাল পরিষ্কার করলেন হুইপ অপু

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে নিজ হাতে খালের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ভেদরগঞ্জ উপজেলায় আয়োজিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন তিনি। এ সময় হুইপ অপু নিজ হাতে খালের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন।

কর্মসূচির শুরুতে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, স্থানীয় বাসিন্দাসহ অংশগ্রহণকারীদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার শপথ পাঠ করান হুইপ অপু।

এ সময় তিনি ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে বাড়ির আশপাশ ও বিভিন্ন জলাশয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি মশার বংশবিস্তারের সম্ভাব্য স্থানগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করার আহ্বান জানান।

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকার পরিবেশ পরিষ্কার রাখার বার্তা দেওয়া হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি