খুঁজুন
                               
, ,
           

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০২, মামলা ৭১

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০২, মামলা ৭১

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময়ে বিভিন্ন অভিযোগে ৭১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. আকতার হোসেন গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

ডিএমপি জানায়, অভিযানে মিরপুর বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া তেজগাঁওয়ে ৯৪, মতিঝিলে ৭২, ওয়ারীতে ৫৫, উত্তরা ৫০, লালবাগ ২৮, গুলশান ৩২, রমনা ১৮ এবং গোয়েন্দা বিভাগে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানকালে ৭ হাজার ৯৪২ পিস ইয়াবা, ৫ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৩ দশমিক ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি ছুরি, চারটি চাপাতি, একটি স্পোকেট, দুটি হেলমেটসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া দুটি পিকআপ, ১৫০ লিটার ডিজেল, একটি ড্রাম, একটি ব্যাটারি, একটি প্লাস্টিকের পাইপ এবং নগদ ২ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামতসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

বাফুফের নতুন জার্সি: দাম, কোথায় পাবেন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
বাফুফের নতুন জার্সি: দাম, কোথায় পাবেন

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নতুন অফিশিয়াল জার্সি ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বাজারে এসেছে। বাফুফের কিট পার্টনার দৌড় এই জার্সি তৈরি করেছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জার্সির দাম ও সংগ্রহের প্রক্রিয়া জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন অফিশিয়াল ম্যাচ জার্সির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। আর নাম ও জার্সি নম্বর যুক্ত করে কাস্টমাইজড জার্সি কিনতে খরচ হবে ১ হাজার ৭০০ টাকা।

‘দৌড়’-এর নিজস্ব কোনো শোরুম নেই। তাই দেশজুড়ে ইনফিনিটি মেগা মলের আউটলেটগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বাফুফের অফিশিয়াল জার্সি।

এ ছাড়া ঘরে বসে জার্সি কিনতে চাইলে বাফুফের অফিশিয়াল কিট পার্টনার ‘দৌড়’-এর ফেসবুক পেজ ও অনলাইন স্টোরের মাধ্যমে সরাসরি অর্ডার করা যাবে।

অফিশিয়াল ম্যাচ জার্সির দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে ব্যবহৃত ফেব্রিকের কথা জানিয়েছেন ‘দৌড়’-এর স্বত্বাধিকারী আবিদ আলম চৌধুরী।

তিনি বলেন, “ফেব্রিকের কারণে দামটা একটু বেশি। তবে সামনে আমরা ফ্যান এডিশন করছি, যেটা ৭০০-৮০০ টাকার মধ্যে হতে পারে। বাফুফের অনুমোদন পেলে এটা বাজারে ছাড়া হবে।”

অর্থাৎ, যারা তুলনামূলক কম দামে বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের জার্সি কিনতে চান, তাদের জন্য ভবিষ্যতে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে ফ্যান এডিশন বাজারে আসতে পারে। তবে সেটি এখনো বাফুফের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

কালের আলো/এসএ

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ২৩০৬ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ২৩০৬ মামলা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে একদিনে ২ হাজার ৩০৬টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. আকতার হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

ডিএমপি জানায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১১৩টি, লালবাগে ১৯৩টি, মতিঝিলে ৩২২টি, ওয়ারীতে ৪১৫টি, তেজগাঁওয়ে ১৫৬টি, মিরপুরে ৪০৩টি, উত্তরা বিভাগে ৪৬৮টি এবং গুলশানে ২৩৬টি মামলা করা হয়েছে।

অভিযানে বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে এসব মামলা করা হয়। এর মধ্যে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, সিএনজি ও মোটরসাইকেল রয়েছে।

এ ছাড়া অভিযানকালে ৪৯৮টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৩৩৬টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং আইন লঙ্ঘন ঠেকাতে ট্রাফিক বিভাগের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর বেতন বাড়ছে ৬০ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর বেতন বাড়ছে ৬০ শতাংশ

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসহ শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঙ্গাপুর সরকার। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওংয়ের বার্ষিক বেতন ৬০ শতাংশের বেশি বেড়ে প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার হবে, যা প্রায় ২.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বর্তমানে লরেন্স ওং বছরে প্রায় ২.২ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার পান এবং তিনি বিশ্বের সর্বোচ্চ বেতনভোগী রাজনৈতিক নেতা। নতুন কাঠামো অনুযায়ী তার বেতন প্যাকেজ প্রায় ১.৪ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার বাড়বে।

তবে বেতন বৃদ্ধির ফলে অতিরিক্ত যে অর্থ তিনি পাবেন, তা আগামী পাঁচ বছর দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করার ঘোষণা দিয়েছেন ওং। তার যুক্তি, দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিদের রাজনীতিতে আকৃষ্ট করতে মন্ত্রীদের প্রতিযোগিতামূলক বেতন দেওয়া প্রয়োজন।

সিঙ্গাপুর সরকার দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চ সরকারি বেতনের পক্ষে যুক্তি দিয়ে আসছে। সরকারের দাবি, মন্ত্রীদের পর্যাপ্ত বেতন দিলে দক্ষ ব্যক্তিদের সরকারি দায়িত্বে আনা সহজ হয় এবং দুর্নীতির ঝুঁকিও কমানো সম্ভব।

তবে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে সিঙ্গাপুরে সমালোচনা শুরু হয়েছে। চাকরির নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগের মধ্যেই মন্ত্রীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বর্তমানে সিঙ্গাপুরে মানুষের মধ্যম মাসিক আয় প্রায় ৫ হাজার ৭৭৫ সিঙ্গাপুর ডলার। এর তুলনায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের আয় অনেক বেশি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মঙ্গলবার লরেন্স ওংও স্বীকার করেছেন, মন্ত্রীদের বেতন নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। তবে তিনি বলেন, ব্যবসায়ী নেতা ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের ভালো বেতনের পেশা ছেড়ে রাজনীতিতে আসতে উৎসাহিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

ওং বলেন, “সরকার এসব ব্যক্তির আগের আয়ের সমান বেতন দিতে পারবে না। তবে তাদের বর্তমান পেশা ছেড়ে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পথে অপ্রয়োজনীয় আর্থিক বাধা তৈরি করতে চায় না সরকার।”

তার মতে, নতুন বেতন কাঠামো বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রীদের যোগ্য সিঙ্গাপুরবাসীকে রাজনীতিতে আনতে এবং দেশের জন্য শক্তিশালী নেতৃত্ব তৈরি করতে সহায়তা করবে।

নতুন কাঠামো অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের একজন মন্ত্রীর মূল বার্ষিক বেতন প্রায় ১.১ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ১.২ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার হবে। কর্মক্ষমতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত অর্থ যোগ হলে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে বেশিরভাগ মন্ত্রীর বার্ষিক আয় প্রায় ১.৩৫ মিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

মন্ত্রীদের বেতনের একটি অংশ দেশের অর্থনৈতিক ও কর্মসংস্থানের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। বেকারত্বের হার, মানুষের আয় বৃদ্ধি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধির মতো নির্দিষ্ট সূচকে লক্ষ্য অর্জন করা হলে পারফরম্যান্সভিত্তিক অতিরিক্ত বেতন দেওয়া হবে।

বেতনের দিক থেকে লরেন্স ওংয়ের পরেই রয়েছেন হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী জন লি। তার বার্ষিক বেতন প্রায় ৭ লাখ ১৯ হাজার মার্কিন ডলার। এরপর সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিনের বার্ষিক বেতন প্রায় ৬ লাখ ৬ হাজার ডলার।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বার্ষিক বেতন ৪ লাখ ডলার এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের বেতন প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

সিঙ্গাপুরের ক্ষমতাসীন পিপলস অ্যাকশন পার্টি (পিএপি) স্বাধীনতার পর থেকেই দেশটির সরকার পরিচালনা করছে। দলটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের সমালোচনার অন্যতম বিষয় হলো প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত উচ্চ বেতন। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে সেই বিতর্ক আরও জোরালো হতে পারে।

কালের আলো/এসএ