খুঁজুন
                               
, ,
           

আপত্তির মুখে কনসার্ট বন্ধ নিয়ে কি বলছেন শিল্পীরা?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
আপত্তির মুখে কনসার্ট বন্ধ নিয়ে কি বলছেন  শিল্পীরা?

দুই দিনের ব্যবধানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জে কনসার্ট বাতিলের ঘটনায় দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কোনো পক্ষের আপত্তি বা হুমকির মুখে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়াকে শিল্পীরা দেখছেন সংস্কৃতিচর্চার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য অশনিসংকেত হিসেবে।

শিল্পীদের মতে, কোনো অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তি থাকলে আলোচনা ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সমাধান করা যেতে পারে। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর আগে সব প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর তা বাতিল করা হলে শিল্পী, আয়োজক, যন্ত্রশিল্পী ও সংশ্লিষ্ট সবার আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি তৈরি হয় অনিশ্চয়তা।

সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মতো সংগীতসমৃদ্ধ এলাকায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধের ঘটনা সেখানকার ঐতিহ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাঁর মতে, শব্দ নিয়ে আপত্তি থাকলে শব্দ কমিয়ে অনুষ্ঠান করার ব্যবস্থা করা উচিত, অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া নয়।

তিনি বলেন, সংস্কৃতি একটি জাতির পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি। তাই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কোনো গোষ্ঠী বা মহলের উগ্র আচরণের সুযোগ থাকা উচিত নয়। সরকারের প্রতি তাঁর আহ্বান, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায় থেকে স্পষ্ট ও কঠোর বার্তা দেওয়া হোক।

কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনও ঘটনাগুলোকে উদ্বেগজনক বলে মনে করেন। তাঁর ভাষায়, একটি অনুষ্ঠান কারও পছন্দ না হলে সেটি না দেখার অধিকার তাঁর রয়েছে; কিন্তু পছন্দ না হওয়ার কারণে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার যৌক্তিকতা নেই।

সাবিনা বলেন, কোনো সরকারি সংস্থার আপত্তি থাকলে অনুষ্ঠান আয়োজনের আগেই তা জানানো উচিত। সব প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর হঠাৎ অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিলে শুধু শিল্পী নয়, আয়োজকসহ সংশ্লিষ্ট সবার বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়। এ ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে শিল্পীদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হবে বলেও মনে করেন তিনি।

ব্যান্ড তারকা হামিন আহমেদ মনে করেন, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়; গত কয়েক বছরে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার প্রবণতা ধীরে ধীরে বেড়েছে। তাঁর মতে, অতীতে এ ধরনের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণেই একটি গোষ্ঠী আরও উৎসাহিত হয়েছে।

হামিনের দাবি, দুই জেলার সাম্প্রতিক ঘটনা দ্রুত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। কোনো গোষ্ঠী আপত্তি বা হুমকি দিলেই প্রশাসনের দায়িত্ব অনুষ্ঠান বাতিল করে দেওয়া নয়; বরং শিল্পী, আয়োজক ও দর্শকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে আয়োজন করাই প্রশাসনের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ সংগীতের সঙ্গে যুক্ত ও সংগীতপ্রেমী। তাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মতো সংগীতের ঐতিহ্যবাহী এলাকায় কনসার্টকে ঘিরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীনও মনে করেন, কনসার্ট বন্ধের ঘটনা শিল্পীদের নিরুৎসাহিত করতে পারে। তাঁর মতে, একজন শিল্পী, খেলোয়াড়, কবি বা অন্য যেকোনো পেশার মানুষ যেন নিরাপদে নিজের কাজ করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বেবী নাজনীন বলেন, শিল্পীদের আয়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস হলো কনসার্ট। তাই বারবার অনুষ্ঠান বাতিল হলে তাঁদের পেশাগত ও আর্থিক ক্ষতি হবে। তিনি প্রতিটি ঘটনার গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্‌সির মতে, কোনো একটি পক্ষ আপত্তি করলেই প্রশাসনের অনুষ্ঠান বাতিল করে দেওয়া উচিত নয়। কোনো আপত্তি যৌক্তিক কি না, তা যাচাই করে নিয়মশৃঙ্খলা মেনে সমাধান করতে হবে।

তিনি বলেন, একজনের ব্যক্তিগত অপছন্দের কারণে অন্যদের সাংস্কৃতিক অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না। নাচ, গান, আবৃত্তি, অভিনয় ও যাত্রাপালার মতো শিল্পমাধ্যম দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ। তাই এগুলোকে টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্রের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

ন্যান্‌সির মতে, কোনো অনুষ্ঠানে নিরাপত্তাজনিত সমস্যা বা হুমকি তৈরি হলে তা মোকাবিলা করে শিল্পী ও দর্শকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের দায়িত্ব। নিরাপত্তার অজুহাতে বৈধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে সংস্কৃতির জন্য ক্ষতিকর।

পাঁচ শিল্পীই মূলত একটি বিষয়ে একমত—কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আপত্তির কারণে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড থেমে থাকা উচিত নয়। বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাঁদের প্রত্যাশা, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর তদন্তের পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে আপত্তি বা হুমকির মুখে কনসার্ট বন্ধ করার প্রবণতা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

কালের আলো/এসএ

খুলনায় রূপসা এক্সপ্রেসের ১২ চাকা লাইনচ্যুত, সীমান্ত এক্সপ্রেস অনিশ্চিত

খুলনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় রূপসা এক্সপ্রেসের ১২ চাকা লাইনচ্যুত, সীমান্ত এক্সপ্রেস অনিশ্চিত

খুলনায় রেলওয়ে ইয়ার্ডে রূপসা এক্সপ্রেসের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ট্রেনটি ওয়াশপিটে নেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বগি দুটির ১২টি চাকা লাইন থেকে ছিটকে পড়ে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, যাত্রা শেষে রূপসা এক্সপ্রেসের খালি ট্রেনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য ওয়াশপিটে নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় ইয়ার্ডের ভেতরে দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনটি খালি থাকায় এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

দুর্ঘটনার পর খুলনা থেকে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা সীমান্ত এক্সপ্রেসের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। কখন ট্রেনটি ছাড়তে পারবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া ঢাকাগামী ২৫ আপ নকশীকাঁথা এক্সপ্রেসের যাত্রাও প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

খুলনা স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক করার কাজ শুরু হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে অন্যান্য ট্রেনের চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে। তবে সীমান্ত এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

যুদ্ধ নয়, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
যুদ্ধ নয়, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধ, নিরাপত্তা সংকট, ভূখণ্ড দখল বা শোষণের সঙ্গে জড়াতে চায় না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ। দেশের উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের একটি সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট শুধু একটি অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিভিন্ন দেশকে ভোগাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার প্রতিযোগিতাও সহজে শেষ হওয়ার নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ব সম্প্রদায়ের অংশ এবং দেশটি স্থিতিশীলতা চায়। কারণ মানুষের প্রধান চিন্তা খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে। যুদ্ধ বা অস্থিতিশীলতায় জড়ানোর মতো সময় বাংলাদেশের নেই। দিন শেষে এসব সংকটের ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষই হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতের প্রভাবে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথাও তুলে ধরেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেসব যুদ্ধের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই, সেসব যুদ্ধের প্রভাবেও বাংলাদেশকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধে জড়াতে চায় না। চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ পরাশক্তিগুলো বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা করবে—এটাই প্রত্যাশা।

বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করতে প্রস্তুত। তাদের প্রয়োজন এমন একটি স্থিতিশীল পরিবেশ, যেখানে তারা শান্তিতে কাজ করতে পারবেন এবং দেশের উন্নয়ন এগিয়ে নিতে পারবেন।

‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ প্রতিপাদ্যে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ বক্তা, ৩০০ প্রতিনিধি ও এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনটি ৫ অক্টোবর শেষ হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

গ্যাস সিলিন্ডারে বেশি দাম, ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
গ্যাস সিলিন্ডারে বেশি দাম, ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সরকার নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগরসহ দেশের ১৬ জেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) অধিদপ্তরের ২৩টি টিম একযোগে ডিলার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করে।

অধিদপ্তর জানায়, বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম নেওয়া বন্ধ করতে এ তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়।

অভিযানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও প্রদান, সিলিন্ডারের নিরাপত্তাবিধি মানা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না তা যাচাই করা হয়।

এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিকভাবে সিলিন্ডার মজুত এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রি এবং দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শনের বিষয়েও সতর্ক করা হয়।

ভোক্তাদের সিলিন্ডার কেনার সময় ওজন, সিল, মেয়াদ ও দৃশ্যমান ত্রুটি যাচাই করার পাশাপাশি মূল্যতালিকা দেখে রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহের পরামর্শ দিয়েছে অধিদপ্তর।

গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ যোগাযোগ করা যাবে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাজারে শৃঙ্খলা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি