খুঁজুন
                               
, ,
           

কুয়াকাটাকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে দক্ষিণের অর্থনৈতিক বলয়

কুয়াকাটা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটাকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে দক্ষিণের অর্থনৈতিক বলয়

পরিকল্পিত উন্নয়ন, সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ, আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করা গেলে পটুয়াখালীর কুয়াকাটাকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে। সৈকত, দ্বীপ, চর, ম্যানগ্রোভ বন, মৎস্যসম্পদ, কৃষি ও রাখাইন সংস্কৃতিকে সমন্বিত করে গড়ে উঠতে পারে একটি বিস্তৃত উপকূলীয় পর্যটন বলয়।

কুয়াকাটার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সমুদ্রের বুক থেকে সূর্যোদয় ও দিগন্তের ওপারে সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ। তবে এর পর্যটন সম্ভাবনা শুধু সৈকতে সীমাবদ্ধ নয়। লেম্বুরবনের ম্যানগ্রোভ, গঙ্গামতির চর, ঝাউবন, লাল কাঁকড়ার বিচরণ ও বিস্তীর্ণ বালুচর পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনার চর, চর হেয়ার, চর বিজয়, চর তুফানিয়া, ক্রাব আইল্যান্ড ও জাহাজমারা সমুদ্রসৈকতও নতুন পর্যটন গন্তব্য হিসেবে সম্ভাবনাময়। এসব স্থানকে পরিকল্পিতভাবে কুয়াকাটার সঙ্গে যুক্ত করা গেলে তৈরি হতে পারে বিস্তৃত উপকূলীয় পর্যটন নেটওয়ার্ক।

পর্যটন ব্যবসায়ী ও পরিবেশকর্মী মো. নেছার উদ্দিন হাওলাদার বলেন, চর হেয়ার, সোনার চর বা চর তুফানিয়ার মতো কোনো একটি দ্বীপকে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা গেলে দেশি-বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করা সম্ভব। এতে পর্যটন আয় ও সরকারি রাজস্ব বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে।

কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা বলেন, বর্তমানে দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা কুয়াকাটায় আসছেন। জেলার দ্বীপগুলোর নির্জন প্রকৃতি, বালুচর, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, জেলেদের জীবনযাত্রা ও নৌভ্রমণ পর্যটকদের ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা দিতে পারে।

কুয়াকাটা রাখাইন মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, রাখাইন সম্প্রদায়ের শত বছরের সংস্কৃতি, পোশাক, হস্তশিল্প ও জীবনযাত্রাও পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প ও প্রশিক্ষিত স্থানীয় গাইডের মাধ্যমে পর্যটকদের সামনে এ সংস্কৃতি তুলে ধরা সম্ভব।

হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ বলেন, বর্তমানে কুয়াকাটায় একদিনের পর্যটক বেশি। পর্যটকদের দু-তিন দিন ধরে রাখতে সুন্দরবন, ফাতরাবন, সোনার চর, চর বিজয় ও ক্রাব আইল্যান্ডে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব নৌভ্রমণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এতে আবাসন, খাবার, নৌযান ও গাইডসেবায় স্থানীয়দের আয় ও কর্মসংস্থান বাড়বে।

কুয়াকাটার অর্থনীতির আরেকটি বড় ভিত্তি মৎস্য ও কৃষি। আলীপুর ও মহিপুর মৎস্যবন্দরকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন শত শত ট্রলার ও হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। মৎস্যবন্দর পরিদর্শন, সামুদ্রিক মাছের স্বাদ এবং জেলেদের জীবনযাত্রাকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করে ‘ফিশারিজ ট্যুরিজম’ চালু করা যেতে পারে।

এ ছাড়া স্থানীয় কৃষিপণ্য, সামুদ্রিক মাছ, রাখাইন হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও নৌভ্রমণকে পর্যটনসেবার সঙ্গে যুক্ত করা গেলে এর সুফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের চাহিদা বাড়ায় কুয়াকাটায় বিভিন্ন মানের হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে। বড় বিনিয়োগের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে। তবে পরিচ্ছন্ন সৈকত, নিরাপদ পরিবেশ, বিশুদ্ধ পানি, দক্ষ গাইড ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োজন।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ও প্রশাসন কাজ করছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, ভবিষ্যতে সমুদ্রসৈকতের পাশাপাশি নদী, বন, দ্বীপ, মৎস্যসম্পদ ও রাখাইন সংস্কৃতিকে ঘিরে বহুমাত্রিক পর্যটন বিকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটনের মাধ্যমে কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরাই লক্ষ্য।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

যেখানে-সেখানে বাস থামানো বন্ধে আসছে নতুন নিয়ম

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
যেখানে-সেখানে বাস থামানো বন্ধে আসছে নতুন নিয়ম

রাজধানীর সড়কে যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো, একই রুটে একাধিক কোম্পানির বাসের মধ্যে প্রতিযোগিতা এবং নির্ধারিত স্টপেজ না মানার প্রবণতা বন্ধে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১ নভেম্বর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর কয়েকটি রুটে চালু হতে যাচ্ছে ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ নীতি। নতুন ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট রুটে একটি কোম্পানির অধীনে সমন্বিতভাবে বাস পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত স্টপেজ ছাড়া বাস থামানোর বিরুদ্ধে জরিমানা ও অভিযান জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর গণপরিবহনে দীর্ঘদিন ধরে একই রুটে একাধিক কোম্পানির বাস চলাচল করে আসছে। যাত্রী তুলতে বাসগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা, যেখানে-সেখানে থামানো এবং নির্ধারিত স্টপেজ উপেক্ষা করার কারণে সড়কে যানজট ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। এ পরিস্থিতি পরিবর্তন করে বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকার ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ নীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল একই রুটে একাধিক কোম্পানির বাসের পরিবর্তে একটি কোম্পানির অধীনে বাস পরিচালনা করা।

প্রাথমিকভাবে রাজধানীর ছয়টি সাধারণ বাস রুটে এবং তিনটি সার্কুলার রুটে নতুন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাধারণ রুটগুলোর মধ্যে পাঁচটিতে নন-এসি এবং একটি রুটে এসি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।নতুন ব্যবস্থার অন্যতম লক্ষ্য হলো যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানোর প্রবণতা কমানো। এতে শুধু বাস কোম্পানির পরিচালনব্যবস্থায় পরিবর্তন নয়, সড়কে চলাচলের নিয়ম মানার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।

নির্ধারিত স্টপেজের বাইরে বাস থামালে জরিমানার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর ফলে যাত্রীদের যেখানে-সেখানে হাত দেখিয়ে বাস থামানোর প্রবণতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যাত্রী তুলতে বাসগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বন্ধ হলে সড়কে যান চলাচল আরও স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।প্রথম পর্যায়ে ৩২টি প্রস্তাবিত সাধারণ বাস রুটের মধ্যে ছয়টি রুট নির্বাচন করা হয়েছে। এসব রুটে বিভিন্ন পরিবহনের বাস নির্দিষ্ট কোম্পানির অধীনে পরিচালিত হবে।গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ঢাকেশ্বরী মন্দির পর্যন্ত রুটে শিববাড়ী, টঙ্গী, বিমানবন্দর, মহাখালী, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নিউমার্কেট হয়ে বাস চলাচল করবে। এ রুটে ভিআইপি পরিবহন ও বিকাশ পরিবহনের বাস ‘ভিআইপি পরিবহন’ কোম্পানির অধীনে পরিচালিত হবে। এ রুটে বাসের সংখ্যা ২৫৩টি।

মিরপুর-কেরানীগঞ্জ রুটে চিড়িয়াখানা, মিরপুর-১, কল্যাণপুর, শাহবাগ, জিরো পয়েন্ট ও বাবুবাজার হয়ে বাস চলাচল করবে। এ রুটে দিশারী পরিবহন, তানজিল পরিবহন ও মেট্রো লিংকের বাস ‘চিড়িয়াখানা সিটি বাস’ কোম্পানির অধীনে পরিচালিত হবে। এ রুটে বাস থাকবে ১৩৩টি।ঘাটারচর-ডেমরা রুটে মোহাম্মদপুর, জিগাতলা, মৎস্যভবন, রাজমনি, মৌচাক, রামপুরা ও বনশ্রী হয়ে বাস চলাচল করবে। এ রুটে ‘রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ’ কোম্পানির অধীনে ৭০টি বাস পরিচালিত হবে।ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে মোহাম্মদপুর, জিগাতলা, শাহবাগ, পল্টন, যাত্রাবাড়ী, গুলিস্তান ফ্লাইওভার, মাতুয়াইল ও সাইনবোর্ড হয়ে বাস চলবে। এ রুটে রজনীগন্ধা, মালঞ্চ, সময় ও মিডলাইন পরিবহনের বাস ‘ফোর স্টার বাস লাইন’ কোম্পানির অধীনে পরিচালিত হবে। এ রুটে বাসের সংখ্যা ১৫০টি।

ঘাটারচর-ধউর রুটে মোহাম্মদপুর, আসাদগেট, টেকনিক্যাল, মিরপুর-১, কালশী, বিমানবন্দর ও আবদুল্লাহপুর হয়ে বাস চলাচল করবে। এ রুটে পরিস্থান ও প্রজাপতি পরিবহনের বাস ‘পিএনপি সিটি সার্ভিস’ কোম্পানির অধীনে পরিচালিত হবে। এ রুটে থাকবে ১৯০টি বাস।অন্যদিকে টঙ্গী-ঢাকেশ্বরী রুটে কলেজগেট, আবদুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, এক্সপ্রেসওয়ে, ফার্মগেট, আসাদগেট, সায়েন্স ল্যাব ও আজিমপুর হয়ে বাস চলবে। এ রুটে ‘ঢাকা চাকা’ কোম্পানির অধীনে ২০টি বাস পরিচালিত হবে।সাধারণ বাস রুটের পাশাপাশি রাজধানীর তিনটি সার্কুলার রুটেও নতুন ব্যবস্থার আওতায় বাস পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব রুটে নির্দিষ্ট পথ অনুসরণ করে বাস চলাচল করবে।প্রথম সার্কুলার রুটটি ফার্মগেট থেকে শুরু হয়ে পলাশী, পান্থপথ সিগন্যাল, সেন্ট্রাল রোড, সায়েন্স ল্যাব, নিউমার্কেট ও আজিমপুর হয়ে চলাচল করবে। এ রুটে ‘ঢাকা চাকা’ কোম্পানির ২০টি বাস চলবে।

দ্বিতীয় সার্কুলার রুটটি মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে আসাদগেট, ধানমন্ডি-২৭, কলাবাগান, সায়েন্স ল্যাব, নিউমার্কেট, পলাশী, জিগাতলা ও শংকর হয়ে আবার মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডে ফিরবে। এ রুটেও ‘ঢাকা চাকা’ কোম্পানির ২০টি বাস পরিচালিত হবে।তৃতীয় সার্কুলার রুটটি কদম চত্বর থেকে শুরু হয়ে জমজম টাওয়ার, হাউস বিল্ডিং, স্লুইস গেট, কামারপাড়া খালপাড়, মেট্রো ডিপো, নর্থ স্টেশন ও সেন্ট্রাল স্টেশন হয়ে পঞ্চবটিতে পৌঁছাবে। এ রুটে ‘উত্তরা’ বাস কোম্পানির ২০টি বাস চলাচল করবে।

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলম মনে করেন, নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজধানীর বাস চলাচল ও ট্রাফিক পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তাঁর মতে, বাস পরিচালনার পাশাপাশি নির্ধারিত স্টপেজ ও সড়কের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করাও জরুরি।তিনি বলেন, আইন অমান্যকারী বাসচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা প্রয়োজন। আগামী ছয় মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরীর বাস পরিচালনায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১১ অক্টোবর থেকে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন যৌথভাবে অভিযান শুরু করেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের সহযোগিতায় রাজধানীর ১৭টি স্থানে অবৈধ ও বিশৃঙ্খলভাবে চলাচলকারী বাসের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

ফুলবাড়িয়া যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. আউয়াল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হাজী আবুল কাশেম জানিয়েছেন, বর্তমানে ১৭টি স্থানে স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে। যেখানে-সেখানে বাস থামানো বন্ধ করা এ কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য। নির্ধারিত স্টপেজের বাইরে বাস থামালে জরিমানাও করা হচ্ছে।রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ নীতি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলেও এর সফলতা নির্ভর করবে নিয়মিত তদারকি ও আইন প্রয়োগের ওপর। নির্ধারিত রুট ও স্টপেজ মেনে বাস চলাচল নিশ্চিত করা গেলে যাত্রী ওঠানো-নামানো নিয়ে প্রতিযোগিতা কমতে পারে। একই সঙ্গে সড়কে অযথা যানজট ও বিশৃঙ্খলা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।তবে নতুন ব্যবস্থায় বাস কোম্পানিগুলোর সমন্বয়, চালকদের নিয়ম মানানো এবং যাত্রীদের নির্ধারিত স্টপেজ ব্যবহারে অভ্যস্ত করাও গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে এই ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানো হবে কি না, তা স্পষ্ট হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

অস্বাস্থ্যকর খাবার চিনতে প্যাকেটে সতর্কবার্তার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
অস্বাস্থ্যকর খাবার চিনতে প্যাকেটে সতর্কবার্তার দাবি

প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বির উপস্থিতি সহজে শনাক্ত করতে মোড়কের সামনের অংশে সতর্কবার্তা চালুর দাবিতে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু হয়েছে। ভোক্তাদের স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিতে সহায়তা এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসজনিত রোগের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো দুই মাসব্যাপী এ গণমাধ্যম প্রচারণা শুরু করা হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। আয়োজকদের মতে, প্যাকেটের সামনে সতর্কতামূলক লেবেল বা ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল) থাকলে ভোক্তারা কোনো খাবারে ক্ষতিকর উপাদান অতিরিক্ত পরিমাণে রয়েছে কি না, তা সহজেই বুঝতে পারবেন। বর্তমানে প্যাকেটজাত খাবারের পুষ্টিগুণ ও উপাদান সম্পর্কে জানতে ভোক্তাদের সাধারণত মোড়কের গায়ে থাকা তথ্য পড়তে হয়। আয়োজকদের বক্তব্য, প্যাকেটের সামনের অংশে স্পষ্ট সতর্কবার্তা থাকলে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার সহজে শনাক্ত করা যাবে।

এ ধরনের লেবেলিং ব্যবস্থা চালু হলে খাবার কেনার সময় ভোক্তারা দ্রুত পুষ্টিসংক্রান্ত তথ্য বুঝতে পারবেন এবং তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর পণ্য বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ক্ষতিকর উপাদানযুক্ত খাবার কেনার প্রবণতা কমাতেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন উদ্যোগটির আয়োজকেরা।

জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রচারণার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মো. শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত অস্বাস্থ্যকর মোড়কজাত খাবার ও পানীয় সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে মোড়কের সামনে সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রবিধানমালা প্রণয়নে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।

আয়োজকেরা মনে করছেন, জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সতর্কতামূলক লেবেল চালুর জন্য কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন জরুরি। এ ব্যবস্থা কার্যকর হলে ভোক্তারা পণ্যের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাবেন এবং খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

প্রচারণার অংশ হিসেবে ভিডিও ও অডিও বিজ্ঞাপন, স্থিরচিত্র এবং বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক উপকরণ তৈরি ও প্রচার করা হবে। টেলিভিশন, রেডিও, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন ও মুদ্রিত সংবাদপত্র এবং গুগল বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব উপকরণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচারণার বার্তা প্রকাশ করা হবে। সাধারণ মানুষকে প্যাকেটজাত খাবারের পুষ্টিগুণ এবং অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বি গ্রহণের সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কে সচেতন করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগের ক্রমবর্ধমান বোঝার প্রেক্ষাপটে এ প্রচারণা শুরু হয়েছে। আয়োজকদের দেওয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশের জন্য দায়ী অসংক্রামক রোগ। হৃদ্‌রোগ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিস এ ধরনের রোগের অন্যতম প্রধান উদাহরণ। আয়োজকদের দেওয়া তথ্যে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে অতিরিক্ত ওজনের হার প্রায় ৩১ দশমিক ৮ শতাংশ এবং স্থূলতার হার ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। অতিরিক্ত ওজন ও স্থূলতা হৃদ্‌রোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং স্ট্রোকসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো তাই জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্যাকেটের সামনে সতর্কবার্তা থাকলে খাবারের উপাদান সম্পর্কে সহজে ধারণা পাওয়া যায় এবং খাদ্য নির্বাচনে সচেতনতা তৈরি হতে পারে। প্রচারণায় প্যাকেটজাত খাবারের মোড়কের সামনের অংশে অষ্টভুজ আকৃতির সতর্কবার্তা চালুর বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এ ধরনের লেবেলে কোনো পণ্যে অতিরিক্ত চিনি, লবণ বা সম্পৃক্ত চর্বি থাকলে তা সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আয়োজকেরা মনে করেন।

পুষ্টিসংক্রান্ত তথ্য সহজ ও স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করলে ভোক্তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়। বিশেষ করে কেনাকাটার সময় দীর্ঘ উপাদান তালিকা বিশ্লেষণ না করেও সতর্কবার্তার মাধ্যমে পণ্যের সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

আয়োজকদের মতে, এ ধরনের লেবেলিং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত রোগের ঝুঁকি কমানোর একটি প্রমাণভিত্তিক নীতিগত উদ্যোগ। তবে এ ব্যবস্থা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ। আয়োজকেরা জানান, সাধারণভাবে ব্যবহৃত প্যাকেটজাত খাবার ও পানীয়তে থাকা অস্বাস্থ্যকর উপাদান সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো এ প্রচারণার অন্যতম উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে দেশে প্যাকেটজাত খাদ্য ও পানীয়ের মোড়কের সামনে সতর্কতামূলক লেবেল চালুর বিষয়ে প্রবিধানমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে সরকারকে সহায়তা করাও এ উদ্যোগের লক্ষ্য। এ জন্য ভোক্তা, নীতিনির্ধারক এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সচেতনতা ও আলোচনা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (খাদ্যশিল্প ও উৎপাদন) অধ্যাপক মোহাম্মদ শোয়েব এবং গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের কান্ট্রি লিড মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিভাগের পরিচালক ইকবাল মাসুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদ, প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের এবং সেন্টার ফর ল অ্যান্ড পলিসি অ্যাফেয়ার্সের (সিএলপিএ) সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম। প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান), ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট, কোয়ালিশন ফর হেলদি ফুড এবং সিএলপিএ যৌথভাবে এ প্রচারণার আয়োজন করেছে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

দেশের উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলকে (বিএসি) আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এ সময় রাষ্ট্রপতি কাউন্সিলের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠায় অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের দায়িত্বের কথা তুলে ধরেন। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও সক্রিয় ও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। উচ্চশিক্ষার মান যাচাই, স্বীকৃতি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা তৈরির ক্ষেত্রে অ্যাক্রেডিটেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ কারণে কাউন্সিলের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন বলে আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় কাউন্সিলের স্থায়ী নিজস্ব ভবন প্রাপ্তির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং সক্ষমতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

চেয়ারম্যান জানান, বিদেশে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের স্বীকৃতি এবং গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রে অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সনদ বিশেষভাবে সহায়ক। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার গ্রহণযোগ্যতা এবং দক্ষ জনশক্তির পরিচিতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে মান নিশ্চিতকরণ গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে কাউন্সিলের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হলে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার মান ও সনদের গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। সাক্ষাৎকালে কাউন্সিলের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আরও উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বাস দেন তিনি। কাউন্সিলের কার্যক্রম সম্প্রসারণ, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে কাউন্সিলের পূর্ণকালীন সদস্য মো. এমদাদুল হক, অধ্যাপক ড. আহমেদ আবদুল্লাহ জামাল, অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান এবং অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ সময় রাষ্ট্রপতির সচিব, প্রেস সচিব, সহকারী সামরিক সচিব এবং রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিবও উপস্থিত ছিলেন। উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠা এবং অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো এ সাক্ষাতে গুরুত্ব পায়।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি