খুঁজুন
                               
, ,
           

রাকসু তহবিলের ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার ভাউচার দেননি জিএস আম্মার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
রাকসু তহবিলের ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার ভাউচার দেননি জিএস আম্মার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার। এর মধ্যে মাত্র ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা দিয়েছেন তিনি। ফলে উত্তোলন করা ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার ব্যয়ের হিসাব এখনো জমা পড়েনি।

রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের ব্যয়ের বিবরণীসংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে। নথি অনুযায়ী, জিএস আম্মার সাত ধাপে মোট ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হলেও বাকি অর্থের হিসাব নথিতে পাওয়া যায়নি।

নথিতে দেখা যায়, ১৫ জানুয়ারি ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় বুথ স্থাপনের জন্য ৩ লাখ ২ হাজার টাকা, ২৭ জানুয়ারি রাকসু সদস্যদের জানুয়ারি মাসের বাজেট বাবদ ১৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা এবং ১৩ এপ্রিল রাকসু সদস্যদের দাপ্তরিক খরচের জন্য ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। এই তিন ধাপে উত্তোলন করা মোট ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার এখনো জমা হয়নি।

বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়ে সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ভর্তি পরীক্ষার বুথ স্থাপনের সময় এটি তাদের প্রথম দিকের বাজেট ছিল। তখন ব্যয়ের সঙ্গে ভ্যাট যোগ করার বিষয়টি জানা না থাকায় প্রায় ৩ লাখ টাকার হিসাব সমন্বয় করে বিল করতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে।

রাকসু সদস্যদের জন্য উত্তোলন করা ১৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ওই অর্থের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদকের হিসাব না আসায় তা জমা দেওয়া হয়নি। আরেকটি অর্থের হিসাব জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান বলেন, কোনো কর্মসূচি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিল-ভাউচার জমা দেওয়া উচিত। রাকসুর কিছু বিল-ভাউচার এখনো জমা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের নিয়ম মেনে তা জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

রাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, যেকোনো কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর বিল-ভাউচারসহ আর্থিক হিসাব জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। রাকসুর প্রতিটি অধিবেশনে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে কোষাধ্যক্ষকে বলা হয়েছে। কেন এখনো সব ভাউচার জমা পড়েনি, তা খতিয়ে দেখা হবে।

রাকসুর বর্তমান পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য তহবিল থেকে মোট ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার এখনো জমা পড়েনি। বাকি অর্থের হিসাব না দেওয়ার ক্ষেত্রে জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের নামে উত্তোলন করা অর্থের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

‘মক্কা চুক্তি’তে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে মুখ খুলল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ণ
‘মক্কা চুক্তি’তে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে মুখ খুলল ভারত

চলতি মাসে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সমন্বয়ে গঠিত নতুন প্রতিরক্ষা জোটে (মক্কা চুক্তি) বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদানের গুঞ্জন নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ভারত।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান— সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক জোট এবং এতে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার গুঞ্জনটি ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর কী প্রভাব ফেলবে?

জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে নয়াদিল্লি। এ মুহূর্তে এ বিষয়ে আর কিছু বলার নেই’।

তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ভারত তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

এর আগে ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং ব্রিকস সম্মেলনে তার অংশগ্রহণের বিষয়ে জানতে চাইলে জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিষয়ে যে প্রশ্নটি করা হয়েছে, সে বিষয়ে আমার আপাতত কিছুই বলার নেই। আমার কাছে কোনো আপডেট থাকলে তা আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।’

আরেক সাংবাদিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে বর্তমান অবস্থা জানতে চান।

জবাবে জয়সওয়াল স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর। তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নদী-সম্পর্কিত সব বিষয় যৌথ নদী কমিশনের আওতায় আলোচনা হয়। পাশাপাশি গঙ্গা পানি চুক্তির অধীনে যৌথ কমিটির বৈঠকও কারিগরি পর্যায়ে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ হলো— সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় সম্মিলিত প্রতিরক্ষা চুক্তি।

গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় এই তিন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব—সৌদির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই চুক্তির প্রধান শর্ত হলো—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। কোনো সদস্য আক্রান্ত হলে বাকি দুই দেশ তাকে সামরিক ও কৌশলগত সহায়তা দিতে বাধ্য থাকবে, যা পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর ‘আর্টিকেল-৫’ এর মতো একটি যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এই জোটে যোগদানের কোনো আনুষ্ঠানিক বা চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বৈদেশিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ইঙ্গিত দিয়েছেন, বদলে যাওয়া আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যেকোনো জোটে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজস্ব অর্থনৈতিক ও জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেবে।

ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বড় উদ্বেগের জায়গা হলো পাকিস্তান। এখন বাংলাদেশ যদি পাকিস্তানের সামরিক অংশীদারিত্বের জোটে যোগ দেয়, তবে তা দিল্লির জন্য অস্বস্তির বড় কারণ হবে।

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর ওপর দিল্লির যে একচেটিয়া আঞ্চলিক প্রভাব ছিল, তা ধীরে ধীরে শিথিল হচ্ছে। তুরস্কের কাছ থেকে বাংলাদেশের অস্ত্র কেনা বৃদ্ধি এবং পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করার বিষয়গুলোকে তারা সতর্কসংকেত হিসেবে দেখছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মন্ত্রিসভায় সম্প্রসারণ: ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীর শপথ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
মন্ত্রিসভায় সম্প্রসারণ: ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীর শপথ

সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল এনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর অংশ হিসেবে নতুন করে চারজন মন্ত্রী ও দুইজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া চারজন হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

শপথ নিলেও নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের দফতর এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বণ্টন করা হয়নি। তবে ড. মঈন খান স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য মন্ত্রণালয়, সাচিং প্রু জেরী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জানা গেছে।

এছাড়া হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপুল বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। ওইদিন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

পরবর্তীতে মন্ত্রিসভায় কয়েকটি পদ শূন্য হয়। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর পদটিও শূন্য হয়। এসব শূন্যতা পূরণ এবং মন্ত্রিসভায় সমন্বয় আনতেই নতুন করে চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীকে যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টনের পর মন্ত্রিসভার কার্যক্রমে আরও গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মির্জা ফখরুলের শপথ, শুরু হলো নতুন রাষ্ট্রপতি অধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
মির্জা ফখরুলের শপথ, শুরু হলো নতুন রাষ্ট্রপতি অধ্যায়

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে শপথ পড়ান জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল।

শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিচারপতি, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

এর আগে সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহর বঙ্গভবনে প্রবেশ করে। শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবন ও আশপাশের এলাকায় জোরদার করা হয় নিরাপত্তাব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ডাইভারশন কার্যকর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

একই দিন নির্বাচন কমিশন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এর আগে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। সংবিধান অনুযায়ী এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব নেন।

মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বেরও অবসান হলো।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি