খুঁজুন
                               
, ,
           

কুয়াকাটাকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে দক্ষিণের অর্থনৈতিক বলয়

কুয়াকাটা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটাকে ঘিরে গড়ে উঠতে পারে দক্ষিণের অর্থনৈতিক বলয়

পরিকল্পিত উন্নয়ন, সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ, আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করা গেলে পটুয়াখালীর কুয়াকাটাকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে। সৈকত, দ্বীপ, চর, ম্যানগ্রোভ বন, মৎস্যসম্পদ, কৃষি ও রাখাইন সংস্কৃতিকে সমন্বিত করে গড়ে উঠতে পারে একটি বিস্তৃত উপকূলীয় পর্যটন বলয়।

কুয়াকাটার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সমুদ্রের বুক থেকে সূর্যোদয় ও দিগন্তের ওপারে সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ। তবে এর পর্যটন সম্ভাবনা শুধু সৈকতে সীমাবদ্ধ নয়। লেম্বুরবনের ম্যানগ্রোভ, গঙ্গামতির চর, ঝাউবন, লাল কাঁকড়ার বিচরণ ও বিস্তীর্ণ বালুচর পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনার চর, চর হেয়ার, চর বিজয়, চর তুফানিয়া, ক্রাব আইল্যান্ড ও জাহাজমারা সমুদ্রসৈকতও নতুন পর্যটন গন্তব্য হিসেবে সম্ভাবনাময়। এসব স্থানকে পরিকল্পিতভাবে কুয়াকাটার সঙ্গে যুক্ত করা গেলে তৈরি হতে পারে বিস্তৃত উপকূলীয় পর্যটন নেটওয়ার্ক।

পর্যটন ব্যবসায়ী ও পরিবেশকর্মী মো. নেছার উদ্দিন হাওলাদার বলেন, চর হেয়ার, সোনার চর বা চর তুফানিয়ার মতো কোনো একটি দ্বীপকে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা গেলে দেশি-বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করা সম্ভব। এতে পর্যটন আয় ও সরকারি রাজস্ব বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হবে।

কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা বলেন, বর্তমানে দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা কুয়াকাটায় আসছেন। জেলার দ্বীপগুলোর নির্জন প্রকৃতি, বালুচর, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, জেলেদের জীবনযাত্রা ও নৌভ্রমণ পর্যটকদের ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা দিতে পারে।

কুয়াকাটা রাখাইন মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, রাখাইন সম্প্রদায়ের শত বছরের সংস্কৃতি, পোশাক, হস্তশিল্প ও জীবনযাত্রাও পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প ও প্রশিক্ষিত স্থানীয় গাইডের মাধ্যমে পর্যটকদের সামনে এ সংস্কৃতি তুলে ধরা সম্ভব।

হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ বলেন, বর্তমানে কুয়াকাটায় একদিনের পর্যটক বেশি। পর্যটকদের দু-তিন দিন ধরে রাখতে সুন্দরবন, ফাতরাবন, সোনার চর, চর বিজয় ও ক্রাব আইল্যান্ডে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব নৌভ্রমণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এতে আবাসন, খাবার, নৌযান ও গাইডসেবায় স্থানীয়দের আয় ও কর্মসংস্থান বাড়বে।

কুয়াকাটার অর্থনীতির আরেকটি বড় ভিত্তি মৎস্য ও কৃষি। আলীপুর ও মহিপুর মৎস্যবন্দরকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন শত শত ট্রলার ও হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। মৎস্যবন্দর পরিদর্শন, সামুদ্রিক মাছের স্বাদ এবং জেলেদের জীবনযাত্রাকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করে ‘ফিশারিজ ট্যুরিজম’ চালু করা যেতে পারে।

এ ছাড়া স্থানীয় কৃষিপণ্য, সামুদ্রিক মাছ, রাখাইন হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী খাবার ও নৌভ্রমণকে পর্যটনসেবার সঙ্গে যুক্ত করা গেলে এর সুফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের চাহিদা বাড়ায় কুয়াকাটায় বিভিন্ন মানের হোটেল, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁ গড়ে উঠছে। বড় বিনিয়োগের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানও তৈরি হচ্ছে। তবে পরিচ্ছন্ন সৈকত, নিরাপদ পরিবেশ, বিশুদ্ধ পানি, দক্ষ গাইড ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োজন।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ও প্রশাসন কাজ করছে। পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, ভবিষ্যতে সমুদ্রসৈকতের পাশাপাশি নদী, বন, দ্বীপ, মৎস্যসম্পদ ও রাখাইন সংস্কৃতিকে ঘিরে বহুমাত্রিক পর্যটন বিকাশের পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটনের মাধ্যমে কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরাই লক্ষ্য।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ইংল্যান্ডে বড় স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলার ফারহান

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
ইংল্যান্ডে বড় স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলার ফারহান

বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন তরুণ উইঙ্গার ফারহান আলী ওয়াহিদ। ইংলিশ ক্লাব ফুলহামের ২০২৬ সালের বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সতীর্থদের ভোটে মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কার জিতেছেন বাংলাদেশের এই ফুটবলার।

বর্তমানে ধারে ইংল্যান্ডের পঞ্চম স্তরের ক্লাব বোরহামউডে খেলছেন ফারহান। চলতি সপ্তাহে ফুলহামের অনুশীলন কেন্দ্র মটস্পার পার্কে গিয়ে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেয় ফুলহাম সাপোর্টার্স ট্রাস্ট।

ফুলহামের হয়ে গত মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন ফারহান। ক্লাবটির অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে ২১ ম্যাচে ১৭ গোলে অবদান রাখেন তিনি। গত বছরের নভেম্বরে জেতেন মাসের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। মৌসুম শেষে ক্লাবের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারের জন্যও মনোনয়ন পেয়েছিলেন এই তরুণ।

তার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হয়ে চলতি মৌসুমে তাকে ধারে দলে নেয় বোরহামউড। ক্লাবটির হয়ে এখন পর্যন্ত চারটি ম্যাচে শুরু থেকে মাঠে নেমেছেন ফারহান। ১২ ম্যাচ শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে বোরহামউড, দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের চেয়ে সাত পয়েন্ট এগিয়ে আছে তারা।

ক্লাব ফুটবলে সাফল্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় দলেও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন ফারহান। গত মাসে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয় তার। এরপর ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে বাংলাদেশের হয়ে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করেন এই তরুণ উইঙ্গার।

সতীর্থদের ভোটে পাওয়া জনি হেইনস ট্রফি জিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ফারহান। ফুলহামের ওয়েবসাইটে তিনি বলেন, সতীর্থদের ভোটে এই পুরস্কার জেতা তার জন্য দারুণ আনন্দের। সতীর্থদের সমর্থন, অনুপ্রেরণা এবং নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তাকে আরও ভালো খেলোয়াড় হতে সাহায্য করেছে বলেও জানান তিনি।

ইংল্যান্ডের ক্লাব ফুটবলে এমন স্বীকৃতি এবং বাংলাদেশের জাতীয় দলের হয়ে গোল—দুই অর্জনই ফারহানের ক্যারিয়ারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ড চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ, নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডিপি ওয়ার্ল্ড চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ, নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ

বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বহুজাতিক লজিস্টিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ড। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আগ্রহের কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিদল।

ডিপি ওয়ার্ল্ডের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান এসা কাজিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বন্দর ব্যবস্থাপনা, লজিস্টিকস খাতের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা ও আধুনিকায়নে বাংলাদেশ ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৫ বছর মেয়াদি ‘কনসেশন চুক্তি’ নিয়েও আলোচনা করা হয়।

চুক্তির আওতায় কনটেইনার টার্মিনাল ও এর ওভারফ্লো কনটেইনার ইয়ার্ড পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে ডিপি ওয়ার্ল্ড। টার্মিনালটির আধুনিকায়ন, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বন্দর ও লজিস্টিকস অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়াতে এ অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন এবং রেলভিত্তিক ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) স্থাপনসহ নতুন বিনিয়োগের বিষয়ে ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধিদলের আগ্রহের কথা জানতে চান।

জবাবে ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধিদল এসব খাতে সহযোগিতা ও নতুন বিনিয়োগের বিষয়ে তাদের ব্যাপক আগ্রহের কথা জানায়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

আবরার হত্যা: রায় কার্যকরে পরিবারকে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫১ অপরাহ্ণ
আবরার হত্যা: রায় কার্যকরে পরিবারকে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে রায় কার্যকরের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশ্বাস দেন।

সাক্ষাতে আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ, মা রোকেয়া খাতুন, ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ, এক মামা ও এক চাচা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

আবরারের বাবা হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে রায় কার্যকরের দাবি জানান। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। আদালত স্বাধীনভাবে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

সাক্ষাতে আবরারের বাবা কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানান। প্রধানমন্ত্রী সেতুটি নির্মাণের আশ্বাস দেন এবং এর নাম আবরার ফাহাদের নামে করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এ ছাড়া আবরারের কবর পাকাকরণ ও পাশের মসজিদের নির্মাণকাজে সহযোগিতার অনুরোধ জানানো হলে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবিও জানায় পরিবার।

আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ বুয়েটে আবরারের নামে একটি হল নির্মাণ এবং পাঠ্যবইয়ে তার ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষা সচিবের সঙ্গে কথা বলেন।

আবরারের মা রোকেয়া খাতুন বলেন, কোনো ক্যাম্পাসেই যেন আগের মতো পরিবেশ ফিরে না আসে। তার মতো আর কোনো মায়ের বুক যেন এভাবে খালি না হয়।

সাক্ষাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির উপস্থিত ছিলেন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত হন আবরার ফাহাদ। এ হত্যা মামলায় ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট ওই রায় বহাল রাখেন। বর্তমানে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি