খুঁজুন
                               
, ,
           

অপরাধকে অপরাধ হিসেবেই দেখা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
অপরাধকে অপরাধ হিসেবেই দেখা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, সেখানেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযোগ গ্রহণ, মামলা, তদন্ত ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, অপরাধের ঘটনায় কাউকে কোনো ‘মেসেজ’ দেওয়ার বিষয় নেই; অপরাধকে অপরাধ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

একজন সংসদ সদস্যের পদত্যাগ এবং তাকে নজরদারিতে আনা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওই সংসদ সদস্য পদত্যাগ করেছেন, নাকি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, সেটি তিনি জানেন না। বিষয়টি স্পিকার বলতে পারবেন। আর দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়টি দলের প্রধান বলতে পারবেন। এ বিষয়ে তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধ দমনে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যেখানেই যে ধরনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে, পুলিশ সেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে। অভিযোগ গ্রহণ, মামলা দায়ের, তদন্ত ও গ্রেপ্তার—সব প্রক্রিয়াই পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ছয়-সাত মাসে এমন কোনো ঘটনার উদাহরণ দেওয়া যাবে না, যেখানে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালন করেনি। কোনো কোনো ঘটনায় ১২ ঘণ্টা, কোথাও ২৪ ঘণ্টা, আবার কোথাও ৪৮ ঘণ্টা বা সাত দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এমনকি কিছু ঘটনায় ১৫ থেকে ১৭ দিনের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম শেষ হওয়ার নজিরও রয়েছে বলে জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অপরাধ যাতে না ঘটে, সে জন্যও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজে কোনো ত্রুটি থাকলে তা গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ত্রুটি পাওয়া গেলে তা সংশোধনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত অপরাধ ও অনিয়মের খবর সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় সংবাদ প্রতিবেদন থেকেই কোনো ঘটনার বিষয়ে তারা জানতে পারেন এবং পরে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধের খবর প্রকাশের পাশাপাশি সমাজকে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল রাখা এবং জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সরকার ও গণমাধ্যমের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সমাজে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যু সাংবাদিকতা অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যু সাংবাদিকতা অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি তৌফিক ইমরোজ খালিদীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৌফিক ইমরোজ খালিদী দেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম জগতের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার নেতৃত্বে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম বাংলাদেশের অনলাইন সাংবাদিকতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং সংবাদ পরিবেশনে ডিজিটাল মাধ্যমের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে অবদান রেখেছে।

দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে পেশাদারিত্ব, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতার চর্চায় তৌফিক ইমরোজ খালিদীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে তৌফিক ইমরোজ খালিদীর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যু দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

প্রতিমন্ত্রী মরহুমের পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীদের এই গভীর শোক ও ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি কামনা করেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী ২০০৬ সালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সম্পাদক হিসেবে তিনি এর সাংবাদিকতা ও ডিজিটাল সংবাদ কার্যক্রম এগিয়ে নেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক রাষ্ট্রপতির

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তৌফিক ইমরোজ খালিদী। তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ২টা ২৩ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে তৌফিক ইমরোজ খালিদী ছিলেন একজন পথিকৃৎ। তার মৃত্যুতে দেশ একজন অভিজ্ঞ, সজ্জন ও বরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে।

সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমে তৌফিক ইমরোজ খালিদীর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও শোকবার্তায় উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিগত স্মৃতির কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তার মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার আখতারুজ্জামান, হ্যান্ডকাফ পরাতে বললেন নিজেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার আখতারুজ্জামান, হ্যান্ডকাফ পরাতে বললেন নিজেই

ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তারের সময় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যদের উদ্দেশে ‘ডিবি ভাই, হাতে হ্যান্ডকাফ পরান’ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরে তাকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময়ের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি পরা অবস্থায় ডিবি সদস্যদের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয়ে গাড়িতে ওঠেন আখতারুজ্জামান। এ সময় তিনি পুলিশের সদস্যদের উদ্দেশে বিভিন্ন কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘ও ভাই, ডিবি ভাই, হাতে হ্যান্ডকাফ পরান।’ একই সঙ্গে দুই হাত উঁচু করে মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় হ্যান্ডকাফ পরানোর ইশারা করেন।

বর্তমানে আখতারুজ্জামান বিমানবন্দর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) রেজাউল করিম জানান, বিমানবন্দর থানায় করা একটি মামলায় আখতারুজ্জামানকে আসামি করা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এ জন্য ফরওয়ার্ডিং প্রস্তুত করা হচ্ছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে (ইডি) হুমকি এবং নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়। মামলা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম  বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের পর বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি